সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী শহরের ভাদুঘরের হিন্দুপাড়ার রাস্তার পাশ থেকে নবজাতক উদ্ধার পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরলেন ভারতে আটকা পড়া ২৪ বাংলাদেশি আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ ! মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
নোটিশ
২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তার পাশ থেকে এক নবজাতককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১২ নং ওয়ার্ড ভাদুঘর গ্রামের হিন্দুপাড়ার রাস্তার পাশ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে স্থানীয় যুবক আল-আমীনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ওই নবজাতককে উদ্ধার করে। কে বা কারা ওই নবজাতককে রাস্তার পাশে ফেলে যায়। পরে ওই নবজাতককে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আল-আমীন জানান, রাতে রাস্তা দিয়ে বাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে কিছু একটা নড়াছড়া করতে দেখে কাছে গিয়ে দেখি কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় একটি কন্যা শিশু কান্না করছে। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় কাউন্সিলর ও পুলিশকে জানাই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালের শিশু বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। বৈধ অভিভাবক না পাওয়া গেলে প্রশাসন পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ শওকত হোসেন বলেন, বর্তমানে শিশুটিকে হাসপাতালের শিশু বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শিশুটির ঠান্ডা-কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে। যার কারনে শিশুটিকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ২নং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই নূরুল আলম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটির অভিভাবককে এখনো সনাক্ত করা যায়নি। শিশুর পরিবারের খোঁজ পাওয়া গেলে তাকে হস্তান্তর করা হবে। বর্তমানে শিশুটিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
####

শহরের ভাদুঘরের হিন্দুপাড়ার রাস্তার পাশ থেকে নবজাতক উদ্ধার


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

প্রেস‌ বিজ্ঞ‌প্তিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের কুট্টাপাড়া এলাকা থেকে ৪৩ কেজি গাঁজা‘সহ মাদক ব্যবসায়ী সজল মিয়া(৩৮)’কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।

১। “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাব যুব সমাজ তথা বাংলাদেশ’কে মাদকের ভয়াল থাবা, সন্ত্রাস, জঙ্গী, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া, অপহরণ, খুন, ধর্ষণ, অসাধু ডিলার’সহ বিভিন্ন ধরণের অবৈধ কর্মকান্ড থেকে রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশব্যাপী আপোষহীন অবস্থানে থেকে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র নিয়মিত মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানা এলাকা হতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি/খুচরা বিক্রয় করে থাকে। উক্ত তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উক্ত মাদক ব্যবসায়ী চক্রের উপর র‌্যাবের নিরবিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারী চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়। জানা যায় অদ্য ১৮/০৫/২০২০ ইং তারিখ রাতে মাদকদ্রব্য গাঁজার একটি বড় চালান ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাবে। এরই প্রেক্ষিতে ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পরিচালক চন্দন দেবনাথ এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল ১৮/০৫/২০২০ ইং তারিখ অনুমান ২১.৪৫ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানাধীন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুট্টাপাড়া এলাকায় লাল পাম্পের সামনে রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ১। মোঃ সজল মিয়া (৩৮), পিতা-মৃত আব্দুল গফুর, সাং-লাখাই, থানা-কালোক, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি-সাং-আশুগঞ্জ পূর্ব বাজার শরীফ মিয়ার বাসা, থানা- আশুগঞ্জ, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া‘কে আটক করা হয়। আটককৃত আসামীর দখল হইতে (ক) ৪৩ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা, (খ) মাদক বিক্রির নগদ ৭,৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ১২,৯৭,৬০০/- টাকা। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।

রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
সিনিয়র সহকারী পরিচালক
কোম্পানী অধিনায়ক
র‌্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্প।
মোবাঃ ০১৭৭৭৭১১৪৩৩।

৪৩ কেজি গাঁজা‘সহ মাদক ব্যবসায়ী সজল মিয়া(৩৮)’কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ২৪ ঘন্টা কর্মরত সকল চিকিৎসকদের মাসব্যাপী ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস।

ইতোমধ্যে কোম্পানিটির পক্ষে আজ শনিবার থেকে এসব সামগ্রী বিতরণ শুরু করা হয়েছে।

কর্মসূচীর প্রথম দিনে কোম্পানির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন ২৫০-শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শওকত হোসেনের কাছে সামগ্রী তুলে দেন। এছাড়া জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক ফায়েজুর রহমান ও জয়নাল আবেদীনের কাছেও সুরক্ষা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।

 

কোম্পানির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন জানান, প্রতিদিন আট ঘন্টা করে পালাক্রমে তিনজন চিকিৎসক জরুরি বিভাগে সেবা প্রদানে নিয়োজিত থাকেন। করোনাভাইরাসের এই সংকটকালে মাসব্যাপী এসব চিকিৎসকদের প্রতিদিন ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী দিবে কোম্পানি।

চিকিৎসকদেরকে দেয়া সুরক্ষা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- এন-৯৫ মাস্ক, সার্জিকেল মাস্ক, হাতের গ্লাভস, মপ ক্যাপ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সু কাভার।

সুরক্ষা সামগ্রী হাতে পেয়ে ডা. ফায়েজুর রহমান বলেন, ইমার্জেন্সির ডাক্তাররা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। এসব ডাক্তারদের প্রতিদিন ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান সত্যিকার অর্থেই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এমন মহৎ কাজটি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে একমাত্র আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালসই করে যাচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শওকত হোসেন বলেন, এর আগেও আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে কর্মরত সকল চিকিৎসকদের পিপিইসহ যাবতীয় নিরাপত্তা সামগ্রী প্রদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এবার মাসব্যাপী কর্মসূচীর আওতায় প্রতিদিন সামগ্রী দিয়ে কোম্পানিটি বিশেষ মানবিকতার প্রমান দিয়েছে, যা অন্য কোন বেসরকারি ওষুধ উৎপাদনকারি কোম্পানি করেনি।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ শুরুর দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মরত সকল সাংবাদিক ও চিকিৎসকদেরকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী ও ওষুধ প্রদান করেছিল আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিকিৎসকদের মাসব্যাপী সুরক্ষা সামগ্রী দিবে আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

প্রেস‌ বিজ্ঞ‌প্তিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের কুট্টাপাড়া এলাকা থেকে ৪৩ কেজি গাঁজা‘সহ মাদক ব্যবসায়ী সজল মিয়া(৩৮)’কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।

১। “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাব যুব সমাজ তথা বাংলাদেশ’কে মাদকের ভয়াল থাবা, সন্ত্রাস, জঙ্গী, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া, অপহরণ, খুন, ধর্ষণ, অসাধু ডিলার’সহ বিভিন্ন ধরণের অবৈধ কর্মকান্ড থেকে রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশব্যাপী আপোষহীন অবস্থানে থেকে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র নিয়মিত মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানা এলাকা হতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি/খুচরা বিক্রয় করে থাকে। উক্ত তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উক্ত মাদক ব্যবসায়ী চক্রের উপর র‌্যাবের নিরবিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারী চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়। জানা যায় অদ্য ১৮/০৫/২০২০ ইং তারিখ রাতে মাদকদ্রব্য গাঁজার একটি বড় চালান ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাবে। এরই প্রেক্ষিতে ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পরিচালক চন্দন দেবনাথ এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল ১৮/০৫/২০২০ ইং তারিখ অনুমান ২১.৪৫ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানাধীন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুট্টাপাড়া এলাকায় লাল পাম্পের সামনে রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ১। মোঃ সজল মিয়া (৩৮), পিতা-মৃত আব্দুল গফুর, সাং-লাখাই, থানা-কালোক, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি-সাং-আশুগঞ্জ পূর্ব বাজার শরীফ মিয়ার বাসা, থানা- আশুগঞ্জ, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া‘কে আটক করা হয়। আটককৃত আসামীর দখল হইতে (ক) ৪৩ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা, (খ) মাদক বিক্রির নগদ ৭,৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ১২,৯৭,৬০০/- টাকা। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।

রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
সিনিয়র সহকারী পরিচালক
কোম্পানী অধিনায়ক
র‌্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্প।
মোবাঃ ০১৭৭৭৭১১৪৩৩।

৪৩ কেজি গাঁজা‘সহ মাদক ব্যবসায়ী সজল মিয়া(৩৮)’কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।

আশুগঞ্জ

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

কসবা

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

নবীনগর

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

নাসিরনগন

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

বাঞ্ছারামপুর

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

বিজয়নগর

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

সরাইল

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মহীন শতাধিক ব্রাহ্মণ পুরোহিতের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিমন্দির প্রাঙ্গণে চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের মাঝে এইসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করাহয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এতে করে জীবন জীবিকা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। মন্দিরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে। যার কারণে পুরোহিতদেরও অসুবিধা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবদিকেই খোঁজ খবর রাখছেন। তিনি প্রত্যেকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহ সহায়তা নিশ্চিত করেছেন। সমাজের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সে খাদ্য পৌছে দেয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজকে পুরোহিতদের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকতা পঙ্কজ বড়ুয়া, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালি মন্দিরের ট্রাষ্টি কমিটির সভাপতি প্রানতোষ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা,
ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক উজ্জল চক্রবর্তী,
ব্রাহ্মণ পুরোহিত কল্যাণ সংঘের সভাপতি হরিশংকর চক্রবর্তী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক প্রবীর আচার্য সহ ব্রাহ্মণ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

###

চেয়ারে বসিয়ে পুরোহিতদের ত্রান দিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসন

আখাউড়া

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) নিজ সংসদীয় এলাকার আখাউড়াতে মুসলমানদের সহযোগিতায় হিন্দুদের শ্মশান উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম উদাহরণ বলে আখ্যায়িত কয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি।
সোমবার সকালে মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে বলে আখ্যায়িত করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই শ্মশাণে সৎকার করতে না পারার বিষয়টি জেনে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছি। শুরুতেই সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে আলোচনা করেছি। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। আমরা সম্প্রীতি প্রিয় মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে গেছেন। কিন্তু মাঝখানে জিয়া আর বেগম জিয়া সেই সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন। এ সময় জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আছে বলেই সম্প্রীতি দৃঢ় করার কাজগুলো করা সম্ভব হচ্ছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সকলে মিলে শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চয় সারাদেশের মানুষের কাছে একটা ম্যাসেজ হিসেবে যাবে। শুধু এটি নয় হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষায়ও আমি সজাগ আছি। এ বিষয়ে সব ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে উপজেলার রুপি গ্রামের শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আখাউড়ার সর্বস্তরের মানুষ। শ্মশান উদ্ধারের ঘটনায় মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আখাউড়ার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

আখাউড়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, ‘শ্মশান উদ্ধারের ঘটনাটি সারাদেশে একটি নজির হয়ে থাকবে। শ্মশান উদ্ধারে মূলত সেখানকার মুসলমানরাই এগিয়ে এসেছে। ঘটনা জানার পর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়ায় আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতি। এছাড়া আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও ইউএনও’র প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁরা যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে শ্মশানটি উদ্ধারে ভূমিকা নিয়েছেন।
আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, ‘শ্মশাণটির উদ্ধার তৎপরতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহরণ। আমাদের এলাকা আইনমন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা। এখানে কেউ সম্প্রীতি বিনষ্ট করে রক্ষা পাবে না। উদ্ধারের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী মহোয়দয় খুবই খুশি হয়েছেন। মহৎকাজে সহযোগিতাকারিদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।’
যেভাবে উদ্ধারঃ- ৮২ শতাংশের ওই শ্মশাণ উদ্ধারে শুরু থেকে ভূমিকা মুসলমানদের সম্প্রদায়ের মানুষের। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রুটি গ্রামের বেশ কয়েকজন মুসলমান ব্যক্তি শ্মশাণ দখল বিষয়ে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজলকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্র্রদায়ের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন হিন্দুকে নিয়ে মেয়রের কাছে আসেন ও এ বিষয়ে অবগত করেন। এরই মধ্যে সার্বিক বিষয় অবগত করা হয় আইনমন্ত্রীকে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে প্রশাসনিকভাবে উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কাগজপত্র ঘেঁটে জায়গাটি শ্মশাণের নিশ্চিত হওয়ার পর গত রোববার দুপুরে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম সেখানে গিয়ে প্রথমে স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি জায়গার মালিক দাবিকারিদেরকে কাগজ দেখাতে বললে ব্যর্থ হয়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে লাল নিশান টানিয়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশাণের নামে দু’টি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন।
আখাউড়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রসুল আহমেদ নিজামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দৃঢ় হচ্ছে-শ্মশান উদ্ধারে আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে পৌর এলাকার যানযট নিরসন, জনসাধারণকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধকরন এবং ট্রাফিক শৃংখলার উন্নতিকল্পে আজ মঙ্গলবার থেকে ( ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ সেপ্টেম্বর) বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

আজ সকালে “পরিচ্ছন্ন ও যানযটমুক্ত শহর গড়ে তুলি, নিরাপদ নাগরিক জীবন নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে পৌর এলাকার কাউতলী মোড়ে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।

পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, টিআই মীর গোলাম ফারুক, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহজাহান এবং যানবাহন পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার যানযট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে বাঁশি, ছাতা ও হলুদ রঙের অ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়।
####

পৌর এলাকার যানযট নিরসনে বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহ শুরু

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন টিভির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১৫ই আগস্ট রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের শোকসভা অনুষ্ঠানটি হয়।

স্থানীয় শহরের কাচারিপাড় লালবিল্ডিং এ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির আয়োজনে ওই টিভির অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক ও অনলাইন টিভির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী৷

উক্ত শোক সভায় ও দোয়া মাহফিলে আরোও উপস্থিত ছিলেন, জেলা নাগরিক ফোরামের সহসভাপতি আতাউর রহমান শাহিন, সাফিন উদ্দন চৌধুরী রনি, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রতন কান্তি দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দীপক চৌধুরী বাপ্পী ও দৈনিক যায়যায়দিন এর স্টাফ রিপোর্টার মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক যায়যায়কাল এর জেলা প্রতিনিধি ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন ও দৈনিক আমার সময় সদর উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদসহ প্রমূহ।

তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি প্রতিনিধিবৃন্দ ও আররনী সংগঠন এর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি খুনি যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর কারতে হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে যেন বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা যায় তাহলে জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মা শান্তি পাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলবো। আর উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রকৌশলী সমাজ বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে সব সময় রয়েছে। উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠান শেষে মিলাদ মাহফিলে মুনাজাত করেন মাওলানা এরশাদ উল্লাহ নুর। মুনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়।

জাতীয় শোক দিবসের শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তার তালিকায় অনিয়ম থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া জনপ্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় (কসবা-আখাউড়া) সংসদ সদস্য, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার বিকেলে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে হওয়া টেলিকনফারেন্সে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ঢাকার বাসভবন থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন।

টেলিকনফারেন্সে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম ভূঁইয়া, পৌর মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, জেলা পরিষদ সদস্য আতাউর রহমান নাজিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মুরাদ হোসেনসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিরাও মন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করবেন বলে জানান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেলা পৌণে চারটার দিকে মন্ত্রী টেলিফেরারেন্স এ যোগ দেন। প্রায় আধা ঘন্টার আলোচনার তিনি এলাকার মানুষের খোঁজ নেন। করোনা পরিস্থিতি ত্রান বিতরণের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান। এখনো যদি কেউ ত্রান পাওয়ার বাকি থাকে তাহলে তালিকা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ১৮৯৬ জনের যে তালিকা হয়েছে সেটাতে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। সেই সব ত্রুটি বিচ্যুতি দূর করে প্রয়োজনে আবার যাচাই বাছাই করে প্রকৃত গরীবদের তালিকা করার জন্য তিনি নির্দেশ দেন।
করোনাকালীন সময় নিজের সংসদীয় এলাকায় আসতে না পারার বিষয়েও ব্যাখা দেন তিনি। ঢাকায় থেকে রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ করতে হয় বলে নিজের ব্যস্ততার কথা জানান তিনি। এমন পরিস্থিতি এখন থেকে সপ্তাহের প্রতি শনিবার তিনি জন প্রতিনিধিসহ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে টেলিকনফারেন্স করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তায় অনিয়মে আইনমন্ত্রীর ক্ষোভ, প্রয়োজনে আবার তালিকা করার নির্দেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকা পড়া ২৪ জন বাংলাদেশি। গতকাল শনিবার সকাল থেকে দুপুর নাগাদ ২৪ জন বাংলাদেশি নিজ দেশে ফিরে আসেন। তাদের সবাইকে জেলার বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ মোরশেদুল হক।
সংশিষ্ট সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমনরোধে লকডাউন চলায় ভারতের বিভিন্ন স্থানে ওই বাংলাদেশিরা আটকা পড়েছিলেন। পরবর্তীতে তারা আগরতলায় এসে আবারও আটকা পড়েন। আগরতলায় কর্মরত কয়েকজন বিএসএফ সদস্যসহ অন্যান্যরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় গত ৭ জুন থেকে যাত্রী আসাও বন্ধ রাখা হয়।
গতকাল শনিবার সকাল থেকে আবার যাত্রী আসতে দেয়ায় দুপুর নাগাদ ২৪ জন বাংলাদেশি নিজ দেশে ফিরে আসেন।
###

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরলেন ভারতে আটকা পড়া ২৪ বাংলাদেশি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে যাওয়ার দুইদিন পর আবার আইসোলেশনে ফিরে এসেছেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কেফায়েত উল্লাহ-(৩৮)। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বেচ্ছায় তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে আসেন।
পালিয়ে যাওয়া কেফায়েত উল্লাহ জেলার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘না বুঝে’ আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কেফায়েত উল্লাহর বরাত দিয়ে আইসোলেশন সংশ্লিষ্টরা বলেন, না বুঝে আইসোলেশন সেন্টার থেকে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাকে জায়গা দেয়নি। পালিয়ে যাওয়ার পর দুইদিন পার্কে ঘোরাফেরা করেছেন। এ সময়টাতে তিনি সামাজিক দূরত্ব মেনে চলেছেন বলে দাবি করেছেন। বাড়িতে জায়গা না পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি আইসোলেশন সেন্টারে ফিরে এসেছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইনজামামুল হক সিয়াম বলেন, তিনি না বুঝে চলে গিয়েছিলেন। চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায়-কোথায় ছিলেন সেই তথ্য নিয়ে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে আবারো আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার করোনামুক্ত হওয়ায় আইসোলেশন সেন্টার থেকে ৭জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই ৭জনের সাথে চলে যান কেফায়েত উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

###

আইসোলেশনে ফিরেছে পালিয়ে যাওয়া সেই করোনা রোগী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা না দিয়েই পজেটিভ রিপোর্ট আসে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন যে ২৯ জনের করোনাভাইরাস আক্রান্তের রিপোর্ট আসে তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম একজন। বিষয়টি তার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাড়িয়েছে।
তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও গত ৩ জুন তার এক চাচার মাধ্যমে তিনিসহ আরো চারজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে নির্ধারিত ফরম পূরণ করেন।

পরদিন দুপুরে তাদেরকে নমুনা দেয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়। কিন্তু ওইদিন দুপুরে জরুরী কাজে আটকে যাওয়ায় তিনিসহ ওই চারজনের কেউই নমুনা দিতে পারেননি।
গত মঙ্গলবার বিকেলে তার মুঠোফোনে কল করে একজন জানান, জেলায় আসা কোভিড-১৯ পজেটিভ রোগীর নামের সাথে তার নামও রয়েছে। এজন্য তাকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়।
তিনি বলেন, আমার সাথে ফরম পূরণ করা বাকি চারজনের কেউ ফোন পায়নি। শুধু আমাকেই ফোন করে বলা হয়েছে আমি কোভিড-১৯ পজেটিভ। খবরটি শুনে মাথায় বাজ পড়ে। আমিতো নমুনাই দেইনি, তাহলে পজেটিভ হলাম কিভাবে? এজন্য আমাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখী হতে হচ্ছে। তবে খবরটি জানার পর থেকেই আমি ঘরে আলাদাভাবে থাকছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, কী কারণে এমনটি হয়েছে সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি। যারা নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে আছেন তাদেরকে ডেকে এনে এটি ভেরিফাই করার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। যাচাই-বাছাইয়ের আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।

নমুনা না দিয়েই যুবকের করোনা পজেটিভ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি নির্ধারিত মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করার দায়ে ৩৪ মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার দুপুরে পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পৃথক এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত বৈদ্য ও কিশোর কুমার দাসসহ সদর থানার পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমানে আদালতে নেতৃত্ব দেওয়া সদর ইউএনও পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্হ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনগনকে বাব বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা মাস্ক না পরেই বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পৌরশহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল এবং সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধিমেনে না চলার কারণে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ২৫ এর ১(খ) ধারা লংঘনের দায়ে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৩৪ টি মামলায় ৬৮ হাজার ৬ শত ৯০ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

###

মাস্ক ব্যবহার না করায় ৬৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

ফেসবুকে আমরা..

পুরাতন খবর

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
252627282930 
       
21222324252627
28293031   
       
      1
9101112131415
30      
   1234
567891011
12131415161718
       
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
24252627282930
       
  12345
       
2930     
       
    123
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
28293031   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
17181920212223
       
  12345
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
14151617181920
28293031   
       
      1
23242526272829
30      
   1234
       
   1234
262728    
       
1234567
293031    
       

বিনোদন ও খেলাধুলা

botv িনউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন আয়োজিত অমর একুশে বই মেলার তৃতীয় দিন ব্রাহ্মনবাড়িয়ার একমাত্র সৃজনশীল সংগঠন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র একক ও বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ ভাষা মঞ্চে হাবিবুর রহমান পারভেজের গ্রন্থনা ও শারমিন সুলতানার নির্দেশনায় একটি বৃন্দ আবৃত্তি – “একুশের বর্ণমালা” পরিবেশন করা হয়।

হয়।আবৃত্তিশিল্পী ইসরাত, আলিফ, ওমর, মিতি, নেহাল, পৃথুলা। একক আবৃত্তি করেন সংগঠনের র্নিবাহী পরিচালক হাবিবুর রহমান পারভেজ। পরিচালনা করেন আবৃত্তিশিল্পী শারমিন সুলতানা।

###

অমর একুশে বই মেলায় আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের আবৃত্তি পরিবেশনা

botvনিউজঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অভাবনীয় উন্নয়নের রূপকার, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং অংকুর- অন্বেষা বিদ্যাপীঠের প্রধান পৃষ্ঠপোষক র.আ.ম.উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তি থেকে শিক্ষার্থীদের দুরে রাখতে খেলাধূলার বিকল্প নেই। খেলাধূলা শিক্ষার্থীদেরকে বিপথে যাওয়া থেকে বিরত রাখে।

পৌর এলাকার পুনিয়াউটে অবস্থিত অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
মাউশির (অবসরপ্রাপ্ত) মহাপরিচালক ও অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকা দরকার। এতে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটবে।

এছাড়াও নিজ পড়ার টেবিলের মতো বাসাবাড়ির পরিবেশটাও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে অন্যদেরকে ও উৎসাহ দিতে হবে। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
বাংলার মাটিতে সন্ত্রাসীদের কোন স্থান নেই, উল্লেখ করে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ রুখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ প্রফেসর মঞ্জুয়ারা বেগম।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের শিক্ষক আলেয়া জাহান তৃপ্তি ও শারমীন সুলতানা। পরে প্রধান অতিথি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত

রাজনীতি ও নির্বাচন

botvনিউজ:

আগামীকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের উপ-নির্বাচন। উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ঐক্যজোটের তিনজন প্রার্থী। এরা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা), জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা এ.কে.এম আশরাফুল হক (মিনার)। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ করেছেন।
আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীমের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে জাপা প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন জাপার কো-চেয়ারম্যান ও সাবেকমন্ত্রী জি.এম. কাদেরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ। পুরো নির্বাচনী এলাকায় বর্তমানে বিরাজ করছে উৎসব আমেজ।
এক সময়ের জাতীয় পার্টির (এরশাদ) দূর্গ হিসেবে পরিচিত নাসিরনগর আসনটি বর্তমানে আওয়ামীলীগের শক্ত ঘাটি হিসেবে পরিচিত। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তিনবার এবং আওয়ামীলীগ প্রার্থী ৫বার বিজয়ী হন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপ-নির্বাচনে মূলত আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যেই এখানে মূল লড়াই হবে। দুই দলের জন্যই ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে বিএনপি সমর্থকদের ভোট। স্থানীয়দের ধারণা বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভোট নির্বাচনের জয় পরাজয়ের নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। যে কারণে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ওইসব ভোটারদের নজর রাখছেন। তাদেরকে ভোটের দিনে কেন্দ্রে আনার জন্য বিশেষ করে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদেরকে তৎপর থাকতে বিভিন্ন পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগে প্রকাশ্য বিরোধ না থাকলেও ভেতরে ভেতরে বিরোধ রয়েছে জানা গেছে। জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে দলের প্রার্থী বিএম ফরহাদ হোসেন সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। যদিও আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলার একাধিক টিম প্রার্থীর পক্ষে প্রচার- প্রচারণা চালিয়েছে।
এদিকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মী না থাকায় ভোটের মাঠে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পিছিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশ্য জাতীয় পার্টির রেজওয়ান আহমেদ একাধিকবার প্রার্থী হওয়ায় ভোটাররা তার প্রতি সহানুভূতি দেখাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, যেহেতু দেশে বর্তমানে ভোটের পরিবেশ নেই, তাই আমাদের দল নির্বাচনে অংশ নেয় নি। আমাদের সমর্থকরা কেউ যদি উৎসাহী হয়ে ভোট দিতে যায় তাহলে তো আমাদের কিছু করার নেই।
এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ক্ষমতাসীন দল যদি কেন্দ্র দখল করে ভোট কারচুপি না করে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে যদি নির্বাচন হয় তাহলে তিনি বিজয়ী হবেন।
এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম বলেন, জনগন উন্নয়ন চায়। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় জনগন নৌকা মার্কাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করবেন বলে তিনি আশা করেন।
উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, ‘সকল বিরোধীদলও যদি এক হয়ে যায় তবু আমাদের প্রার্থীকে হারাতে পারবে না। উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরই জয় হবে। তিনি বলেন, নাসিরনগর ছিল এক সময়ের অবহেলিত জনপদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দেয়া যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেসব বাস্তবায়ন করে নাসিরনগরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। প্রয়াত নেতা ছায়েদুল হক মন্ত্রী থাকাকালে এলাকায় বেশ উন্নয়ন করেছেন।
এ ব্যাপারে জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি বলেন, ‘যুগ যুগ ধরেই আমরা দেখে এসেছি কোনো দল নির্বাচনে না এলে তাদের সমর্থিত ভোটাররা সমমনা দলকে বেছে নেয়। সেই ক্ষেত্রে আমরা বিএনপি’র ভোট পাব বলে আশা করছি। বিএনপি’র অনেক নেতা-কর্মীই আমাদেরকে ফোন করে পাশে থাকার বিষয়ে আশ্বস্থ করেছেন। সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জিতবে বলে আমি আশাবাদী।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের ২৪৩ নং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১- সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৯ জন। এর পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১০ হাজার ৪শ ১০ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ৫শ ৯৯ জন। উপ-নির্বাচনে ৭৪টি ভোট কেন্দ্রের ৩৬৪টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ জন্য ৭৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৬৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭২৮জন পোলিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কর্মকর্তাদেরকই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
এদিকে গত ৮ মার্চ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা নাসিরনগরের উপ-নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃংখলা সভা ও নাসিরনগরে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এসব অনুষ্ঠানে ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে আসনটি শূণ্য হয়। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মারা গেলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে। ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ সালে তিনি এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

লড়াই হবে নৌকা-লাঙ্গলের মধ্যে

                                       ৮ ফেব্রুয়ারি-২০১৮ইং    –  রায়  –   ৫ বছরের জেল

botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৬৩জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার সকাল থেকে  বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আশুগঞ্জ উপজেলার মোঃ মাসুম মিয়া, মোঃ রুস্তম মিয়া, আবুল ইসলাম-(৩৫), আল আমিন-(২৯), লিটন মোল্লা-(৩১), মোঃ সোহবার মিয়া-(৩০), রবি হোসেন-(৩২), মোঃ মিজান-(২৮), রুবেল মিয়া-(২২), আপেল-(২৬), মোঃ জয়নাল মিয়া-(২৮), হারুন মিয়া-(৩২), জয়নাল আবেদীন রাজু-(৩৬), সরাইলের ইসহাক মিয়া-(২৩), মোঃ ইমরান- (৩৬), তাবারক মিয়া-(৩৬), মোবারক মিয়া (২৬), জালাল মিয়া-(৫৫), নাজমুল হোসেন খান রাসেল-(৩৫), নাসিরনগর উপজেলার মীর রুবেল মিয়া-(২৫), রহমত খাঁ-(৩৭), মফিজ মিয়া-(৩৫), ইয়াছিন মিয়া-(২৪), মোঃ জাকারিয়া-(১৯), মনির হোসেন মাঞ্জু-(২৮), রহমত আলম-(২৪), নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিম মিয়া-(৩০), মোঃ রফিক-(২৮), অলিউল্লাহ-(২২), আল আমিন-(২০), মোঃ জালাল মিয়া-(৩৫), সাদ্দাম-(২৫), বেলায়েত হোসেন- (৪২), হাফিজ মিয়া-(৩৫), বাঞ্চারামপুর উপজেলার মোঃ ইব্রাহিম-(২৮), বিজয়নগর উপজেলার ময়দর আলী-(৪৫), মোঃ সোহেল মিয়া-(২২), মোঃ জামাল চৌধুরী-(৪২), কসবা উপজেলার মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), আবু হানিফ মিয়া-(৫০), মোঃ আবুল খায়ের-(৬৫), মোঃ আবুল কালাম-(২৫), মোঃ শাহজাহান মিয়া-(৬৫), আলমগীর হোসেন-(১৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার তারেকুল রহমান ইমন-(৩০), মোঃ হারুনুর রশিদ-(৪১), মোঃ ইউসুফ মিয়া-(৩৫), হান্নান মিয়া, গিয়াস উদ্দিন-(২৬), জসিম উদ্দিন- (২৩), শাফি মিয়া-(২৯), হাবিবুল্লাহ-(১৯), মঞ্জু মিয়া-(৩৫), সুজন মিয়া-(২৫),মোঃ জালাল আহমেদ-(৩৭), জামাল হাসান-(২৪), আলাল উদ্দিন-(৩০), আনিছুর রহমান, ফিরোজ সর্দার-(৩০), সাদেক মিয়া, আক্তার -(৩৮),দিদারুল ইসলাম-(৩৪),

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিআইওয়ান) মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। তারা সবাই গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আসামী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
###

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার ৬৩

 

botv নিউজঃ

দীর্ঘ ৫ বছর পর আগামীকাল ২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ব্রহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন।

সকাল ১০টায় স্থানীয় লোকনাথ উদ্যানে (টেংকের পাড়) অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি থাকবেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এবি তাজুল ইসলাম এমপি, ফয়জুর রহমান বাদল এমপি, অ্যাডভোকেট ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জাকির হোসাইন।

বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আল-আমিন, মোঃ মনির হোসেন প্রমুখ।

দীর্ঘ ৫ বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন

 

যখন-তখন, যেখানে-সেখানে, এখুনি সার্বসক্রাইব করুন,ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সাথে রাখুন।

সময়-অসময়-সুসময়ের দাবী,ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি

বিজ্ঞপ্তি

প্রেস রিলিজ
ডিবি পুলিশ কর্তৃক ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের
নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন,
পিপিএম-সেবা (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে
৩১/০৫/২০২০ ইং তারিখ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা শাখার, অফিসার ইনচার্জ
জনাব আমিনুর রশিদ এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)’র একটি টিম গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন কসবা পৌরসভাস্থ
টিআলী বাড়ীর মোড়ের দক্ষিণ পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর হইতে রাত্র ২২.৩৫
ঘটিকার সময় ১০০ (একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আসামী ১। মোঃ হাসেন মিয়া
(৩৮) পিতা-মৃত হেকিম, ২। মোঃ শাহাব উদ্দিন (২৩) পিতা-মিলন মিয়া, উভয়
সাং-শাহপুর (পূর্বপাড়া) ওয়ার্ড নং-০২, কসবা, পৌরসভা, থানা-কসবা,
জেলা-ব্রাহ্মষণবাড়িয়াদ্বয়কে কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে কসবা থানায় প্রচলিত ধারায় মামলা রুজু করা হইয়াছে।

১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

প্রেস‌ বিজ্ঞ‌প্তিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের কুট্টাপাড়া এলাকা থেকে ৪৩ কেজি গাঁজা‘সহ মাদক ব্যবসায়ী সজল মিয়া(৩৮)’কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।

১। “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাব যুব সমাজ তথা বাংলাদেশ’কে মাদকের ভয়াল থাবা, সন্ত্রাস, জঙ্গী, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া, অপহরণ, খুন, ধর্ষণ, অসাধু ডিলার’সহ বিভিন্ন ধরণের অবৈধ কর্মকান্ড থেকে রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশব্যাপী আপোষহীন অবস্থানে থেকে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র নিয়মিত মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানা এলাকা হতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি/খুচরা বিক্রয় করে থাকে। উক্ত তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উক্ত মাদক ব্যবসায়ী চক্রের উপর র‌্যাবের নিরবিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারী চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়। জানা যায় অদ্য ১৮/০৫/২০২০ ইং তারিখ রাতে মাদকদ্রব্য গাঁজার একটি বড় চালান ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাবে। এরই প্রেক্ষিতে ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পরিচালক চন্দন দেবনাথ এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল ১৮/০৫/২০২০ ইং তারিখ অনুমান ২১.৪৫ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানাধীন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুট্টাপাড়া এলাকায় লাল পাম্পের সামনে রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ১। মোঃ সজল মিয়া (৩৮), পিতা-মৃত আব্দুল গফুর, সাং-লাখাই, থানা-কালোক, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি-সাং-আশুগঞ্জ পূর্ব বাজার শরীফ মিয়ার বাসা, থানা- আশুগঞ্জ, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া‘কে আটক করা হয়। আটককৃত আসামীর দখল হইতে (ক) ৪৩ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা, (খ) মাদক বিক্রির নগদ ৭,৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ১২,৯৭,৬০০/- টাকা। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।

রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
সিনিয়র সহকারী পরিচালক
কোম্পানী অধিনায়ক
র‌্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্প।
মোবাঃ ০১৭৭৭৭১১৪৩৩।

৪৩ কেজি গাঁজা‘সহ মাদক ব্যবসায়ী সজল মিয়া(৩৮)’কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।

  • সংবাদ বিজ্ঞপ্ত‌ি ঃ

নবীনগর থানাধীন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান ও সাবেক মেম্বার আবু মিয়া এবং কাউছার মোল্লা ও সাবেক মেম্বার মোছলেম উদ্দিনগং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ১২/০৪/২০২০খ্রিঃ সকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামায় লিপ্ত হয়। সংবাদ পেয়ে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামায় লিপ্ত লোকজনদের নিবৃত্ত ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে। উভয় পক্ষের উচ্ছৃঙ্খল লোকজন দাঙ্গা-হাঙ্গামা হতে বিরত না হয়ে তিনটি গ্রামে ব্যাপক এলাকাজুুড়ে প্রতিপক্ষের উপর আক্রমন অব্যাহত রাখে এবং বাড়ি ঘরে আক্রমনসহ অগ্নিসংযোগ করে।

পুলিশ সরকারি জানমাল ও জনগনের জানমাল রক্ষার্থে শর্টগান ও গ্যাসগান নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। দাঙ্গা-হাঙ্গামা চলাকালে কাউছার মোল্লা গ্রুপের লোকজন জিল্লুর রহমান চেয়ারম্যান গ্রুপের জনৈক মোবারক হোসেন (৪৫) পিতা-মধু মিয়া, সাং-উত্তর লক্ষীপুর, থানা-নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর বাম পায়ের গোড়ালি হতে নীচের অংশটুকু কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং উভয় পক্ষের ৪০ জন সাধারণ ও গুরুতর জখম প্রাপ্ত হয়। উক্ত ঘটনায় নবীনগর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয় এবং মামলার মূল আসামী

১। আবু কাউছার মোল্লা (৪৯), পিতা-মৃত ফিরোজ মিয়া, সাং-থানাকান্দি

২। জিল্লুর চেয়ারম্যান (৫১) পিতা-মৃত গোলাম মস্তু বেপারী, সাং-থানাকান্দি, উভয় থানা-নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়াদ্বয়সহ ৪৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

অদ্য ১৫/০৪/২০২০খ্রিঃ তারিখ দুপুর ১৩.০০ ঘটিকায় জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, পুলিশ সুপার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জনাব মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন,
পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) (পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার), ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জনাব মোঃ মকবুল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার, নবীনগর সার্কেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পুলিশ পরিদর্শক(নিরস্ত্র) জনাব মোঃ ইমতিয়াজ আহম্মেদ পিপিএম, ডিআইও-১, জেলা বিশেষ শাখা, অফিসার ইনচার্জ নবীনগর থানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান মারামারির ঘটনায় ভিকটিম মৃত মোবারক হোসেন (৪৫) এর স্ত্রী সাজিয়া বেগম ও ছেলে রবিউল হোসেনের সাথে কথা বলেন এবং তিনি বলেন ইতিমধ্যে ঘটনার সহিত জড়িত ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সহিত
জড়িত অন্যান্য অপরাধীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে। প্রত্যেক অপরাধীকে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা
হবে মর্মে আশ্বাস প্রদান করেন।

নবীনগর মারামারি ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা পুলিশ সুপার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান মিথুন (মিথুন মাহফুজ) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতীয় সাংবাদিক ক্লাব। জাতীয় সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি কাজী জহির উদ্দিন তিতাস সাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান মিথুন (মিথুন মাহফুজ) এর মৃত্যুতে জাতীয় সাংবাদিক ক্লাব গভীর শোকাহত।
বিবৃতিদাতারা হলেন- জাতীয় সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি কাজী জহির উদ্দিন তিতাস, সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম জোমাদ্দার মিলন, সহ সভাপতি মোঃ হাসান আলী রেজা দোজা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকলিমা আক্তার শিউলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আল মাহমুদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বি. এম. সাগর প্রমুখ।
বিবৃতিদাতারা মরহুমের বিদেহী  আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান মিথুন’র মৃত্যুতে জাতীয় সাংবাদিক ক্লাবের শোক