ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ
বর্তমান যগের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তাদের সাইটে তালেবান সমর্থিত সব ধরণের কন্টেন্ট নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সেই সাাথে তারা গোষ্ঠীটিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবেও বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে  এ বিষয়টি জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুকের তালেবানদের প্রতি সমর্থনমূলক বিষয়বস্তু পর্যবেক্ষণ  এবং অপসারণের জন্য নিবেদিত দল রয়েছে৷ তারা কন্টেন্টগুলো সরানোর কাজ করছে।  ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রেও এ নীতি প্রযোজ্য হবে৷

বিবিসিকে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেন,  তালেবানকে মার্কিন আইনে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সেই সাথে ‘বিপজ্জনক সংস্থা’ নীতির আওতায়ও আমরা আমাদের সব পরিষেবা থেকে তাদেরকে নিষিদ্ধ করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা তালেবানদের পক্ষ থেকে বা তাদের রক্ষণাবেক্ষণ করা অ্যাকাউন্টগুলোকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তাদের প্রশংসা, সমর্থন ও প্রতিনিধিত্বকারী যত লেখা ও ভিডিও কন্টেন্ট আছে সেগুলোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগে দু’দিন যাবত ফেসবুকে আফগানিস্তান বিষয়ে পোস্ট দেওয়ার সাথে সাথে মুছে যাচ্ছে এমন অভিযোগ করা হয়েছিল। যথাযথ উত্তর না পাওয়া গেলেও এমনটি কেন হচ্ছিল তা পরিষ্কার করে দিয়েছে ফেসবুক।

সূত্রঃ মুহূর্ত টিভি 

তালেবানের সব ধরণের কন্টেন্ট ফেসবুক থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা 


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেছেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী হিসেবে ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। সেই গোষ্ঠী ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাণ কেড়ে নিতে গ্রেনেড হামলা চালায়। সেই গোষ্ঠী ২০০৫ সালের ১৭ আগষ্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা করে। এতে প্রমাণিত হয় বিএনপি-জামাত চেয়েছিল বাংলাদেশকে একটি জঙ্গীবাদী রাষ্ট্র, তালেবান রাষ্ট্র হোক।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ্বরোড মোড়ে জেলা আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের কারণে আজকে বাংলাদেশে জঙ্গী নির্মূল হয়েছে। আমাদের রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়েছি। এদেশে হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান সবাই শান্তিতে বসবাস করছে।

অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধরে রাখতে যুবলীগ সবসময় জনগণের পাশে থাকবে। যারা এদেশকে জঙ্গীবাদি তালেবানী রাষ্ট্র বানানোর স্বপ্ন দেখেন আমরা তাদেরকে বলতে চাই, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। এদেশে কোনো জঙ্গীবাদ, তালেবান বাংলার মাটিতে আমরা দাঁড়াতে দেব না।

পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনর রশিদ, মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, কেন্দ্রীয় নেতা মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে দুপুর সোয়া দুইটায় দিকে মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল সিলেটের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ত্যাগ করেন।

কোন জঙ্গীবাদ-তালেবান বাংলার মাটিতে আমরা দাঁড়াতে দেব না


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পল্লী উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনার চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) উদ্যোগে পল্লী ভবনে এই ঋণ বিতরণ করা হয়।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ রাফিউদ্দিন আহমেদ।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান শাওনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সঞ্চলনায় চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ইউসিসিএ লিমিটেডের এডহক কমিটির আহবায়ক ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ মোঃ তারেক, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকার ও ইউসিসিএ লিমিটেড এর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক আকতার হোসেন ভুইয়া।

“এসেছে পল্লীর শুভ দিন, বিআরডিবি দিচ্ছে এসএমই ঋণ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে এই প্রণোদনা ঋণ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলার ৯জন ক্ষতিগ্রস্থ পল্লী উদ্যোক্তার মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনা ঋণের ৯ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক উদ্যোক্তার মধ্যে ১ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

নাসিরনগরে পল্লী উদ্যোক্তাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা ঋণের চেক বিতরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ
বার্সেলোনার সাথে দীর্ঘ একুুশ বছরের পথচলায় নিজের নামের সাাথে জার্সির নম্বরটাও যুক্ত হয়েছিল লিওনেল মেসির। যেটি হয়েছিল একটি ব্র্যান্ড। কিন্তু সেইসব এখন হয়ে গেছে অতীত। লিওনেল মেসি এখন পিএসজি পরিবারের সদস্য এবং  সেইখানে তার জার্সি নম্বর হচ্ছে ৩০। বন্ধু নেইমার তার নিজের থাকা ১০ নম্বর জার্সিটা ছেড়ে দিতে চাইলেও আপত্তি জানান মেসি, নেননি সেই ১০ নম্বর জার্সি। বর্তমানে ১০ নম্বর জার্সি নেইমারের কাছেই আছে। কিন্তু বার্সার সেই ১০ নম্বর জার্সিটার কী হবে এখন?

মেসির ভক্তদের দাবি, প্রিয় এই তারকার জার্সিটা বার্সেলোনা যেন একেবারে অবসরে পাঠিয়ে দেয়। যেমন ইতালির ক্লাব নাপোলি কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনার ১০ নম্বর জার্সিটা অবসরে পাঠিয়েছিল। লিগের নিয়মের কারণে আবারও সেটা ফেরত আনতে হয়েছে। বার্সেলোনাও সেই কারণে মেসির জার্সি অবসরে পাঠাতে পারছে না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে বিখ্যাত এই ১০ নম্বরের জার্সি  কার গায়ে চাপতে যাচ্ছে?

 

এ প্রশ্নের জবাবে ব্রাজিলিয়ান তারকা ফিলিপে কুতিনহোর নাম শোনা যাচ্ছে। অবশ্য এই নম্বরটা পাওয়ার জন্য একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তরুণ ফরোয়ার্ড রেই মানাজের। কিন্তু রবিবার নিবন্ধন শেষে বার্সেলোনা টুইট করে জানিয়েছে, মানাজকে দেওয়া হয়েছে ১৪ নম্বর জার্সিটি। এবং সেটির পর পরই গুঞ্জন শুরু হয়েছে, ১০ নম্বর কি কুতিনহো পাচ্ছেন নাকি অন্য কেউ? কারণ গত মৌসুমে কুতিনহোর জার্সির নম্বর ছিল ১৪৷

লিভারপুলের ১০ নম্বর জার্সি পরতেন বর্তমানে ইনজুরিতে মাঠের বাহির থাকা ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় কুতিনহো। লিওনেল মেসি চলে যাওয়ার পর এখন বার্সেলোনায় প্লেমেকার হিসেবে তার পারফর্ম করার সুযোগ আগের থেকে আরও অনেকটাই বেড়ে গেছে। সেজন্য স্প্যানিশ ফুটবল পত্রিকা ‘মার্কা’ বলছে, ১০ নম্বর জার্সি পেতে যাচ্ছেন কুতিনহোই। অবশ্য ৩১ই আগস্ট পর্যন্ত জার্সি অদল-বদল করার সুযোগ রয়েছে। সেই ক্ষেত্রে কুতিনহো ফেরত পেতে পারেন ১৪ নম্বর জার্সি।

 

মেসির ১০ নাম্বার জার্সির মালিক এখন কুতিনহো


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “অরিক্ষিত” রেল গেইটে ট্রেনের ধাক্কায় মোঃ শাহাব উদ্দিন (৪৫) নামের এক রিকসাযাত্রী নিহত হয়েছেন। রোববার রাতে শহরের টি.এ.রোডের প্রধান রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় রিকসা চালক শাহজাহান মিয়া আহত হন।

নিহত শাহাব উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের জামারবালি গ্রামের মনু মিয়া ছেলে। তিনি পেশায় ফেরিওয়ালা ছিলেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হেফাজতের কর্মসূচী চলাকালে হেফাজত নেতা-কর্মীদের তান্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টি.এ.রোডের প্রধান লেভেল ক্রসিংটি (রেল ক্রসিং) অরক্ষিত অবস্থায় আছে।

রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি রেলক্রসিংটি অতিক্রম করার সময় রিকসাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে রিকশায় থাকা যাত্রী ও রিকসা চালক আহত হন।

আহতদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহাব উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মোঃ মেহেদী হাসান ও রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ সালাউদ্দিন নোমান বলেন, সোনার বাংলা ট্রেনের ধাক্কায় রিকসাযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

রেলগেইটে ট্রেনের ধাক্কায় রিক্সা যাত্রী নিহত

 


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার দুপুরে পৌর এলাকার কাউতলী এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ মোঃ শাহ আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.এস.এম শফিকুল্লাহ প্রমুখ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, একটি বৈষম্যহীন ও শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু। এটাকে তারা পছন্দ করেনি। তাদের যে পরিকল্পনা ছিল সেটি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা ছাড়া সম্ভব ছিল না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা আওয়ামীলীগার মাঠে দাঁড়ায় নি। খুনি মোস্তাক ও তার সহচররা যারা মন্ত্রীসভায় গিয়েছিল সকলেই জোর করে নেয়া হয়নি। এখনো আমরা সেখান থেকে উঠে আসতে পারিনি।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর জিয়া, মোস্তাকরা আমাদের সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে ধর্মান্ধতা, বাঙ্গালীর সংস্কৃতির বিরুদ্ধাচরণ পৌঁছে দিয়েছিল।
আলোচনা সভা শেষে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দর্শনের উপর রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা


স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে জরুরী ভিত্তিতে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম, পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ বেড স্থাপন এবং প্রবাসীদের জন্য বিশেষ টিকাদান কেন্দ্র স্থাপনের দাবিতে সোমবার জেলা প্রশাকসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমিন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ মেহেদী মাহমুদ আকন্দ ওয়ার্কার্স পার্টির স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির স্মারকলিপিতে বলা হয়, করোনা মহামারিতে ৩২লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রধান চিকিৎসালয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম, পিসিআর ল্যাব ও আইসিইউ বেড না থাকায় করোনা রোগীদের চিকিৎসা হচ্ছে। এমনকি মৃত্যুর মিছিল দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে।

পিসিআর ল্যাব না থাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পরীক্ষা করানো সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া দেশের অন্যতম প্রবাসী আধিক্য জেলা হিসেবে বিদেশগমনেচ্ছুদের জন্য জেলার বাইরে গিয়ে করোনা পরীক্ষা করাতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এসব বিবেচনায় জরুরী ভিত্তিতে এসব দাবি পূরণের জন্য স্মারকলিপির মাধ্যমে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে জেলা দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, সদর উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল আমীন, জেলা যুব মৈত্রীর নেতা অ্যাডভোকেট মোঃ বাছির মিয়া প্রমুখ ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ৪দফা দাবিতে জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির স্মারকলিপি প্রদান

ফেসবুকে আমরা..