সংবাদ শিরোনাম :
মাছিহাতায় আওয়ামী লীগের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত আখাউড়া স্থলবন্দরে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাই স্বামী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে জড়িত আরও০৮ জন গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার গঙ্গানগর এলাকা থেকে ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করছেে র‌্যাব-১৪ নাসিরনগরে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও সচেতনা বিষয়ক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুরে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ৩ ইজিবাইক চোর গ্রেপ্তার নাসিরনগরে নির্মানের ৭ দিনের মাথায় ভেঙ্গে পড়েছে সরকারী ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের টোলপ্লাজা এলাকা থেকে গাঁজা মটরসাইকেল সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করছেে র‌্যাব-১৪

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবকালে শহরজুড়ে ব্যাপক হামলা-ভাংচুর ও অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে হেফাজত নেতাদের মিথ্যাচার ও কটুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে আওয়ামী লীগ।
আজ বেলা ১১টায় সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মাছিহাতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুল হাসান লিটনের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান ভূইয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক এম.এ.এইচ মাহবুব আলম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাছিহাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিনুল হক পাভেল, উপ-দপ্তর সম্পাদক পরশ চৌধুরী, সদর উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি কামাল ভূইয়া, ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি সেলিম আহমেদ চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফ চৌধুরী, সমাজসেবক মনির ঠাকুর, ছাত্রলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালায়।

এসময় হামলাকারীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পৌরসভা কার্যালয়, সুর স¤্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, এসিল্যান্ডের কার্যালয়, সুর স¤্রাট আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, জেলা মৎস্য অফিস, সার্কিট হাউজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, মাতৃ সদন, সরকারি গণগ্রন্থাগার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের বাসভবন, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর দুটি ম্যুরালসহ তিনটি ম্যুরাল, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে উন্নয়ন মেলার প্যান্ডেল, একই চত্বরে থাকা শহর সমাজসেবা প্রকল্পের অফিস, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের অফিস, পৌর মেয়রের বাসভবন, সার্কিট হাউজ, হাইওয়ে থানা ভবন, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্যাম্পাস, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ কালীবাড়ি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বাসভবন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবন, আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা, সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়সহ সরকারি, বেসরকারি প্রায় অর্ধশতাধিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে।

বক্তারা এসব হামলা-ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এসব ঘটনায় জড়িত হেফাজত নেতাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।

পাশাপাশি বক্তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে হেফাজত নেতাদের মিথ্যাচার ও কুটুক্তি প্রতিবাদ জানান।
মানববন্ধনে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মাছিহাতায় আওয়ামী লীগের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাই স্বামী বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক সব সময়ই একটি বিশেষ সম্পর্ক। করোনা মহামারির কারণে দুই দেশ একটি খারাপ সময় পার করছে। এর মধ্যেও ভারত- বাংলাদেশ দু’দেশের সম্পর্ক উন্নত আছে। ভ্যাকসিনের জন্য দুই দেশের সম্পর্কে ভাটা পড়বে না।

তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ভারত থেকে চারদিনের ছুটি কাটিয়ে সড়ক পথে ঢাকায় ফেরার পথে আখাউড়া স্থলবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
এ সময় ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাইস্বামী আরো বলেন, সারা বিশ্বেই ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে। সরবরাহের চেয়ে চাহিদা অনেক বেশি রয়েছে। সবাই কাজ করছে কীভাবে ভ্যাকসিনের প্রাপ্ত্যতা নিশ্চিত করা যায়। বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যাপারে আমরা সাধ্যমত কাজ করছি।

তিনি বলেন, এই মূহুর্তে ভারতে নিজেদের ভ্যাকসিন সংকটে আছে। উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। শীঘ্রই বাংলাদেশে ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে ভারতের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ভারতে থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে। অন্য কোন দেশ তা পায়নি। চুক্তি অনুযায়ী ৭০ লাখ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। বাকী টিকাগুলো ক্রমান্বয়ে সরবরাহ করা হবে। এ সময় তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা দুরাইস্বামী সাথে ছিলেন।

এর আগে বিক্রম দুরাই স্বামী দিল্লি থেকে বিমান যোগে আগরতলা এসে পৌছান। আখাউড়া স্থল বন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর-এ-আলম, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে তিনি সড়ক পথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। গত ১৮ মার্চ আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে দিয়ে ঢাকা থেকে তিনি দিল্লী গিয়েছিলেন।

আখাউড়া স্থলবন্দরে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাই স্বামী

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান


গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ০৮ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৩৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে জড়িত আরও০৮ জন গ্রেফতার

গতকাল ২১ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ০৬.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প, কিশোরগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন গঙ্গানগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি হলেন মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৪০),  পিতা-মোঃ ফিরোজ মিয়া,  থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

এসময় ধৃত আসামীদর নিকট হতে ৬২৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার গঙ্গানগর এলাকা থেকে ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করছেে র‌্যাব-১৪

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারী হাসপাতালে ২০ এপ্রিল ২০২১ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে জুমের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ সংসদীয় ২৪৩ নাসিরনগর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম, অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ একরামুল্লাহ, নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রাফি উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হালিমা খাতুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ অভিজিৎ রায়, সকল ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে কর্মরত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। এ সময় মাননীয় সংসদ সদস্য বলেন, আমাদের সকলকে একসাথে একতাবদ্ধ হয়ে

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এগিয়ে আসতে হবে এবং কিভাবে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ করা যায় এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ একরামুল্লাহ বলেন কোভিড-১৯ মোকাবিলায় নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত সকল ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মীগণ প্রস্তুত আছেন এবং যেকোন পরিস্থিতিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ও প্রস্তুত রয়েছেন।

নাসিরনগরে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও সচেতনা বিষয়ক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুরে ১৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আবদুল্লাহ-(২১) ও মোঃ মানিক-(২২) নামে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোরে উপজেলার ভেলানগর গ্রামের কান্দার মোড় থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আবদুল্লাহ জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা গ্রামের মোঃ কাসেম মিয়ার ছেলে ও গ্রেপ্তারকৃত মানিক একই এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় বাঞ্চারামপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে উপজেলার ভেলানগর গ্রামের কান্দার মোড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদেরকে তল্লাশী করে ১৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে বাঞ্চারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। বুধবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুরে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চুরি করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে আখাউড়া উপজেলার খড়মপুর এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে কামরুল ইসলাম-(২০), ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার মৌড়াইল গ্রামের মৃত শিশু মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন-(৩২) ও জেলার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল গ্রামের মৃত লিটন মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া -(২৭)। বুধবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারকৃতরা বিজয়নগর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের ইয়াছিন মিয়ার একটি ইজিবাইক চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। বুধবার তারা ইজিবাইকটি নিয়ে আখাউড়া উপজেলার খড়মপুর বাইপাস এলাকায় আসে। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
এ ব্যাপারে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান ইজিবাইকসহ তিনজনের আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় আটককৃতদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ৩ ইজিবাইক চোর গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর

 

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবকালে শহরজুড়ে ব্যাপক হামলা-ভাংচুর ও অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে হেফাজত নেতাদের মিথ্যাচার ও কটুক্তির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে আওয়ামী লীগ।
আজ বেলা ১১টায় সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মাছিহাতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুল হাসান লিটনের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান ভূইয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক এম.এ.এইচ মাহবুব আলম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দুলাল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাছিহাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিনুল হক পাভেল, উপ-দপ্তর সম্পাদক পরশ চৌধুরী, সদর উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি কামাল ভূইয়া, ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি সেলিম আহমেদ চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফ চৌধুরী, সমাজসেবক মনির ঠাকুর, ছাত্রলীগ নেতা মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালায়।

এসময় হামলাকারীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পৌরসভা কার্যালয়, সুর স¤্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, এসিল্যান্ডের কার্যালয়, সুর স¤্রাট আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, জেলা মৎস্য অফিস, সার্কিট হাউজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, মাতৃ সদন, সরকারি গণগ্রন্থাগার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের বাসভবন, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর দুটি ম্যুরালসহ তিনটি ম্যুরাল, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে উন্নয়ন মেলার প্যান্ডেল, একই চত্বরে থাকা শহর সমাজসেবা প্রকল্পের অফিস, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের অফিস, পৌর মেয়রের বাসভবন, সার্কিট হাউজ, হাইওয়ে থানা ভবন, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্যাম্পাস, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ কালীবাড়ি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বাসভবন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের বাসভবন, আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা, সুহিলপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়সহ সরকারি, বেসরকারি প্রায় অর্ধশতাধিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে।

বক্তারা এসব হামলা-ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এসব ঘটনায় জড়িত হেফাজত নেতাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।

পাশাপাশি বক্তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে হেফাজত নেতাদের মিথ্যাচার ও কুটুক্তি প্রতিবাদ জানান।
মানববন্ধনে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মাছিহাতায় আওয়ামী লীগের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান


গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ০৮ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৩৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে জড়িত আরও০৮ জন গ্রেফতার

 

গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ১১ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৩২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে জড়িত আরও ১১ জন গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রোববার থেকে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব বসন্তকালীন পূজা “বাসন্তী পূজা”। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির আনন্দময়ী কালী বাড়িতে পাচঁদিনব্যাপী বাসন্তী পূজার আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে মহাসপ্তমী পূজা। সপ্তমী পূজায় ভক্তরা মায়ের রাতুল চরণে পুষ্পাঞ্জলী প্রদান করেছেন। অঞ্জলী প্রদানকালে ভক্তরা করোনা মহামারী থেকে মুক্তির প্রার্থনা করেছেন।
রোববার সন্ধ্যায় ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে ৫দিন ব্যাপী বাসন্তী পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বাসন্তী দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস অনুষ্ঠিত হয়। আজ সোমবার সকালে সপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। মহাসপ্তমীতে দেবীকে প্রাণ প্রতিষ্ঠা, চক্ষুদান, ঘট স্থাপন সহ ষোড়শ উপাচারে পূজা করাহয়। দুপুর ১টায় অঞ্জলী প্রদান করা হয়।
অঞ্জলী প্রদান কালে ভক্ত বনশ্রী দেবনাথ জানান, নিজের এবং পরিবারের সমৃদ্ধির পাশাপাশি চলমান মহামারী করোনা থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করেছি। মা-দূর্গা শরৎকালে শারদীয় দেবী, বসন্তকালে মা বাসন্তীরূপে বিরাজিতা। তিনি যেন সবাইকে সুস্থ রাখে, সকলের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে দেয় সেই প্রার্থনা করেছি।
অপু দেব নামে অপর এক ভক্ত জানান, মা-সকল ভক্তের মাঝে বিরাজিতা। তিনি পরম মমতাময়ী। মায়ের রাতুল চরণে প্রার্থনা করেছি। তিনি সকলকে যেন ভাল রাখেন সুস্থ রাখেন মহামারী করোনা থেকে সুস্থ রাখেন সেই প্রার্থনা করছি।
অঞ্জলী প্রদান শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। রাতে দেবীর অর্ধরাত্রী বিহিতপূজা (শ্রী শ্রী কালিপূজা) অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার সকালে অষ্টমী পূজা ও দুপুর ১টায় অঞ্জলী প্রদান করা হবে। সন্ধ্যায় সন্ধিপূজা অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার সকালে নবমী পূজা ও দুপুর ১টায় অঞ্জলী প্রদান শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। আগামী বৃহস্পতিবার দশমীতে রাত ১০টায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বাসন্তী পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।
শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ীর প্রধান পুরোহিত গোবিন্দ চক্রবর্তী জানায়, দুর্গাপূজা হচ্ছে বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় এবং সামাজিক উৎসব প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী বাংলার প্রথম দূর্গাপূজার প্রচলন করেন রাজা সুরথ। তিনি রাজ্য ফিরে পাওয়ার জন্য বসন্তকালে দেবী দূর্গাকে বিশেষ উপাচারে পূজা করে রাজ্য ফিরে পেয়েছিলেন। এর পর থেকে ভক্তরা বাসন্তী পূজা করে আসছে।
অন্য দিকে ত্রেতাযুগে প্রভু রামচন্দ্র রাবণকে পরাজিত করার জন্যে দেবি দূর্গার আরাধনা করে পূজা করেছিলেন। এর পর থেকে শরৎকালে দেবীর অকাল বোধন শারদীয় দূর্গোৎসব হয়ে আসছে।
তিনি জানান, এবছর করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ রোধে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি পূজা মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। মহামারী করোনা থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
পুরোহিত গোবিন্দ চক্রবর্তী জানান, এবার দেবী গজে আগমন ও দোলায় গমন করবেন। এর মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ যেন হয় পুরো পৃথিবী এই প্রার্থনা করা হয়।

 

করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাসন্তি পূজার মহাসপ্তমী অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১৫টি পরিবারের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফল পাঠানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাড়িতে থাকা ১৫জন রোগীর কাছে ফলভর্তি ঝুঁড়ি প্রদান করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা ৫জন করোনা রোগীর জন্য বিভিন্ন ধরনের ফলে ভরা ৫টি ঝুঁড়ি হাসপাতালের করোনা ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডাঃ মোমেন এবং ডাঃ নাজমুলের হাতে তুলে দেন।
এ ছাড়া হোম আইসোলেশনে থাকা ১০ জন রোগীর বাড়িতে গিয়ে ১০ ঝুঁড়ি বিভিন্ন ধরনের ফল পাঠান।
প্রতিটি রোগীর বাড়িতে গিয়ে তাদের নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে তাদের বাসায় ফল পৌছে দেয়া হয়।
প্রতিটি ঝঁড়িতে ছিলো ১ লিটার গরুর দুধ, ১ টি তরমুজ, ২ টি আনারস, ১ কেজি মাল্টা, ১ ডজন কলা, ১ কেজি আপেল এবং ১ কেজি পেয়ারা।


ফল বিতরনের সময় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান ও সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা করোনা আক্রান্তদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। সোমবার তাদের জন্য শুভেচ্ছা হিসেবে ১৫ ঝুঁড়ি বিভিন্ন ধরনের ফল তাদের কাছে পাঠিয়েছি। তিনি বলেন, তাদের যে কোন সমস্যায় আমরা তাদের পাশে আছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা রোগীদের জন্য প্রশাসনের ফল উপহার


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পানিতে ডুবে মনির-(৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে পৌর এলাকার গোর্কণঘাট গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মৃত মনির গোর্কণঘাট গ্রামের আল-আমিন মিয়ার ছেলে।
শিশুর মা খাদিজা বেগম জানান, রোববার দুপুর ১২টার দিকে মনির বাড়ির পুকুর পাড়ে অন্য শিশুদের সাথে খেলা করার এক পর্যায়ে সবার অজান্তে পুকুরে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়।
স্থানীয়রা মনিরকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ সৈয়দ আরিফুল ইসলাম বলেন, শিশুটির শ্বাসনালী ও ফুসফুসে পানি যাওয়ার কারণে শিশুটি মারা গেছে। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটি মারা যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি
স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে
মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম
বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের
তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৩০ জন হেফাজত কর্মী ও
সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র
ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য
হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল
থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি
মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা
৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য
অনুযায়ী সর্বমোট ২৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে জড়িত আরও ৩০ জন গ্রেফতার

আশুগঞ্জ

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

আজ ২১ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক রাত ১২.৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প, কিশোরগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানাধীন সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোলপ্লাজার  ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের ঢাকা গামী লেনের উপর অভিযান পরিচালনা করে ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১. মোঃ সবুজ মিয়া (৩৩), পিতা-আব্দুল বাছেদ মিয়া, সাং-সাহেব নগর, ২। মোঃ সফি উল্লাহ (২৫), পিতা-মৃত লাল মিয়া, সাং-মেজেড় কান্দী, উভয় থানা-রায়পুরা, জেলা-নরসিংদী।

এসময় ধৃত আসামীদ্বয়ের নিকট হতে ইয়াবা, ০১ টি মটরসাইকেল, মাদক বিক্রয়ের নগদ-৭০০০/- টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের টোলপ্লাজা এলাকা থেকে গাঁজা মটরসাইকেল সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করছেে র‌্যাব-১৪

আজ ১৯ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ বেলা আনুমানিক ১২.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প,কিশোরগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানাধীন সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোলপ্লাজার  ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের ঢাকা গামী লেনের উপর অভিযান পরিচালনা করে ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১. মোঃ শেখ ফরিদ (২৬), পিতা-মৃত গোলাম মোস্তফা, সাং-চরপাড়া, থানা ও জেলা-ময়মনসিংহ, বর্তমান ঠিকানা-ধোলাইখাল, নারিন্দা কাঁচাবাজার, শামীম এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-ওয়ারি, ডিএমপি-ঢাকা, ২. মোঃ বাবুল মিয়া (২১), পিতা-মোঃ বাচ্চু মিয়া, সাং-কমলপুর, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ।

এসময় ধৃত আসামীদ্বয়ের নিকট হতে ২৫ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা, ০১ টি পিকআপ ভ্যান, মাদক বিক্রয়ের নগদ-৩০০০/- টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের টোলপ্লাজা এলাকা থেকে গাঁজা পিকআপ সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪

গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি
স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে
মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম
বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের
তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৩০ জন হেফাজত কর্মী ও
সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র
ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য
হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল
থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি
মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা
৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য
অনুযায়ী সর্বমোট ২৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে জড়িত আরও ৩০ জন গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চর-চারতলা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হানিফ মুন্সির ছোট ভাই মোঃ জামাল মুন্সী নিহত হওয়ার পর গ্রামজুড়ে চলছে তান্ডব। পুলিশী গ্রেপ্তার এড়াতে ও প্রাণের ভয়ে অভিযুক্তরা বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় ওইসব ফাঁকা বাড়ি-ঘর প্রতিদিন ভাংচুর ও লুটতরাজ করা হচ্ছে।
গত ২২ জানুয়ারি চর-চারতলা গ্রামের লতিফ বাড়ি ও খন্দকার বাড়ির লোকজনের হামলায় নিহত হন জামাল মুন্সী-(৫৫)। নিহত জামাল মুন্সী আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক হানিফ মুন্সীর ছোট ভাই।

অভিযোগকারীরা জানান, জামাল মুন্সী নিহত হওয়ার পর হানিফ মুন্সীর পরিবার ও গোষ্ঠীর লোকজন প্রতিপক্ষ লতিফ বাড়ি ও খন্দকার বাড়ির ফাঁকা ঘর-বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। শুধু তাই নয়, আশুগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে থাকা প্রতিপক্ষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভাড়াটিয়াদের হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে। তাঁদের ভয়ে এলাকার মানুষ মুখে কলুপ এটেছেন।
এসব ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো আশুগঞ্জ থানায় মামলা করতে ব্যর্থ হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক ৬টি মামলা দায়ের করেছেন। প্রতিটি মামলাতেই হানিফ মুন্সিকে প্রধান আসামী করা হয়।
বর্তমানে চর-চারতলা গ্রামে এখন বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি। যে কোন সময় গ্রামে আরো খুনসহ বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন গ্রামের নিরীহ লোকজন। তবে হানিফ মুন্সির দাবি, লুটপাটের ঘটনা প্রতিপক্ষের নিজেদের সাজানো।


এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জানুয়ারি রাতে চর-চারতলা গ্রামের লতিফবাড়ি ও খন্দকার বাড়ির লোকজনের হামলায় নিজ বাড়িতে খুন হন জামাল মুন্সী।
হত্যাকান্ডের পরদিন নিহতের অপর ভাই মোঃ জাহাঙ্গীর মুন্সী বাদি হয়ে চর-চারতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন খন্দকারসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ২০/২৫ জনকে আসামী করে আশুগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে হত্যাকান্ডের পর পরই গ্রেপ্তার এড়াতে ও প্রাণের ভয়ে লতিফ বাড়ি ও খন্দকার বাড়িসহ কয়েকটি বাড়ির অন্তত ৫০-৬০টি পরিবারের হাজার খানেক নারী-পুরুষ গ্রাম থেকে চলে যায়।

অভিযোগকারীরা জানান, জামাল মুন্সী খুন হওয়ার পর থেকে হানিফ মুন্সীর পরিবারের লোকজন প্রতিদিনই প্রতিপক্ষের ফাঁকা বাড়িতে ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করছে। বাড়ি-ঘরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন চরচারতলা গ্রামের লতিফ বাড়ির মোঃ আবদুল লতিফ মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ রওশন আরা বেগম।
মামলার আরজিতে তিনি বলেন, জামাল মুন্সির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে হানিফ মুন্সীর অপর ভাই জাহাঙ্গীর মুন্সী তার স্বামী (বাদির), স্বামীর পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ আশপাশের বাড়িঘরের লোকজনকে আসামি করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশের ভয়ে পুরুষশূন্য হয়ে পড়ে এসব বাড়ি ঘর। এ সুযোগে হানিফ মুন্সির নির্দেশে তার পরিবারের সদস্যরা বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে গত ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যে সাড়ে ৭ টা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত তার বাড়িতে লুটপাটের মহোৎসব চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তার বাড়ির প্রধান গেইট ভেঙ্গে বাড়িতে প্রবেশ করে বাড়ির দরজা জানালা আসবাবপত্র বিছানাপত্র, নগদ টাকা স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল পিকআপ ভ্যানে করে প্রকাশ্যে লুটে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।


একই দিনে ভাংচুরের ঘটনায় আদালতে অপর আরেকটি মামলা দায়ের করেন চরচারতলা গ্রামের আতিক বাড়ির আবু শহীদ মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ মনোয়ারা বেগম।
মামলার আরজিতে তিনি বলেন, জামাল মুন্সী হত্যাকান্ডের পর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সির নির্দেশে তার পরিবারের সদস্যরা গত ১ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেকে রাত ৩ টা পর্যন্ত ওই গ্রামের আতিক বাড়ির আবু শহীদ মিয়ার বাড়িতেও হামলা চালিয়ে লুটপাটে তান্ডব চালিয়ে গরুর খামার থেকে ৬টি ফ্রিজিয়ান গাভী (বাছুরসহ), স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ প্রায় ৬৫ লাখ টাকার মূল্যবান জিনিসপত্র শত শত মানুষের সামনেই পিকআপে ভরে লুটে নিয়ে যায়। কিন্তু তাদের ভয়ে কেউ বাঁধা দেয়ার সাহস করেনি।

একই কায়দায় গত ৫ ও ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে চর চারতলা গ্রামের নয়াহাটির খন্দকার বাড়িতে হামলা চালিয়ে প্রবাসী মোঃ সালাহ উদ্দিন খন্দকার এবং মোঃ জিয়াউদ্দিনের বাড়িতে তান্ডব চালিয়ে বাড়ির গেইট, দরজা জানালা, আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ যথাক্রমে ২৩ লাখ এবং ২৭ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয় হামলাকারীরা।
এ সব লুটপাটের ঘটনায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ওই দুই বাড়ির গৃহকর্ত্রী মোছাঃ নিপা আক্তার এবং ফরিদা বেগম বাদী হয়ে হানিফ মুন্সিসহ অপরাপর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে দুটি মামলা দায়ের করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, শুধু বাড়ি-ঘরে হামলা-ভাংচুরই নয়। প্রতিপক্ষের বিভিন্ন বাড়ির নলকূপের পাম্প খুলে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তাদের জমির ফসলও জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গেছে হানিফ মুন্সীর লোকজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন বয়সের একাধিক ব্যক্তি জানান, গ্রামে এখন সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে। কেউ ভয়ে কোন কথা বলছেন না। এ অবস্থা চলতে থাকলে গ্রামে আবার খুন-খারাপিসহ বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারে।
এ ব্যাপারে চরচারতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মোঃ জিয়াউদ্দিন খন্দকার বলেন, জামাল মুন্সী খুনের পর হানিফ মুন্সির নির্দেশে তার গোষ্ঠীর লোকজন গ্রামের লতিফবাড়ি ও খন্দকার বাড়ির লোকজনের বাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটতরাজ শুরু করেছে। হামলা-ভাংচুর এখনো অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, শুধু বাড়ি-ঘরে হামলা-ভাংচুরই নয়, আশুগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে থাকা আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভাড়াটিয়াদের হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে। আমরা উচ্চ আদালত থেকে অন্তবর্তী জামিন নিয়েও তাদের ভয়ে গ্রামে যেতে পারিনি। তিনি বলেন, হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় মামলা করতে ব্যর্থ হয়ে আমাদের (ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার) পক্ষ থেকে আদালতে পৃথক ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলো সিআইডি, ডিবি ও পিবিআই তদন্ত করছেন।

এ ব্যাপারে নিহত জামাল মুন্সীর বড় ভাই ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হানিফ মুন্সীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মামলার আসামী জিয়াউদ্দিন খন্দকার, সেলিম পারভেজসহ অন্যান্যরা পুলিশ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তাদের বাড়ির মালামাল ট্রাকে করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও আমার কাছে আছে। তিনি বলেন, হত্যা মামলাকে অন্যদিকে প্রভাবিত করার জন্য আসামীপক্ষ আমি ও আমার গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাবেদ মাহমুদ বলেন, জামাল মুন্সী হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ৬জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ৫জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। তিনি বলেন, মামলার আসামীপক্ষ বাড়ি-ঘরে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় থানায় মামলা করতে আসে নাই। শুনেছি তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালতে কয়েকটা মামলা করেছে। তারা থানায় আসলে আমরা অবশ্যই মামলা নিতাম। তিনি বলেন, বর্তমানে এলাকার পরিবেশ ভালো আছে।

আশুগঞ্জে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা- ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) দীপক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন,  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয় সহ  তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ  বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।


পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ তানভীর আজম সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিব মোঃ ফারুক হোসেন, পৌরশাখার উপ-সচিব শায়লা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পঙ্কজ বড়–য়া, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অঞ্জন দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থাপনাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করতে মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন।  আজ (শনিবার) আমরা পরির্দশনে এসেছি। এর আগে জেলা প্রশাসক, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ থেকে পাঠানো রিপোর্ট আমরা পর্যালোচনা করেছি। আজ সরেজমিনে দেখে যাচ্ছি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব পৌরবাসীকে পূর্নমাত্রায় সেবা দেয়া যায় এই ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেডের (এপিএসসিএল) বিরুদ্ধে মেঘনা নদী ও তীর অবৈধভাবে দখল করে বালু ভরাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবে আশুগঞ্জ বন্দর এলাকার সচেতন নাগরিকের উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক হাজী মোঃ ছফিউল্লাহ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, মেঘনা নদীকে কেন্দ্র করে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লিমিটেড, আশুগঞ্জ সার কারখানা, জিটিসিএল, সাইলোসহ বেশ কয়েকটি কেপিআই প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ছোট বড় কলকারখানা বা শিল্প প্রতিষ্ঠান। সরকার বন্দরকে পোর্ট অব কল বা আন্তর্জাতিক নৌ-বন্দর হিসেবে ঘোষণা করেছে। মেঘনা নদী ভরাটের কারনে আশুগঞ্জ বন্দরসহ খোদ মেঘনা নদীই এখন হুমকির মুখে পড়েছে।
তিনি বলেন, এপিএসসিএলের উদ্যোগে নদীর তীর ভূমি অবৈধভাবে দখল করে বালু ভরাট করেছে। এপিএসসিএল কর্তৃপক্ষ কৌশলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের রেস্ট হাউসের পেছনে নিজেদের সীমানা প্রাচীরের বাইরে মেঘনার নদীর পাড়ে প্রায় তিন হাজার ফুট দৈর্ঘ্য ও প্রায় তিনশত ফুট প্রস্থ এলাকাজুড়ে নতুন করে প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করেছে। মেঘনা নদী থেকেই বালু উত্তোলন করে নতুন প্রাচীরের ভেতরে পাড় ভরাট করে জায়গা দখলে নিচ্ছে এপিএসসিএল কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় একজন ঠিকাদার সেখানে প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকার বালু ভরাটের কাজ পেয়েছেন। অথচ মেঘনার পাড়ে এপিএসসিএলর কোনো জায়গা নেই। নদীর তীর কিংবা নদীর প্লাবন ভূমি নদীরই অংশ।
সংবাদ সম্মেলনে হাজী মোঃ শফিউল্লাহ আরো বলেন, আশুগঞ্জ বন্দরে দেশের বৃহৎ ধানের মোকাম অবস্থিত। এই মোকামে দেশের এক তৃতীয়াংশ ধান-চাল ক্রয়-বিক্রয় হয়। বালু ভরাট অংশের পশ্চিম-উত্তর দিয়ে সোহাগপুর গ্রামের দিকে বড় খাল রয়েছে। বৃহত্তর সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এই বন্দরে আসা ধানের নৌকা উক্ত খালে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য রাখা হয়। কিন্তু এপিএসসিএল কর্তৃপক্ষ মেঘনার জায়গা ভরাটের পর ওই খালও দখলে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে মোকামে আসা ধানের নৌকা গুলো তীরে ভীড়তে পারবে কি না সন্দেহ।

তিনি আরো বলেন, অপরিকল্পিত ড্রেজিং ও ভরাটের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে নৌবন্দর এলাকায় ব্যাপক নদী ভাঙন দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাবে নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হতে পারে। পাশাপাশি উপজেলার সোহাগপুর এলাকার নদী পারের ফসলি জমি, নদীর মাঝে জেগে ওঠা চর-সোনারমপুর, সেখানে থাকা কয়েক জেলার বিদ্যুৎ সঞ্চালন টাওয়ার ও আশুগঞ্জ বন্দর ব্যাপকভাবে ভাঙনের হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন।
হাজী মোঃ ছফিউল্লাহ আরো বলেন, মেঘনা নদীর গতিরোধ, পরিবেশ বিনষ্ট ও নদীভাঙন ঠেকাতে ভরাট বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, বিআইডব্লিউটিএ ও বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল সরেজমিন পরির্দশন করে বালু ভরাট কাজ বন্ধ করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু এপিএসসিএলের নির্বাহী পরিচালক (পিএন্ডডি) হিতিশ চন্দ্র বিশ্বাস ও সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধভাবে প্রতিরক্ষা দেয়াল ও বালু ভরাট কাজ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বলেন, দ্রুত মেঘনার বালু ভরাট বন্ধের ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বন্দর এলাকার সংক্ষুদ্ধ জনগণ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল করিম খান, হাজী নাসির মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরবিন্দ বিশ্বাস জানান, আমাদের জানা মতে বালু ভরাট কাজ বন্ধ রয়েছে।
###

আশুগঞ্জে মেঘনায় বালু ভরাট বন্ধে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বিশিষ্ট ব্যাংকার খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভাসানী চর্চা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন সাঈদ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, তেল-গ্যাস- খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির,বাংলাদেশ কৃষক ও খেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী আবদুস সোবহান মাখন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা যুব জোটের আহবায়ক সিদ্দিক আহমেদ নাসির, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সানিউর রহমান সানি প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক আবুল খায়ের ।
শোক সভায় বক্তারা সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মময় জীবনের আলোচনা করতে দিয়ে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

ব্যাংকার ইব্রাহিম খালেদ সম্পর্কে বক্তারা বলেন, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উচ্চকন্ঠ এ মানুষটিকে বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই ভুলবেনা। সভার শুরুতেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
###

সৈয়দ আবুল মকসুদ ও খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকসভা অনুষ্ঠিত

কসবা

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

গতকাল ২১ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ০৬.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প, কিশোরগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন গঙ্গানগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি হলেন মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৪০),  পিতা-মোঃ ফিরোজ মিয়া,  থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

এসময় ধৃত আসামীদর নিকট হতে ৬২৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার গঙ্গানগর এলাকা থেকে ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করছেে র‌্যাব-১৪

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কম্বাইন হারভেষ্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা বিনাউটি ইউনিয়নের সৈয়দাবাদ গ্রামে ধান কাটা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হাছিবা খান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রবিউল হক মজুমদার, কসবা উপজেলা কৃষি অফিসার হাজেরা বেগমসহ উপ-সহকারী কৃষি অফিসারগণ ও উপকারভোগী কৃষকরা।
উদ্বোধনী দিনে সৈয়দাবাদ গ্রামের ৫০ একর জমিতে চাষ করা সূবর্ণ-৩ হাইব্রিড বোরো কাটা হয়।

কসবায় কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটা উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ন্যায্য মূল্যেন্যায্য মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কাওছার ভূইয়া জীবন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ-উল আলম, কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী, ডাঃ আব্দুল মজিদ উজ্জ্বল, প্রভাষক জয়নাল আবেদিন প্রমুখ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেনারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় করোনা পরিস্থিতিতে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ চত্বরে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্র চালু থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ন্যায্য মূল্যে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের নিমবাড়ি গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত দুই ভাই রহিজ মিয়া ও ফয়েজ মিয়া হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি ও মামলা দুটো তুলে নিতে আসামী পক্ষের হুমকি-ধামকির প্রতিবাদে গত সোমবার রাতে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ফয়েজ মিয়ার বাড়ির উঠানে সভায় গ্রামের মুরুব্বী আলী আজগর মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন বাবুল মিয়া, মস্তু মিয়া, নোয়াব মিয়া, রতন মিয়া প্রমুখ।

সভায় বক্তারা দুই ভাইয়ের হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের কাছে অনুরোধ করেন। নিহত রহিজ মিয়া ও ফয়েজ মিয়া উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামের মরহুম লাবু মিয়ার ছেলে। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, আসামীরা হত্যা মামলা দুটো তুলে নিতে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। হত্যা মামলা থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করার পায়তারা করছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামের পান্ডুর গোষ্ঠীর লোকজনের সাথে এই গ্রামের কাবিলা গোষ্ঠীর লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এই বিরোধের জের ধরে ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে পান্ডুর গোষ্ঠীর লাবু মিয়ার ছেলে রহিজ মিয়া মারা যায়।
এ ঘটনায় নিহত রহিজ মিয়ার স্ত্রী বাদি হয়ে ২০জনের বিরুদ্ধে কসবা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলার ১ নং স্বাক্ষী ছিলেন নিহত রহিজ মিয়ার বড় ভাই ফয়েজ মিয়া।

রহিজ মিয়া হত্যা মামলার আসামীরা (কাবিলা গোষ্ঠীর) দীর্ঘদিন কারাভোগ করে মাস তিনেক আগে আদালত থেকে জামিন পেয়ে বাড়িতে আসেন। পরে আসামীরা হত্যা মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য প্রতিপক্ষের উপর চাপ প্রয়োগ করেন। পান্ডুর গোষ্ঠীর লোকজন রাজী না হওয়ায় গত ১৩ মার্চ সকালে কাবিলা গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে পান্ডুর গোষ্ঠীর লোকজনের বাড়িতে হামলা করে। এ সময় টেটার আঘাতে রহিজ মিয়া হত্যা মামলার ১ নং স্বাক্ষী ও রহিজ মিয়ার বড় ভাই ফয়েজ মিয়া-(৬০) ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এ ঘটনায় পরদিন নিহতর স্ত্রী রেখা বেগম বাদি হয়ে ৩০জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ পর্যন্ত মামলার দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে।

কসবায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) দীপক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন,  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয় সহ  তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ  বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।


পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ তানভীর আজম সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিব মোঃ ফারুক হোসেন, পৌরশাখার উপ-সচিব শায়লা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পঙ্কজ বড়–য়া, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অঞ্জন দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থাপনাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করতে মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন।  আজ (শনিবার) আমরা পরির্দশনে এসেছি। এর আগে জেলা প্রশাসক, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ থেকে পাঠানো রিপোর্ট আমরা পর্যালোচনা করেছি। আজ সরেজমিনে দেখে যাচ্ছি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব পৌরবাসীকে পূর্নমাত্রায় সেবা দেয়া যায় এই ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বিশিষ্ট ব্যাংকার খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভাসানী চর্চা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন সাঈদ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, তেল-গ্যাস- খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির,বাংলাদেশ কৃষক ও খেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী আবদুস সোবহান মাখন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা যুব জোটের আহবায়ক সিদ্দিক আহমেদ নাসির, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সানিউর রহমান সানি প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক আবুল খায়ের ।
শোক সভায় বক্তারা সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মময় জীবনের আলোচনা করতে দিয়ে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

ব্যাংকার ইব্রাহিম খালেদ সম্পর্কে বক্তারা বলেন, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উচ্চকন্ঠ এ মানুষটিকে বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই ভুলবেনা। সভার শুরুতেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
###

সৈয়দ আবুল মকসুদ ও খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৩ নারী শোনালের তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প। শত বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ের গল্প। তাদের কেউ কেউ শিক্ষার্থী, কেউ আবার গৃহিনী। সংসার ও পড়াশুনার সামলিয়ে তারা নিজেদেরকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকেলে তরুন উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসির উদ্যোগে “ বিজনেস গসিপ” নামের একটি অনলাইল গ্রুপের উদ্যোগে স্থানীয় স্মৃতি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে বসে নারী উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির।

অনুষ্ঠানে সিজা, পিউ, পিয়া, লিমা, বুশরা, সাবা, নুরুন, মৌসুমি, নিশাত, অথৈ, কাজল, তাহিয়া, শান্তা, অন্তরা, হ্যাপি, অনুরাধাসহ ৩৩ নারী উদ্যোক্তা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে তারা একে অপরের সাথে পরিচিত হন ও তাদের কাজ নিয়ে কথা বলেন ও কিভাবে সকল বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়াই করেছেন সেই গল্প শোনান।
অনুষ্ঠানে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় মিসেস নায়ার কবিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসি বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আয়োজনটি ছিলো শিক্ষণীয়। এক সাথে খাওয়া-দাওয়া এবং উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পে মুখরিত ছিল পুরো অনুষ্ঠান।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

নবীনগর

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) দীপক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন,  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয় সহ  তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ  বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।


পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ তানভীর আজম সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিব মোঃ ফারুক হোসেন, পৌরশাখার উপ-সচিব শায়লা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পঙ্কজ বড়–য়া, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অঞ্জন দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থাপনাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করতে মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন।  আজ (শনিবার) আমরা পরির্দশনে এসেছি। এর আগে জেলা প্রশাসক, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ থেকে পাঠানো রিপোর্ট আমরা পর্যালোচনা করেছি। আজ সরেজমিনে দেখে যাচ্ছি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব পৌরবাসীকে পূর্নমাত্রায় সেবা দেয়া যায় এই ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বিশিষ্ট ব্যাংকার খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভাসানী চর্চা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন সাঈদ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, তেল-গ্যাস- খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির,বাংলাদেশ কৃষক ও খেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী আবদুস সোবহান মাখন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা যুব জোটের আহবায়ক সিদ্দিক আহমেদ নাসির, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সানিউর রহমান সানি প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক আবুল খায়ের ।
শোক সভায় বক্তারা সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মময় জীবনের আলোচনা করতে দিয়ে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

ব্যাংকার ইব্রাহিম খালেদ সম্পর্কে বক্তারা বলেন, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উচ্চকন্ঠ এ মানুষটিকে বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই ভুলবেনা। সভার শুরুতেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
###

সৈয়দ আবুল মকসুদ ও খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৩ নারী শোনালের তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প। শত বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ের গল্প। তাদের কেউ কেউ শিক্ষার্থী, কেউ আবার গৃহিনী। সংসার ও পড়াশুনার সামলিয়ে তারা নিজেদেরকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকেলে তরুন উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসির উদ্যোগে “ বিজনেস গসিপ” নামের একটি অনলাইল গ্রুপের উদ্যোগে স্থানীয় স্মৃতি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে বসে নারী উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির।

অনুষ্ঠানে সিজা, পিউ, পিয়া, লিমা, বুশরা, সাবা, নুরুন, মৌসুমি, নিশাত, অথৈ, কাজল, তাহিয়া, শান্তা, অন্তরা, হ্যাপি, অনুরাধাসহ ৩৩ নারী উদ্যোক্তা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে তারা একে অপরের সাথে পরিচিত হন ও তাদের কাজ নিয়ে কথা বলেন ও কিভাবে সকল বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়াই করেছেন সেই গল্প শোনান।
অনুষ্ঠানে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় মিসেস নায়ার কবিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসি বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আয়োজনটি ছিলো শিক্ষণীয়। এক সাথে খাওয়া-দাওয়া এবং উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পে মুখরিত ছিল পুরো অনুষ্ঠান।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার সকালে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) এর উদ্যোগে শহরের ট্যাংকেরপাড় পুনাক শো-রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এর স্ত্রী মাহবুবা সুলতানা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) এর স্ত্রী ইসরাত জাহান।
বক্তব্য রাখেন উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের ইনচার্জ কামরুজ্জামান লাইলী।

সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সমাজে নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সমাজে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচারিত লাঞ্চিত, বঞ্চিত এমনকি অনেক জায়গায় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বঞ্চিত হচ্ছে নারীরা।

বক্তারা বলেন, নারীরা আজ অনেক এগিয়ে। গভীর সমুদ্রে মুক্তা সংগ্রহ, হিমালয়ের চূড়ায় অভিযান, মহাকাশ পাড়ি, যুদ্ধক্ষেত্র, শিক্ষা ও বিজ্ঞান সব জায়গায় নারীরা পারদর্শী। আমরা চাই নারী অত্যাচার, ধর্ষণ, বঞ্চনা ও লাঞ্ছনা চিরকালের মতো বিলুপ্ত হোক। নারীরা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রে নিজ মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকুক।
###

অত্যাচার, ধর্ষণ, বঞ্চনা ও লাঞ্ছনা চিরকালের মতো বিলুপ্ত হোক, নারী দিবসে বক্তরা

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার দুপুরে জেলা কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি শাহরিয়ার মোঃ ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ ।
বক্তব্য রাখে জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোঃ জামাল, মোঃ ইসহাক, আকতার হোসেন, সাহেদ মিয়া প্রমুখ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক সাংবাদিক আবদুন নূর, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ। আলোচনা সভার আগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সিপিবির এক লাল পতাকা র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংসদ গণসঙ্গীত পরিবেশন করে।
###

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
দলীয় প্রতীকমুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ জাসদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে জেলা জাসদের সভাপতি হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়া কারদার নিয়নের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির । সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক সাংবাদিক আবদুন নূর, জেলা ঐক্য ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আবু কালাম নাঈম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবুল বাসার ভূইয়া রতন, জালাল উদ্দিন জালু, প্রভাষক জাফর আহমেদ আকছির, সিদ্দিক আহমেদ নাসির প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা ইউনিয়ন পরিষদসহ সকল স্থানীয় সরকারে দলীয় প্রতীক মুক্ত নির্বাচনের দাবি জানান। তারা বলেন, তা নাহলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অংশগ্রহন মূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে না। বক্তারা বলেন, দলীয় প্রতীক প্রথা চালু হওয়ার কারণে মানুষ নির্বাচনে অংশগ্রহনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। দলকে ম্যানেজ করে মনোনয়ন নিতে পারলে পরবর্তীতে জনগনের প্রতি তাদের কোন দায়বদ্ধতা থাকেনা।
####

দলীয় প্রতীকমুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে জাসদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের উপস্থিতিতে মিছিল করাকে কেন্দ্র করে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়। এ সময় উভয়পক্ষের ১০জন আহত হয়। তবে তাদের নাম জানা যায়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১১টায় কসবা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্মার্ট কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

এ সময় কসবা পৌরসভার মেয়র ও আগামী পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী এমরান উদ্দিন জুয়েল এবং উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী এম.এ. আজিজের সমর্থকরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে যাচ্ছিলেন। এ সময় দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি শ্লোগান ও ধাক্কা-ধাক্কি শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের ৭/৮টি মোটর সাইকেল ভাংচুর ও কয়েকটি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়। হামলায় উভয়পক্ষের ১০জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এদিকে মন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে উপজেলা পরিষদের বাইরের সড়কে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হলে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করে দুপুর ১২টার দিকে মন্ত্রী পুলিশী নিরাপত্তায় উপজেলার পানিয়ারুপ নিজ বাড়িতে চলে যান। পুলিশ সংর্ঘষে জড়িতদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে। থেমে থেমে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংর্ঘষ চলছিল।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল বলেন, প্রায় ১ বছর পরম মন্ত্রী মহোদয় এলাকায় আসেন। মন্ত্রীকে বরণ করার জন্য বেলা ১১টার দিকে আমি আমার সমর্থকদের নিয়ে রাস্তার দু’পাশে দাড়িয়ে ছিলাম। এমন সময় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী এম.এ. আজিজের ছোট ভাই যুবদল নেতা শিশুর নেতৃত্বে তার সমর্থকরা আমার সমর্থকদের উপর মোটর সাইকেল তুলে দেয়। পরে আমার ও আজিজের সমর্থকদের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে ধস্তাধস্তি হয়। পরে মন্ত্রী মহোদয় অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়িতে চলে যান।
এ ব্যাপারে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী এম.এ আজিজ বলেন, মন্ত্রী মহোদয়কে বরণ করার জন্য টিআলীর বাড়ির মোড় থেকে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে আমার সমর্থকরা দাঁড়িয়েছিলো। এক পর্যায়ে আমার কয়েকজন সমর্থক মোটর সাইকেল নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে আসার সময় প্রতিপক্ষের লোকেরা মোটর সাইকেলে হামলা করে। পরে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষের ৭/৮টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয় ও উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫জন আহত হন। পরে মন্ত্রী মহোদয় তাঁর বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করে নিজ বাড়িতে চলে যান।
এ ব্যাপারে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আলমগীর ভূইয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংঘর্ষের কথা স্বীকার করে বলেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে। কতজন হতাহত হয়েছে জানি না।
###

কসবায় দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ

নাসিরনগন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারী হাসপাতালে ২০ এপ্রিল ২০২১ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে জুমের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ সংসদীয় ২৪৩ নাসিরনগর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বিএম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম, অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ একরামুল্লাহ, নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রাফি উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হালিমা খাতুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ অভিজিৎ রায়, সকল ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে কর্মরত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। এ সময় মাননীয় সংসদ সদস্য বলেন, আমাদের সকলকে একসাথে একতাবদ্ধ হয়ে

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এগিয়ে আসতে হবে এবং কিভাবে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ করা যায় এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ একরামুল্লাহ বলেন কোভিড-১৯ মোকাবিলায় নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত সকল ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মীগণ প্রস্তুত আছেন এবং যেকোন পরিস্থিতিতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ও প্রস্তুত রয়েছেন।

নাসিরনগরে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও সচেতনা বিষয়ক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর লম্বাহাটির ভিতরে সরকারী ১৫ লহ্ম টাকা ব্যায়ে নির্মিত ড্রেণ নির্মানের ৭ দিনের মাথায় ভেঙ্গে পড়েছে। জানা গেছে গ্রামের মানুষের পানি নিস্কাশনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে একটি ড্রেইন নির্মানের জন্য তিন দাপে প্রায় ১৫ লহ্ম টাকা বরাদ্ধ দেয় এলজিইডি। সরকারী ১৫ টাকা বরাদ্ধ পেয়ে শ্রীঘর গ্রামের মোজাম্মল হক জুড়ান ও মোজাম্মেল হক দানা নামের দুই ব্যাক্তি কাজ শুরু করে ড্রেনটি নির্মান করে।

ড্রেন নির্মানের ৫/৭ দিনের মাথায় সামান্য বৃষ্টিতেই ভেঙ্গে পড়ে ড্রেনটি। দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থানীয় এলজিডির কর্মকর্তার সাথে দুই ব্যাক্তি মিলে উক্ত প্রকল্পের টাকা মেরে দিয়ে নিম্মমানের ইট ও প্রয়োজনীয় সিমেন্ট না দিয়ে কাজ করার কারনে ড্রেনটি ভেঙ্গে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মোজাম্মেল হক দানার মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার ফোন করলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।স্থানীয় এলজিডি বিভাগের ওয়ার্কস্ট্যান মোঃ ইসহাক মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি বলে আমরা গিয়ে দেখে এসেছি এবং ড্রেনটি ঠিক করার জন্য বলে এসেছি।

নাসিরনগরে নির্মানের ৭ দিনের মাথায় ভেঙ্গে পড়েছে সরকারী ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসাবে যোগদান করেছেন হালিমা খাতুন। গতকাল রোববার সকালে তিনি নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে প্রথমদিন অফিস করেন।

প্রথমদিন কার্যদিবসে উপজেলার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন এবং তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি সকলের  সহযোগিতা কামনা করেন। এর আগে হালিমা খাতুন মঙ্গলবার  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে যোগদান করেন এবং বৃহস্পতিবার নাসিরনগরে যোগদান করেন।

এর আগে তিনি ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৪ এপ্রিল এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে হালিমা খাতুনকে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদে পদায়ন করা হয়।

উল্লেখ্য, নাসিরনগর উপজেলার সাবেক নির্বাহী অফিসার নাজমা আশরাফী কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি হয়েছেন।

নাসিরনগরে নতুন ইউএনও হিসেবে হালিমা খাতুনের যোগদান

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) দীপক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন,  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয় সহ  তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ  বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।


পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ তানভীর আজম সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিব মোঃ ফারুক হোসেন, পৌরশাখার উপ-সচিব শায়লা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পঙ্কজ বড়–য়া, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অঞ্জন দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থাপনাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করতে মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন।  আজ (শনিবার) আমরা পরির্দশনে এসেছি। এর আগে জেলা প্রশাসক, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ থেকে পাঠানো রিপোর্ট আমরা পর্যালোচনা করেছি। আজ সরেজমিনে দেখে যাচ্ছি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব পৌরবাসীকে পূর্নমাত্রায় সেবা দেয়া যায় এই ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক দরবার শরীফের পীরে কামেলে মোকাম্মল হযরত শাহসূফী আলহাজ্ব সৈয়দ আবদুস ছাত্তার নকশে বন্দী (রঃ)ও পীরে কামেলে মোকাম্মেল হযরত শাহসূফী আলহাজ্ব সৈয়দ নাছিরুল হক (মাসুম)নকশে বন্দী মোজাদ্দেদী ফান্দাউকী (রঃ)দ্বয়ের দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ইছালে ছওয়াব মাহফিল গতকাল রোববার আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।

বাদ ফজর আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন ফান্দাউক দরবার শরীফের গদ্দীনিশীন পীর আলহাজ্ব মাওলানা সৈয়দ ছালেহ আহ্মাদ (মামুন)। প্রায় ৪০ মিনিট মোনাজাতে মুসলিম উম্মার ঐক্য কামনাসহ করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা ও দেশ ও জাতির স্বার্থে ঐক্যের পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে দেশ প্রেমিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে পরম করণাময় আল্লাহর দরবারে শান্তি কামনা করা হয়।

ঈমান ও ইসলাম নিয়ে বাচাঁর জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করা হয়। মাহফিলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিদের আগমন ঘটে। মাহফিলে ফান্দাউক মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার ৫ জন ছাত্রকে পাগড়ি প্রদান করা হয়।
নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক দরবার শরীফের দু‘দিনব্যাপী মাহফিল শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হয়। মাহফিল উপলক্ষে বিশাল এলাকা জুড়ে প্যান্ডেল নির্মান করা হয়। ভক্ত ও মুরিদানদের জন্য ছিলো প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা। ছিলো প্রায় তিন হাজার লোকের একসাথে বসে খাবারের আয়োজন। মাহফিলকে ঘিরে অস্থায়ী ভিত্তিতে গড়ে উঠে ছোট বড় কয়েক‘শ দোকান-পাট। দূরের আশেকানদের থাকার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা।
###

আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে নাসিরনগরের ফান্দাউক দরবার শরীফের দুদিন ব্যাপী মাহফিল সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বিশিষ্ট ব্যাংকার খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভাসানী চর্চা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন সাঈদ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, তেল-গ্যাস- খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির,বাংলাদেশ কৃষক ও খেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী আবদুস সোবহান মাখন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা যুব জোটের আহবায়ক সিদ্দিক আহমেদ নাসির, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সানিউর রহমান সানি প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক আবুল খায়ের ।
শোক সভায় বক্তারা সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মময় জীবনের আলোচনা করতে দিয়ে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

ব্যাংকার ইব্রাহিম খালেদ সম্পর্কে বক্তারা বলেন, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উচ্চকন্ঠ এ মানুষটিকে বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই ভুলবেনা। সভার শুরুতেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
###

সৈয়দ আবুল মকসুদ ও খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৩ নারী শোনালের তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প। শত বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ের গল্প। তাদের কেউ কেউ শিক্ষার্থী, কেউ আবার গৃহিনী। সংসার ও পড়াশুনার সামলিয়ে তারা নিজেদেরকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকেলে তরুন উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসির উদ্যোগে “ বিজনেস গসিপ” নামের একটি অনলাইল গ্রুপের উদ্যোগে স্থানীয় স্মৃতি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে বসে নারী উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির।

অনুষ্ঠানে সিজা, পিউ, পিয়া, লিমা, বুশরা, সাবা, নুরুন, মৌসুমি, নিশাত, অথৈ, কাজল, তাহিয়া, শান্তা, অন্তরা, হ্যাপি, অনুরাধাসহ ৩৩ নারী উদ্যোক্তা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে তারা একে অপরের সাথে পরিচিত হন ও তাদের কাজ নিয়ে কথা বলেন ও কিভাবে সকল বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়াই করেছেন সেই গল্প শোনান।
অনুষ্ঠানে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় মিসেস নায়ার কবিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসি বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আয়োজনটি ছিলো শিক্ষণীয়। এক সাথে খাওয়া-দাওয়া এবং উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পে মুখরিত ছিল পুরো অনুষ্ঠান।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

বাঞ্ছারামপুর

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুরে ১৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আবদুল্লাহ-(২১) ও মোঃ মানিক-(২২) নামে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোরে উপজেলার ভেলানগর গ্রামের কান্দার মোড় থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আবদুল্লাহ জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা গ্রামের মোঃ কাসেম মিয়ার ছেলে ও গ্রেপ্তারকৃত মানিক একই এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় বাঞ্চারামপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে উপজেলার ভেলানগর গ্রামের কান্দার মোড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদেরকে তল্লাশী করে ১৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে বাঞ্চারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। বুধবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুরে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন সরকারি ও বে-সরকারি স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬-(বাঞ্চারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অবঃ) এ.বি তাজুল ইসলাম।

ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার দুপুরে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব ভবন পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, অতীতে যারা দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে সেই কমন শত্রু বিএনপি-জামাত-হেফাজতই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে । এ ছাড়া আমাদের কোন ব্যর্থতা ছিল কিনা তাও আত্মউপলব্ধিতে এনে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরো বলেন, এই কমন শত্রুদের আমাদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে।

এ সময় তার সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা-খাঁন, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকারসহ দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ক্যাপ্টেন (অবঃ) এ.বি তাজুল ইসলাম এমপি তাজ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ক্ষতিগ্রস্ত বাসভবন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের দেওয়া ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন করেন ক্যাপ্টেন তাজ এমপি

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) দীপক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন,  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয় সহ  তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ  বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।


পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ তানভীর আজম সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিব মোঃ ফারুক হোসেন, পৌরশাখার উপ-সচিব শায়লা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পঙ্কজ বড়–য়া, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অঞ্জন দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থাপনাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করতে মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন।  আজ (শনিবার) আমরা পরির্দশনে এসেছি। এর আগে জেলা প্রশাসক, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ থেকে পাঠানো রিপোর্ট আমরা পর্যালোচনা করেছি। আজ সরেজমিনে দেখে যাচ্ছি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব পৌরবাসীকে পূর্নমাত্রায় সেবা দেয়া যায় এই ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বিশিষ্ট ব্যাংকার খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভাসানী চর্চা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন সাঈদ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, তেল-গ্যাস- খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির,বাংলাদেশ কৃষক ও খেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী আবদুস সোবহান মাখন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা যুব জোটের আহবায়ক সিদ্দিক আহমেদ নাসির, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সানিউর রহমান সানি প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক আবুল খায়ের ।
শোক সভায় বক্তারা সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মময় জীবনের আলোচনা করতে দিয়ে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

ব্যাংকার ইব্রাহিম খালেদ সম্পর্কে বক্তারা বলেন, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উচ্চকন্ঠ এ মানুষটিকে বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই ভুলবেনা। সভার শুরুতেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
###

সৈয়দ আবুল মকসুদ ও খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৩ নারী শোনালের তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প। শত বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ের গল্প। তাদের কেউ কেউ শিক্ষার্থী, কেউ আবার গৃহিনী। সংসার ও পড়াশুনার সামলিয়ে তারা নিজেদেরকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকেলে তরুন উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসির উদ্যোগে “ বিজনেস গসিপ” নামের একটি অনলাইল গ্রুপের উদ্যোগে স্থানীয় স্মৃতি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে বসে নারী উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির।

অনুষ্ঠানে সিজা, পিউ, পিয়া, লিমা, বুশরা, সাবা, নুরুন, মৌসুমি, নিশাত, অথৈ, কাজল, তাহিয়া, শান্তা, অন্তরা, হ্যাপি, অনুরাধাসহ ৩৩ নারী উদ্যোক্তা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে তারা একে অপরের সাথে পরিচিত হন ও তাদের কাজ নিয়ে কথা বলেন ও কিভাবে সকল বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়াই করেছেন সেই গল্প শোনান।
অনুষ্ঠানে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় মিসেস নায়ার কবিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসি বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আয়োজনটি ছিলো শিক্ষণীয়। এক সাথে খাওয়া-দাওয়া এবং উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পে মুখরিত ছিল পুরো অনুষ্ঠান।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার সকালে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) এর উদ্যোগে শহরের ট্যাংকেরপাড় পুনাক শো-রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এর স্ত্রী মাহবুবা সুলতানা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) এর স্ত্রী ইসরাত জাহান।
বক্তব্য রাখেন উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের ইনচার্জ কামরুজ্জামান লাইলী।

সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সমাজে নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সমাজে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচারিত লাঞ্চিত, বঞ্চিত এমনকি অনেক জায়গায় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বঞ্চিত হচ্ছে নারীরা।

বক্তারা বলেন, নারীরা আজ অনেক এগিয়ে। গভীর সমুদ্রে মুক্তা সংগ্রহ, হিমালয়ের চূড়ায় অভিযান, মহাকাশ পাড়ি, যুদ্ধক্ষেত্র, শিক্ষা ও বিজ্ঞান সব জায়গায় নারীরা পারদর্শী। আমরা চাই নারী অত্যাচার, ধর্ষণ, বঞ্চনা ও লাঞ্ছনা চিরকালের মতো বিলুপ্ত হোক। নারীরা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রে নিজ মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকুক।
###

অত্যাচার, ধর্ষণ, বঞ্চনা ও লাঞ্ছনা চিরকালের মতো বিলুপ্ত হোক, নারী দিবসে বক্তরা

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার দুপুরে জেলা কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি শাহরিয়ার মোঃ ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ ।
বক্তব্য রাখে জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোঃ জামাল, মোঃ ইসহাক, আকতার হোসেন, সাহেদ মিয়া প্রমুখ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক সাংবাদিক আবদুন নূর, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ। আলোচনা সভার আগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সিপিবির এক লাল পতাকা র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংসদ গণসঙ্গীত পরিবেশন করে।
###

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বিজয়নগর

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবকালে শহরজুড়ে ব্যাপক হামলা-ভাংচুর ও অগ্নিকান্ডের ঘটনার প্রতিবাদ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে হেফাজত নেতাদের মিথ্যাচার ও কটুক্তির প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় উপজেলার আউলিয়া বাজারে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তানভীর ভূইয়া। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই মাষ্টারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক অলি আহমেদের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মৃধা, দপ্তর সম্পাদক রাজ্জাক ফকির, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল খাঁন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউছার ভূইয়া, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস.এম.মাহাবুব হোসাইন প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বক্তারা বলেন, গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতিদের তান্ডবের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান। পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে হেফাজত নেতাদের মিথ্যাচার ও কুটুক্তি প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদেরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতি তান্ডবের প্রতিবাদে বিজয়নগরে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সভা

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) দীপক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন,  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয় সহ  তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ  বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।


পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ তানভীর আজম সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিব মোঃ ফারুক হোসেন, পৌরশাখার উপ-সচিব শায়লা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পঙ্কজ বড়–য়া, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অঞ্জন দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থাপনাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করতে মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন।  আজ (শনিবার) আমরা পরির্দশনে এসেছি। এর আগে জেলা প্রশাসক, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ থেকে পাঠানো রিপোর্ট আমরা পর্যালোচনা করেছি। আজ সরেজমিনে দেখে যাচ্ছি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব পৌরবাসীকে পূর্নমাত্রায় সেবা দেয়া যায় এই ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বিশিষ্ট ব্যাংকার খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভাসানী চর্চা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন সাঈদ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, তেল-গ্যাস- খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির,বাংলাদেশ কৃষক ও খেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী আবদুস সোবহান মাখন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা যুব জোটের আহবায়ক সিদ্দিক আহমেদ নাসির, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সানিউর রহমান সানি প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক আবুল খায়ের ।
শোক সভায় বক্তারা সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মময় জীবনের আলোচনা করতে দিয়ে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

ব্যাংকার ইব্রাহিম খালেদ সম্পর্কে বক্তারা বলেন, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উচ্চকন্ঠ এ মানুষটিকে বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই ভুলবেনা। সভার শুরুতেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
###

সৈয়দ আবুল মকসুদ ও খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৩ নারী শোনালের তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প। শত বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ের গল্প। তাদের কেউ কেউ শিক্ষার্থী, কেউ আবার গৃহিনী। সংসার ও পড়াশুনার সামলিয়ে তারা নিজেদেরকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকেলে তরুন উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসির উদ্যোগে “ বিজনেস গসিপ” নামের একটি অনলাইল গ্রুপের উদ্যোগে স্থানীয় স্মৃতি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে বসে নারী উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির।

অনুষ্ঠানে সিজা, পিউ, পিয়া, লিমা, বুশরা, সাবা, নুরুন, মৌসুমি, নিশাত, অথৈ, কাজল, তাহিয়া, শান্তা, অন্তরা, হ্যাপি, অনুরাধাসহ ৩৩ নারী উদ্যোক্তা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে তারা একে অপরের সাথে পরিচিত হন ও তাদের কাজ নিয়ে কথা বলেন ও কিভাবে সকল বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়াই করেছেন সেই গল্প শোনান।
অনুষ্ঠানে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় মিসেস নায়ার কবিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসি বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আয়োজনটি ছিলো শিক্ষণীয়। এক সাথে খাওয়া-দাওয়া এবং উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পে মুখরিত ছিল পুরো অনুষ্ঠান।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার সকালে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) এর উদ্যোগে শহরের ট্যাংকেরপাড় পুনাক শো-রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এর স্ত্রী মাহবুবা সুলতানা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) এর স্ত্রী ইসরাত জাহান।
বক্তব্য রাখেন উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের ইনচার্জ কামরুজ্জামান লাইলী।

সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সমাজে নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সমাজে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচারিত লাঞ্চিত, বঞ্চিত এমনকি অনেক জায়গায় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বঞ্চিত হচ্ছে নারীরা।

বক্তারা বলেন, নারীরা আজ অনেক এগিয়ে। গভীর সমুদ্রে মুক্তা সংগ্রহ, হিমালয়ের চূড়ায় অভিযান, মহাকাশ পাড়ি, যুদ্ধক্ষেত্র, শিক্ষা ও বিজ্ঞান সব জায়গায় নারীরা পারদর্শী। আমরা চাই নারী অত্যাচার, ধর্ষণ, বঞ্চনা ও লাঞ্ছনা চিরকালের মতো বিলুপ্ত হোক। নারীরা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রে নিজ মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকুক।
###

অত্যাচার, ধর্ষণ, বঞ্চনা ও লাঞ্ছনা চিরকালের মতো বিলুপ্ত হোক, নারী দিবসে বক্তরা

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার দুপুরে জেলা কমিউনিস্ট পার্টির উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্ত মঞ্চে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি শাহরিয়ার মোঃ ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ ।
বক্তব্য রাখে জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোঃ জামাল, মোঃ ইসহাক, আকতার হোসেন, সাহেদ মিয়া প্রমুখ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক সাংবাদিক আবদুন নূর, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ। আলোচনা সভার আগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সিপিবির এক লাল পতাকা র‌্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংসদ গণসঙ্গীত পরিবেশন করে।
###

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
দলীয় প্রতীকমুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ জাসদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে জেলা জাসদের সভাপতি হুমায়ূন কবিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়া কারদার নিয়নের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির । সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক সাংবাদিক আবদুন নূর, জেলা ঐক্য ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আবু কালাম নাঈম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবুল বাসার ভূইয়া রতন, জালাল উদ্দিন জালু, প্রভাষক জাফর আহমেদ আকছির, সিদ্দিক আহমেদ নাসির প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা ইউনিয়ন পরিষদসহ সকল স্থানীয় সরকারে দলীয় প্রতীক মুক্ত নির্বাচনের দাবি জানান। তারা বলেন, তা নাহলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অংশগ্রহন মূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে না। বক্তারা বলেন, দলীয় প্রতীক প্রথা চালু হওয়ার কারণে মানুষ নির্বাচনে অংশগ্রহনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। দলকে ম্যানেজ করে মনোনয়ন নিতে পারলে পরবর্তীতে জনগনের প্রতি তাদের কোন দায়বদ্ধতা থাকেনা।
####

দলীয় প্রতীকমুক্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে জাসদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

সরাইল

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের ১৩৭তম জন্মদিন ছিলো গতকাল শুক্রবার। তার জন্মদিনে সরাইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতে তিনটি প্রস্তাব করা হযেছে।
প্রস্তাবগুলো হচ্ছে উল্লাসকর দত্তের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য সরাইলের কালিকচ্ছে তাঁর পৈত্রিক ভিটায় একটি স্মৃতিসৌধ নির্মান, নতুন প্রজন্ম যাতে জানতে পারে সেজন্য তার তাঁর কর্মকান্ডকে লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা ও প্রতিবছর সরকারি ভাবে তাঁর জন্মদিনে আলোচনা সভার আয়োজন করা।

বিপ্লবী উল্লাস কর দত্তের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায়। ১৮৮৫ সালের ১৬ এপ্রিল তিনি সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ গ্রামে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। তাঁর পিতা দ্বিজদাস দত্ত ছিলেন সর্বধর্ম সমন্বয় আদর্শের সাধক।  উল্লাসকর দত্ত কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের ছাত্র ছিলেন, এবং পরে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি বিদ্যায় ডিগ্রী অর্জন করেন। তবে কলেজে পড়ার সময় ইংরেজ অধ্যাপক রাসেল বাঙালিদের সম্পর্কে কটূক্তি করার দরুন উল্লাসকর তাকে আঘাত করেন, এজন্য উল্লাসকরকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল । এই সময় থেকে তার জীবনে পরিবর্তন আসে। বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ১৯০৬ সালের ৭ আগস্ট স্বদেশী আন্দোলন কালে তিনি অনুশীলন দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এ সূত্রে ক্ষুদিরাম বসু ও বারীন্দ্রকুমার ঘোষ এর সাথে তাঁর প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল।

উল্লাসকর দত্ত তখন ‘অভিরাম’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। তাঁর তৈরি বোমা ছুড়েই ক্ষুদিরাম ১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে বহনকারী গাডিড় ভেবে ভুল করে দুজন ইংরেজ মহিলাকে হত্যা করেছিলেন। এ অপরাধে ২ মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ উল্লাসকরকে মুরারিপুকুর বাগান থেকে গ্রেপ্তার করেন। পরের দিনই মোজাফফরপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইংরেজ ব্যারিস্টার কেনেডি সস্ত্রীক নিহত হন। এ সকল ঘটনা ইংরেজ মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। ফলে কয়েক দিনের মধ্যে গোয়েন্দা পুলিশ কলকাতার মানিকতলায় বোমা তৈরির গোপন কারখানাটি খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়। গোয়েন্দা রিপোর্টে প্রমাণিত হয় যে, ৩০ এপ্রিল ক্ষুদিরাম কর্তৃক নিক্ষিপ্ত বোমাটি ছিল উল্লাস করের তৈরী।

বিচারে ক্ষুদিরাম ও বারীন্দ্রকুমার ঘোষের সঙ্গে মানিকতলা (আলীপুর) বোমা মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে উল্লাসকরকেও মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। তবে ১১ আগস্ট ক্ষুদিরামের মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকর হলে উল্লাসকর তাঁর আইনজীবী চিত্তরঞ্জন দাশ-এর বিজ্ঞতায় অব্যাহতি পান ও ১৯০৯ সালে বারীন ঘোষের সঙ্গে তিনি আন্দামানে দ্বীপান্তরিত হন। ১৯২০ সালে তিনি মুক্তিলাভ করেন।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটলে জন্মভূমি কালীকচ্ছের বাঘবাড়িতে উল্লাসকর ফিরে আসেন। দীর্ঘ দশবছর নিঃসঙ্গ জীবন অতিবাহিত করার পর জীবনের শেষ দিনগুলি নিজেদের আখড়ায় কাটানোর বাসনায় তিনি কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। ১৯৬৫ সালের ১৭ মে কলকাতায় তাঁর জীবনাবসান ঘটে।

এ দিকে উল্লাসকর দত্তের জন্মদিনে সরাইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সরকারের ৩টি প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবগুলো হচ্ছে উল্লাসকর দত্তের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য সরাইলের কালিকচ্ছে তাঁর পৈত্রিক ভিটিতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মান, তাঁর কর্মকান্ডকে লিপিবদ্ধ করে একটি কক্ষে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে রাখা এবং প্রতিবছর তাঁর জন্ম দিনে আলোচনা সভার আয়োজন করা।
এ ব্যাপারে সরাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব খান বাবুল বলেন, আজকের প্রজন্ম বিপ্লবী উল্লাস কর দত্তকে খুব একটা জানে না। নতুন প্রজন্ম যাতে উল্লাস কর দত্তকে জানতে পারে সেজন্য সরাইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে তিনটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের ১৩৭তম জন্মদিন পালিত, সরাইল প্রেসক্লাবের তিন প্রস্তাব

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুইশত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে ‘বন্ধু ফাউন্ডেশন’।
সোমবার বিকেলে প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। এ উপলক্ষ্যে সংগঠনের সভাপতি মৃধা মাহবুব এলাহী প্রদ্যোৎ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।

সরাইল প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রিপনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবু হানিফ, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডঃ সৈয়দ তানবির হোসেন কাউসার, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. জাহাঙ্গীর আলম, সরাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আইয়ুব খান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খান, কমিউনিষ্ট পার্টির সরাইল উপজেলা শাখার সভাপতি দেবদাস সিংহ রায় ও আওয়ামীলীগ নেতা মো. কায়কোবাদ।

বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সরাইলে দুইশত পরিবারের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

 

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে নিরীহ অটো চালক দেলোয়ার হোসেন খুনের ঘটনায় গ্রামজুড়ে এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানায়, ৭ এপ্রিল দক্ষিন পাড়া গ্রামের কাসেম মিয়ার জমিতে কাজ করতে যায় শাহ আলী ও সিদ্দিক গ্রুপের দু’ দল শ্রমিক। পরে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। জানতে পেরে রাতেই স্থানীয় চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বিষয়টির মিমাংসা করে দেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতেই শাহ আলীর লোকজন ওই গ্রামের দুর্গত গোষ্ঠীর হান্নান মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেনকে ছুরিকাঘাত হত্যা করে।

দোলোয়ারের হত্যার ঘটনায় নিহতের মা পাকশিমুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামী করে ৩৮ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করে। নিহত দেলোয়ারের মা জানান, আমার ছেলে একজন অটোরিক্সা চালক। এসব দ্বন্দ্ব সংঘাতের সাথে সে জড়িত ছিল না। দিনভর অটো চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে।

এদিকে মামলা দায়েরের পর গ্রেফতার আতংকে প্রতিপক্ষের পুরুষরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন চেয়ারম্যান সাইফুলের সমর্থকদের বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও গৃহপালিত প্রাণিও নিয়ে যায়। সরজমিনে দেখা যায়, পরবর্তী হামলার আশঙ্কায় এখনো অনেকে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে। গ্রামের আব্দুর রহিমের স্ত্রী মালেকা বেগম জানান, তার ঘরে রক্ষিত সোনাদাসাসহ সবকিছুই লুট হয়ে গেছে। এদিকে ঘটনার পরপরই এলাকার শাস্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের স্ত্রী শামসুন্নাহার ববি জানান, গ্রামে দুটি প্রতিদ্বন্ধী গ্রুপ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লে আমার স্বামী সেটি মীমাংসা করে দেন। খুনের ঘটনার সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। প্রতিপক্ষের লোকজন উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার স্বামীকে মামলা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম জানান, আমার গোষ্ঠীর লোক খুন হলৌ উল্টো আমাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে মিথ্যা মামল দিয়ে হয়রাণি করছে। আমাকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে তারা অপপ্রচারসহ হামলা, মামলা করে হয়রাণি করছে। এর পেছনে সাবেক চেয়ারম্যান কাছম আলীর হাত রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। যারা এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে তিনি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।

সরাইল থানার এ,এস,আই জানান, ঘটনার পর থেকে এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা এখানে নিয়োজিত আছি। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সংঘাত এড়াতে আমরা নিয়োজিত থাকব।

সরাইলে দ্বন্দ্বের জেরে যুবক খুন, আতংকে গ্রাম ছাড়ছে প্রতিপক্ষের লোকজন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) দীপক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন,  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয় সহ  তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ  বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।


পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ তানভীর আজম সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিব মোঃ ফারুক হোসেন, পৌরশাখার উপ-সচিব শায়লা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পঙ্কজ বড়–য়া, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অঞ্জন দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থাপনাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করতে মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন।  আজ (শনিবার) আমরা পরির্দশনে এসেছি। এর আগে জেলা প্রশাসক, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ থেকে পাঠানো রিপোর্ট আমরা পর্যালোচনা করেছি। আজ সরেজমিনে দেখে যাচ্ছি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব পৌরবাসীকে পূর্নমাত্রায় সেবা দেয়া যায় এই ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে গত শনিবার সন্ধ্যায় বয়ে যাওয়া কাল বৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের শতাধিক বাড়ি-ঘর ও গাছপালা বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘটনার পর পরই ক্ষতিগ্রস্থ কয়েকটি পরিবার অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।
গতকাল রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল হক মৃদুল ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজ-খবর নেন ও তাদেরকে সব ধরনের সাহায্য সহযোগীতার আশ্বাস দেন। তবে ক্ষতিগ্রস্থরা অভিযোগ করে বলেন, রোববার দুপুর পর্যন্ত তারা কোন ধরনের সাহায্য-সহযোগীতা পাননি।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলা কালীকচ্ছ ইউনিয়নের নন্দীগ্রাম, চাঁন্দপুর, গলানিয়া, ধর্মতীর্থ, মনিরভাগ, কালিকচ্ছ মধ্যপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের উপর দিয়ে কালবৈশাখীর ঝড় বয়ে যায়। এসময় শিলা বৃষ্টিও শুরু হয়। কালবৈশাখীর তান্ডবে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত হয়। ঝড়ে ফসলী জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়। ভেঙ্গে যায় এলাকার গাছ পালা।

ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্থ কয়েকটি পরিবারের লোকজন তাদের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে অবস্থান নেন।
কালীকচ্ছ নন্দীপাড়ার ক্ষতিগ্রস্থ সুবল দাস ও সুমন দাস বলেন, কালবৈশাখীর ঝড়ে নন্দীপাড়ার ১২টি ঘর পড়ে গেছে। কিন্তু রোববার দুপুর পর্যন্ত তারা কোন ধরনের সাহায্য সহযোগীতা পাননি। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন চাঁন্দপুর গ্রামের ফুলচান বিবি। তিনিও বলেন, রোববার দুপুর পর্যন্ত কোন ধরনের সাহায্য -সহযোগীতা পাননি।

এ ব্যাপারে কালীকচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শরাফত আলী বলেন, শনিবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করেই তীব্র গতিতে দমকাসহ ঝড়ো-বাতাস শুরু হয়। পরে কালবৈশাখীর ঝড় শুরু হয়। সাথে সাথে শুরু হয় শিলা বৃষ্টি। তিনি বলেন, ঝড়ে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ছোট-বড় মিলিয়ে কমপক্ষে শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত হয়। ঝড়ের পর পরই তিনি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ক্ষয়-ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারী সহযোগীতা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আরিফুল হক মৃদুল বলেন, রোববার সকালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলেছেন। তিনি তাদেরকে সব-ধরনের সাহায্য সহযোগীতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা হচ্ছে। তালিকা শেষ হলেই জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের টিন ও আর্থিক সহযোগীতা করা হবে।
###

সরাইলে কাল বৈশাখীর ঝড়ে শতাধিক বাড়িঘর ও গাছপালা বিধ্বস্ত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বিশিষ্ট ব্যাংকার খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভাসানী চর্চা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন সাঈদ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, তেল-গ্যাস- খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির,বাংলাদেশ কৃষক ও খেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী আবদুস সোবহান মাখন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা যুব জোটের আহবায়ক সিদ্দিক আহমেদ নাসির, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সানিউর রহমান সানি প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক আবুল খায়ের ।
শোক সভায় বক্তারা সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মময় জীবনের আলোচনা করতে দিয়ে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

ব্যাংকার ইব্রাহিম খালেদ সম্পর্কে বক্তারা বলেন, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উচ্চকন্ঠ এ মানুষটিকে বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই ভুলবেনা। সভার শুরুতেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
###

সৈয়দ আবুল মকসুদ ও খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে কটুক্তিকর পোষ্ট দেয়ার অভিযোগ অভি দাস রনি-(২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত অভি দাস রনি উপজেলার অরুয়াইল গ্রামের দাস পাড়ার জহর লাল দাসের ছেলে। এর আগে পুলিশ রনির বাবা জহর লাল দাস-(৫৫)কে পুলিশী হেফাজতে নেয়।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ফেসবুকে একটি পোষ্ট ছিল এরকম-“গোলাপে এত সুগন্ধ কেন? নবীজির এক ফোটা ঘাম মোবারক পড়েছিল তাই।” ওই পোষ্টে অভিদাস রনি তার ফেসবুক আইডি থেকে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

শুক্রবার বিকেলে রনির দেয়া আপত্তিকর মন্তব্যটি স্থানীয় লোকজনের চোখে পড়লে স্থানীয়রা তার শাস্তির দাবিতে শনিবার রাতে অরুয়াইল বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে এবং উত্তেজনা প্রশমনে রনির বাবা জহর লাল দাসকে রাতে পুলিশী হেফাজতে নেয়া হয়।

পরে জেলা পুলিশের একটি টিম শুক্রবার রাতে ঢাকার থেকে সায়েদাবাদ এলাকা থেকে রনিকে গ্রেপ্তার করে।
এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল হক মৃদুল বলেন, আপত্তিকর পোষ্টদাতা অভিদাস রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সরাইলবাসীকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার অনুরোধ জানান।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, অভি দাস রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি শান্ত আছে। এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
####

মহানবীকে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে সরাইলে যুবক গ্রেপ্তার ॥ বিক্ষোভ মিছিল


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে অগ্নিকান্ডে একটি বসত ঘর এবং ৩টি গরু ভস্মীভূত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মুসলিম পাড়ার টুনু মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

বাড়ির মালিক ক্ষতিগ্রস্থ টুনু মিয়া বলেন, ভোররাতে তিনি হঠাৎ দেখতে পান তার বসত ঘরে আগুন লেগেছে। মুহুর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে সারা ঘরে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই বসত ঘর ও বসত ঘরে পাশে একটি রুমে থাকার তিনটি গরু সম্পূর্ন ভস্মিভূত হয়। তিনি জানান, এতে তার প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

এ ব্যাপারে সরাইল ফায়ার সার্ভিসের ডিউটিম্যান মোঃ কাউছার বলেন, আমরা গিয়ে দেখি সম্পূর্ন ঘর ও তিনটি গরু পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, ধারনা করা হচ্ছে মশার কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত।
এ ব্যাপারে শাহজাদাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম খোকনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
###

সরাইলে অগ্নিকান্ডে বসতঘর ও তিন গরু ভস্মীভূত

আখাউড়া

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাই স্বামী বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক সব সময়ই একটি বিশেষ সম্পর্ক। করোনা মহামারির কারণে দুই দেশ একটি খারাপ সময় পার করছে। এর মধ্যেও ভারত- বাংলাদেশ দু’দেশের সম্পর্ক উন্নত আছে। ভ্যাকসিনের জন্য দুই দেশের সম্পর্কে ভাটা পড়বে না।

তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ভারত থেকে চারদিনের ছুটি কাটিয়ে সড়ক পথে ঢাকায় ফেরার পথে আখাউড়া স্থলবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
এ সময় ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাইস্বামী আরো বলেন, সারা বিশ্বেই ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে। সরবরাহের চেয়ে চাহিদা অনেক বেশি রয়েছে। সবাই কাজ করছে কীভাবে ভ্যাকসিনের প্রাপ্ত্যতা নিশ্চিত করা যায়। বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যাপারে আমরা সাধ্যমত কাজ করছি।

তিনি বলেন, এই মূহুর্তে ভারতে নিজেদের ভ্যাকসিন সংকটে আছে। উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। শীঘ্রই বাংলাদেশে ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে ভারতের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ভারতে থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে। অন্য কোন দেশ তা পায়নি। চুক্তি অনুযায়ী ৭০ লাখ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। বাকী টিকাগুলো ক্রমান্বয়ে সরবরাহ করা হবে। এ সময় তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা দুরাইস্বামী সাথে ছিলেন।

এর আগে বিক্রম দুরাই স্বামী দিল্লি থেকে বিমান যোগে আগরতলা এসে পৌছান। আখাউড়া স্থল বন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর-এ-আলম, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে তিনি সড়ক পথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। গত ১৮ মার্চ আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে দিয়ে ঢাকা থেকে তিনি দিল্লী গিয়েছিলেন।

আখাউড়া স্থলবন্দরে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাই স্বামী

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চলমান লকডাউনের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়া একশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় ফারুকী পার্কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রতি পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ডালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী।
খাদ্য বিতরণকালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এবিএম মশিউজ্জামান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজউদ্দিন জামিসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ২২ টি পরিবারকে পরিবার প্রতি ৪৫০ টাকা হারে দেয়ার জন্য ৬ কোটি ১১ লাখ ১৯ হাজার ৫শ টাকা বরাদ্দ এসেছে। পাশাপাশি জি আর সহায়তা এসেছে মোট ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্থদের সনাক্ত করে সরকারি সহায়তা পৌছে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা সংকটে কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চুরি করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে আখাউড়া উপজেলার খড়মপুর এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে কামরুল ইসলাম-(২০), ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার মৌড়াইল গ্রামের মৃত শিশু মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন-(৩২) ও জেলার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল গ্রামের মৃত লিটন মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া -(২৭)। বুধবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারকৃতরা বিজয়নগর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের ইয়াছিন মিয়ার একটি ইজিবাইক চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। বুধবার তারা ইজিবাইকটি নিয়ে আখাউড়া উপজেলার খড়মপুর বাইপাস এলাকায় আসে। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
এ ব্যাপারে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান ইজিবাইকসহ তিনজনের আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় আটককৃতদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ৩ ইজিবাইক চোর গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য মসজিদে মসজিদে দোয়া করার জন্য ইমামদেরকে অনুরোধ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) এর সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
তিনি শনিবার বিকালে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদের সাথে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, এখন সময় এসেছে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবার। একমাত্র আল্লাহই আমাদেরকে এই বিপদ থেকে পরিত্রাণ দিতে পারেন। আল্লাহই আমাদের ভরসা। আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করতে পারেন, মাফ করতে পারেন।
আমরা নিশ্চয় কারণে অকারনে অন্যায় করেছি। সময় এসেছে আল্লাহর কাছে দু’হাত তুলে প্রার্থনা করে বলি আল্লাহ তুমি আমাদেরকে এই মহামারি থেকে পরিত্রাণ দাও। আল্লাহ আমরা সঠিক ভাবে তোমার পথে চলব। তুমি আমাদেরকে সুযোগ দাও।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, গত বছর ২৫ মার্চ থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা যে ছুটি ঘোষণা করেছিলেন। সে ছুটির কারণে আমরা করোনা মহামারির যে আঘাত সেটা বুঝতে পারি নাই। আমাদের করোনা সংক্রমণের হার ছিল কম। মৃত্যুর হার ছিল কম। জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত দুরদর্শিতার সাথে করোনা ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছেন। ভ্যাকসিন নেওয়া শুরু হলে আমাদের ধারনা হয়েছিলো এ মহমামারি হয়তো পিছনে ফেলে এসেছি। কিন্তু দুঃখের হলেও সত্য আজকে বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ সংক্রমণ রোগী পাওয়া যাচ্ছে এবং আরও দুঃখের বিষয় গত শুক্রবার এক বছর এক মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশী মৃত্যু হার আমরা দেখেছি।

এ সময় আইনমন্ত্রী আলেম-ওলামাদেরকে প্রতিটি ওয়াক্তের নামাজে মসজিদে মসজিদে করোনা মহামারি থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করতে বলেন।


এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম ভূইয়া, পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর-এ-আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক মোঃ জয়নাল আবেদীন, যুগ্ম আহবায়ক মনির হোসেন বাবুল, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মমিন বাবুল, ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাব উদ্দীন শাপলু, জালাল উদ্দীন চেয়ারম্যান, মাওলা আসয়াদ আল হাবিব, মুফতি আসয়াদুজ্জামান, মুফতি কাজী কেফায়েত উল্লাহ মাহমুদী প্রমুখ।

আখাউড়ায় ইমাম ও খতিবদের সাথে ভার্চুয়ালি মত বিনিময়কালে আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবের সময় ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ সরকারি, বে-সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) দীপক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

গতকাল শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি পুড়িয়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভবন, দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন,  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয় সহ  তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ  বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।


পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ তানভীর আজম সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ শাখার উপ-সচিব মোঃ ফারুক হোসেন, পৌরশাখার উপ-সচিব শায়লা ফারজানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পঙ্কজ বড়–য়া, জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অঞ্জন দাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ.বি.এম মশিউজ্জামান প্রমুখ।

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থাপনাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করতে মাননীয় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমাকে পাঠিয়েছেন।  আজ (শনিবার) আমরা পরির্দশনে এসেছি। এর আগে জেলা প্রশাসক, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ থেকে পাঠানো রিপোর্ট আমরা পর্যালোচনা করেছি। আজ সরেজমিনে দেখে যাচ্ছি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব পৌরবাসীকে পূর্নমাত্রায় সেবা দেয়া যায় এই ব্যবস্থা করা হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী হেফাজতের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদ্যপ্রয়াত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ ও বিশিষ্ট ব্যাংকার খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভাসানী চর্চা কেন্দ্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোকসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহমেদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসেন সাঈদ, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রদ্যোৎ নাগ, তেল-গ্যাস- খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির,বাংলাদেশ কৃষক ও খেতমজুর সমিতির জেলা আহবায়ক হাজী আবদুস সোবহান মাখন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা যুব জোটের আহবায়ক সিদ্দিক আহমেদ নাসির, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক সানিউর রহমান সানি প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক আবুল খায়ের ।
শোক সভায় বক্তারা সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মময় জীবনের আলোচনা করতে দিয়ে বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

ব্যাংকার ইব্রাহিম খালেদ সম্পর্কে বক্তারা বলেন, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আজীবন সোচ্চার ছিলেন। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য উচ্চকন্ঠ এ মানুষটিকে বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই ভুলবেনা। সভার শুরুতেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।
###

সৈয়দ আবুল মকসুদ ও খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
দীর্ঘদিন ভারতে নিখোঁজ থাকার পর সমীর কুমার মজুমদার-(৫০) ও শায়েস্তারা বেগম ওরফে শালিনতারা-(৪৫) নামে দুই বাংলাদেশী গতকাল শুক্রবার নিজ দেশে ফিরে এসেছেন। শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে তারা দেশে ফেরেন।
সমীর কুমার মজুমদার ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কুমারপাড়া গ্রামের শশধর মজুমদারের ছেলে এবং শায়েস্তারা বেগম ওরফে শালিনতারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার গুড়িগ্রামের আসমত আলীর কন্যা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার দেলী গ্রামের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। এদের মধ্যে সমীর কুমার মজুমদার প্রায় ৯ বছর এবং শায়েস্তারা বেগম ওরফে শালিনতারা ৫ বছর ধরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় ছিলেন।

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলাস্থ বাংলাদেশ সহকারি হাই কমিশন সূত্রে জানা গেছে ওই দুইজন আগরতলার মডার্ণ সাইক্রিয়াটিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বাংলাদেশের সমাজকর্মী সৈয়দ খায়রুল আলম ওই দুইজনের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করেন। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়।
সমীর কুমার মজুমদারের ছোটভাই অসীম কুমার মজুমদার বলেন, ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন সমীর কুমার। তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন। দেড় বছর আগে জানতে পারেন তাঁর ভাই আগরতলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ভাইকে ফিরে পেয়ে অনেক আনন্দিত বলে জানান তিনি।

মানবাধিকার কর্মী সৈয়দ খায়রুল আলম বলেন, আমি আমার নিজ এলাকার (নড়াইল) একটি মেয়েকে খুঁজতে আগরতলার মডার্ণ সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে যাই। সেখানে গিয়ে সমীর ও শায়েস্তারা ওরফে শালিনতারার খোঁজ পাই।
পরে তাদের ঠিকানা যোগাড় করে স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করি। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে দুই দেশের হাই কমিশন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগীতায় অবশেষে শুক্রবার দুপুরে তাঁদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তাদেরকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।
####

দীর্ঘদিন ভারতে নিখোজের পর আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে দেশে ফিরলেন দুই বাংলাদেশী

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৩ নারী শোনালের তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প। শত বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ের গল্প। তাদের কেউ কেউ শিক্ষার্থী, কেউ আবার গৃহিনী। সংসার ও পড়াশুনার সামলিয়ে তারা নিজেদেরকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকেলে তরুন উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসির উদ্যোগে “ বিজনেস গসিপ” নামের একটি অনলাইল গ্রুপের উদ্যোগে স্থানীয় স্মৃতি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে বসে নারী উদ্যোক্তাদের মিলন মেলা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির।

অনুষ্ঠানে সিজা, পিউ, পিয়া, লিমা, বুশরা, সাবা, নুরুন, মৌসুমি, নিশাত, অথৈ, কাজল, তাহিয়া, শান্তা, অন্তরা, হ্যাপি, অনুরাধাসহ ৩৩ নারী উদ্যোক্তা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে তারা একে অপরের সাথে পরিচিত হন ও তাদের কাজ নিয়ে কথা বলেন ও কিভাবে সকল বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়াই করেছেন সেই গল্প শোনান।
অনুষ্ঠানে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় মিসেস নায়ার কবিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা শাকিলা জাফর জেসি বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আয়োজনটি ছিলো শিক্ষণীয়। এক সাথে খাওয়া-দাওয়া এবং উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পে মুখরিত ছিল পুরো অনুষ্ঠান।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প

ফেসবুকে আমরা..

পুরাতন খবর

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
15161718192021
22232425262728
293031    
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
       
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
252627282930 
       
21222324252627
28293031   
       
      1
9101112131415
30      
   1234
567891011
12131415161718
       
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
24252627282930
       
  12345
       
2930     
       
    123
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
28293031   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
17181920212223
       
  12345
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
14151617181920
28293031   
       
      1
23242526272829
30      
   1234
       
   1234
262728    
       
1234567
293031    
       

বিনোদন ও খেলাধুলা

botv িনউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন আয়োজিত অমর একুশে বই মেলার তৃতীয় দিন ব্রাহ্মনবাড়িয়ার একমাত্র সৃজনশীল সংগঠন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র একক ও বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ ভাষা মঞ্চে হাবিবুর রহমান পারভেজের গ্রন্থনা ও শারমিন সুলতানার নির্দেশনায় একটি বৃন্দ আবৃত্তি – “একুশের বর্ণমালা” পরিবেশন করা হয়।

হয়।আবৃত্তিশিল্পী ইসরাত, আলিফ, ওমর, মিতি, নেহাল, পৃথুলা। একক আবৃত্তি করেন সংগঠনের র্নিবাহী পরিচালক হাবিবুর রহমান পারভেজ। পরিচালনা করেন আবৃত্তিশিল্পী শারমিন সুলতানা।

###

অমর একুশে বই মেলায় আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের আবৃত্তি পরিবেশনা

botvনিউজঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অভাবনীয় উন্নয়নের রূপকার, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং অংকুর- অন্বেষা বিদ্যাপীঠের প্রধান পৃষ্ঠপোষক র.আ.ম.উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তি থেকে শিক্ষার্থীদের দুরে রাখতে খেলাধূলার বিকল্প নেই। খেলাধূলা শিক্ষার্থীদেরকে বিপথে যাওয়া থেকে বিরত রাখে।

পৌর এলাকার পুনিয়াউটে অবস্থিত অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
মাউশির (অবসরপ্রাপ্ত) মহাপরিচালক ও অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকা দরকার। এতে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটবে।

এছাড়াও নিজ পড়ার টেবিলের মতো বাসাবাড়ির পরিবেশটাও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে অন্যদেরকে ও উৎসাহ দিতে হবে। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
বাংলার মাটিতে সন্ত্রাসীদের কোন স্থান নেই, উল্লেখ করে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ রুখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ প্রফেসর মঞ্জুয়ারা বেগম।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের শিক্ষক আলেয়া জাহান তৃপ্তি ও শারমীন সুলতানা। পরে প্রধান অতিথি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত

রাজনীতি ও নির্বাচন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নতুন কমিটি ঘোষনার মাত্র দুই সপ্তাহ পর (১৪ দিন) উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের এক সভায় সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। মঙ্গলবার রাতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক সোহেল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির দৃশ্যমান কোন কার্যকারিতা না থাকায় কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। সেই সাথে আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রত্যক্ষ অংশ গ্রহণের মাধ্যমে বিলুপ্ত ইউনিটের নতুন আহবায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হবে।

উপজেলা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ ২১ সদস্য বিশিষ্ট সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।
কমিটিতে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেত্রী বেবী ইয়াছমিনের ছেলে রিফাত বিন জিয়াকে আহবায়ক, মোঃ আমান উল্লাহকে সদস্য সচিব করা হয়।

রিফাত আওয়ামীলীগ নেত্রীর ছেলে, অছাত্র, নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ও বিবাহিত এবং সদস্য সচিব মোঃ আমান উল্লাহ এলাকায় থাকেন না এবং তিনি আদম ব্যবসায়ী এই অভিযোগ তুলে ঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করে ছাত্রদলের একাংশের নেতা-কর্মীরা।
পরে ঘোষিত ২১ সদস্য কমিটির ১৪ জন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফুজায়েল চৌধুরী তাদের পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রকে নিশ্চিত করলে গত মঙ্গলবার ঘোষিত কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
এ ব্যাপারে ছাত্রদলের সাংগঠনিক টিমের কুমিল্লা বিভাগীয় প্রধান মোঃ জাকির হোসেন সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সাথে পরামর্শ করেই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। বিভিন্ন কারনে এই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
###

নতুন কমিটির ঘোষনার মাত্র ১৪ দিন পর সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

botvনিউজ:

আগামীকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের উপ-নির্বাচন। উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ঐক্যজোটের তিনজন প্রার্থী। এরা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা), জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা এ.কে.এম আশরাফুল হক (মিনার)। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ করেছেন।
আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীমের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে জাপা প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন জাপার কো-চেয়ারম্যান ও সাবেকমন্ত্রী জি.এম. কাদেরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ। পুরো নির্বাচনী এলাকায় বর্তমানে বিরাজ করছে উৎসব আমেজ।
এক সময়ের জাতীয় পার্টির (এরশাদ) দূর্গ হিসেবে পরিচিত নাসিরনগর আসনটি বর্তমানে আওয়ামীলীগের শক্ত ঘাটি হিসেবে পরিচিত। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তিনবার এবং আওয়ামীলীগ প্রার্থী ৫বার বিজয়ী হন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপ-নির্বাচনে মূলত আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যেই এখানে মূল লড়াই হবে। দুই দলের জন্যই ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে বিএনপি সমর্থকদের ভোট। স্থানীয়দের ধারণা বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভোট নির্বাচনের জয় পরাজয়ের নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। যে কারণে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ওইসব ভোটারদের নজর রাখছেন। তাদেরকে ভোটের দিনে কেন্দ্রে আনার জন্য বিশেষ করে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদেরকে তৎপর থাকতে বিভিন্ন পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগে প্রকাশ্য বিরোধ না থাকলেও ভেতরে ভেতরে বিরোধ রয়েছে জানা গেছে। জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে দলের প্রার্থী বিএম ফরহাদ হোসেন সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। যদিও আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলার একাধিক টিম প্রার্থীর পক্ষে প্রচার- প্রচারণা চালিয়েছে।
এদিকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মী না থাকায় ভোটের মাঠে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পিছিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশ্য জাতীয় পার্টির রেজওয়ান আহমেদ একাধিকবার প্রার্থী হওয়ায় ভোটাররা তার প্রতি সহানুভূতি দেখাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, যেহেতু দেশে বর্তমানে ভোটের পরিবেশ নেই, তাই আমাদের দল নির্বাচনে অংশ নেয় নি। আমাদের সমর্থকরা কেউ যদি উৎসাহী হয়ে ভোট দিতে যায় তাহলে তো আমাদের কিছু করার নেই।
এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ক্ষমতাসীন দল যদি কেন্দ্র দখল করে ভোট কারচুপি না করে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে যদি নির্বাচন হয় তাহলে তিনি বিজয়ী হবেন।
এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম বলেন, জনগন উন্নয়ন চায়। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় জনগন নৌকা মার্কাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করবেন বলে তিনি আশা করেন।
উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, ‘সকল বিরোধীদলও যদি এক হয়ে যায় তবু আমাদের প্রার্থীকে হারাতে পারবে না। উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরই জয় হবে। তিনি বলেন, নাসিরনগর ছিল এক সময়ের অবহেলিত জনপদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দেয়া যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেসব বাস্তবায়ন করে নাসিরনগরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। প্রয়াত নেতা ছায়েদুল হক মন্ত্রী থাকাকালে এলাকায় বেশ উন্নয়ন করেছেন।
এ ব্যাপারে জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি বলেন, ‘যুগ যুগ ধরেই আমরা দেখে এসেছি কোনো দল নির্বাচনে না এলে তাদের সমর্থিত ভোটাররা সমমনা দলকে বেছে নেয়। সেই ক্ষেত্রে আমরা বিএনপি’র ভোট পাব বলে আশা করছি। বিএনপি’র অনেক নেতা-কর্মীই আমাদেরকে ফোন করে পাশে থাকার বিষয়ে আশ্বস্থ করেছেন। সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জিতবে বলে আমি আশাবাদী।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের ২৪৩ নং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১- সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৯ জন। এর পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১০ হাজার ৪শ ১০ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ৫শ ৯৯ জন। উপ-নির্বাচনে ৭৪টি ভোট কেন্দ্রের ৩৬৪টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ জন্য ৭৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৬৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭২৮জন পোলিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কর্মকর্তাদেরকই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
এদিকে গত ৮ মার্চ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা নাসিরনগরের উপ-নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃংখলা সভা ও নাসিরনগরে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এসব অনুষ্ঠানে ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে আসনটি শূণ্য হয়। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মারা গেলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে। ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ সালে তিনি এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

লড়াই হবে নৌকা-লাঙ্গলের মধ্যে

                                       ৮ ফেব্রুয়ারি-২০১৮ইং    –  রায়  –   ৫ বছরের জেল

botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৬৩জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার সকাল থেকে  বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আশুগঞ্জ উপজেলার মোঃ মাসুম মিয়া, মোঃ রুস্তম মিয়া, আবুল ইসলাম-(৩৫), আল আমিন-(২৯), লিটন মোল্লা-(৩১), মোঃ সোহবার মিয়া-(৩০), রবি হোসেন-(৩২), মোঃ মিজান-(২৮), রুবেল মিয়া-(২২), আপেল-(২৬), মোঃ জয়নাল মিয়া-(২৮), হারুন মিয়া-(৩২), জয়নাল আবেদীন রাজু-(৩৬), সরাইলের ইসহাক মিয়া-(২৩), মোঃ ইমরান- (৩৬), তাবারক মিয়া-(৩৬), মোবারক মিয়া (২৬), জালাল মিয়া-(৫৫), নাজমুল হোসেন খান রাসেল-(৩৫), নাসিরনগর উপজেলার মীর রুবেল মিয়া-(২৫), রহমত খাঁ-(৩৭), মফিজ মিয়া-(৩৫), ইয়াছিন মিয়া-(২৪), মোঃ জাকারিয়া-(১৯), মনির হোসেন মাঞ্জু-(২৮), রহমত আলম-(২৪), নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিম মিয়া-(৩০), মোঃ রফিক-(২৮), অলিউল্লাহ-(২২), আল আমিন-(২০), মোঃ জালাল মিয়া-(৩৫), সাদ্দাম-(২৫), বেলায়েত হোসেন- (৪২), হাফিজ মিয়া-(৩৫), বাঞ্চারামপুর উপজেলার মোঃ ইব্রাহিম-(২৮), বিজয়নগর উপজেলার ময়দর আলী-(৪৫), মোঃ সোহেল মিয়া-(২২), মোঃ জামাল চৌধুরী-(৪২), কসবা উপজেলার মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), আবু হানিফ মিয়া-(৫০), মোঃ আবুল খায়ের-(৬৫), মোঃ আবুল কালাম-(২৫), মোঃ শাহজাহান মিয়া-(৬৫), আলমগীর হোসেন-(১৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার তারেকুল রহমান ইমন-(৩০), মোঃ হারুনুর রশিদ-(৪১), মোঃ ইউসুফ মিয়া-(৩৫), হান্নান মিয়া, গিয়াস উদ্দিন-(২৬), জসিম উদ্দিন- (২৩), শাফি মিয়া-(২৯), হাবিবুল্লাহ-(১৯), মঞ্জু মিয়া-(৩৫), সুজন মিয়া-(২৫),মোঃ জালাল আহমেদ-(৩৭), জামাল হাসান-(২৪), আলাল উদ্দিন-(৩০), আনিছুর রহমান, ফিরোজ সর্দার-(৩০), সাদেক মিয়া, আক্তার -(৩৮),দিদারুল ইসলাম-(৩৪),

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিআইওয়ান) মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। তারা সবাই গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আসামী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
###

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার ৬৩

 

botv নিউজঃ

দীর্ঘ ৫ বছর পর আগামীকাল ২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ব্রহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন।

সকাল ১০টায় স্থানীয় লোকনাথ উদ্যানে (টেংকের পাড়) অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি থাকবেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এবি তাজুল ইসলাম এমপি, ফয়জুর রহমান বাদল এমপি, অ্যাডভোকেট ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জাকির হোসাইন।

বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আল-আমিন, মোঃ মনির হোসেন প্রমুখ।

দীর্ঘ ৫ বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন

বিজ্ঞপ্তি


গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ০৮ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৩৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে জড়িত আরও০৮ জন গ্রেফতার

গতকাল ২১ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ০৬.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প, কিশোরগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন গঙ্গানগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি হলেন মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৪০),  পিতা-মোঃ ফিরোজ মিয়া,  থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

এসময় ধৃত আসামীদর নিকট হতে ৬২৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার গঙ্গানগর এলাকা থেকে ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করছেে র‌্যাব-১৪

আজ ২১ এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখ আনুমানিক রাত ১২.৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প, কিশোরগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানাধীন সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোলপ্লাজার  ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের ঢাকা গামী লেনের উপর অভিযান পরিচালনা করে ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১. মোঃ সবুজ মিয়া (৩৩), পিতা-আব্দুল বাছেদ মিয়া, সাং-সাহেব নগর, ২। মোঃ সফি উল্লাহ (২৫), পিতা-মৃত লাল মিয়া, সাং-মেজেড় কান্দী, উভয় থানা-রায়পুরা, জেলা-নরসিংদী।

এসময় ধৃত আসামীদ্বয়ের নিকট হতে ইয়াবা, ০১ টি মটরসাইকেল, মাদক বিক্রয়ের নগদ-৭০০০/- টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের টোলপ্লাজা এলাকা থেকে গাঁজা মটরসাইকেল সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করছেে র‌্যাব-১৪

 

গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় আরও ১১ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৩২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরে জড়িত আরও ১১ জন গ্রেফতার