সংবাদ শিরোনাম :
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার বহুতল ভবনের পাইপে আটকে থাকা মাদরাসা ছাত্রকে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু কসবা পৌরসভার নির্বাচন বিনা প্রতিদ্বন্ডিতায় বিজয়ের পথে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী গোলাম হাক্কানি বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার দুপুরে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর হামলা ও ভাংচুরের শিকার হয়।

স্থানীয়রা জানান, ইউপি নির্বাচন পরবর্তী বিরোধ নিয়ে স্থানীয় নোয়াব আলী গোষ্ঠীর সাথে কাউসার মেম্বার গোষ্ঠী, হাজী গোষ্ঠী, মাইঝ গাঁও গোষ্ঠীসহ অন্তত ৭টি গোষ্ঠীর বিরোধ চলে আসছিল। গত ৬ মাস আগে কাউসার মেম্বারের মেয়ে নোয়াব আলী গোষ্ঠীর আব্দুল আহাদের ছেলে মহসীনের সাথে পালিয়ে যায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে আবারো বিরোধ দেখা দেয়। এরই জের ধরে বুধবার উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় কাউসার মেম্বার গোষ্ঠীর পক্ষে হাজী গোষ্ঠী, মাইঝ গাঁও গোষ্ঠীসহ অন্তত ৭টি গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরশাদুল ইসলাম বলেন, মেয়ে সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে তারা সংঘর্ষে বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

স্টাফ রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌর শহরের খৈয়াসার এলাকায় অবস্থিত ৭তলা বিশিষ্ট সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার ভবন থেকে পালাতে গিয়ে ছয়তলার পাইপে আটকে থাকা মোঃ জহিরুল ইসলাম- (১০) নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা।
স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার আলমগীর হোসাইন জহিরুলকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত জহিরুল ইসলাম সরাইল উপজেলার আবদুল করিমের ছেলে। শিশু জহিরুল ইসলাম সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার নাজেরা শাখার ছাত্র।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার ফাইটার আলমগীর হোসাইন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ওই বহুতল বিশিষ্ট মাদরাসা ভবনে গিয়ে ছয়তলার পাইপে আটকে থাকে জহিরুল ইসলামকে উদ্ধার করি। দীর্ঘ ১ ঘন্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ বায়েজিদ আহমেদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য গত ১ জানুয়ারি এই মাদরাসা থেকে পালাতে গিয়ে সবুজ নামে নাজেরা শাথার এক ছাত্র ছয়তলার পাইপে আটকে গিয়েছিলো। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা সবুজকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করেছিলো।

বহুতল ভবনের পাইপে আটকে থাকা মাদরাসা ছাত্রকে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

হেফাজতের তান্ডবে ধ্বংস হওয়ার ৭ মাসেও সভাবিক হয়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। এক জোড়া আন্তনগর ট্রেন ছাড়া বাকি সকল আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লক্ষ লক্ষ লোক মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার ও সকল ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক ভাবে নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে জেলা নাগরিক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একই দাবিতে আজ দ্বিতীয় বারেরমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে “মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ” কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রাদন করেন।

বক্তারা বলেন, হেফাজতের তান্ডবের দায়ভার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া কোনভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। এটা নাগরিক অধিকারের সুস্পষ্ট লক্ষণ। তারা রেলওয়ে স্টেশনে হামলা, ভাঙ্গচুর ও অংগ্নি সংযোগের সাথে জড়িত হেফাজত নেতাকর্মীদের বিচারের আওয়াতায় আনার দাবী জানান। তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ৭মাস যাবত আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করছি। কিন্তু আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় হচ্ছে না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। জনগণের দৈর্য্যচ্যুতি ঘটছে। আমরা আর কোন আশ্বাস চাই না, সমাধান চাই। দেশের অনেক সম্যস্যার সামাধান হলেও ৩০ লক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর এই গণদাবি কেন পূরণ হচ্ছে না এই ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তগণ সমস্যা সমাধানে মানননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাস মালিকদের সাথে রেল কর্মকর্তদের কোন যোগসাজশ আছে কিনা সন্দেহ্ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তাগণ ঘোষণা করেন, আগামী ৩০ আক্টোবরের মধ্যে দ্রুত সকল আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হাজার হাজার জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে সকল প্রকার রেল চলাচল বিচ্ছিন্ন কর দেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা। এসময় রেলওয়ে স্টেশন চলমান সংস্কার কাজের মান নিয়েও সমালোচনা করেন কোন কোন বক্তা।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে অনুষ্ঠিত জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য এর সভাপতিত্বে সমাবশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংবাদিক ও যুবনেতা হাবিবুর রহমান পারভেজের পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদ খান লাভলু, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন সাঈদ, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন,সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদত খান, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান, সম্মিলত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আব্দুন নূর, জেলা নাগরিক ফোরামের সিয়িরর সহ-সভাপতি আতাউর রহমান শাহীন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভিপি এড. এমদাদুল হক, কবি ও গীতিকার দেওয়ান মারুফ, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির নেতা কমরেড নজরুল ইসলাম।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনী সজিব, দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মোঃ আকরাম, সাপ্তাহিক তিতাস বার্তা সম্পাদক এম.এ মতিন শানু, সোনালী ব্যাংক এর প্রিন্সিপাল অফিসার এ কে এম মাকছুদুর রহমান চৌধুরী, ৩ ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, স্টেশন রোড দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, অংকুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, পিসভিশন এর সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বৈশাখী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন, নদী নিরাপত্তা বিষয়ক সামাজিক সংগঠন নোঙ্গর এর সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, আইকর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাইনুল ইসলাম টুটুল, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন স্বপন, যুবলীগ নেতা হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল, পৌর নাগরিক ফোরামের সভাপতি রুমেল আল ফয়সাল, জেলা নাগরিক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন শিপন, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, এড. অসিম কুমার বর্ধন, মোঃ খলিলুর রহমান প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও কয়েশত সাধারণ জনগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে শান্তিপূর্ণভাবে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা-নাগরিক ফোরাম

আশুগঞ্জ

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

হেফাজতের তান্ডবে ধ্বংস হওয়ার ৭ মাসেও সভাবিক হয়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। এক জোড়া আন্তনগর ট্রেন ছাড়া বাকি সকল আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লক্ষ লক্ষ লোক মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার ও সকল ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক ভাবে নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে জেলা নাগরিক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একই দাবিতে আজ দ্বিতীয় বারেরমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে “মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ” কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রাদন করেন।

বক্তারা বলেন, হেফাজতের তান্ডবের দায়ভার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া কোনভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। এটা নাগরিক অধিকারের সুস্পষ্ট লক্ষণ। তারা রেলওয়ে স্টেশনে হামলা, ভাঙ্গচুর ও অংগ্নি সংযোগের সাথে জড়িত হেফাজত নেতাকর্মীদের বিচারের আওয়াতায় আনার দাবী জানান। তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ৭মাস যাবত আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করছি। কিন্তু আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় হচ্ছে না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। জনগণের দৈর্য্যচ্যুতি ঘটছে। আমরা আর কোন আশ্বাস চাই না, সমাধান চাই। দেশের অনেক সম্যস্যার সামাধান হলেও ৩০ লক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর এই গণদাবি কেন পূরণ হচ্ছে না এই ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তগণ সমস্যা সমাধানে মানননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাস মালিকদের সাথে রেল কর্মকর্তদের কোন যোগসাজশ আছে কিনা সন্দেহ্ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তাগণ ঘোষণা করেন, আগামী ৩০ আক্টোবরের মধ্যে দ্রুত সকল আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হাজার হাজার জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে সকল প্রকার রেল চলাচল বিচ্ছিন্ন কর দেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা। এসময় রেলওয়ে স্টেশন চলমান সংস্কার কাজের মান নিয়েও সমালোচনা করেন কোন কোন বক্তা।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে অনুষ্ঠিত জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য এর সভাপতিত্বে সমাবশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংবাদিক ও যুবনেতা হাবিবুর রহমান পারভেজের পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদ খান লাভলু, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন সাঈদ, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন,সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদত খান, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান, সম্মিলত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আব্দুন নূর, জেলা নাগরিক ফোরামের সিয়িরর সহ-সভাপতি আতাউর রহমান শাহীন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভিপি এড. এমদাদুল হক, কবি ও গীতিকার দেওয়ান মারুফ, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির নেতা কমরেড নজরুল ইসলাম।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনী সজিব, দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মোঃ আকরাম, সাপ্তাহিক তিতাস বার্তা সম্পাদক এম.এ মতিন শানু, সোনালী ব্যাংক এর প্রিন্সিপাল অফিসার এ কে এম মাকছুদুর রহমান চৌধুরী, ৩ ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, স্টেশন রোড দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, অংকুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, পিসভিশন এর সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বৈশাখী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন, নদী নিরাপত্তা বিষয়ক সামাজিক সংগঠন নোঙ্গর এর সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, আইকর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাইনুল ইসলাম টুটুল, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন স্বপন, যুবলীগ নেতা হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল, পৌর নাগরিক ফোরামের সভাপতি রুমেল আল ফয়সাল, জেলা নাগরিক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন শিপন, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, এড. অসিম কুমার বর্ধন, মোঃ খলিলুর রহমান প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও কয়েশত সাধারণ জনগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে শান্তিপূর্ণভাবে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা-নাগরিক ফোরাম

কসবা

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
আগামী ২ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরসভার নির্বাচন। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে গতকাল রোববার আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ গোলাম হাক্কানি ছাড়া অন্য কোন মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল না করায় বিনাপ্রতিদ্ব›িদ্বতায় বিজয়ী হতে চলেছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ গোলাম হাক্কানি।
উপজেলা নির্বাচন অফিস জানায়, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে রোববার মেয়র পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ গোলাম হাক্কানি ছাড়া অন্য কোন প্রার্থী মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি।
এছাড়া কাউন্সিলর পদে পৌর সভার ৯টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৩টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডে মোট ৪৫জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এর মধ্যে সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে ৩জন, ২ নং ওয়ার্ডে ৭জন, ৩ নং ওয়ার্ডে ২জন, ৪নং ওয়ার্ডে ৫জন, ৫ নং ওয়ার্ডে ৩জন, ৬ নং ওয়ার্ডে ৬জন, ৭নং ওয়ার্ডে ৫জন, ৮নং ওয়ার্ডে ৩জন ও ৯নং ওয়ার্ডে ২জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এছাড়া তিনটি সংরক্ষিত (মহিলা) ওয়ার্ডের মধ্যে ১ নং ওয়ার্ডে ৩জন, ২ নং ওয়ার্ডে ৪ জন ও ৩ নং ওয়ার্ডে ২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এদিকে রোববার দুপুরে কসবা উপজেলা নির্বাচন অফিসে কসবা পৌরসভার নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমানের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ গোলাম হাক্কানি।
এসময় কসবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওসার ভ‚ইয়া জীবন, পৌর সভার বর্তমান মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম ও রুহুল আমিন ভ‚ইয়া বকুল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন, কসবা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এম.এ.আজিজ, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক আফজাল হোসেন রিমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে কসবা পৌরসভার নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, মেয়র পদে মোঃ গোলাম হাক্কানি ছাড়া অন্য কোন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে যদি তার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয় ও তিনি যদি তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করেন তাহলে তিনি বিনাপ্রতিদ্ব›িদ্বতায় মেয়র পদে নির্বাচিত হবেন। মোঃ জিল্লুর রহমান আরো বলেন, কাউন্সিলর পদে পৌরসভার ৯টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৩টি সংরক্ষিত (মহিলা) ওয়ার্ডে মোট ৪৫জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ি মনোনয়নপত্র বাছাই ১১ অক্টোবর, আপিল ১২ অক্টোবর, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ অক্টোবর এবং দুই নভেম্বর ভোট গ্রহন। ইলেকট্রনিকস ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে এই পৌর সভায় ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য কসবা পৌর সভার মোট ভোটার ২৯ হাজার ৮শত জন।
###

কসবা পৌরসভার নির্বাচন বিনা প্রতিদ্বন্ডিতায় বিজয়ের পথে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী গোলাম হাক্কানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

নবীনগর

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

হেফাজতের তান্ডবে ধ্বংস হওয়ার ৭ মাসেও সভাবিক হয়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। এক জোড়া আন্তনগর ট্রেন ছাড়া বাকি সকল আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লক্ষ লক্ষ লোক মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার ও সকল ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক ভাবে নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে জেলা নাগরিক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একই দাবিতে আজ দ্বিতীয় বারেরমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে “মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ” কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রাদন করেন।

বক্তারা বলেন, হেফাজতের তান্ডবের দায়ভার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া কোনভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। এটা নাগরিক অধিকারের সুস্পষ্ট লক্ষণ। তারা রেলওয়ে স্টেশনে হামলা, ভাঙ্গচুর ও অংগ্নি সংযোগের সাথে জড়িত হেফাজত নেতাকর্মীদের বিচারের আওয়াতায় আনার দাবী জানান। তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ৭মাস যাবত আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করছি। কিন্তু আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় হচ্ছে না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। জনগণের দৈর্য্যচ্যুতি ঘটছে। আমরা আর কোন আশ্বাস চাই না, সমাধান চাই। দেশের অনেক সম্যস্যার সামাধান হলেও ৩০ লক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর এই গণদাবি কেন পূরণ হচ্ছে না এই ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তগণ সমস্যা সমাধানে মানননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাস মালিকদের সাথে রেল কর্মকর্তদের কোন যোগসাজশ আছে কিনা সন্দেহ্ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তাগণ ঘোষণা করেন, আগামী ৩০ আক্টোবরের মধ্যে দ্রুত সকল আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হাজার হাজার জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে সকল প্রকার রেল চলাচল বিচ্ছিন্ন কর দেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা। এসময় রেলওয়ে স্টেশন চলমান সংস্কার কাজের মান নিয়েও সমালোচনা করেন কোন কোন বক্তা।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে অনুষ্ঠিত জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য এর সভাপতিত্বে সমাবশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংবাদিক ও যুবনেতা হাবিবুর রহমান পারভেজের পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদ খান লাভলু, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন সাঈদ, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন,সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদত খান, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান, সম্মিলত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আব্দুন নূর, জেলা নাগরিক ফোরামের সিয়িরর সহ-সভাপতি আতাউর রহমান শাহীন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভিপি এড. এমদাদুল হক, কবি ও গীতিকার দেওয়ান মারুফ, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির নেতা কমরেড নজরুল ইসলাম।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনী সজিব, দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মোঃ আকরাম, সাপ্তাহিক তিতাস বার্তা সম্পাদক এম.এ মতিন শানু, সোনালী ব্যাংক এর প্রিন্সিপাল অফিসার এ কে এম মাকছুদুর রহমান চৌধুরী, ৩ ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, স্টেশন রোড দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, অংকুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, পিসভিশন এর সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বৈশাখী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন, নদী নিরাপত্তা বিষয়ক সামাজিক সংগঠন নোঙ্গর এর সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, আইকর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাইনুল ইসলাম টুটুল, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন স্বপন, যুবলীগ নেতা হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল, পৌর নাগরিক ফোরামের সভাপতি রুমেল আল ফয়সাল, জেলা নাগরিক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন শিপন, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, এড. অসিম কুমার বর্ধন, মোঃ খলিলুর রহমান প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও কয়েশত সাধারণ জনগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে শান্তিপূর্ণভাবে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা-নাগরিক ফোরাম

নাসিরনগর

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

হেফাজতের তান্ডবে ধ্বংস হওয়ার ৭ মাসেও সভাবিক হয়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। এক জোড়া আন্তনগর ট্রেন ছাড়া বাকি সকল আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লক্ষ লক্ষ লোক মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার ও সকল ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক ভাবে নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে জেলা নাগরিক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একই দাবিতে আজ দ্বিতীয় বারেরমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে “মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ” কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রাদন করেন।

বক্তারা বলেন, হেফাজতের তান্ডবের দায়ভার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া কোনভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। এটা নাগরিক অধিকারের সুস্পষ্ট লক্ষণ। তারা রেলওয়ে স্টেশনে হামলা, ভাঙ্গচুর ও অংগ্নি সংযোগের সাথে জড়িত হেফাজত নেতাকর্মীদের বিচারের আওয়াতায় আনার দাবী জানান। তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ৭মাস যাবত আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করছি। কিন্তু আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় হচ্ছে না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। জনগণের দৈর্য্যচ্যুতি ঘটছে। আমরা আর কোন আশ্বাস চাই না, সমাধান চাই। দেশের অনেক সম্যস্যার সামাধান হলেও ৩০ লক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর এই গণদাবি কেন পূরণ হচ্ছে না এই ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তগণ সমস্যা সমাধানে মানননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাস মালিকদের সাথে রেল কর্মকর্তদের কোন যোগসাজশ আছে কিনা সন্দেহ্ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তাগণ ঘোষণা করেন, আগামী ৩০ আক্টোবরের মধ্যে দ্রুত সকল আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হাজার হাজার জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে সকল প্রকার রেল চলাচল বিচ্ছিন্ন কর দেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা। এসময় রেলওয়ে স্টেশন চলমান সংস্কার কাজের মান নিয়েও সমালোচনা করেন কোন কোন বক্তা।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে অনুষ্ঠিত জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য এর সভাপতিত্বে সমাবশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংবাদিক ও যুবনেতা হাবিবুর রহমান পারভেজের পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদ খান লাভলু, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন সাঈদ, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন,সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদত খান, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান, সম্মিলত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আব্দুন নূর, জেলা নাগরিক ফোরামের সিয়িরর সহ-সভাপতি আতাউর রহমান শাহীন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভিপি এড. এমদাদুল হক, কবি ও গীতিকার দেওয়ান মারুফ, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির নেতা কমরেড নজরুল ইসলাম।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনী সজিব, দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মোঃ আকরাম, সাপ্তাহিক তিতাস বার্তা সম্পাদক এম.এ মতিন শানু, সোনালী ব্যাংক এর প্রিন্সিপাল অফিসার এ কে এম মাকছুদুর রহমান চৌধুরী, ৩ ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, স্টেশন রোড দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, অংকুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, পিসভিশন এর সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বৈশাখী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন, নদী নিরাপত্তা বিষয়ক সামাজিক সংগঠন নোঙ্গর এর সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, আইকর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাইনুল ইসলাম টুটুল, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন স্বপন, যুবলীগ নেতা হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল, পৌর নাগরিক ফোরামের সভাপতি রুমেল আল ফয়সাল, জেলা নাগরিক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন শিপন, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, এড. অসিম কুমার বর্ধন, মোঃ খলিলুর রহমান প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও কয়েশত সাধারণ জনগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে শান্তিপূর্ণভাবে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা-নাগরিক ফোরাম

বাঞ্ছারামপুর

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

হেফাজতের তান্ডবে ধ্বংস হওয়ার ৭ মাসেও সভাবিক হয়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। এক জোড়া আন্তনগর ট্রেন ছাড়া বাকি সকল আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লক্ষ লক্ষ লোক মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার ও সকল ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক ভাবে নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে জেলা নাগরিক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একই দাবিতে আজ দ্বিতীয় বারেরমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে “মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ” কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রাদন করেন।

বক্তারা বলেন, হেফাজতের তান্ডবের দায়ভার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া কোনভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। এটা নাগরিক অধিকারের সুস্পষ্ট লক্ষণ। তারা রেলওয়ে স্টেশনে হামলা, ভাঙ্গচুর ও অংগ্নি সংযোগের সাথে জড়িত হেফাজত নেতাকর্মীদের বিচারের আওয়াতায় আনার দাবী জানান। তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ৭মাস যাবত আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করছি। কিন্তু আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় হচ্ছে না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। জনগণের দৈর্য্যচ্যুতি ঘটছে। আমরা আর কোন আশ্বাস চাই না, সমাধান চাই। দেশের অনেক সম্যস্যার সামাধান হলেও ৩০ লক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর এই গণদাবি কেন পূরণ হচ্ছে না এই ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তগণ সমস্যা সমাধানে মানননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাস মালিকদের সাথে রেল কর্মকর্তদের কোন যোগসাজশ আছে কিনা সন্দেহ্ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তাগণ ঘোষণা করেন, আগামী ৩০ আক্টোবরের মধ্যে দ্রুত সকল আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হাজার হাজার জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে সকল প্রকার রেল চলাচল বিচ্ছিন্ন কর দেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা। এসময় রেলওয়ে স্টেশন চলমান সংস্কার কাজের মান নিয়েও সমালোচনা করেন কোন কোন বক্তা।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে অনুষ্ঠিত জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য এর সভাপতিত্বে সমাবশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংবাদিক ও যুবনেতা হাবিবুর রহমান পারভেজের পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদ খান লাভলু, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন সাঈদ, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন,সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদত খান, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান, সম্মিলত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আব্দুন নূর, জেলা নাগরিক ফোরামের সিয়িরর সহ-সভাপতি আতাউর রহমান শাহীন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভিপি এড. এমদাদুল হক, কবি ও গীতিকার দেওয়ান মারুফ, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির নেতা কমরেড নজরুল ইসলাম।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনী সজিব, দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মোঃ আকরাম, সাপ্তাহিক তিতাস বার্তা সম্পাদক এম.এ মতিন শানু, সোনালী ব্যাংক এর প্রিন্সিপাল অফিসার এ কে এম মাকছুদুর রহমান চৌধুরী, ৩ ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, স্টেশন রোড দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, অংকুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, পিসভিশন এর সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বৈশাখী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন, নদী নিরাপত্তা বিষয়ক সামাজিক সংগঠন নোঙ্গর এর সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, আইকর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাইনুল ইসলাম টুটুল, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন স্বপন, যুবলীগ নেতা হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল, পৌর নাগরিক ফোরামের সভাপতি রুমেল আল ফয়সাল, জেলা নাগরিক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন শিপন, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, এড. অসিম কুমার বর্ধন, মোঃ খলিলুর রহমান প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও কয়েশত সাধারণ জনগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে শান্তিপূর্ণভাবে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা-নাগরিক ফোরাম

বিজয়নগর

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার দুপুরে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর হামলা ও ভাংচুরের শিকার হয়।

স্থানীয়রা জানান, ইউপি নির্বাচন পরবর্তী বিরোধ নিয়ে স্থানীয় নোয়াব আলী গোষ্ঠীর সাথে কাউসার মেম্বার গোষ্ঠী, হাজী গোষ্ঠী, মাইঝ গাঁও গোষ্ঠীসহ অন্তত ৭টি গোষ্ঠীর বিরোধ চলে আসছিল। গত ৬ মাস আগে কাউসার মেম্বারের মেয়ে নোয়াব আলী গোষ্ঠীর আব্দুল আহাদের ছেলে মহসীনের সাথে পালিয়ে যায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে আবারো বিরোধ দেখা দেয়। এরই জের ধরে বুধবার উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় কাউসার মেম্বার গোষ্ঠীর পক্ষে হাজী গোষ্ঠী, মাইঝ গাঁও গোষ্ঠীসহ অন্তত ৭টি গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরশাদুল ইসলাম বলেন, মেয়ে সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে তারা সংঘর্ষে বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

সরাইল

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

স্টাফ রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌর শহরের খৈয়াসার এলাকায় অবস্থিত ৭তলা বিশিষ্ট সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার ভবন থেকে পালাতে গিয়ে ছয়তলার পাইপে আটকে থাকা মোঃ জহিরুল ইসলাম- (১০) নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা।
স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার আলমগীর হোসাইন জহিরুলকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত জহিরুল ইসলাম সরাইল উপজেলার আবদুল করিমের ছেলে। শিশু জহিরুল ইসলাম সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার নাজেরা শাখার ছাত্র।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার ফাইটার আলমগীর হোসাইন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ওই বহুতল বিশিষ্ট মাদরাসা ভবনে গিয়ে ছয়তলার পাইপে আটকে থাকে জহিরুল ইসলামকে উদ্ধার করি। দীর্ঘ ১ ঘন্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ বায়েজিদ আহমেদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য গত ১ জানুয়ারি এই মাদরাসা থেকে পালাতে গিয়ে সবুজ নামে নাজেরা শাথার এক ছাত্র ছয়তলার পাইপে আটকে গিয়েছিলো। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা সবুজকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করেছিলো।

বহুতল ভবনের পাইপে আটকে থাকা মাদরাসা ছাত্রকে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

হেফাজতের তান্ডবে ধ্বংস হওয়ার ৭ মাসেও সভাবিক হয়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। এক জোড়া আন্তনগর ট্রেন ছাড়া বাকি সকল আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লক্ষ লক্ষ লোক মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার ও সকল ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক ভাবে নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে জেলা নাগরিক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একই দাবিতে আজ দ্বিতীয় বারেরমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে “মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ” কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রাদন করেন।

বক্তারা বলেন, হেফাজতের তান্ডবের দায়ভার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া কোনভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। এটা নাগরিক অধিকারের সুস্পষ্ট লক্ষণ। তারা রেলওয়ে স্টেশনে হামলা, ভাঙ্গচুর ও অংগ্নি সংযোগের সাথে জড়িত হেফাজত নেতাকর্মীদের বিচারের আওয়াতায় আনার দাবী জানান। তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ৭মাস যাবত আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করছি। কিন্তু আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় হচ্ছে না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। জনগণের দৈর্য্যচ্যুতি ঘটছে। আমরা আর কোন আশ্বাস চাই না, সমাধান চাই। দেশের অনেক সম্যস্যার সামাধান হলেও ৩০ লক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর এই গণদাবি কেন পূরণ হচ্ছে না এই ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তগণ সমস্যা সমাধানে মানননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাস মালিকদের সাথে রেল কর্মকর্তদের কোন যোগসাজশ আছে কিনা সন্দেহ্ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তাগণ ঘোষণা করেন, আগামী ৩০ আক্টোবরের মধ্যে দ্রুত সকল আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হাজার হাজার জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে সকল প্রকার রেল চলাচল বিচ্ছিন্ন কর দেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা। এসময় রেলওয়ে স্টেশন চলমান সংস্কার কাজের মান নিয়েও সমালোচনা করেন কোন কোন বক্তা।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে অনুষ্ঠিত জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য এর সভাপতিত্বে সমাবশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংবাদিক ও যুবনেতা হাবিবুর রহমান পারভেজের পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদ খান লাভলু, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন সাঈদ, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন,সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদত খান, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান, সম্মিলত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আব্দুন নূর, জেলা নাগরিক ফোরামের সিয়িরর সহ-সভাপতি আতাউর রহমান শাহীন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভিপি এড. এমদাদুল হক, কবি ও গীতিকার দেওয়ান মারুফ, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির নেতা কমরেড নজরুল ইসলাম।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনী সজিব, দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মোঃ আকরাম, সাপ্তাহিক তিতাস বার্তা সম্পাদক এম.এ মতিন শানু, সোনালী ব্যাংক এর প্রিন্সিপাল অফিসার এ কে এম মাকছুদুর রহমান চৌধুরী, ৩ ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, স্টেশন রোড দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, অংকুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, পিসভিশন এর সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বৈশাখী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন, নদী নিরাপত্তা বিষয়ক সামাজিক সংগঠন নোঙ্গর এর সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, আইকর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাইনুল ইসলাম টুটুল, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন স্বপন, যুবলীগ নেতা হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল, পৌর নাগরিক ফোরামের সভাপতি রুমেল আল ফয়সাল, জেলা নাগরিক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন শিপন, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, এড. অসিম কুমার বর্ধন, মোঃ খলিলুর রহমান প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও কয়েশত সাধারণ জনগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে শান্তিপূর্ণভাবে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা-নাগরিক ফোরাম

আখাউড়া

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্তের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে আবরনি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
আজ সন্ধ্যায় আবরনির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  আবরনির নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফাইভস্টার ক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীন। ঝিলমিল একাডেমির পরিচালক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ এর উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন কীর্তি বিলাস এর সিইও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাবেক ছাত্রনেতা প্রকৌশলী হারুণ অর রশিদ মোল্লাহ, বাতিঘরের উদ্যোক্তা প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, জেলা যুবলীগ নেতা এমরান হোসেন মাসুদ, সদর উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি খবির রানা, আবরনির সদস্য বিজয় সাহা, মাসুদ, হেলাল আহমেদ, সাইফুল আজিজ সোহেল, মেহদি হাসান প্রসুখ।
এসময় বক্তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত একজন পরোপকারী ও সমাজ হিতৌশী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কে ভালবেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তেরর ৭০ তম জন্মদিন পালন। 

হেফাজতের তান্ডবে ধ্বংস হওয়ার ৭ মাসেও সভাবিক হয়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। এক জোড়া আন্তনগর ট্রেন ছাড়া বাকি সকল আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যাতায়াত ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লক্ষ লক্ষ লোক মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার ও সকল ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক ভাবে নানান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে জেলা নাগরিক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একই দাবিতে আজ দ্বিতীয় বারেরমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে “মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ” কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রাদন করেন।

বক্তারা বলেন, হেফাজতের তান্ডবের দায়ভার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া কোনভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। এটা নাগরিক অধিকারের সুস্পষ্ট লক্ষণ। তারা রেলওয়ে স্টেশনে হামলা, ভাঙ্গচুর ও অংগ্নি সংযোগের সাথে জড়িত হেফাজত নেতাকর্মীদের বিচারের আওয়াতায় আনার দাবী জানান। তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ৭মাস যাবত আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন করছি। কিন্তু আমাদের ন্যায্য দাবী আদায় হচ্ছে না। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। জনগণের দৈর্য্যচ্যুতি ঘটছে। আমরা আর কোন আশ্বাস চাই না, সমাধান চাই। দেশের অনেক সম্যস্যার সামাধান হলেও ৩০ লক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর এই গণদাবি কেন পূরণ হচ্ছে না এই ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তগণ সমস্যা সমাধানে মানননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাস মালিকদের সাথে রেল কর্মকর্তদের কোন যোগসাজশ আছে কিনা সন্দেহ্ প্রকাশ করে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তাগণ ঘোষণা করেন, আগামী ৩০ আক্টোবরের মধ্যে দ্রুত সকল আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় হাজার হাজার জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপর দিয়ে সকল প্রকার রেল চলাচল বিচ্ছিন্ন কর দেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা। এসময় রেলওয়ে স্টেশন চলমান সংস্কার কাজের মান নিয়েও সমালোচনা করেন কোন কোন বক্তা।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন চত্তরে অনুষ্ঠিত জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য এর সভাপতিত্বে সমাবশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সংবাদিক ও যুবনেতা হাবিবুর রহমান পারভেজের পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদ খান লাভলু, জেলা জাসদ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন সাঈদ, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামী, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন,সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদত খান, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান, সম্মিলত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আব্দুন নূর, জেলা নাগরিক ফোরামের সিয়িরর সহ-সভাপতি আতাউর রহমান শাহীন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভিপি এড. এমদাদুল হক, কবি ও গীতিকার দেওয়ান মারুফ, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা ওয়ার্কার্স পাটির নেতা কমরেড নজরুল ইসলাম।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনী সজিব, দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মোঃ আকরাম, সাপ্তাহিক তিতাস বার্তা সম্পাদক এম.এ মতিন শানু, সোনালী ব্যাংক এর প্রিন্সিপাল অফিসার এ কে এম মাকছুদুর রহমান চৌধুরী, ৩ ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মোঃ খবির উদ্দিন, স্টেশন রোড দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, অংকুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, পিসভিশন এর সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বৈশাখী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন, নদী নিরাপত্তা বিষয়ক সামাজিক সংগঠন নোঙ্গর এর সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খালেদা মুন্নি, আইকর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মাইনুল ইসলাম টুটুল, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন স্বপন, যুবলীগ নেতা হাবিব আবদুল্লাহ সোহেল, পৌর নাগরিক ফোরামের সভাপতি রুমেল আল ফয়সাল, জেলা নাগরিক ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন শিপন, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, এড. অসিম কুমার বর্ধন, মোঃ খলিলুর রহমান প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও কয়েশত সাধারণ জনগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।

৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি আদায় না হলে শান্তিপূর্ণভাবে রেলপথ অবরোধের ঘোষণা-নাগরিক ফোরাম

ফেসবুকে আমরা..

পুরাতন খবর

MonTueWedThuFriSatSun
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
26272829   
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
3031     
   1234
19202122232425
       
   1234
567891011
       
1234567
15161718192021
22232425262728
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
252627282930 
       
21222324252627
28293031   
       
      1
9101112131415
30      
   1234
567891011
12131415161718
       
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
24252627282930
       
  12345
       
2930     
       
    123
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
28293031   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
17181920212223
       
  12345
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
14151617181920
28293031   
       
      1
23242526272829
30      
   1234
       
   1234
262728    
       
1234567
293031    
       

বিনোদন ও খেলাধুলা

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ

কিছুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে বেশ প্রচার করছিল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ম্যানচেস্টার ম্যান সিটিতে যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু সময়ের অন্যতম সেরা এ তারকা দিন শেষে ফিরলেন সাবেক ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। শুক্রবার রেড ডেভিলরা নিজেদের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে ইংলিশ জায়ান্টরা জানিয়েছে, ‘ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এটি নিশ্চিত করতে পেরে খুশি কারণ, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ট্রান্সফার নিয়ে জুভেন্টাসের সাথে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হয়েছে৷  আর ক্লাবের সবাই ক্রিস্তিয়ানোকে ম্যানচেস্টারে স্বাগতম জানাতে অস্থির হয়ে রয়েছে।’

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যানুযায়ী, ৩৬ বছর বয়সী এ তারকাকে ক্লাবে ফিরিয়ে আনতে ইউনাইটেডকে খরচ করতে হয়েছে ২০ মিলিয়ন ইউরো। এছাড়াও অন্যান্য কারণে আরও ৮ মিলিয়ন ইউরো সহ মোট ২৮ মিলিয়ন ইউরো খরচ হবে তাদের। সাবেক ক্লাবে দুই বছরের চুক্তিতে রোনালদোর বার্ষিক বেতন হবে ১৫ মিলিয়ন ইউরো।

সিটির নামটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় রোনালদো জুভেন্টাস ছাড়তে চাওয়ার পর থেকে। তবে শুক্রবার হঠাৎ পাল্টে যায় চিত্র৷ শেষ মুহূর্তে নাম আসে তার সাবেক ক্লাব ইউনাইটেড। ইউনাইটেড এক দিনের মধ্যে সব চূড়ান্ত করে ফিরিয়ে আনে রোনালদোকে৷

রোনালদো ২০০৩ সালে প্রথম দফার মধ্য দিয়ে স্পোর্টিং লিসবন থেকে ইউনাইটেডে যোগদিয়েছিলেন৷  তখন রোনালদো  ছিলেন একজন অখ্যাত খেলোয়াড়। কিন্তু ইউনাইটেডের জার্সি গায়েই তিনি বদলে যান৷ গড়ে তুলেন নতুন এক ইতিহাস। ২০০৯ সাল পর্যন্ত ছয়টি মৌসুম কাটিয়ে ২৯২টি ম্যাচে ইউনাইটেডের জার্সিতে গায়ে মাঠে নেমে ১১৮টি গোল করেছেন৷

এরপর যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে। এ  পর্তুগিজ তারকা সেখান থেকে জুভেন্টাস ঘুরে ১২ বছর পর পুনরায় লাল দুর্গে ফিরেছেন। এবং সাবেক ক্লাব তাকে পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত৷

ক্রিস্তিয়ানো জিতেছেন পাঁচটি ব্যালন ডি’অর৷ নিজের ক্যারিয়ারে জিতেছেন ৩০টি শিরোপা। তার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগই পাঁচবার জিতেছেন । চারটি ক্লাব বিশ্বকাপ, ইংল্যান্ড, স্পেন ও ইতালির লিগ মিলিয়ে মোট জিতেছেন সাতটি শিরোপা।সেই সাথে নিজের দেশ পর্তুগালের হয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছেন এ তারকা।

শেষ পর্যন্ত ইউনাইটেডই ফিরলেন রোনালদো 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ

প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) শেষ পর্যন্ত কিলিয়ান এমবাপের কাছে হেরেই যাচ্ছে। এই ফরাসি তরুণ একের পর এক নতুন চুক্তির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিচ্ছেন। সেজন্য ক্লাবটিকে বাধ্য হয়েই তার জন্য বিভিন্ন ক্লাবের দেওয়া প্রস্তাব গ্রহণ করতে হচ্ছে। ফলে এগিয়ে রয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। ফরাসি গণমাধ্যমে এমন সংবাদই প্রকাশ পেয়েছে।

অনেক বছর আগ থেকেই রিয়াল মাদ্রিদ এমবাপেকে নজরে রেখেছে। বিশেষ করে  সবচেয়ে বেশি ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর থেকেই তাকে পেতে মরিয়া হয়ে আছে দলটি। কিন্তু এ কারণে তার ক্লাব পিএসজি শুরু থেকেই বাঁধ সাধছে। বর্তমান সময়ের  অন্যতম সেরা তরুণকে হাতছাড়া করতে রাজী নয় ক্লাবটি। আর চলতি মৌসুম শেষেই তাদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এমবাপের। পিএসজি চাইলেও আগামী মৌসুমে তাকে আটকে রাখতে পারবে না৷

তাই সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চাইছেন এমবাপে। এখন যদি তাকে ছেড়ে না দেওয়া হয় তাহলে আগামী মৌসুমে পিএসজিকে তাকে ছাড়তেই হবে৷ সেজন্য বিনা পয়সায় ছেড়ে দেওয়ার থেকে এমবাপ্পেকে এ মৌসুমে বিক্রি করে দেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই রিয়ালের দেওয়া এই প্রস্তাবকে বিবেচনা করতে হচ্ছে ফরাসি ক্লাবকে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ট্রান্সফার উইন্ডো শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই পিএসজি তাকে বিক্রি দেওয়ার চিন্তা করছে৷

রিয়াল মাদ্রিদ এমবাপের অপেক্ষায় চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত খরচ করে কোন খেলোয়াড় কিনেনি৷ ক্লাবটি একজন বড় তারকা কেনার আশায় রয়েছে। সেই সাথে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর শূন্যতা পূরণও করতে চাইছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু তিন বছর পার হয়ে গেলেও রোনালদোর শূন্যতা পূরণ এখনও করতে পারেনি ক্লাবটি। এবং সে শূন্যতা পূরণ করতে একমাত্র এমবাপেই পারেন বলে তাদের বিশ্বাস৷ রিয়াল শেষ পর্যন্ত যদি তাকে না পায় তাহলে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের আর্লিং হালান্ডের পেছনে লাগতে পারে। আরেকদিকে আরএমসির সংবাদ অনুযায়ী, এমবাপে যদি পিএসজি ছাড়েন, তাহলে দলটি এমবাপ্পের শূন্যতা পূরণ করার জন্য জুভেন্টাস থেকে রোনালদোকে কেনার চিন্তা করছে। যদি এমটি হয় তাহলে মেসি-রোনালদোর স্বপ্নের জুটিও দেখতে পারে ফুটবল বিশ্ব।

সূত্রঃ মুহূর্ত টিভি 

এমবাপ্পে কি রিয়ালের অংশ হবে?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ
বার্সেলোনার সাথে দীর্ঘ একুুশ বছরের পথচলায় নিজের নামের সাাথে জার্সির নম্বরটাও যুক্ত হয়েছিল লিওনেল মেসির। যেটি হয়েছিল একটি ব্র্যান্ড। কিন্তু সেইসব এখন হয়ে গেছে অতীত। লিওনেল মেসি এখন পিএসজি পরিবারের সদস্য এবং  সেইখানে তার জার্সি নম্বর হচ্ছে ৩০। বন্ধু নেইমার তার নিজের থাকা ১০ নম্বর জার্সিটা ছেড়ে দিতে চাইলেও আপত্তি জানান মেসি, নেননি সেই ১০ নম্বর জার্সি। বর্তমানে ১০ নম্বর জার্সি নেইমারের কাছেই আছে। কিন্তু বার্সার সেই ১০ নম্বর জার্সিটার কী হবে এখন?

মেসির ভক্তদের দাবি, প্রিয় এই তারকার জার্সিটা বার্সেলোনা যেন একেবারে অবসরে পাঠিয়ে দেয়। যেমন ইতালির ক্লাব নাপোলি কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনার ১০ নম্বর জার্সিটা অবসরে পাঠিয়েছিল। লিগের নিয়মের কারণে আবারও সেটা ফেরত আনতে হয়েছে। বার্সেলোনাও সেই কারণে মেসির জার্সি অবসরে পাঠাতে পারছে না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে বিখ্যাত এই ১০ নম্বরের জার্সি  কার গায়ে চাপতে যাচ্ছে?

 

এ প্রশ্নের জবাবে ব্রাজিলিয়ান তারকা ফিলিপে কুতিনহোর নাম শোনা যাচ্ছে। অবশ্য এই নম্বরটা পাওয়ার জন্য একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তরুণ ফরোয়ার্ড রেই মানাজের। কিন্তু রবিবার নিবন্ধন শেষে বার্সেলোনা টুইট করে জানিয়েছে, মানাজকে দেওয়া হয়েছে ১৪ নম্বর জার্সিটি। এবং সেটির পর পরই গুঞ্জন শুরু হয়েছে, ১০ নম্বর কি কুতিনহো পাচ্ছেন নাকি অন্য কেউ? কারণ গত মৌসুমে কুতিনহোর জার্সির নম্বর ছিল ১৪৷

লিভারপুলের ১০ নম্বর জার্সি পরতেন বর্তমানে ইনজুরিতে মাঠের বাহির থাকা ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় কুতিনহো। লিওনেল মেসি চলে যাওয়ার পর এখন বার্সেলোনায় প্লেমেকার হিসেবে তার পারফর্ম করার সুযোগ আগের থেকে আরও অনেকটাই বেড়ে গেছে। সেজন্য স্প্যানিশ ফুটবল পত্রিকা ‘মার্কা’ বলছে, ১০ নম্বর জার্সি পেতে যাচ্ছেন কুতিনহোই। অবশ্য ৩১ই আগস্ট পর্যন্ত জার্সি অদল-বদল করার সুযোগ রয়েছে। সেই ক্ষেত্রে কুতিনহো ফেরত পেতে পারেন ১৪ নম্বর জার্সি।

 

মেসির ১০ নাম্বার জার্সির মালিক এখন কুতিনহো

রাজনীতি ও নির্বাচন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ
বর্তমান যগের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তাদের সাইটে তালেবান সমর্থিত সব ধরণের কন্টেন্ট নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সেই সাাথে তারা গোষ্ঠীটিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবেও বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে  এ বিষয়টি জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুকের তালেবানদের প্রতি সমর্থনমূলক বিষয়বস্তু পর্যবেক্ষণ  এবং অপসারণের জন্য নিবেদিত দল রয়েছে৷ তারা কন্টেন্টগুলো সরানোর কাজ করছে।  ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও এ নীতি প্রযোজ্য হবে৷

বিবিসিকে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেন,  তালেবানকে মার্কিন আইনে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সেই সাথে ‘বিপজ্জনক সংস্থা’ নীতির আওতায়ও আমরা আমাদের সব পরিষেবা থেকে তাদেরকে নিষিদ্ধ করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা তালেবানদের পক্ষ থেকে বা তাদের রক্ষণাবেক্ষণ করা অ্যাকাউন্টগুলোকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তাদের প্রশংসা, সমর্থন ও প্রতিনিধিত্বকারী যত লেখা ও ভিডিও কন্টেন্ট আছে সেগুলোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগে দু’দিন যাবত ফেসবুকে আফগানিস্তান বিষয়ে পোস্ট দেওয়ার সাথে সাথে মুছে যাচ্ছে এমন অভিযোগ করা হয়েছিল। যথাযথ উত্তর না পাওয়া গেলেও এমনটি কেন হচ্ছিল তা পরিষ্কার করে দিয়েছে ফেসবুক।

সূত্রঃ মুহূর্ত টিভি 

তালেবানের সব ধরণের কন্টেন্ট ফেসবুক থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা 

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নতুন কমিটি ঘোষনার মাত্র দুই সপ্তাহ পর (১৪ দিন) উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের এক সভায় সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। মঙ্গলবার রাতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক সোহেল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির দৃশ্যমান কোন কার্যকারিতা না থাকায় কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। সেই সাথে আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রত্যক্ষ অংশ গ্রহণের মাধ্যমে বিলুপ্ত ইউনিটের নতুন আহবায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।

উপজেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ ২১ সদস্য বিশিষ্ট সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।
কমিটিতে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেত্রী বেবী ইয়াছমিনের ছেলে রিফাত বিন জিয়াকে আহবায়ক, মোঃ আমান উল্লাহকে সদস্য সচিব করা হয়।

রিফাত আওয়ামীলীগ নেত্রীর ছেলে, অছাত্র, নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ও বিবাহিত এবং সদস্য সচিব মোঃ আমান উল্লাহ এলাকায় থাকেন না এবং তিনি আদম ব্যবসায়ী এই অভিযোগ তুলে ঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করে ছাত্রদলের একাংশের নেতা-কর্মীরা।
পরে ঘোষিত ২১ সদস্য কমিটির ১৪ জন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফুজায়েল চৌধুরী তাদের পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রকে নিশ্চিত করলে গত মঙ্গলবার ঘোষিত কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে ছাত্রদলের সাংগঠনিক টিমের কুমিল্লা বিভাগীয় প্রধান মোঃ জাকির হোসেন সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সাথে পরামর্শ করেই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। বিভিন্ন কারনে এই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
###

নতুন কমিটির ঘোষনার মাত্র ১৪ দিন পর সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

botvনিউজ:

আগামীকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের উপ-নির্বাচন। উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ঐক্যজোটের তিনজন প্রার্থী। এরা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা), জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা এ.কে.এম আশরাফুল হক (মিনার)। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ করেছেন।
আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীমের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে জাপা প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন জাপার কো-চেয়ারম্যান ও সাবেকমন্ত্রী জি.এম. কাদেরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ। পুরো নির্বাচনী এলাকায় বর্তমানে বিরাজ করছে উৎসব আমেজ।
এক সময়ের জাতীয় পার্টির (এরশাদ) দূর্গ হিসেবে পরিচিত নাসিরনগর আসনটি বর্তমানে আওয়ামীলীগের শক্ত ঘাটি হিসেবে পরিচিত। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তিনবার এবং আওয়ামীলীগ প্রার্থী ৫বার বিজয়ী হন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপ-নির্বাচনে মূলত আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যেই এখানে মূল লড়াই হবে। দুই দলের জন্যই ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে বিএনপি সমর্থকদের ভোট। স্থানীয়দের ধারণা বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভোট নির্বাচনের জয় পরাজয়ের নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। যে কারণে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ওইসব ভোটারদের নজর রাখছেন। তাদেরকে ভোটের দিনে কেন্দ্রে আনার জন্য বিশেষ করে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদেরকে তৎপর থাকতে বিভিন্ন পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগে প্রকাশ্য বিরোধ না থাকলেও ভেতরে ভেতরে বিরোধ রয়েছে জানা গেছে। জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে দলের প্রার্থী বিএম ফরহাদ হোসেন সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। যদিও আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলার একাধিক টিম প্রার্থীর পক্ষে প্রচার- প্রচারণা চালিয়েছে।
এদিকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মী না থাকায় ভোটের মাঠে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পিছিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশ্য জাতীয় পার্টির রেজওয়ান আহমেদ একাধিকবার প্রার্থী হওয়ায় ভোটাররা তার প্রতি সহানুভূতি দেখাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, যেহেতু দেশে বর্তমানে ভোটের পরিবেশ নেই, তাই আমাদের দল নির্বাচনে অংশ নেয় নি। আমাদের সমর্থকরা কেউ যদি উৎসাহী হয়ে ভোট দিতে যায় তাহলে তো আমাদের কিছু করার নেই।
এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ক্ষমতাসীন দল যদি কেন্দ্র দখল করে ভোট কারচুপি না করে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে যদি নির্বাচন হয় তাহলে তিনি বিজয়ী হবেন।
এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম বলেন, জনগন উন্নয়ন চায়। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় জনগন নৌকা মার্কাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করবেন বলে তিনি আশা করেন।
উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, ‘সকল বিরোধীদলও যদি এক হয়ে যায় তবু আমাদের প্রার্থীকে হারাতে পারবে না। উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরই জয় হবে। তিনি বলেন, নাসিরনগর ছিল এক সময়ের অবহেলিত জনপদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দেয়া যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেসব বাস্তবায়ন করে নাসিরনগরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। প্রয়াত নেতা ছায়েদুল হক মন্ত্রী থাকাকালে এলাকায় বেশ উন্নয়ন করেছেন।
এ ব্যাপারে জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি বলেন, ‘যুগ যুগ ধরেই আমরা দেখে এসেছি কোনো দল নির্বাচনে না এলে তাদের সমর্থিত ভোটাররা সমমনা দলকে বেছে নেয়। সেই ক্ষেত্রে আমরা বিএনপি’র ভোট পাব বলে আশা করছি। বিএনপি’র অনেক নেতা-কর্মীই আমাদেরকে ফোন করে পাশে থাকার বিষয়ে আশ্বস্থ করেছেন। সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জিতবে বলে আমি আশাবাদী।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের ২৪৩ নং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১- সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৯ জন। এর পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১০ হাজার ৪শ ১০ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ৫শ ৯৯ জন। উপ-নির্বাচনে ৭৪টি ভোট কেন্দ্রের ৩৬৪টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ জন্য ৭৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৬৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭২৮জন পোলিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কর্মকর্তাদেরকই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
এদিকে গত ৮ মার্চ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা নাসিরনগরের উপ-নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃংখলা সভা ও নাসিরনগরে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এসব অনুষ্ঠানে ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে আসনটি শূণ্য হয়। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মারা গেলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে। ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ সালে তিনি এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

লড়াই হবে নৌকা-লাঙ্গলের মধ্যে

                                       ৮ ফেব্রুয়ারি-২০১৮ইং    –  রায়  –   ৫ বছরের জেল

botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৬৩জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার সকাল থেকে  বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আশুগঞ্জ উপজেলার মোঃ মাসুম মিয়া, মোঃ রুস্তম মিয়া, আবুল ইসলাম-(৩৫), আল আমিন-(২৯), লিটন মোল্লা-(৩১), মোঃ সোহবার মিয়া-(৩০), রবি হোসেন-(৩২), মোঃ মিজান-(২৮), রুবেল মিয়া-(২২), আপেল-(২৬), মোঃ জয়নাল মিয়া-(২৮), হারুন মিয়া-(৩২), জয়নাল আবেদীন রাজু-(৩৬), সরাইলের ইসহাক মিয়া-(২৩), মোঃ ইমরান- (৩৬), তাবারক মিয়া-(৩৬), মোবারক মিয়া (২৬), জালাল মিয়া-(৫৫), নাজমুল হোসেন খান রাসেল-(৩৫), নাসিরনগর উপজেলার মীর রুবেল মিয়া-(২৫), রহমত খাঁ-(৩৭), মফিজ মিয়া-(৩৫), ইয়াছিন মিয়া-(২৪), মোঃ জাকারিয়া-(১৯), মনির হোসেন মাঞ্জু-(২৮), রহমত আলম-(২৪), নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিম মিয়া-(৩০), মোঃ রফিক-(২৮), অলিউল্লাহ-(২২), আল আমিন-(২০), মোঃ জালাল মিয়া-(৩৫), সাদ্দাম-(২৫), বেলায়েত হোসেন- (৪২), হাফিজ মিয়া-(৩৫), বাঞ্চারামপুর উপজেলার মোঃ ইব্রাহিম-(২৮), বিজয়নগর উপজেলার ময়দর আলী-(৪৫), মোঃ সোহেল মিয়া-(২২), মোঃ জামাল চৌধুরী-(৪২), কসবা উপজেলার মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), আবু হানিফ মিয়া-(৫০), মোঃ আবুল খায়ের-(৬৫), মোঃ আবুল কালাম-(২৫), মোঃ শাহজাহান মিয়া-(৬৫), আলমগীর হোসেন-(১৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার তারেকুল রহমান ইমন-(৩০), মোঃ হারুনুর রশিদ-(৪১), মোঃ ইউসুফ মিয়া-(৩৫), হান্নান মিয়া, গিয়াস উদ্দিন-(২৬), জসিম উদ্দিন- (২৩), শাফি মিয়া-(২৯), হাবিবুল্লাহ-(১৯), মঞ্জু মিয়া-(৩৫), সুজন মিয়া-(২৫),মোঃ জালাল আহমেদ-(৩৭), জামাল হাসান-(২৪), আলাল উদ্দিন-(৩০), আনিছুর রহমান, ফিরোজ সর্দার-(৩০), সাদেক মিয়া, আক্তার -(৩৮),দিদারুল ইসলাম-(৩৪),

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিআইওয়ান) মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। তারা সবাই গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আসামী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
###

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার ৬৩

বিজ্ঞপ্তি

২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৭ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৫১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৭ জন গ্রেফতার

গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৪ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৫১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৪ জন গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের মেরাশানী এলাকা থেকে ০১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। গতকাল (২২ মে) সন্ধ্যায় এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগরের মেরাশানী এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তারা একজনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী হলেন, রোমান বিন সাইদ রাব্বি (৩১), পিতা-মোঃ রওশন আলী, সাং-উত্তর গোরান, বাসা নং-৩৬৫, ওয়ার্ড নং-০২, থানা-খিলগাঁও, ডিএমপি-ঢাকা। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৩ বতল স্কাফ ও ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন যাবত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সিমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে চালানকৃত গাঁজা দেশে নিয়ে আসত। এবং সেই গাঁজার চালানটি রাজধানীর এক ব্যক্তির কাছে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

প্রেস রিলিজ

বিজয়নগরের মেরাশানী এলাকা থেকে ০১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব

২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৪ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৪৮৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৪ জন গ্রেফতার