স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখনই সুযোগ পেয়েছেন তখনই মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে চেষ্টা করেছেন। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ও ২০০৮ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন। যে কারণে বাংলাদেশ এখন মর্যাদার আসনে।
তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া ১ হাজার মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। মন্ত্রী ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁনের সভাপতিত্বে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপি আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে এই রোজায় যেন আপনারা কষ্ট না পান সে জন্য প্রধানমন্ত্রী আপনাদের জন্য উপহার পাঠিয়েছেন। আপনারা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন তিনি যেন আমাদেরকে এই মহামারী থেকে রক্ষা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক মোঃ জয়নাল আবেদীন, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ১ হাজার কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সুবিধাভোগীরা খাদ্য সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আখাউড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে। এরই মধ্যেই করোনার ঝুঁকি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দরের ইমিগ্রেশন হয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশী যাত্রী প্রবেশ করেছে। এ অবস্থায় বিষয়টি মনিটরিং করার জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।

পরিদর্শন কালে তিনি আখাউড়া ইমিগ্রেশন অফিস ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালেতিনি ইমিগ্রেশন অফিসের সামনে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বসানো মেডিকেল টিমের সদস্য ও ভারত থেকে আসা রোগীর স্বজন সহ যাত্রীদের সাথে কথা বলেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন আখাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূরে এ আলম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, ইমিগ্রেশন অফিসার আবদুল হামিদ। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবারে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান বলেন, সম্প্রতি সময়ে আখাউড়া স্থল বন্দর হয়ে ভারত থেকে যাত্রী প্রবেশের হার বেড়েছে। এ অবস্থায় ভারত ফেরত যাত্রীদেরকে বর্তমানে জেলার বিজয়নগর উপজেলায় ৫০শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোয়ারেন্টাইন করা হচ্ছে। ভারত থেকে ফেরা নাগরিকদের সংখ্যা যদি বাড়তে থাকে তাহলে পাশের জেলায় কোয়ারেন্টাইনে রাখার চিন্তা ভাবনা চলছে বলে জানান তিনি। তবে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিক ব্যতিত সব ধরনের বাংলাদেশী নাগরিক ভারতে প্রবেশ বন্ধ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার ৬০ জন আজ বৃহস্পতিবার শতাধিক যাত্রী আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন হয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। তারা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে যাত্রী প্রবেশ বেড়েছে


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুটি হত্যা মামলাসহ অর্ধডজনেরও অধিক মামলার আসামী বকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে উপজেলার কাটানিসার গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ এ্যাসল মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গ্রেপ্তারকৃত বকুল ইউপি সদস্য মিজান মিয়ার প্রতিপক্ষের অন্যতম নেতা। তিনি আনোয়ারা হত্যা মামলার প্রথম আসামী। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর গত ২৯ এপ্রিল জামিনে বাড়িতে আসেন। বাড়িতে আসার একদিন পরই ১ মে গভীর রাতে বকুলের নেতৃত্বে হত্যা মামলার বাদী পক্ষের জমির আধা কাঁচা ধান কেটে নিয়ে যায়। এরই জের ধরে বুধবার বিকেলে বকুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সরাইল থানা সূত্র জানায়, বকুল মিয়া শুধু আনোয়ারা হত্যা মামলার প্রধান আসামী নন। তিনি ২০১৫ সালে তার ভাগিনা হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামী (জিআর-৪৬৭/১৫)। এ ছাড়া পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা অস্ত্র মামলারও (জিআর-২০৫/২০) আসামী তিনি। পুলিশ এ্যাসল মামলা, দাঙ্গা ও সংঘর্ষের মামলার আসামীর তালিকায়ও তার নাম রয়েছে।

সরাইলে মামলার আসামী গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবকালে নাশকতা সৃষ্টিকারী দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪ এর ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা।

গতকাল (৫ মে) বেলা ১২:৪৫ ও রাত ৮:৩০ এ পৃথক অভিযান চালিয়ে সদর থানাধীন বিশ্বরোড ও শেরপুর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, এরশাদ মিয়া (৩৩), পিতা-মৃত জিলু মিয়া, সাং-গোকর্ণ, থানা- নাসিরনগর জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও মোঃ সাইফ খান (২৫), পিতা-মোঃ কাওছার খান, সাং-শেরপুর, থানা ও জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

আজ র‌্যাব ভৈরব ক্যাম্প থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৬ মার্চ মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তিতে দেশব্যাপী অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় দুস্কৃতিকারীরা অরাজকতা সৃষ্টি করে ধ্বংসযজ্ঞ এবং নাশকতা চালায়। মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তিতে এই ধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনা পুরো বাঙালি জাতির হৃদয়কে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাংচুরের মাধ্যমে জাতির পিতাসহ সমগ্র বাঙালি জাতিকে অবমূল্যায়ন করে। হামলাকারীর ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয় ও তাদেরকে সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের নাশকতায় র‌্যাবের হাতে দুই যুবক গ্রেপ্তার

ফেসবুকে আমরা..