সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা থাকার পরই আমারা বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে পারবো- বিক্রম দোরাই স্বামী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর চামড়া কিনে বিপাকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা কসবায় রিসোর্টে ঘুরতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন ২৫ জন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান করোনায় আক্রান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ হাজার কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নাসিরনগরে অসুস্থ মানুষের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ কসবায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে আইনমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর কোন সংকট নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুড়ানো হলো ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল দিল্লী গেলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী বলেছেন, ভারতে টিকার উৎপাদন বেড়েছে। ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা থাকার পরই আমারা বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে পারবো। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফেরার পথে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিক্রম দোরাই স্বামী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য বেড়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি হলে দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য আরো বাড়বে। বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ বলতে পারেন নি ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী আখাউড়া স্থলবন্দরে দু’দেশের শূণ্য রেখায় পৌছলে তাকে স্বাগত জানান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান।

এ সময় হাই কমিশনারের সাথে তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা দুরাই স্বামীসহ স্বজনেরা ছিলেন। উল্লেখ্য গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা দুরাই স্বামী আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারতে যান।

ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা থাকার পরই আমারা বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে পারবো- বিক্রম দোরাই স্বামী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। তারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে চামড়া কিনে পাইকারী ব্যবসায়ীদের কাছে কম মূল্যে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। এতে তাদের বড় অংকের টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। আবার মাঠ পর্যায়ে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের সংখ্যা কম থাকায় অধিকাংশ মানুষ তাদের কোরবানীর পশুর চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মসজিদ ও এতিমখানায় দান করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রক্রিয়াজাতকারী কাঁচা চামড়ার দাম ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট ৩৩ থেকে ৩৪ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু সেই দামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চামড়া বিক্রি হয়নি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে চামড়া কিনে জেলা শহরের পুরাতন কাচারী প্রাঙ্গণ, তোফায়েল আজম মনুমেন্ট (মঠের গোড়া), টি.এ.রোড, জেলরোড, পৌর আধুনিক সুপার মার্কেটসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় জড়ো হন। সাধারণত ঈদের দিন বিকেলেই এসব জায়গায় তারা চামড়া নিয়ে বসেন। এসব জায়গা থেকেই ক্রেতারা চামড়া কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যায় তাদের গন্তব্যে। তবে জেলার সবচেয়ে বড় চামড়ার বাজার বসে সরাইল উপজেলা সদরের বিকাল বাজারে।

ব্যবসায়ীরা জানান, আগের বছর গুলোতে শহর এবং শহরের আশপাশ এলাকা থেকে অসংখ্য খুচরা ও মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী এখানে চামড়া নিয়ে আসতেন। কিন্তু এবার সেই সংখ্যা অনেক কম। তাঁদের মতে, আগের বছর গুলোতে লোকসান হওয়ায় এবং প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় এবার অধিকাংশ মৌসুমি ব্যবসায়ী মাঠ পর্যায়ে চামড়া কিনেনি। তবে বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানা থেকে চামড়া নিয়ে আসছেন পাইকারদের কাছে। তবে আমরা চামড়া কিনেছি। দাম পাবো কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, চামড়া কিনে তাদের লোকসান গুনতে হয়েছে। নগদ দামে চামড়া কিনে পাইকারদের কাছে বাকিতে বিক্রি করতে হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা একটি বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা ও মাঝারী গরুর চামড়া ২০০/২৫০ টাকা করে কিনেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাজীপাড়া মহল্লার চামড়া ব্যবসায়ী সেন্টু মিয়া বলেন, ৩০ টাকা ফুট হিসেবে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গরুর ২২ টি চামড়া কিনেছি।

চামড়া ব্যবসায়ী সুমন মিয়া, শরিফ মিয়া শাকিল মিয়া ও মোহাম্মদ কায়েস মিয়া বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চামড়ার ব্যবসা করেন। এ বছর পুঁজি সংকট থাকায় ধার দেনা করে কিছু চামড়া কিনেছি।  ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা করে গরুর চামড়া কিনে পাইকারদের কাছে ৪০০-৫০০ টাকা করে বিক্রি করেছি। এর মধ্যে পরিবহন খরচ তো আছেই।

একজন ব্যবসায়ী বলেন, ৩০০ টাকা দিয়ে একটি চামড়া কিনে লবণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে আরও ৩০০ টাকা খরচ হয়। এরপর পরিবহন খরচ দিয়ে ট্যানারিতে পাঠাতে হয়। সে অনুযায়ী মূল্য পাব কিনা নিশ্চয়তা নেই।

পৌর শহরের শিমরাইলকান্দি গ্রামের তারেকুল ইসলাম, কাউতলি গ্রামের মেহেদী হাসান, ফুলবাড়িয়ার খাইরুল কবির বলেন, বুধবার (ঈদের দিন) সন্ধ্যা পর্যন্ত চামড়া কিনতে কেই না আসায় চামড়া মসজিদকে দিয়ে দিয়েছি।

সরাইল উপজেলার চামড়ার ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বলেন, মহিষের চামড়া গড়ে ৪০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকায় এবং গরুর চামড়া গড়ে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা করে কিনেছি।

তিনি বলেন, আমরা চামড়া ভালো দামে বিক্রি করতে পারলে ভালো দামে চামড়া কিনতাম। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশে চামড়া শিল্প বিরাট ধাক্কা খাবে। দেশের চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে হলে সরকারের উচিত এই খাতের প্রতি নজর দেয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর চামড়া কিনে বিপাকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কসবায় সরকার ঘোষিত লকডাউন উপেক্ষা করে রিসোর্টে ঘুরতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন ২৫ জন। শুক্রবার দুপুরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাসিবা খান উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় অবস্থিত “ কিং অব কসবা” রিসোর্টে  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হাসিবা খান বলেন, সরকার ঘোষিত “সবচেয়ে কঠোর” লকডাউন উপেক্ষা করে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় “কিং অফ কসবা রিসোর্টে” অনেকেই ঘুরাফেরা করতে আসেন। খবর পেয়ে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২৫ জনকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা প্রচার-প্রচারণা ও মাস্ক বিতরণের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করেছি। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কসবায় রিসোর্টে ঘুরতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন ২৫ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনাভাইরাস জনিত কারণে কর্মহীন দর্জি, বেদে সম্প্রদায়, তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী, পরিবহন শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, গৃহকর্মী,সংবাদপত্র হকার, ফুটপাতের হকার, ঋষি সম্প্রদায়ের লোকজনসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার ১ হাজার মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় স্থানীয় নিয়াজ মুহাম্মদ স্টেডিয়ামে এইসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খানের সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামি, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ.এইচ মাহবুব আলম প্রমুখ।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলো ১০ কেজি করে চাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, আধা কেজি ডাল, আধা কেজি চিনি, আধা কেজি সুজি, আধা কেজি সেমাই, ২০০ গ্রাম দুধ, ১ কেজি আলু, ১ কেজি পেয়াজ ও ২টি সাবান।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মোকতাদির চৌধুরী  বলেন, আপনারা অতীতে অনেক সরকার দেখেছেন। একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ছাড়া কোন সরকার দুর্দিনে জনগনের পাশে দাঁড়ায়নি। শেখ হাসিনার সরকার সব সময় মানুষের পাশে থাকে। সে জন্যই আজ কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, দুর্দিনে বিএনপি মানুষের পাশে নেই। তাদের একমাত্র কাজ হচ্ছে আওয়ামী লীগের সমালোচনা করা। বিএনপির তো টাকা-পয়সা কম নেই, কিন্তু তারা অসহায় মানুষের পাশে দাড়ায় না। আওয়ামী লীগ বিরোধ দল থাকলেও জনগণের পাশে থাকে, সরকারে থেকেও আছে।

এ সময় তিনি হেফাজতে ইসলামের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, কিছু লোক আছে তারা শুধু নিতে জানে, দিতে জানে না। তারা সব সময় আল্লাহ-রাসুলের কথা বলেন, কিন্তু কাউকে কিছু দেয় না। তিনি কোরবানির ঈদে সকলকে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ হাজার কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিনগরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিকিৎসা তহবিল থেকে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, হৃদরোগে প্যারালাইজড ৫ জনসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ১০০ জন রোগীর মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নাসিরনগর অডিটরিয়ামে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের মধ্যে চেক বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে অসুস্থ মানুষের হাতে অনুদানের আর্থিক চেক তুলে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বি.এম. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ লিয়াকত আব্বাস টিপুর সঞ্চালনায় চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ রাফিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিকিৎসা তহবিল থেকে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, হৃদরোগে প্যারালাইজডসহ জটিল রোগে আক্রান্ত ৫ জনকে ১২ লাখ টাকা ও সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল হতে একশ জনের মধ্যে পাঁচ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

নাসিরনগরে অসুস্থ মানুষের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, সকলে মিলে করোনা ভাইরাসকে মোকাবিলা করতে হবে। একমাত্র আল্লাহই পারেন এই অবস্থা থেকে আমাদেরকে পরিত্রাণ দিতে।
তিনি সোমবার দুপুরে কসবা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কসবা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে করোনা পরিস্থিতি ও আসন্ন ঈদ-উল আযহা উদযাপন নিয়ে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সাহসিকতায় আমরা করোনাকালে বড় ধরণের প্রভাব থেকে রক্ষা পাচ্ছি। এমন পরিস্থিতে আমরা বিরোধী দলকে করোনাকালে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে দেখিনি।

এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, আপনারা সাংবাদিকতায় সমস্যার তুলে ধরবেন। পাশাপাশি সমস্যা সমাধানের সংবাদও প্রকাশ করবেন বলে আশা করি। এ জন্যে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওসার ভূইয়া জীবন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ-উল-আলম, কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক এম জি হাক্কানী, কসবা প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল হান্নান, কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী, কুটি ইউপি চেয়ারম্যান ছায়েদুর রহমান স্বপন।

মত বিনিময়কালে কসবা উপজেলা প্রেসক্লাবের জায়গা সহ অফিস ভবনের জন্যে আইনমন্ত্রীর কাছে দাবি জানানো হয়।

কসবায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমে উঠেছে অস্থায়ী পশুর হাটগুলো। এর পাশাপাশি খামারগুলোতে চলছে অনলাইনে পশু বেচা-কেনা।

সদর উপজেলার ৫টি ও পৌর এলাকার ১টি পশুর হাট বসেছে গত শনিবার (১৭ জুলাই) থেকে, চলবে ২০ জুলাই পর্যন্ত। তবে কিছু কিছু বাজারে ঈদের দিন সকালেও পশু বেচা কেনা হবে। এসব অস্থায়ী বাজারে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি। মুখে মাস্ক পরিধান না করেই বাজারগুলোতে যাচ্ছেন অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতা।

ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে অনলাইনে কোরবানীর পশু কেনা-বেচা করতে পারেন সেজন্য জেলা প্রানিসম্পদ কার্যালয়ের উদ্যোগে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ফেসবুক পেইজ খোলা হয়েছে। এছাড়াও অনলাইনে গরু বিক্রির জন্য ফেসবুকে পেইজ খুলেছেন বিভিন্ন খামারের পক্ষ থেকে।

জেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর কোন সংকট নেই। প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের তথ্য মতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোরবানীর জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২টি। জেলার তালিকাভুক্ত ১২ হাজার ৩৭০টি খামারে কোরবানির জন্য লালন-পালন করা হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৪৭৭টি পশু। জেলায় চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পশু রয়েছে ৩ হাজার ৭১৫টি। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা কোরবানীর হাটে বিক্রির জন্য পশু লালন-পালন করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদর উপজেলায় ৫টি ও পৌরসভার উদ্যোগে ১টি অস্থায়ী পশু হাট করা হয়েছে। এ সব হাটে ১৭ জুলাই থেকে বিক্রেতারা তাদের পশু নিয়ে আসছেন। এসব অস্থায়ী বাজার গুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গরু ব্যবসায়ীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

গত ১৭ তারিখ থেকে বাজারগুলোতে পশু আসতে শুরু করলেও বেচা-বিক্রি তুলনামূলকভাবে একটু কম। ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে তাদের তাদের পছন্দসই পশু দেখছেন। পৌর এলাকার ভাদুঘর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের পশ্চিমে পৌরসভার উদ্যোগে করা হয়েছে অস্থায়ী পশুর হাট। রোববার দুপুরে সরজমিনে বাজারটিতে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন এলাকা থেকে বাজারে গরু, ছাগল, মহিষ নিয়ে আসছেন বিক্রেতারা। তবে তারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না।

কিশোরগঞ্জ জেলার কুরিয়ারচর উপজেলা থেকে আসা বিক্রেতা সাঈদ মিয়া বলেন, তিনি ৬টি গরু নিয়ে শনিবার বাজারে এসেছেন। রোববার দুপুর পর্যন্ত ১টা গরুও বিক্রি করতে পারেন নি। তিনি বলেন, বাজারে ক্রেতা কম। ক্রেতারা এসে শুরু দেখছেন। আশাকরি সোমবার থেকে বাজারে ক্রেতার পরিমাণ বাড়বে।

সদর উপজেলার মজলিশপুর থেকে একটি বড় গরু নিয়ে বাজারে এসেছেন আবু বক্কর নামে একজন বিক্রেতা। তিনি বলেন, তিনি তার গরুর দাম চাচ্ছেন ৬ লাখ টাকা। গরুটিতে কমপক্ষে ১৪ থেকে ১৫ মন মাংস হবে। আবু বক্কর দাবি করেন রোববার পর্যন্ত তার গরুটিই ভাদুঘর বাজারের সবচেয়ে বড় গরু।

বাজারে আসা শফিকুল আলম নামে একজন জানান, তিনি এসেছেন দেখতে। তিনি বলেন, গত ১ সপ্তাহ আগেই তিনি অনলাইনে দেখে কোরবানীর জন্য গরু কিনেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে বাজার হবে কিনা এই শঙ্কায় অনেকেই অনলাইনে খামারগুলো থেকে গরু কিনে ফেলেছেন।

ভাদুঘর গরুর বাজারের ইজারাদারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি মোঃ পলাশ মিয়া বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানীর পশু আসলেও বেচা-বিক্রি কম। তিনি বলেন, আশা করি সোমবার থেকে বাজারে ক্রেতা বাড়বে। বেচা-কেনা বাড়বে।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, গরুর বাজারগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারগুলোতে ৬টি মোবাইল টীম কাজ করছে। তিনি বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশসহ আইন-শৃংখলার বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। গরু বিক্রেতাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ.বি.এম সাইফুজামান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর কোন সংকট নেই। জেলায় কোরবানীর জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২টি। পশু আছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৪৭৭। চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পশু রয়েছে ৩ হাজার ৭১৫টি।

তিনি বলেন, বাজারগুলোর পাশাপাশি অনলাইনেও কোরবানীর পশু বিক্রি করা হচ্ছে। অনলাইনে পশু কেনা-বেচার জন্য জেলার প্রতিটি উপজেলায় ফেসবুক পেইজ খোলা হয়েছে। এতে খামারীদের যাবতীয় পশুর তথ্য আপলোড করা হচ্ছে। ইতিমধেই বেশ কিছু খামারে অনলাইনে গরু বিক্রি শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর কোন সংকট নেই


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রজনম মৌসুমে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষার্থে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  রোববার সকালে শহরের তিতাস নদীতে সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ সামছুদ্দিনের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ৩০ সেট চায়না রিং জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার ভোর ৬টা থেকে সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত তিতাস নদীর জেলা সদরের এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় নদী থেকে ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ৩০ সেট চায়না রিং (ফিক্সড ইঞ্জিন) জাল জব্দ করে পৌর শহরের মেড্ডা এলাকায় জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এসব জালের বাজার মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। অভিযান চলাকালে মুক্ত জলাশয়ে অবৈধভাবে স্থাপিত “পাটিবাঁধ” অপসারণ করা হয়।

এ ব্যাপারে অভিযান পরিচালনাকারী সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ সামছুদ্দিন বলেন, দেশীয় মাছের পোনা ও প্রজননক্ষম মাছ রক্ষার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুড়ানো হলো ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। তারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে চামড়া কিনে পাইকারী ব্যবসায়ীদের কাছে কম মূল্যে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। এতে তাদের বড় অংকের টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। আবার মাঠ পর্যায়ে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীদের সংখ্যা কম থাকায় অধিকাংশ মানুষ তাদের কোরবানীর পশুর চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মসজিদ ও এতিমখানায় দান করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রক্রিয়াজাতকারী কাঁচা চামড়ার দাম ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট ৩৩ থেকে ৩৪ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু সেই দামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চামড়া বিক্রি হয়নি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে চামড়া কিনে জেলা শহরের পুরাতন কাচারী প্রাঙ্গণ, তোফায়েল আজম মনুমেন্ট (মঠের গোড়া), টি.এ.রোড, জেলরোড, পৌর আধুনিক সুপার মার্কেটসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় জড়ো হন। সাধারণত ঈদের দিন বিকেলেই এসব জায়গায় তারা চামড়া নিয়ে বসেন। এসব জায়গা থেকেই ক্রেতারা চামড়া কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যায় তাদের গন্তব্যে। তবে জেলার সবচেয়ে বড় চামড়ার বাজার বসে সরাইল উপজেলা সদরের বিকাল বাজারে।

ব্যবসায়ীরা জানান, আগের বছর গুলোতে শহর এবং শহরের আশপাশ এলাকা থেকে অসংখ্য খুচরা ও মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী এখানে চামড়া নিয়ে আসতেন। কিন্তু এবার সেই সংখ্যা অনেক কম। তাঁদের মতে, আগের বছর গুলোতে লোকসান হওয়ায় এবং প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় এবার অধিকাংশ মৌসুমি ব্যবসায়ী মাঠ পর্যায়ে চামড়া কিনেনি। তবে বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানা থেকে চামড়া নিয়ে আসছেন পাইকারদের কাছে। তবে আমরা চামড়া কিনেছি। দাম পাবো কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, চামড়া কিনে তাদের লোকসান গুনতে হয়েছে। নগদ দামে চামড়া কিনে পাইকারদের কাছে বাকিতে বিক্রি করতে হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা একটি বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা ও মাঝারী গরুর চামড়া ২০০/২৫০ টাকা করে কিনেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাজীপাড়া মহল্লার চামড়া ব্যবসায়ী সেন্টু মিয়া বলেন, ৩০ টাকা ফুট হিসেবে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গরুর ২২ টি চামড়া কিনেছি।

চামড়া ব্যবসায়ী সুমন মিয়া, শরিফ মিয়া শাকিল মিয়া ও মোহাম্মদ কায়েস মিয়া বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চামড়ার ব্যবসা করেন। এ বছর পুঁজি সংকট থাকায় ধার দেনা করে কিছু চামড়া কিনেছি।  ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা করে গরুর চামড়া কিনে পাইকারদের কাছে ৪০০-৫০০ টাকা করে বিক্রি করেছি। এর মধ্যে পরিবহন খরচ তো আছেই।

একজন ব্যবসায়ী বলেন, ৩০০ টাকা দিয়ে একটি চামড়া কিনে লবণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে আরও ৩০০ টাকা খরচ হয়। এরপর পরিবহন খরচ দিয়ে ট্যানারিতে পাঠাতে হয়। সে অনুযায়ী মূল্য পাব কিনা নিশ্চয়তা নেই।

পৌর শহরের শিমরাইলকান্দি গ্রামের তারেকুল ইসলাম, কাউতলি গ্রামের মেহেদী হাসান, ফুলবাড়িয়ার খাইরুল কবির বলেন, বুধবার (ঈদের দিন) সন্ধ্যা পর্যন্ত চামড়া কিনতে কেই না আসায় চামড়া মসজিদকে দিয়ে দিয়েছি।

সরাইল উপজেলার চামড়ার ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বলেন, মহিষের চামড়া গড়ে ৪০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকায় এবং গরুর চামড়া গড়ে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা করে কিনেছি।

তিনি বলেন, আমরা চামড়া ভালো দামে বিক্রি করতে পারলে ভালো দামে চামড়া কিনতাম। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশে চামড়া শিল্প বিরাট ধাক্কা খাবে। দেশের চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে হলে সরকারের উচিত এই খাতের প্রতি নজর দেয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর চামড়া কিনে বিপাকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনাভাইরাস জনিত কারণে কর্মহীন দর্জি, বেদে সম্প্রদায়, তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী, পরিবহন শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, গৃহকর্মী,সংবাদপত্র হকার, ফুটপাতের হকার, ঋষি সম্প্রদায়ের লোকজনসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার ১ হাজার মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় স্থানীয় নিয়াজ মুহাম্মদ স্টেডিয়ামে এইসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খানের সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামি, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ.এইচ মাহবুব আলম প্রমুখ।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলো ১০ কেজি করে চাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, আধা কেজি ডাল, আধা কেজি চিনি, আধা কেজি সুজি, আধা কেজি সেমাই, ২০০ গ্রাম দুধ, ১ কেজি আলু, ১ কেজি পেয়াজ ও ২টি সাবান।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মোকতাদির চৌধুরী  বলেন, আপনারা অতীতে অনেক সরকার দেখেছেন। একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ছাড়া কোন সরকার দুর্দিনে জনগনের পাশে দাঁড়ায়নি। শেখ হাসিনার সরকার সব সময় মানুষের পাশে থাকে। সে জন্যই আজ কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, দুর্দিনে বিএনপি মানুষের পাশে নেই। তাদের একমাত্র কাজ হচ্ছে আওয়ামী লীগের সমালোচনা করা। বিএনপির তো টাকা-পয়সা কম নেই, কিন্তু তারা অসহায় মানুষের পাশে দাড়ায় না। আওয়ামী লীগ বিরোধ দল থাকলেও জনগণের পাশে থাকে, সরকারে থেকেও আছে।

এ সময় তিনি হেফাজতে ইসলামের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, কিছু লোক আছে তারা শুধু নিতে জানে, দিতে জানে না। তারা সব সময় আল্লাহ-রাসুলের কথা বলেন, কিন্তু কাউকে কিছু দেয় না। তিনি কোরবানির ঈদে সকলকে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ হাজার কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জমে উঠেছে অস্থায়ী পশুর হাটগুলো। এর পাশাপাশি খামারগুলোতে চলছে অনলাইনে পশু বেচা-কেনা।

সদর উপজেলার ৫টি ও পৌর এলাকার ১টি পশুর হাট বসেছে গত শনিবার (১৭ জুলাই) থেকে, চলবে ২০ জুলাই পর্যন্ত। তবে কিছু কিছু বাজারে ঈদের দিন সকালেও পশু বেচা কেনা হবে। এসব অস্থায়ী বাজারে মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি। মুখে মাস্ক পরিধান না করেই বাজারগুলোতে যাচ্ছেন অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতা।

ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে অনলাইনে কোরবানীর পশু কেনা-বেচা করতে পারেন সেজন্য জেলা প্রানিসম্পদ কার্যালয়ের উদ্যোগে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ফেসবুক পেইজ খোলা হয়েছে। এছাড়াও অনলাইনে গরু বিক্রির জন্য ফেসবুকে পেইজ খুলেছেন বিভিন্ন খামারের পক্ষ থেকে।

জেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর কোন সংকট নেই। প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের তথ্য মতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোরবানীর জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২টি। জেলার তালিকাভুক্ত ১২ হাজার ৩৭০টি খামারে কোরবানির জন্য লালন-পালন করা হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৪৭৭টি পশু। জেলায় চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পশু রয়েছে ৩ হাজার ৭১৫টি। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা কোরবানীর হাটে বিক্রির জন্য পশু লালন-পালন করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদর উপজেলায় ৫টি ও পৌরসভার উদ্যোগে ১টি অস্থায়ী পশু হাট করা হয়েছে। এ সব হাটে ১৭ জুলাই থেকে বিক্রেতারা তাদের পশু নিয়ে আসছেন। এসব অস্থায়ী বাজার গুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গরু ব্যবসায়ীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

গত ১৭ তারিখ থেকে বাজারগুলোতে পশু আসতে শুরু করলেও বেচা-বিক্রি তুলনামূলকভাবে একটু কম। ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে তাদের তাদের পছন্দসই পশু দেখছেন। পৌর এলাকার ভাদুঘর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের পশ্চিমে পৌরসভার উদ্যোগে করা হয়েছে অস্থায়ী পশুর হাট। রোববার দুপুরে সরজমিনে বাজারটিতে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন এলাকা থেকে বাজারে গরু, ছাগল, মহিষ নিয়ে আসছেন বিক্রেতারা। তবে তারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না।

কিশোরগঞ্জ জেলার কুরিয়ারচর উপজেলা থেকে আসা বিক্রেতা সাঈদ মিয়া বলেন, তিনি ৬টি গরু নিয়ে শনিবার বাজারে এসেছেন। রোববার দুপুর পর্যন্ত ১টা গরুও বিক্রি করতে পারেন নি। তিনি বলেন, বাজারে ক্রেতা কম। ক্রেতারা এসে শুরু দেখছেন। আশাকরি সোমবার থেকে বাজারে ক্রেতার পরিমাণ বাড়বে।

সদর উপজেলার মজলিশপুর থেকে একটি বড় গরু নিয়ে বাজারে এসেছেন আবু বক্কর নামে একজন বিক্রেতা। তিনি বলেন, তিনি তার গরুর দাম চাচ্ছেন ৬ লাখ টাকা। গরুটিতে কমপক্ষে ১৪ থেকে ১৫ মন মাংস হবে। আবু বক্কর দাবি করেন রোববার পর্যন্ত তার গরুটিই ভাদুঘর বাজারের সবচেয়ে বড় গরু।

বাজারে আসা শফিকুল আলম নামে একজন জানান, তিনি এসেছেন দেখতে। তিনি বলেন, গত ১ সপ্তাহ আগেই তিনি অনলাইনে দেখে কোরবানীর জন্য গরু কিনেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে বাজার হবে কিনা এই শঙ্কায় অনেকেই অনলাইনে খামারগুলো থেকে গরু কিনে ফেলেছেন।

ভাদুঘর গরুর বাজারের ইজারাদারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি মোঃ পলাশ মিয়া বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানীর পশু আসলেও বেচা-বিক্রি কম। তিনি বলেন, আশা করি সোমবার থেকে বাজারে ক্রেতা বাড়বে। বেচা-কেনা বাড়বে।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, গরুর বাজারগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারগুলোতে ৬টি মোবাইল টীম কাজ করছে। তিনি বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশসহ আইন-শৃংখলার বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। গরু বিক্রেতাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ.বি.এম সাইফুজামান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর কোন সংকট নেই। জেলায় কোরবানীর জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২টি। পশু আছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৪৭৭। চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত পশু রয়েছে ৩ হাজার ৭১৫টি।

তিনি বলেন, বাজারগুলোর পাশাপাশি অনলাইনেও কোরবানীর পশু বিক্রি করা হচ্ছে। অনলাইনে পশু কেনা-বেচার জন্য জেলার প্রতিটি উপজেলায় ফেসবুক পেইজ খোলা হয়েছে। এতে খামারীদের যাবতীয় পশুর তথ্য আপলোড করা হচ্ছে। ইতিমধেই বেশ কিছু খামারে অনলাইনে গরু বিক্রি শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর পশুর কোন সংকট নেই


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রজনম মৌসুমে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষার্থে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  রোববার সকালে শহরের তিতাস নদীতে সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ সামছুদ্দিনের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ৩০ সেট চায়না রিং জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার ভোর ৬টা থেকে সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত তিতাস নদীর জেলা সদরের এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় নদী থেকে ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ৩০ সেট চায়না রিং (ফিক্সড ইঞ্জিন) জাল জব্দ করে পৌর শহরের মেড্ডা এলাকায় জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এসব জালের বাজার মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা। অভিযান চলাকালে মুক্ত জলাশয়ে অবৈধভাবে স্থাপিত “পাটিবাঁধ” অপসারণ করা হয়।

এ ব্যাপারে অভিযান পরিচালনাকারী সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ সামছুদ্দিন বলেন, দেশীয় মাছের পোনা ও প্রজননক্ষম মাছ রক্ষার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুড়ানো হলো ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও ড্রিম ফর ডিসএবিলিটি ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কর্মহীন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ১২০ জন ব্যক্তির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। রোববার সকালে স্থানীয় ফারকী পার্কে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান তাদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলো ১০ কেজি করে চাল, ১ লিটার তেল, ১ কেজি আলু, ১ কেজি পেয়াজ, চিনি, গুড়া দুধ, সাবান ও সুজিসহ নানা উপকরণ।

সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে খাদ্য বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামি, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত, ড্রিম ফর ডিসএবিলিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হেদায়েতুল আজিজ মুন্না প্রমুখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমা আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকেরা।  শুক্রবার রাতে শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওই গৃহবধূর লাশ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।

গৃহবধূ সীমা আক্তার জেলার আখাউড়া উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের কন্যা ও বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নলগড়িয়া গ্রামের আবুল হাসানের স্ত্রী।

সীমা আক্তারের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৩ বছর আগে আবুল হাসানের সাথে বিয়ে হয় সীমার। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলে আসছিল। শুক্রবার দুপুরে স্বামী আবুল হাসানের সাথে সীমার ঝগড়া হলে আবুল হাসান সীমাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পর মেরে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এতে সীমা অভিমান করে সন্ধ্যায় ঘরে থাকা বিষপান করে।

স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আরিফুজ্জামান হিমেল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই আবুল হাসান ও পারিবারের লোকজন সীমার লাশ হাসপাতালে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আরিফুজ্জামান হিমেল বলেন, গৃহবধূকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে আনা হয়েছিলো। আমরা তাকে মৃত ঘোষণার পর তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর্জা মোহাম্মদ হাসান বলেন, সীমা আক্তারকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা রীনা বেগম বাদি হয়ে শনিবার সকালে স্বামীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ সীমার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই স্বামীসহ অপর আসামীরা পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে স্বামীর পলায়ন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া ১২৬জন প্রতিবন্ধীর (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী) মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়ুয়া এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলো ১০ কেজি চাল, ১ লিটার তেল, ১কেজি আলু, ১কেজি পেয়াজ, ১ কেজি ডাল, সেমাই এক প্যাকেট, সুজি এক প্যাকেট, চিনি, গুড়ো দুধ ও ২টি সাবান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজ কুমার বিশ্বাস, কিশোর কুমার দাশ, ফাতেমা তুজ জোহরা সানিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিবন্ধীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোপা আমেরিকার ফাইনাল ম্যাচে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে তর্কাতর্কির জের ধরে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৫জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের খেওয়াই গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, একই গ্রামের মিনার মিয়া, মোঃ আলম, রবিউল, জালাল মুন্সী ও ফোরকান মুন্সী। আহতদের মধ্যে মিনার মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মাছিহাতা ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিনুল হক পাভেল বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ নিয়ে খেওয়াই গ্রামের শিপন (১৯) ও হৃদয় (১৮) এর মধ্যে বাকবিতন্ডা ও হাতহাতির ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে হৃদয় আর্জেন্টিনার ও শিপন ব্রাজিলের সমর্থক। এ ঘটনার জেরে রাত ৮টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ৫জন আহত হয়।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ এখনও পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ১১ জুলাই কোপা আমেরিকার ফাইনালে এই ম্যাচকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে জেলা পুলিশ। তবে ফাইনালে জেলার কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৫

আশুগঞ্জ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন ডাঃ একরামউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার এক পুরুষ-(৭৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৩০ টি নমুনা পরীক্ষায় করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৫ জন, কসবা উপজেলায় ৩৭ জন, সরাইল উপজেলায় ১ জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৭জন, নাসিরনগর উপজেলায় ৩ জন, বিজয়নগর উপজেলায় ৪জন, নবীনগর উপজেলায় ৬০ ও বাঞ্চারামপুর উপজেলায় ২৫ জন রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মোট ৫১১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩৯৩১ জন করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্য হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ১ জনের মৃত্যু ॥ নতুন সনাক্ত ১৮২ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা দু’জনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদের মধ্যে একজন মহিলা ও একজন পুরুষ। শুক্রবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫১৩টি নমুনা পরীক্ষায় করে করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন ৮৪ জন।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার পুরুষ-(৪৫) ও আশুগঞ্জ উপজেলার মহিলা-(৫৫)। এই দু’জন নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭১ জন মারা যান।

নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছেন ৮ জন, কসবায় ৩৮, সরাইলে ৪, আখাউড়ায় ৩, আশুগঞ্জে ৮, নাসিরনগরে ২, বিজয়নগরে ২, বাঞ্চারামপুরে ১৯ জন করে রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় মোট ৪ হাজার ৬৬৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ জন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ২জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৮৪ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে গত বুধবার (৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন মানার জন্য জন-সাধারণকে বার বার বলা হচ্ছে। লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা শহর সহ ৯টি উপজেলায় ৩২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালে গত ৭ দিনে (১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলায় সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ধারাসমূহ লঙ্ঘনের অপরাধে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত বুধবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন। জেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন মোট ৬৯জন করোনায় মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কঠোর লকডাউনে ৭দিনে ২ হাজার ১৭৩ জনকে জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের জন্য আম পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার দুপুর পৌনে ১২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠাকিতা শেষে ২০টি কার্টুনে করে ৩০০ কেজি আম পাঠানো হয়।

জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বন্দরের সহকারি পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও কাস্টম সুপারিটেনডেন্ট মোহাম্মদ আলী। ভারতের পক্ষে আম গ্রহণ করেন আগরতলাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহকারি হাই কমিশনার মোঃ জোবায়ের হোসেন, ফার্স্ট সেক্রেটারি রেজাউল হক চৌধুরী, ভারতের আগরতলা হাই কমিশনের সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান, বন্দরের ম্যানেজার দেবাশীষ নন্দী।

আমগুলো আগরতলা বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে যাত্রী আসা অব্যাহত রয়েছে। ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি যাত্রীরা এবং বাংলাদেশে কর্মরত ও পড়াশুনা করতে থাকা ভারতীয় নাগরিকরা বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে ফিরছেন।

আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে যাত্রীরা ভারত থেকে ফিরতে পারছেন। গত বৃহস্পতিবার নাগাদ এক হাজার ৯৩৮ জন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসেন। তাদের প্রত্যেককে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১৪৭২ জনকে অবমুক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ১৯ জনকে অবমুক্ত করা হয়। ভারত ফেরত যাত্রীদের মধ্যে ৫৪ জনের করোনা পজেটিভ আসে। এর মধ্যে অনেকেই নেগেটিভ সনদ নিয়ে নিজ নিজ অবস্থানে চলে গেছেন।

এ ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলম জানান, ভারত ফেরতদেরকে কোয়ারেন্টিন মানতে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

ভারত ফেরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল, বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢাকার ব্র্যাক লানিং সেন্টারসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও আখাউড়ার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে তাদেরকে কোয়ারেন্টিন করানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নাগাদ জেলায় কোয়ারেন্টিনে আছেন ২৫৪ জন।

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকে পড়া ১৯৩৮ জন বাংলাদেশি যাত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুবিনা আক্তার-(৩৫) নামে এক গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী মুর্শিদ মিয়া। আজ দুপুরে ২৫০ শষ্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে রুবিনা আক্তারের লাশ রেখে স্বামী মুর্শিদ মিয়া পালিয়ে গেছে।

গৃহবধূ রুবিনা আক্তার জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খোলাপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের মেয়ে এবং একই উপজেলার আড়াইসিধা ইউনিয়নের আড়াইসিধা গ্রামের প্রবাসী মুর্শিদ মিয়ার স্ত্রী।

রুবিনা আক্তারের পরিবারের সদস্যদের দাবি স্বামী মুর্শিদ মিয়া মারধোর শেষে রুবিনার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে তাকে হত্যা করেছে।
রুবিনার স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ১৩ বছর আগে মুর্শিদ মিয়ার সাথে রুবিনার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ১২ ও ১০ বছরের দুটি ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর মুর্শিদ মিয়া বিদেশে চলে যায়। ১০ বছর বিদেশ থেকে কয়েক মাস আগে মুর্শিদ মিয়া দেশে চলে আসেন।

রুবিনার ভাই শরীফ ও বোন নাসরিন আক্তার অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মুর্শিদ মিয়া রুবিনাকে মারধোর করতেন। বৃহস্পতিবার সকালেও মুর্শিদ রুবিনাকে মারধোর করে। এক পর্যায়ে রুবিনা অচেতন হয়ে গেলে তার মুখে বিষ ঢেলে দেয়া হয়। পরে মুর্শিদ রুবিনার লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়।

রুবিনার মা হেলেনা আক্তারও অভিযোগ করে বলেন, রুবিনাকে মুর্শিদ মিয়া মারধোর শেষে মুখে বিষ দিয়ে হত্যা করেছে।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ বলেন, বিষয়টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানতে পেরিছে। তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে স্বামীর পলায়ন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয়ধাপে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সরকারি ঘর পেয়েছেন ৬৮১ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। গতকাল (সোমবার) বেলা সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে আশ্রয়ন প্রকল্প-২-এর আওতায় এসব ঘর উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর পরই জেলার ৯টি উপজেলায় ৬৮১জন উপকারভোগীদের মধ্যে সংশ্লিষ্টরা এসব বাড়ির দলিল হস্তান্তর করেন।

৯টি উপজেলার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ১২৫টি পরিবার, বিজয়নগর উপজেলায় ১৪৯টি পরিবার, সরাইল উপজেলায় ৩১টি পরিবার, নবীনগর উপজেলায় ১৫টি পরিবার, নাসিরনগর উপজেলায় ৩১টি পরিবার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ৬০টি পরিবার, আশুগঞ্জ উপজেলায় ২০ টি পরিবার, কসবা উপজেলায় ২০০টি পরিবার ও আখাউড়া উপজেলায় ৫০ টি পরিবার পেয়েছেন সরকারি এই ঘর।

এদিকে দ্বিতীয়ধাপে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সরকারি ঘরের দলিল হস্তান্তর উপলক্ষে নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বি.এম. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার পোদ্দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ডাঃ রাফিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ ফজলে ইয়াজ আল হোসাইন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে উপকারভোগীদের মধ্যে ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করেন বি.এম. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপি।
সরাইলে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে উপজেলার সিরাজুল ইসলাম অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের-(৩১২) সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল হক মৃদুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন-সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মোঃ আনিসুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবু হানিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোঃ নাজমুল হোসেন প্রমুখ।

আখাউড়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর-এ-আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয়ধাপে ৬৮১টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল হস্তান্তর

কসবা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কসবায় সরকার ঘোষিত লকডাউন উপেক্ষা করে রিসোর্টে ঘুরতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন ২৫ জন। শুক্রবার দুপুরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাসিবা খান উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় অবস্থিত “ কিং অব কসবা” রিসোর্টে  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হাসিবা খান বলেন, সরকার ঘোষিত “সবচেয়ে কঠোর” লকডাউন উপেক্ষা করে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় “কিং অফ কসবা রিসোর্টে” অনেকেই ঘুরাফেরা করতে আসেন। খবর পেয়ে দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২৫ জনকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে আমরা প্রচার-প্রচারণা ও মাস্ক বিতরণের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করেছি। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কসবায় রিসোর্টে ঘুরতে গিয়ে জরিমানা গুনলেন ২৫ জন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, সকলে মিলে করোনা ভাইরাসকে মোকাবিলা করতে হবে। একমাত্র আল্লাহই পারেন এই অবস্থা থেকে আমাদেরকে পরিত্রাণ দিতে।
তিনি সোমবার দুপুরে কসবা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে কসবা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে করোনা পরিস্থিতি ও আসন্ন ঈদ-উল আযহা উদযাপন নিয়ে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সাহসিকতায় আমরা করোনাকালে বড় ধরণের প্রভাব থেকে রক্ষা পাচ্ছি। এমন পরিস্থিতে আমরা বিরোধী দলকে করোনাকালে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে দেখিনি।

এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, আপনারা সাংবাদিকতায় সমস্যার তুলে ধরবেন। পাশাপাশি সমস্যা সমাধানের সংবাদও প্রকাশ করবেন বলে আশা করি। এ জন্যে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওসার ভূইয়া জীবন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ-উল-আলম, কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক এম জি হাক্কানী, কসবা প্রেসক্লাব সভাপতি আব্দুল হান্নান, কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী, কুটি ইউপি চেয়ারম্যান ছায়েদুর রহমান স্বপন।

মত বিনিময়কালে কসবা উপজেলা প্রেসক্লাবের জায়গা সহ অফিস ভবনের জন্যে আইনমন্ত্রীর কাছে দাবি জানানো হয়।

কসবায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন ডাঃ একরামউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার এক পুরুষ-(৭৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৩০ টি নমুনা পরীক্ষায় করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৫ জন, কসবা উপজেলায় ৩৭ জন, সরাইল উপজেলায় ১ জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৭জন, নাসিরনগর উপজেলায় ৩ জন, বিজয়নগর উপজেলায় ৪জন, নবীনগর উপজেলায় ৬০ ও বাঞ্চারামপুর উপজেলায় ২৫ জন রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মোট ৫১১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩৯৩১ জন করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্য হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ১ জনের মৃত্যু ॥ নতুন সনাক্ত ১৮২ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১২০জন কৃষকের মধ্যে ২০ কেজি করে সার, ৫ কেজি বীজ ও নগদ ১ হাজার করে টাকা দেয়া হয়। এছাড়া ১১জনের মধ্যে ৩ বান্ডিল করে টিন ও নগদ ৯হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। শনিবার দুপুরে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের শেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ দৌলা খানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ উল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক রবিউল হক মজুমদার, কসবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওসার ভুইয়া জীবন, পৌর মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন , থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আলমগীর ভুইয়া, উপজেলা কৃষি অফিসার হাজেরা বেগম প্রমুখ।

কসবায় আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১২০জন কৃষকের মধ্যে সার ও বীজ বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে গত বুধবার (৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন মানার জন্য জন-সাধারণকে বার বার বলা হচ্ছে। লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা শহর সহ ৯টি উপজেলায় ৩২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালে গত ৭ দিনে (১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলায় সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ধারাসমূহ লঙ্ঘনের অপরাধে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত বুধবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন। জেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন মোট ৬৯জন করোনায় মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কঠোর লকডাউনে ৭দিনে ২ হাজার ১৭৩ জনকে জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের ৯টি গ্রাম পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হওয়ায় ওইসব গ্রামের ১০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে এই খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন। প্রতিটি পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি চালসহ শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

খাদ্য সমাগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওছার ভুইয়া জীবন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ উল আলম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাছিবা খান, কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর ভূইয়া, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ হাবিবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান আল মামুন ভূইয়া প্রমুখ।

কসবায় ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে জেলা প্রশাসকের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে ২০২০-২১ অর্থ বছরে খরিপ-২- মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ২৫০ জন কৃষকের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ-উল-আলম প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষকদের মধ্যে সার ও বীজ বিতরণ করেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার হাজেরা বেগমের সভাপতিত্বে সার ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কসবা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল হান্নান, কসবা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কামরুন্নাহার প্রমুখ।

কসবায় ২৫০জন কৃষকের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ

নবীনগর


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন ডাঃ একরামউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার এক পুরুষ-(৭৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৩০ টি নমুনা পরীক্ষায় করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৫ জন, কসবা উপজেলায় ৩৭ জন, সরাইল উপজেলায় ১ জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৭জন, নাসিরনগর উপজেলায় ৩ জন, বিজয়নগর উপজেলায় ৪জন, নবীনগর উপজেলায় ৬০ ও বাঞ্চারামপুর উপজেলায় ২৫ জন রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মোট ৫১১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩৯৩১ জন করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্য হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ১ জনের মৃত্যু ॥ নতুন সনাক্ত ১৮২ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে গত বুধবার (৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন মানার জন্য জন-সাধারণকে বার বার বলা হচ্ছে। লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা শহর সহ ৯টি উপজেলায় ৩২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালে গত ৭ দিনে (১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলায় সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ধারাসমূহ লঙ্ঘনের অপরাধে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত বুধবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন। জেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন মোট ৬৯জন করোনায় মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কঠোর লকডাউনে ৭দিনে ২ হাজার ১৭৩ জনকে জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে যাত্রী আসা অব্যাহত রয়েছে। ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি যাত্রীরা এবং বাংলাদেশে কর্মরত ও পড়াশুনা করতে থাকা ভারতীয় নাগরিকরা বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে ফিরছেন।

আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে যাত্রীরা ভারত থেকে ফিরতে পারছেন। গত বৃহস্পতিবার নাগাদ এক হাজার ৯৩৮ জন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসেন। তাদের প্রত্যেককে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১৪৭২ জনকে অবমুক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ১৯ জনকে অবমুক্ত করা হয়। ভারত ফেরত যাত্রীদের মধ্যে ৫৪ জনের করোনা পজেটিভ আসে। এর মধ্যে অনেকেই নেগেটিভ সনদ নিয়ে নিজ নিজ অবস্থানে চলে গেছেন।

এ ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলম জানান, ভারত ফেরতদেরকে কোয়ারেন্টিন মানতে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

ভারত ফেরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল, বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢাকার ব্র্যাক লানিং সেন্টারসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও আখাউড়ার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে তাদেরকে কোয়ারেন্টিন করানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নাগাদ জেলায় কোয়ারেন্টিনে আছেন ২৫৪ জন।

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকে পড়া ১৯৩৮ জন বাংলাদেশি যাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয়ধাপে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সরকারি ঘর পেয়েছেন ৬৮১ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। গতকাল (সোমবার) বেলা সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে আশ্রয়ন প্রকল্প-২-এর আওতায় এসব ঘর উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর পরই জেলার ৯টি উপজেলায় ৬৮১জন উপকারভোগীদের মধ্যে সংশ্লিষ্টরা এসব বাড়ির দলিল হস্তান্তর করেন।

৯টি উপজেলার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ১২৫টি পরিবার, বিজয়নগর উপজেলায় ১৪৯টি পরিবার, সরাইল উপজেলায় ৩১টি পরিবার, নবীনগর উপজেলায় ১৫টি পরিবার, নাসিরনগর উপজেলায় ৩১টি পরিবার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ৬০টি পরিবার, আশুগঞ্জ উপজেলায় ২০ টি পরিবার, কসবা উপজেলায় ২০০টি পরিবার ও আখাউড়া উপজেলায় ৫০ টি পরিবার পেয়েছেন সরকারি এই ঘর।

এদিকে দ্বিতীয়ধাপে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সরকারি ঘরের দলিল হস্তান্তর উপলক্ষে নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বি.এম. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার পোদ্দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ডাঃ রাফিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ ফজলে ইয়াজ আল হোসাইন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে উপকারভোগীদের মধ্যে ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করেন বি.এম. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপি।
সরাইলে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে উপজেলার সিরাজুল ইসলাম অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের-(৩১২) সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল হক মৃদুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন-সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মোঃ আনিসুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবু হানিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোঃ নাজমুল হোসেন প্রমুখ।

আখাউড়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর-এ-আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয়ধাপে ৬৮১টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল হস্তান্তর


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
হেফাজতে ইসলামের নারকীয় তান্ডবের দীর্ঘ ৮০ দিন পর অবশেষে গতকাল মঙ্গলবার থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিতে শুরু করেছে ট্রেন। মঙ্গলবার সকালে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রা বিরতির মধ্য দিয়ে ধ্বংস স্তূপে পরিণত হওয়া এই স্টেশনটিতে আবারো প্রানচাঞ্চল্য ফিরে আসে। মঙ্গলবার ভোর থেকে স্টেশনে চার জোড়া মেইল ও কমিউটার ট্রেনের যাত্রা বিরতির মধ্য দিয়ে স্টেশনে পুনরায় ট্রেনের যাত্রা বিরতি শুরু হয়েছে। আজ থেকে একটি আন্তঃনগর পারাবত ট্রেনও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থামবে।

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটিতে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে। হামলাকারীরা স্টেশনের কন্ট্রোল প্যানেল বোর্ডসহ মূল্যবান জিনিসপত্র আগুনে পুড়িয়ে দিলে পরদিন ২৭ মার্চ থেকে স্টেশনটিতে সব ধরনের ট্রেনের যাত্রা বিরতি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ ।

এদিকে স্টেশনটিতে ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ করে দিলে দুর্ভোগে পড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী। তারা বাধ্য হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশন অথবা কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব রেলওয়ে জংশন থেকে ট্রেনে চড়তে হতো। আবার অনেকেই বাসে করে যাতায়ত করতো।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতি বন্ধ করে দেয়ার পর স্টেশনটির সংস্কার করে পুনরায় ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সভাসহ আন্দোলনে নামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। গত ৫ জুন সন্ত্রাস প্রতিরোধ মঞ্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যানারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন স্টেশন চত্বরে মানববন্ধন করে। মানববন্ধন থেকে ২০ জুনের মধ্যে ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা না করলে রেলপথ অবরোধের আল্টিমেটাম দেয়া হয় ।

এদিকে গত ১৩ জুন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল সিগন্যালিং ব্যবস্থা পুনঃস্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত স্টেশনটিকে ‘বি’গ্রেড থেকে ‘ডি’গ্রেডে রুপান্তর করে সনাতনি পদ্ধতিতে সীমিত সংখ্যক ট্রেনের যাত্রা বিরতির সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের আলোকে মঙ্গলবার ভোর থেকে স্টেশন থেকে চার জোড়া ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হয়েছে। সীমিত সংখ্যক ট্রেনের যাত্রাবিরতিতে যাত্রী সাধারণের মধ্যে কিছুটা সন্তোষ ফিরে আসলেও তারা স্থগিতকৃত অবশিষ্ট আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর দ্রুত যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পিযুষ কান্তি আচার্য্য বলেন, ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে যদি পাঁচ জোড়া ট্রেন চালানো যায় তাহলে অবশিষ্ট আন্তঃনগর ট্রেনগুলোও চালানো যাবে। তাই একই পদ্ধতিতে বাকি আন্তঃনগর ট্রেনগুলো থামার ব্যবস্থা করারও দাবি জানান তিনি।

একই দাবি জানান সন্ত্রাস প্রতিরোধ মঞ্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংগঠক অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির। তিনি বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না হলে যাত্রীরা ট্রেন থামার সুফল পুরোপুরি ভোগ করতে পারবেন না। তিনি দ্রুত সংস্কার শেষে স্টেশনটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে পূর্বে যাত্রা বিরতি দেয়া সকল ট্রেনের পুনরায় যাত্রা বিরতি দেয়ার দাবি জানান।
সরজমিনে দেখা গেছে, ৪ জোড়া ট্রেনের যাত্রা বিরতির মধ্যদিয়ে দীর্ঘ দিন পর আবারো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেনে। যাত্রা বিরতর খবরে স্বস্তি ফিরে আসে পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশন দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীদের মাঝে। সকালে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রা বিরতির মধ্য দিয়ে ধ্বংস স্তূপে পরিণত হওয়া এই স্টেশনটিতে আবারো প্রানচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২ মাস ২০ দিনে অন্তত আড়াই কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে সুরমা মেইল, ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস, তিতাস কমিউটার ও কর্ণফুলী এক্সপ্রেসট্রেন যাত্রাবিরতি করেছে। বুধবার ১৬ জুন থেকে নিয়মিত যাত্রাবিরতি করবে ঢাকা-সিলেট রেলপথে চলাচলকারী আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস।

সিগন্যালিং ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাশ্ববর্তী তালশহর ও পাঘাচং স্টেশনের মাধ্যমে লাইন ক্লিয়ারিং এর কাজ চলবে। ট্রেন থামবে গার্ড এবং চালকের সমন্বয়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ শোয়েব জানান, সিগন্যালিং ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গার্ড এবং ট্রেন চালকের সমন্বয়ে ট্রেনে যাত্রী উঠানামা করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সিগন্যালিং ব্যবস্থা মেরামত করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতি শুরু

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

অবশেষে আগামী ১৫ জুন (মঙ্গলবার) থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে শুরু হচ্ছে ট্রেনের যাত্রাবিরতি। মঙ্গলবার থেকে তিনটি মেইল ট্রেন, একটি কমিউটার ট্রেন ও পরদিন বুধবার থেকে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রাফিক ট্রান্সপোর্টেশান শাখার উপ-পরিচালক (অপারেশন) মোঃ রেজাউল হক স্বাক্ষরিত একটি পত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে। ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়, সাময়িকভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনকে ‘ডি ক্লাশ’ স্টেশনে রূপান্তর করে ট্রেন চালু করা হচ্ছে।

রেলওয়ের চিঠি থেকে জানা যায়, ১৫ জুন ঢাকা-সিলেট-ঢাকা পথের সুরমা মেইল, ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ পথের নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস, আখাউড়া-ঢাকা-আখাউড়া, ঢাকা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা পথের তিতাস কমিউটার ট্রেন যাত্রাবিরতি করবে। ১৬ জুন (বুধবার) থেকে যাত্রাবিরতি করবে ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটের পারাবত এক্সপ্রেস।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ হেফাজতের তান্ডবে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। পরদিন ২৭ মার্চ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পূর্ব নির্ধারিরত সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ করে দেয়া হয়।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনকে সংস্কার করে পূর্ব নির্ধারিত সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে সন্ত্রাস বিরোধী মঞ্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ কয়েকটি সংগঠনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা থেকে ২০ জুনের মধ্যে ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে আল্টিমেটাম দেয়া হয়।

আগামী মঙ্গলবার থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে শুরু হচ্ছে ট্রেনের যাত্রা বিরতি


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহবুবুল আলম স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১১ জুন) বিকেলে দৌলতপুর দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গনে মাহবুবুল আলম স্মৃতি সংসদের সভাপতি হাজী মোঃ আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নবীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য ও নবীনগর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বোরহান উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সুজিত কুমার দেব, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি নিয়াজ মোঃ. কাজল, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রশিদ রাশেদ, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোঃ মলাই মিয়া প্রমুখ।

আলোচনা সভায় মাহবুবুল আলমের রাজনৈতিক ত্যাগ-তিতিক্ষা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ নবীনগর মনতুলি টু সিতারামপুর নির্মিতব্য সেতুটি “মাহবুবুল আলম সেতু” নামকরনের জন্য মাহবুবুল আলম স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক এম. নাঈমুর রহমান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল এম.পির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন পত্র তুলে দেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে প্রয়াত জননেতার রাজনৈতিক জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এবং মাহবুবুল আলম স্মৃতি সংসদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাহবুবুল আলম সেতু নামকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার আশ্বাস দেন।

জননেতা মাহবুবুল আলমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নবীনগরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নাসিরনগন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিনগরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিকিৎসা তহবিল থেকে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, হৃদরোগে প্যারালাইজড ৫ জনসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ১০০ জন রোগীর মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নাসিরনগর অডিটরিয়ামে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের মধ্যে চেক বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে অসুস্থ মানুষের হাতে অনুদানের আর্থিক চেক তুলে দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বি.এম. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ লিয়াকত আব্বাস টিপুর সঞ্চালনায় চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ রাফিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিকিৎসা তহবিল থেকে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, হৃদরোগে প্যারালাইজডসহ জটিল রোগে আক্রান্ত ৫ জনকে ১২ লাখ টাকা ও সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল হতে একশ জনের মধ্যে পাঁচ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

নাসিরনগরে অসুস্থ মানুষের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার ১৭ হাজার ৫৯৯ জন অসহায় ও দুঃস্থদের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গোর্কণ ইউনিয়নে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ চন্দন কুমার পোদ্দার ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক মোঃ ছোয়াব আহমেদ হৃতুল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোর্কণ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, নাসিরনগর থানার এস.আই আরিফুর রহমান সরকার, উপজেলা উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ আবদুস সামাদ, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যগণ, ইউপি সচিব প্রমুখ।

পর্যায়ক্রমে গোর্কণ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ৭৫০ পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে।

নাসিরনগরে অসহায় ও দুঃস্থদের মধ্যে ভিজিএফ’র চাল বিতরণের উদ্বোধন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন ডাঃ একরামউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার এক পুরুষ-(৭৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৩০ টি নমুনা পরীক্ষায় করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৫ জন, কসবা উপজেলায় ৩৭ জন, সরাইল উপজেলায় ১ জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৭জন, নাসিরনগর উপজেলায় ৩ জন, বিজয়নগর উপজেলায় ৪জন, নবীনগর উপজেলায় ৬০ ও বাঞ্চারামপুর উপজেলায় ২৫ জন রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মোট ৫১১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩৯৩১ জন করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্য হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ১ জনের মৃত্যু ॥ নতুন সনাক্ত ১৮২ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে করোনাভাইরাসের সংক্রামনরোধে লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় ও দুঃস্থ ২১৩ জেলে পরিবারের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম ভার্চুয়ালি এর উদ্বোধন করেন।

নাসিরনগর সরকারি ডিগ্রী কলেজ মাঠে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুনের সভাপতিত্বে বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ডাঃ রাফিউদ্দিন আহমেদ, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ ফজলে ইয়াজ আল-হোসাইন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ অভিজিৎ রায়, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রত্যেককে নগদ ৫০০ টাকা করে দেয়া হয়।

নাসিরনগরে জেলেদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা দু’জনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদের মধ্যে একজন মহিলা ও একজন পুরুষ। শুক্রবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫১৩টি নমুনা পরীক্ষায় করে করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন ৮৪ জন।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার পুরুষ-(৪৫) ও আশুগঞ্জ উপজেলার মহিলা-(৫৫)। এই দু’জন নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭১ জন মারা যান।

নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছেন ৮ জন, কসবায় ৩৮, সরাইলে ৪, আখাউড়ায় ৩, আশুগঞ্জে ৮, নাসিরনগরে ২, বিজয়নগরে ২, বাঞ্চারামপুরে ১৯ জন করে রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় মোট ৪ হাজার ৬৬৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ জন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ২জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৮৪ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে গত বুধবার (৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন মানার জন্য জন-সাধারণকে বার বার বলা হচ্ছে। লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা শহর সহ ৯টি উপজেলায় ৩২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালে গত ৭ দিনে (১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলায় সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ধারাসমূহ লঙ্ঘনের অপরাধে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত বুধবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন। জেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন মোট ৬৯জন করোনায় মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কঠোর লকডাউনে ৭দিনে ২ হাজার ১৭৩ জনকে জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কর্মহীন ২০টি পরিবার পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী। বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুন অসহায় মানুষের মধ্যে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল, ১লিটার তেল, ১ কেজি লবণ ও ১ কেজি ডাল। খাদ্য বিতরণকালে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দাস ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী শম্ভু নাথ আচার্য্য প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুন বলেন, ৩৩৩ নম্বরে ফোন করলে বিষয়টিতে আমরা অধিক গুরুত্ব দেই। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত অসহায়দের খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

নাসিরনগরে ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা পেলেন ২০ পরিবার

বাঞ্ছারামপুর


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন ডাঃ একরামউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার এক পুরুষ-(৭৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৩০ টি নমুনা পরীক্ষায় করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৫ জন, কসবা উপজেলায় ৩৭ জন, সরাইল উপজেলায় ১ জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৭জন, নাসিরনগর উপজেলায় ৩ জন, বিজয়নগর উপজেলায় ৪জন, নবীনগর উপজেলায় ৬০ ও বাঞ্চারামপুর উপজেলায় ২৫ জন রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মোট ৫১১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩৯৩১ জন করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্য হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ১ জনের মৃত্যু ॥ নতুন সনাক্ত ১৮২ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা দু’জনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদের মধ্যে একজন মহিলা ও একজন পুরুষ। শুক্রবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫১৩টি নমুনা পরীক্ষায় করে করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন ৮৪ জন।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার পুরুষ-(৪৫) ও আশুগঞ্জ উপজেলার মহিলা-(৫৫)। এই দু’জন নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭১ জন মারা যান।

নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছেন ৮ জন, কসবায় ৩৮, সরাইলে ৪, আখাউড়ায় ৩, আশুগঞ্জে ৮, নাসিরনগরে ২, বিজয়নগরে ২, বাঞ্চারামপুরে ১৯ জন করে রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় মোট ৪ হাজার ৬৬৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ জন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ২জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৮৪ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে গত বুধবার (৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন মানার জন্য জন-সাধারণকে বার বার বলা হচ্ছে। লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা শহর সহ ৯টি উপজেলায় ৩২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালে গত ৭ দিনে (১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলায় সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ধারাসমূহ লঙ্ঘনের অপরাধে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত বুধবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন। জেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন মোট ৬৯জন করোনায় মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কঠোর লকডাউনে ৭দিনে ২ হাজার ১৭৩ জনকে জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে যাত্রী আসা অব্যাহত রয়েছে। ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি যাত্রীরা এবং বাংলাদেশে কর্মরত ও পড়াশুনা করতে থাকা ভারতীয় নাগরিকরা বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে ফিরছেন।

আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে যাত্রীরা ভারত থেকে ফিরতে পারছেন। গত বৃহস্পতিবার নাগাদ এক হাজার ৯৩৮ জন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসেন। তাদের প্রত্যেককে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১৪৭২ জনকে অবমুক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ১৯ জনকে অবমুক্ত করা হয়। ভারত ফেরত যাত্রীদের মধ্যে ৫৪ জনের করোনা পজেটিভ আসে। এর মধ্যে অনেকেই নেগেটিভ সনদ নিয়ে নিজ নিজ অবস্থানে চলে গেছেন।

এ ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলম জানান, ভারত ফেরতদেরকে কোয়ারেন্টিন মানতে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

ভারত ফেরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল, বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢাকার ব্র্যাক লানিং সেন্টারসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও আখাউড়ার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে তাদেরকে কোয়ারেন্টিন করানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নাগাদ জেলায় কোয়ারেন্টিনে আছেন ২৫৪ জন।

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকে পড়া ১৯৩৮ জন বাংলাদেশি যাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয়ধাপে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সরকারি ঘর পেয়েছেন ৬৮১ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। গতকাল (সোমবার) বেলা সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে আশ্রয়ন প্রকল্প-২-এর আওতায় এসব ঘর উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর পরই জেলার ৯টি উপজেলায় ৬৮১জন উপকারভোগীদের মধ্যে সংশ্লিষ্টরা এসব বাড়ির দলিল হস্তান্তর করেন।

৯টি উপজেলার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ১২৫টি পরিবার, বিজয়নগর উপজেলায় ১৪৯টি পরিবার, সরাইল উপজেলায় ৩১টি পরিবার, নবীনগর উপজেলায় ১৫টি পরিবার, নাসিরনগর উপজেলায় ৩১টি পরিবার, বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ৬০টি পরিবার, আশুগঞ্জ উপজেলায় ২০ টি পরিবার, কসবা উপজেলায় ২০০টি পরিবার ও আখাউড়া উপজেলায় ৫০ টি পরিবার পেয়েছেন সরকারি এই ঘর।

এদিকে দ্বিতীয়ধাপে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সরকারি ঘরের দলিল হস্তান্তর উপলক্ষে নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বি.এম. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হালিমা খাতুনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চন্দন কুমার পোদ্দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ডাঃ রাফিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ ফজলে ইয়াজ আল হোসাইন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুবিনা আক্তার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ সরকার প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে উপকারভোগীদের মধ্যে ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করেন বি.এম. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপি।
সরাইলে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে উপজেলার সিরাজুল ইসলাম অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের-(৩১২) সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল হক মৃদুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন-সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মোঃ আনিসুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবু হানিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক অ্যাডভোকেট মোঃ নাজমুল হোসেন প্রমুখ।

আখাউড়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর-এ-আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয়ধাপে ৬৮১টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে সরকারি ঘরের দলিল হস্তান্তর


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
হেফাজতে ইসলামের নারকীয় তান্ডবের দীর্ঘ ৮০ দিন পর অবশেষে গতকাল মঙ্গলবার থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিতে শুরু করেছে ট্রেন। মঙ্গলবার সকালে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রা বিরতির মধ্য দিয়ে ধ্বংস স্তূপে পরিণত হওয়া এই স্টেশনটিতে আবারো প্রানচাঞ্চল্য ফিরে আসে। মঙ্গলবার ভোর থেকে স্টেশনে চার জোড়া মেইল ও কমিউটার ট্রেনের যাত্রা বিরতির মধ্য দিয়ে স্টেশনে পুনরায় ট্রেনের যাত্রা বিরতি শুরু হয়েছে। আজ থেকে একটি আন্তঃনগর পারাবত ট্রেনও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থামবে।

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটিতে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে। হামলাকারীরা স্টেশনের কন্ট্রোল প্যানেল বোর্ডসহ মূল্যবান জিনিসপত্র আগুনে পুড়িয়ে দিলে পরদিন ২৭ মার্চ থেকে স্টেশনটিতে সব ধরনের ট্রেনের যাত্রা বিরতি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ ।

এদিকে স্টেশনটিতে ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ করে দিলে দুর্ভোগে পড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী। তারা বাধ্য হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশন অথবা কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব রেলওয়ে জংশন থেকে ট্রেনে চড়তে হতো। আবার অনেকেই বাসে করে যাতায়ত করতো।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতি বন্ধ করে দেয়ার পর স্টেশনটির সংস্কার করে পুনরায় ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সভাসহ আন্দোলনে নামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। গত ৫ জুন সন্ত্রাস প্রতিরোধ মঞ্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যানারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন স্টেশন চত্বরে মানববন্ধন করে। মানববন্ধন থেকে ২০ জুনের মধ্যে ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা না করলে রেলপথ অবরোধের আল্টিমেটাম দেয়া হয় ।

এদিকে গত ১৩ জুন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল সিগন্যালিং ব্যবস্থা পুনঃস্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত স্টেশনটিকে ‘বি’গ্রেড থেকে ‘ডি’গ্রেডে রুপান্তর করে সনাতনি পদ্ধতিতে সীমিত সংখ্যক ট্রেনের যাত্রা বিরতির সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের আলোকে মঙ্গলবার ভোর থেকে স্টেশন থেকে চার জোড়া ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হয়েছে। সীমিত সংখ্যক ট্রেনের যাত্রাবিরতিতে যাত্রী সাধারণের মধ্যে কিছুটা সন্তোষ ফিরে আসলেও তারা স্থগিতকৃত অবশিষ্ট আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর দ্রুত যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পিযুষ কান্তি আচার্য্য বলেন, ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে যদি পাঁচ জোড়া ট্রেন চালানো যায় তাহলে অবশিষ্ট আন্তঃনগর ট্রেনগুলোও চালানো যাবে। তাই একই পদ্ধতিতে বাকি আন্তঃনগর ট্রেনগুলো থামার ব্যবস্থা করারও দাবি জানান তিনি।

একই দাবি জানান সন্ত্রাস প্রতিরোধ মঞ্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংগঠক অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির। তিনি বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না হলে যাত্রীরা ট্রেন থামার সুফল পুরোপুরি ভোগ করতে পারবেন না। তিনি দ্রুত সংস্কার শেষে স্টেশনটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে পূর্বে যাত্রা বিরতি দেয়া সকল ট্রেনের পুনরায় যাত্রা বিরতি দেয়ার দাবি জানান।
সরজমিনে দেখা গেছে, ৪ জোড়া ট্রেনের যাত্রা বিরতির মধ্যদিয়ে দীর্ঘ দিন পর আবারো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেনে। যাত্রা বিরতর খবরে স্বস্তি ফিরে আসে পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশন দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীদের মাঝে। সকালে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রা বিরতির মধ্য দিয়ে ধ্বংস স্তূপে পরিণত হওয়া এই স্টেশনটিতে আবারো প্রানচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২ মাস ২০ দিনে অন্তত আড়াই কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে সুরমা মেইল, ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস, তিতাস কমিউটার ও কর্ণফুলী এক্সপ্রেসট্রেন যাত্রাবিরতি করেছে। বুধবার ১৬ জুন থেকে নিয়মিত যাত্রাবিরতি করবে ঢাকা-সিলেট রেলপথে চলাচলকারী আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস।

সিগন্যালিং ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাশ্ববর্তী তালশহর ও পাঘাচং স্টেশনের মাধ্যমে লাইন ক্লিয়ারিং এর কাজ চলবে। ট্রেন থামবে গার্ড এবং চালকের সমন্বয়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ শোয়েব জানান, সিগন্যালিং ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গার্ড এবং ট্রেন চালকের সমন্বয়ে ট্রেনে যাত্রী উঠানামা করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সিগন্যালিং ব্যবস্থা মেরামত করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতি শুরু

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

অবশেষে আগামী ১৫ জুন (মঙ্গলবার) থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে শুরু হচ্ছে ট্রেনের যাত্রাবিরতি। মঙ্গলবার থেকে তিনটি মেইল ট্রেন, একটি কমিউটার ট্রেন ও পরদিন বুধবার থেকে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রাফিক ট্রান্সপোর্টেশান শাখার উপ-পরিচালক (অপারেশন) মোঃ রেজাউল হক স্বাক্ষরিত একটি পত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে। ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়, সাময়িকভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনকে ‘ডি ক্লাশ’ স্টেশনে রূপান্তর করে ট্রেন চালু করা হচ্ছে।

রেলওয়ের চিঠি থেকে জানা যায়, ১৫ জুন ঢাকা-সিলেট-ঢাকা পথের সুরমা মেইল, ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ পথের নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস, আখাউড়া-ঢাকা-আখাউড়া, ঢাকা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা পথের তিতাস কমিউটার ট্রেন যাত্রাবিরতি করবে। ১৬ জুন (বুধবার) থেকে যাত্রাবিরতি করবে ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটের পারাবত এক্সপ্রেস।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ হেফাজতের তান্ডবে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। পরদিন ২৭ মার্চ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে পূর্ব নির্ধারিরত সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ করে দেয়া হয়।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনকে সংস্কার করে পূর্ব নির্ধারিত সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে সন্ত্রাস বিরোধী মঞ্চ, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ কয়েকটি সংগঠনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা থেকে ২০ জুনের মধ্যে ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে আল্টিমেটাম দেয়া হয়।

আগামী মঙ্গলবার থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে শুরু হচ্ছে ট্রেনের যাত্রা বিরতি

বিজয়নগর


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমা আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকেরা।  শুক্রবার রাতে শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওই গৃহবধূর লাশ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।

গৃহবধূ সীমা আক্তার জেলার আখাউড়া উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের কন্যা ও বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নলগড়িয়া গ্রামের আবুল হাসানের স্ত্রী।

সীমা আক্তারের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৩ বছর আগে আবুল হাসানের সাথে বিয়ে হয় সীমার। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলে আসছিল। শুক্রবার দুপুরে স্বামী আবুল হাসানের সাথে সীমার ঝগড়া হলে আবুল হাসান সীমাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পর মেরে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এতে সীমা অভিমান করে সন্ধ্যায় ঘরে থাকা বিষপান করে।

স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আরিফুজ্জামান হিমেল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই আবুল হাসান ও পারিবারের লোকজন সীমার লাশ হাসপাতালে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আরিফুজ্জামান হিমেল বলেন, গৃহবধূকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে আনা হয়েছিলো। আমরা তাকে মৃত ঘোষণার পর তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর্জা মোহাম্মদ হাসান বলেন, সীমা আক্তারকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা রীনা বেগম বাদি হয়ে শনিবার সকালে স্বামীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ সীমার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই স্বামীসহ অপর আসামীরা পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে স্বামীর পলায়ন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন ডাঃ একরামউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার এক পুরুষ-(৭৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৩০ টি নমুনা পরীক্ষায় করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৫ জন, কসবা উপজেলায় ৩৭ জন, সরাইল উপজেলায় ১ জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৭জন, নাসিরনগর উপজেলায় ৩ জন, বিজয়নগর উপজেলায় ৪জন, নবীনগর উপজেলায় ৬০ ও বাঞ্চারামপুর উপজেলায় ২৫ জন রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মোট ৫১১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩৯৩১ জন করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্য হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ১ জনের মৃত্যু ॥ নতুন সনাক্ত ১৮২ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা দু’জনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদের মধ্যে একজন মহিলা ও একজন পুরুষ। শুক্রবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫১৩টি নমুনা পরীক্ষায় করে করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন ৮৪ জন।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার পুরুষ-(৪৫) ও আশুগঞ্জ উপজেলার মহিলা-(৫৫)। এই দু’জন নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭১ জন মারা যান।

নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছেন ৮ জন, কসবায় ৩৮, সরাইলে ৪, আখাউড়ায় ৩, আশুগঞ্জে ৮, নাসিরনগরে ২, বিজয়নগরে ২, বাঞ্চারামপুরে ১৯ জন করে রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় মোট ৪ হাজার ৬৬৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ জন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ২জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৮৪ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে গত বুধবার (৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন মানার জন্য জন-সাধারণকে বার বার বলা হচ্ছে। লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা শহর সহ ৯টি উপজেলায় ৩২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালে গত ৭ দিনে (১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলায় সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ধারাসমূহ লঙ্ঘনের অপরাধে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত বুধবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন। জেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন মোট ৬৯জন করোনায় মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কঠোর লকডাউনে ৭দিনে ২ হাজার ১৭৩ জনকে জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে লকডাউন দেখতে ঘুরতে গিয়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন তিন যুবক। সোমবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কে. এম ইয়াসির আরাফাত ভ্রাম্যমান আদালতে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কে.এম ইয়াসির আরাফাত জানান, সোমবার বিকেলে উপজেলার সিঙ্গারবিল বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে তিন যুবক প্রাইভেটকার দিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে লকডাউনে প্রাইভেটকার নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কথা জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, তারা সদর উপজেলার সুলতানপুর থেকে একটি সুন্নতে খৎনার দাওয়াতে যোগ দিতে বিজয়নগরের চম্পকনগর যাচ্ছেন।

পরে তিনি তাদের কথামতো চম্পকনগরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন সেখানে কোন সুন্নতে খৎনার অনুষ্ঠান নেই। পরে তারা জানান, তারা লকডাউন দেখতে বেরিয়েছেন।

পরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তিনি তিন যুবককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও লকডাউনে অহেতুক ঘুরাঘুরি করবে না এই মর্মে মুচলেকা আদায় করেন।

বিজয়নগরে জরিমানা গুনলেন তিন যুবক


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারনে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১৯ জনকে ৪৯হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে.এম. ইয়াসির আরাফাত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি অফিসার কে.এম. ইয়াসির আরাফাত বলেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রন ও নির্মূল আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ১৩টি মামলায় ১৯ জনকে ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ভ্রাম্যমান আদালতে ১৯ জনকে জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা ও মোটর সাইকেল নিয়ে বের হওয়ায় ১৫ জনকে ৫৭৫০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কে. এম. ইয়াসির আরাফাত ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রাবেয়া আসফার সায়মা পৃথক স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতে নেতৃত্ব দেয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কে.এম. ইয়াসির আরাফাত জানান, সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অপরাধে ১৫ জনকে ১৫টি মামলায় ৫৭৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া কঠোর লকডাউন কার্যকর করার জন্য উপজেলার সকল গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল দেয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

বিজয়নগরে মাস্ক পরিধান না করাসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৫ জনকে জরিমানা

সরাইল


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন ডাঃ একরামউল্লাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার এক পুরুষ-(৭৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৩০ টি নমুনা পরীক্ষায় করে ১৮২ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৫ জন, কসবা উপজেলায় ৩৭ জন, সরাইল উপজেলায় ১ জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৭জন, নাসিরনগর উপজেলায় ৩ জন, বিজয়নগর উপজেলায় ৪জন, নবীনগর উপজেলায় ৬০ ও বাঞ্চারামপুর উপজেলায় ২৫ জন রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মোট ৫১১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩৯৩১ জন করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ্য হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ১ জনের মৃত্যু ॥ নতুন সনাক্ত ১৮২ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা দু’জনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদের মধ্যে একজন মহিলা ও একজন পুরুষ। শুক্রবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫১৩টি নমুনা পরীক্ষায় করে করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন ৮৪ জন।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার পুরুষ-(৪৫) ও আশুগঞ্জ উপজেলার মহিলা-(৫৫)। এই দু’জন নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭১ জন মারা যান।

নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছেন ৮ জন, কসবায় ৩৮, সরাইলে ৪, আখাউড়ায় ৩, আশুগঞ্জে ৮, নাসিরনগরে ২, বিজয়নগরে ২, বাঞ্চারামপুরে ১৯ জন করে রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় মোট ৪ হাজার ৬৬৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ জন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ২জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৮৪ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে গত বুধবার (৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন মানার জন্য জন-সাধারণকে বার বার বলা হচ্ছে। লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা শহর সহ ৯টি উপজেলায় ৩২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালে গত ৭ দিনে (১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলায় সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ধারাসমূহ লঙ্ঘনের অপরাধে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত বুধবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন। জেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন মোট ৬৯জন করোনায় মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কঠোর লকডাউনে ৭দিনে ২ হাজার ১৭৩ জনকে জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

শনিবার কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনে সকালের সরাইল ছিল অনেকটা স্বাভাবিক। সকাল ১০টার পর সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে গাড়ি ও লোকজনের নড়াচড়া কমে আসে। তবে হাসপাতাল মোড়ে সড়কের পাশের মাছ বাজারে মানুষের গিজাগিজি ছিল উল্লেখযোগ্য।

বেলা ২টার পর বিশ্বরোড মোড় থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বেশ কিছু যাত্রীবাহী সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলছে আশুগঞ্জ ও ভৈরবের দিকে। নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক মৃদুল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

এর মধ্যে উপজেলার কুট্রাপাড়া মোড়, সৈয়দটুলা, রসুলপুর ও সরাইল বাজার এলাকায় সংক্রামক রোগ আইন-২০১৮ অনুসারে ৯টি মামলায় ৯ ব্যাক্তিকে ৬ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া আইন অমান্য করায় ২ ব্যাক্তিকে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আটক করে রাখেন।

ওদিকে সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফারজানা প্রিয়াংকা একই আইনে ৪ জনের বিরূদ্ধে মামলা করে ৩ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক মৃদুল বলেন, লকডাউন চলাকালে আইন অমান্যকারীদের বিরূদ্ধে মামলা ও জরিমানা করার পক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

সরাইলে কঠোর লকডাউনে ১৩ মামলায় জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে যাত্রী আসা অব্যাহত রয়েছে। ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি যাত্রীরা এবং বাংলাদেশে কর্মরত ও পড়াশুনা করতে থাকা ভারতীয় নাগরিকরা বিশেষ অনুমতি নিয়ে প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে ফিরছেন।

আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ থেকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে যাত্রীরা ভারত থেকে ফিরতে পারছেন। গত বৃহস্পতিবার নাগাদ এক হাজার ৯৩৮ জন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসেন। তাদের প্রত্যেককে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১৪৭২ জনকে অবমুক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ১৯ জনকে অবমুক্ত করা হয়। ভারত ফেরত যাত্রীদের মধ্যে ৫৪ জনের করোনা পজেটিভ আসে। এর মধ্যে অনেকেই নেগেটিভ সনদ নিয়ে নিজ নিজ অবস্থানে চলে গেছেন।

এ ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলম জানান, ভারত ফেরতদেরকে কোয়ারেন্টিন মানতে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

ভারত ফেরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল, বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঢাকার ব্র্যাক লানিং সেন্টারসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও আখাউড়ার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে তাদেরকে কোয়ারেন্টিন করানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নাগাদ জেলায় কোয়ারেন্টিনে আছেন ২৫৪ জন।

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকে পড়া ১৯৩৮ জন বাংলাদেশি যাত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে “দূর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী-২০১৯” বিষয়ে অবহিতকরণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান আলোচক হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব লুৎফুন নাহার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল হক মৃদুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর। বিশেষ আলোচক ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলম।

সরাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন-সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফারজানা প্রিয়াংকা, সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, সরাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খান ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল জব্বার প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোকেয়া বেগম, সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, সরাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আইয়ুব খান, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও সাংবাদিক মোঃ শফিকুর রহমান প্রমুখ।

সরাইলে দূর্যোগ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কুতুব উদ্দিন ভূঁইয়া ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আজ ভোরে নিজ বাড়িতে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী ১ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে যান। শনিবার বাদ যোহর অরুয়াইল আব্দুস সাত্তার ডিগ্রি কলেজ মাঠে নামাজে জানাযা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার লাশ অরুয়াইল কবরস্থানে দাফন করা হয়। নামাজের জানাযায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

এদিকে সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কুতুব উদ্দিন ভূঁইয়ার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, আবদুস সাত্তার ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান আনসারী, সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন ও অরুয়াইল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। পৃথক পৃথক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

সরাইলের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কুতুব উদ্দিনের ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যদায় দাফন

আখাউড়া


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী বলেছেন, ভারতে টিকার উৎপাদন বেড়েছে। ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা থাকার পরই আমারা বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে পারবো। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফেরার পথে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিক্রম দোরাই স্বামী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য বেড়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি হলে দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য আরো বাড়বে। বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ বলতে পারেন নি ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী আখাউড়া স্থলবন্দরে দু’দেশের শূণ্য রেখায় পৌছলে তাকে স্বাগত জানান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান।

এ সময় হাই কমিশনারের সাথে তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা দুরাই স্বামীসহ স্বজনেরা ছিলেন। উল্লেখ্য গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা দুরাই স্বামী আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারতে যান।

ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা থাকার পরই আমারা বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে পারবো- বিক্রম দোরাই স্বামী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টিকা নিয়ে আলোচনা করতে দিল্লী গেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। রোববার সকালে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারতে যান। সকাল পৌনে ৯টার দিকে তিনি ভারতে প্রবেশ করেন।

ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী আখাউড়া স্থল বন্দরে পৌছলে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

স্থল বন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবারে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, টিকা বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি দিল্লী যাচ্ছেন।

বাংলাদেশকে কবে নাগাদ করোনার টিকা দেয়া হবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে সময়ক্ষণ বলতে পারেননি তিনি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত টিকা সরবরাহ করা হয় সে বিষয়ে আলোচনা করতে দিল্লী যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

এ সময় দোরাইস্বামী আরো বলেন, দুই দেশের মধ্যে সড়ক ও রেলপথ সংযোগ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে দুই দেশই কাজ করছে। এতে উভয়েই লাভবান হবে।

দিল্লী গেলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমা আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকেরা।  শুক্রবার রাতে শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওই গৃহবধূর লাশ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।

গৃহবধূ সীমা আক্তার জেলার আখাউড়া উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের কন্যা ও বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নলগড়িয়া গ্রামের আবুল হাসানের স্ত্রী।

সীমা আক্তারের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৩ বছর আগে আবুল হাসানের সাথে বিয়ে হয় সীমার। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলে আসছিল। শুক্রবার দুপুরে স্বামী আবুল হাসানের সাথে সীমার ঝগড়া হলে আবুল হাসান সীমাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পর মেরে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এতে সীমা অভিমান করে সন্ধ্যায় ঘরে থাকা বিষপান করে।

স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আরিফুজ্জামান হিমেল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই আবুল হাসান ও পারিবারের লোকজন সীমার লাশ হাসপাতালে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আরিফুজ্জামান হিমেল বলেন, গৃহবধূকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে আনা হয়েছিলো। আমরা তাকে মৃত ঘোষণার পর তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর্জা মোহাম্মদ হাসান বলেন, সীমা আক্তারকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা রীনা বেগম বাদি হয়ে শনিবার সকালে স্বামীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ সীমার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই স্বামীসহ অপর আসামীরা পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে স্বামীর পলায়ন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৪(কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। একমাত্র আল্লাহই পারেন এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দিতে। শনিবার সকালে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমামদের সাথে মত বিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

মন্ত্রী ঢাকা থেকে ভার্চ্যুয়ালি মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন।

এ সময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, জীবন জীবিকার মধ্যে ব্যালেন্স আনা সরকারের কাজ। আমরা সেটা করতে গিয়েই লকডাউন বিষয়ে প্রয়োজন মাফিক ব্যবস্থা নেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতায় আমরা করোনার বড় ধরণের প্রভাব থেকে রক্ষা পেয়েছি। বড় বড় রাষ্ট্র যখন করোনার টিকার ব্যবস্থা করেছে ঠিক তখনই শেখ হাসিনা আমাদের জন্য টিকা কিনে এনেছেন।

তিনি বলেন, আমরা ইমামদের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে পানাহ্ চাইবো তিনি যেন আমাদেরকে পরিত্রাণ দেন।
মত বিনিময় সভায় ইমামদের পক্ষ থেকে মন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ইমামদের বেতন ভাতার দাবি প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে বলে জানান মন্ত্রী। বাকি দাবিগুলো মন্ত্রী পরবর্তীতে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দেন।

মত বিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার, মহিউস সুন্নাহ মাদরাসার অধ্যক্ষ আসাদ আল হাবিব, খড়মপুর শাহ্পীর কল্লা শহীদ দাখিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি কেফায়েত উল্লাহ, ইমাম সমিতির সভাপতি কাজি মাঈনুদ্দিন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম ভূইয়া, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাইফুল ইসলাম, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মুরাদ হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন শফিক আলেয়া, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ শাহবুদ্দিন বেগ শাপলু।

আখাউড়ায় ইমামদের সাথে মতবিনিময় করছেন আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
করোনা পরিস্থিতিতে সচেতনতামূলক মাইকিং ও মাস্ক বিতরণ করা আখাউড়া পৌর এলাকার রাধানগরের বাসিন্দা শিশু রুদ্রজিৎ পালের জন্মদিনে ব্যতিক্রম আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার রুদ্রপালের অষ্টম জন্মদিন উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসহায়তা ও নগদ টাকা দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবুর প্রথম সন্তান রুদ্রজিৎ পাল। স্থানীয় মেধা বিকাশ প্রি ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী রুদ্রপাল গত বছর করোনাকালীন সময়ে নিজেই দিনভর আখাউড়া পৌর এলাকার বিভিন্নস্থানে মাইকিংয়ের পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ব্যাপক প্রশসংসা পায় ও শুভেচ্ছা পুরষ্কারেও ভূষিত হয় রুদ্র।

রুদ্র পালের বাবা বিশ্বজিৎ পাল বলেন, বৈশ্বিক মহামারীর কারণে এ বছর রুদ্র’র জন্মদিন একেবারে ঘরোয়াভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ব্যাপকভাবে জন্মদিন না পালন না করে ওই টাকায় বুধবার রুদ্রের অষ্টম জন্মদিনে পাঁচজন দরিদ্রকে চাল, ডাল, পেঁয়াজ, আলু, পেঁপে উপহার দেয়া হয়। এ ছাড়া পাঁচজনকে নগদ টাকা দেয়া হয়।

আখাউড়ায় কর্মহীনদেরকে সহায়তা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ৮০ হালি (৮শত কেজি) আনারস পাঠিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।  রোববার সকাল সোয়া ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে এই আনারস পাঠানো হয়।

এর আগে একই স্থলবন্দর দিয়ে গত ৫ জুলাই ত্রিপুরার মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের জন্য ৩শত কেজি হাড়িভাঙ্গা আম পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আম পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ত্রিপুরার মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ত্রিপুরা রাজ্যের ইন্ডাস্ট্রিজ কমার্স ও ট্যুরিজম এর ডাইরেক্টর তড়িৎ কান্তি চাকমা কার্টুন ভর্তি আনারস নিয়ে সকালে স্থলবন্দরের নো-ম্যানসল্যান্ডে আসেন। পরে বাংলাদেশের পক্ষে আনারস গ্রহণ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সহকারী ভারতীয় হাইকমিশন চট্টগ্রামের দ্বিতীয় সচিব উদত ঝাঁ, আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারি পরিচালক (ট্রাফিক) মোস্তাফিজুর রহমান।

উপহার সামগ্রী সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পোঁছানো হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ৮০ হালি আনারাস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা দু’জনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদের মধ্যে একজন মহিলা ও একজন পুরুষ। শুক্রবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫১৩টি নমুনা পরীক্ষায় করে করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন ৮৪ জন।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার পুরুষ-(৪৫) ও আশুগঞ্জ উপজেলার মহিলা-(৫৫)। এই দু’জন নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭১ জন মারা যান।

নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছেন ৮ জন, কসবায় ৩৮, সরাইলে ৪, আখাউড়ায় ৩, আশুগঞ্জে ৮, নাসিরনগরে ২, বিজয়নগরে ২, বাঞ্চারামপুরে ১৯ জন করে রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় মোট ৪ হাজার ৬৬৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ জন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ২জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৮৪ জন

ফেসবুকে আমরা..

পুরাতন খবর

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
19202122232425
262728293031 
       
   1234
567891011
       
1234567
15161718192021
22232425262728
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
252627282930 
       
21222324252627
28293031   
       
      1
9101112131415
30      
   1234
567891011
12131415161718
       
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
24252627282930
       
  12345
       
2930     
       
    123
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
28293031   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
17181920212223
       
  12345
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
14151617181920
28293031   
       
      1
23242526272829
30      
   1234
       
   1234
262728    
       
1234567
293031    
       

বিনোদন ও খেলাধুলা

botv িনউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন আয়োজিত অমর একুশে বই মেলার তৃতীয় দিন ব্রাহ্মনবাড়িয়ার একমাত্র সৃজনশীল সংগঠন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র একক ও বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ ভাষা মঞ্চে হাবিবুর রহমান পারভেজের গ্রন্থনা ও শারমিন সুলতানার নির্দেশনায় একটি বৃন্দ আবৃত্তি – “একুশের বর্ণমালা” পরিবেশন করা হয়।

হয়।আবৃত্তিশিল্পী ইসরাত, আলিফ, ওমর, মিতি, নেহাল, পৃথুলা। একক আবৃত্তি করেন সংগঠনের র্নিবাহী পরিচালক হাবিবুর রহমান পারভেজ। পরিচালনা করেন আবৃত্তিশিল্পী শারমিন সুলতানা।

###

অমর একুশে বই মেলায় আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের আবৃত্তি পরিবেশনা

botvনিউজঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অভাবনীয় উন্নয়নের রূপকার, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং অংকুর- অন্বেষা বিদ্যাপীঠের প্রধান পৃষ্ঠপোষক র.আ.ম.উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তি থেকে শিক্ষার্থীদের দুরে রাখতে খেলাধূলার বিকল্প নেই। খেলাধূলা শিক্ষার্থীদেরকে বিপথে যাওয়া থেকে বিরত রাখে।

পৌর এলাকার পুনিয়াউটে অবস্থিত অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
মাউশির (অবসরপ্রাপ্ত) মহাপরিচালক ও অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকা দরকার। এতে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটবে।

এছাড়াও নিজ পড়ার টেবিলের মতো বাসাবাড়ির পরিবেশটাও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে অন্যদেরকে ও উৎসাহ দিতে হবে। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
বাংলার মাটিতে সন্ত্রাসীদের কোন স্থান নেই, উল্লেখ করে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ রুখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ প্রফেসর মঞ্জুয়ারা বেগম।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের শিক্ষক আলেয়া জাহান তৃপ্তি ও শারমীন সুলতানা। পরে প্রধান অতিথি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত

রাজনীতি ও নির্বাচন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নতুন কমিটি ঘোষনার মাত্র দুই সপ্তাহ পর (১৪ দিন) উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের এক সভায় সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। মঙ্গলবার রাতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক সোহেল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির দৃশ্যমান কোন কার্যকারিতা না থাকায় কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। সেই সাথে আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রত্যক্ষ অংশ গ্রহণের মাধ্যমে বিলুপ্ত ইউনিটের নতুন আহবায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।

উপজেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ ২১ সদস্য বিশিষ্ট সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।
কমিটিতে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেত্রী বেবী ইয়াছমিনের ছেলে রিফাত বিন জিয়াকে আহবায়ক, মোঃ আমান উল্লাহকে সদস্য সচিব করা হয়।

রিফাত আওয়ামীলীগ নেত্রীর ছেলে, অছাত্র, নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ও বিবাহিত এবং সদস্য সচিব মোঃ আমান উল্লাহ এলাকায় থাকেন না এবং তিনি আদম ব্যবসায়ী এই অভিযোগ তুলে ঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করে ছাত্রদলের একাংশের নেতা-কর্মীরা।
পরে ঘোষিত ২১ সদস্য কমিটির ১৪ জন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফুজায়েল চৌধুরী তাদের পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রকে নিশ্চিত করলে গত মঙ্গলবার ঘোষিত কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে ছাত্রদলের সাংগঠনিক টিমের কুমিল্লা বিভাগীয় প্রধান মোঃ জাকির হোসেন সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সাথে পরামর্শ করেই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। বিভিন্ন কারনে এই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
###

নতুন কমিটির ঘোষনার মাত্র ১৪ দিন পর সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

botvনিউজ:

আগামীকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের উপ-নির্বাচন। উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ঐক্যজোটের তিনজন প্রার্থী। এরা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা), জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা এ.কে.এম আশরাফুল হক (মিনার)। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ করেছেন।
আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীমের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে জাপা প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন জাপার কো-চেয়ারম্যান ও সাবেকমন্ত্রী জি.এম. কাদেরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ। পুরো নির্বাচনী এলাকায় বর্তমানে বিরাজ করছে উৎসব আমেজ।
এক সময়ের জাতীয় পার্টির (এরশাদ) দূর্গ হিসেবে পরিচিত নাসিরনগর আসনটি বর্তমানে আওয়ামীলীগের শক্ত ঘাটি হিসেবে পরিচিত। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তিনবার এবং আওয়ামীলীগ প্রার্থী ৫বার বিজয়ী হন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপ-নির্বাচনে মূলত আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যেই এখানে মূল লড়াই হবে। দুই দলের জন্যই ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে বিএনপি সমর্থকদের ভোট। স্থানীয়দের ধারণা বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভোট নির্বাচনের জয় পরাজয়ের নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। যে কারণে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ওইসব ভোটারদের নজর রাখছেন। তাদেরকে ভোটের দিনে কেন্দ্রে আনার জন্য বিশেষ করে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদেরকে তৎপর থাকতে বিভিন্ন পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগে প্রকাশ্য বিরোধ না থাকলেও ভেতরে ভেতরে বিরোধ রয়েছে জানা গেছে। জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে দলের প্রার্থী বিএম ফরহাদ হোসেন সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। যদিও আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলার একাধিক টিম প্রার্থীর পক্ষে প্রচার- প্রচারণা চালিয়েছে।
এদিকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মী না থাকায় ভোটের মাঠে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পিছিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশ্য জাতীয় পার্টির রেজওয়ান আহমেদ একাধিকবার প্রার্থী হওয়ায় ভোটাররা তার প্রতি সহানুভূতি দেখাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, যেহেতু দেশে বর্তমানে ভোটের পরিবেশ নেই, তাই আমাদের দল নির্বাচনে অংশ নেয় নি। আমাদের সমর্থকরা কেউ যদি উৎসাহী হয়ে ভোট দিতে যায় তাহলে তো আমাদের কিছু করার নেই।
এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ক্ষমতাসীন দল যদি কেন্দ্র দখল করে ভোট কারচুপি না করে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে যদি নির্বাচন হয় তাহলে তিনি বিজয়ী হবেন।
এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম বলেন, জনগন উন্নয়ন চায়। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় জনগন নৌকা মার্কাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করবেন বলে তিনি আশা করেন।
উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, ‘সকল বিরোধীদলও যদি এক হয়ে যায় তবু আমাদের প্রার্থীকে হারাতে পারবে না। উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরই জয় হবে। তিনি বলেন, নাসিরনগর ছিল এক সময়ের অবহেলিত জনপদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দেয়া যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেসব বাস্তবায়ন করে নাসিরনগরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। প্রয়াত নেতা ছায়েদুল হক মন্ত্রী থাকাকালে এলাকায় বেশ উন্নয়ন করেছেন।
এ ব্যাপারে জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি বলেন, ‘যুগ যুগ ধরেই আমরা দেখে এসেছি কোনো দল নির্বাচনে না এলে তাদের সমর্থিত ভোটাররা সমমনা দলকে বেছে নেয়। সেই ক্ষেত্রে আমরা বিএনপি’র ভোট পাব বলে আশা করছি। বিএনপি’র অনেক নেতা-কর্মীই আমাদেরকে ফোন করে পাশে থাকার বিষয়ে আশ্বস্থ করেছেন। সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জিতবে বলে আমি আশাবাদী।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের ২৪৩ নং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১- সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৯ জন। এর পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১০ হাজার ৪শ ১০ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ৫শ ৯৯ জন। উপ-নির্বাচনে ৭৪টি ভোট কেন্দ্রের ৩৬৪টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ জন্য ৭৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৬৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭২৮জন পোলিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কর্মকর্তাদেরকই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
এদিকে গত ৮ মার্চ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা নাসিরনগরের উপ-নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃংখলা সভা ও নাসিরনগরে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এসব অনুষ্ঠানে ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে আসনটি শূণ্য হয়। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মারা গেলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে। ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ সালে তিনি এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

লড়াই হবে নৌকা-লাঙ্গলের মধ্যে

                                       ৮ ফেব্রুয়ারি-২০১৮ইং    –  রায়  –   ৫ বছরের জেল

botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৬৩জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার সকাল থেকে  বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আশুগঞ্জ উপজেলার মোঃ মাসুম মিয়া, মোঃ রুস্তম মিয়া, আবুল ইসলাম-(৩৫), আল আমিন-(২৯), লিটন মোল্লা-(৩১), মোঃ সোহবার মিয়া-(৩০), রবি হোসেন-(৩২), মোঃ মিজান-(২৮), রুবেল মিয়া-(২২), আপেল-(২৬), মোঃ জয়নাল মিয়া-(২৮), হারুন মিয়া-(৩২), জয়নাল আবেদীন রাজু-(৩৬), সরাইলের ইসহাক মিয়া-(২৩), মোঃ ইমরান- (৩৬), তাবারক মিয়া-(৩৬), মোবারক মিয়া (২৬), জালাল মিয়া-(৫৫), নাজমুল হোসেন খান রাসেল-(৩৫), নাসিরনগর উপজেলার মীর রুবেল মিয়া-(২৫), রহমত খাঁ-(৩৭), মফিজ মিয়া-(৩৫), ইয়াছিন মিয়া-(২৪), মোঃ জাকারিয়া-(১৯), মনির হোসেন মাঞ্জু-(২৮), রহমত আলম-(২৪), নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিম মিয়া-(৩০), মোঃ রফিক-(২৮), অলিউল্লাহ-(২২), আল আমিন-(২০), মোঃ জালাল মিয়া-(৩৫), সাদ্দাম-(২৫), বেলায়েত হোসেন- (৪২), হাফিজ মিয়া-(৩৫), বাঞ্চারামপুর উপজেলার মোঃ ইব্রাহিম-(২৮), বিজয়নগর উপজেলার ময়দর আলী-(৪৫), মোঃ সোহেল মিয়া-(২২), মোঃ জামাল চৌধুরী-(৪২), কসবা উপজেলার মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), আবু হানিফ মিয়া-(৫০), মোঃ আবুল খায়ের-(৬৫), মোঃ আবুল কালাম-(২৫), মোঃ শাহজাহান মিয়া-(৬৫), আলমগীর হোসেন-(১৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার তারেকুল রহমান ইমন-(৩০), মোঃ হারুনুর রশিদ-(৪১), মোঃ ইউসুফ মিয়া-(৩৫), হান্নান মিয়া, গিয়াস উদ্দিন-(২৬), জসিম উদ্দিন- (২৩), শাফি মিয়া-(২৯), হাবিবুল্লাহ-(১৯), মঞ্জু মিয়া-(৩৫), সুজন মিয়া-(২৫),মোঃ জালাল আহমেদ-(৩৭), জামাল হাসান-(২৪), আলাল উদ্দিন-(৩০), আনিছুর রহমান, ফিরোজ সর্দার-(৩০), সাদেক মিয়া, আক্তার -(৩৮),দিদারুল ইসলাম-(৩৪),

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিআইওয়ান) মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। তারা সবাই গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আসামী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
###

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার ৬৩

 

botv নিউজঃ

দীর্ঘ ৫ বছর পর আগামীকাল ২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ব্রহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন।

সকাল ১০টায় স্থানীয় লোকনাথ উদ্যানে (টেংকের পাড়) অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি থাকবেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এবি তাজুল ইসলাম এমপি, ফয়জুর রহমান বাদল এমপি, অ্যাডভোকেট ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জাকির হোসাইন।

বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আল-আমিন, মোঃ মনির হোসেন প্রমুখ।

দীর্ঘ ৫ বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন

বিজ্ঞপ্তি

২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৭ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৫১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৭ জন গ্রেফতার

গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৪ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৫১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৪ জন গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের মেরাশানী এলাকা থেকে ০১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। গতকাল (২২ মে) সন্ধ্যায় এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগরের মেরাশানী এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তারা একজনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী হলেন, রোমান বিন সাইদ রাব্বি (৩১), পিতা-মোঃ রওশন আলী, সাং-উত্তর গোরান, বাসা নং-৩৬৫, ওয়ার্ড নং-০২, থানা-খিলগাঁও, ডিএমপি-ঢাকা। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৩ বতল স্কাফ ও ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন যাবত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সিমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে চালানকৃত গাঁজা দেশে নিয়ে আসত। এবং সেই গাঁজার চালানটি রাজধানীর এক ব্যক্তির কাছে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

প্রেস রিলিজ

বিজয়নগরের মেরাশানী এলাকা থেকে ০১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব

২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৪ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৪৮৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৪ জন গ্রেফতার