সংবাদ শিরোনাম :
শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৯১ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত
নোটিশ
২৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:১৪ অপরাহ্ন

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ডাক বাংলো এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বিজয়নগর উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রায় মোহন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সঞ্জয় রায় পোদ্দার, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা বিল¬াল মিয়া, দুলাল মিয়া, আবুল কালাম, সন্তোস মোহন ঋষি, আলি আকাশ, অপূর্ব দেব প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হেফাজতে ইসলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ভুলন্ঠিত করতে সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত বাস্তবায়নের পুরানো খেলায় উঠেছে। প্রকৃত অর্থে তারা পাকিস্তানি শাসক চক্রের ন্যায় ধর্মকে ব্যবহার করে দেশে আবারো পাকিস্তানি ভাবাদর্শ প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র করছে। এরা কৌশলে ভাস্কর্যের বিরোধিতা করলেও, এদের অবস্থান বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে।

বক্তারা আরো বলেন, বাঙালির চেতনায় সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বাঙালির অন্তরে চির দীপ্যমান এক মহান ব্যক্তি। বক্তারা অবিলম্বে^ ৭২এর সংবিধান পুনঃ প্রতিষ্ঠা করে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান।

বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

আশুগঞ্জ

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

কসবা

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

নবীনগর

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

নাসিরনগন

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

বাঞ্ছারামপুর

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এস.এস.সি-৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের দিনব্যাপী মিলন মেলা গত শুক্রবার রাতে শেষ হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী মিলন মেলায় পিঠা উৎসব, র‌্যাফেল ড্র ও পুরষ্কার বিতরণ ও ৯১ ব্যাচের একটি ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়। শুক্রবার সকাল ১০টায় মিলন মেলা উদ্বোধন করেন মেলা উদযাপন কমিটির আহবায়ক ক্যাপ্টেন জয়নাল আবেদীন।

কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ শেষে ৯১ সালের বন্ধুদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। পরে দোয়া পরিচালনা করেন ৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও মেড্ডা সিও অফিস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিন।
কেক কাটায় অংশ নেন ৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থী নূর মাসুদা দিনা, হামিদা বেগম, ইয়াসমিন আক্তার বিনা, সুফিয়া সম্পা ও তাসলিমা বেগম।
২৯ বছর পর সবাই একসাথে মিলিত হতে পেরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন ও নিজ নিজ পরিচয় দেন। পরে ৯১এর ব্যাচের বন্ধুদের মধ্যে কানেক্টিভিটি রাখতে একটি ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়।
মধ্যাহ্ন ভোজের পর স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ, বিনোদন পর্ব ও র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১০জন শিক্ষার্থীকে পুরষ্কার দেয়া হয়। রাত ৯টায় শেষ হয় মিলন মেলা।
মিলন মেলায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মরত ৯১ এর ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যোগ দেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৯১ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত

বিজয়নগর

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ডাক বাংলো এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বিজয়নগর উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রায় মোহন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সঞ্জয় রায় পোদ্দার, জেলা ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা বিল¬াল মিয়া, দুলাল মিয়া, আবুল কালাম, সন্তোস মোহন ঋষি, আলি আকাশ, অপূর্ব দেব প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হেফাজতে ইসলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ভুলন্ঠিত করতে সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত বাস্তবায়নের পুরানো খেলায় উঠেছে। প্রকৃত অর্থে তারা পাকিস্তানি শাসক চক্রের ন্যায় ধর্মকে ব্যবহার করে দেশে আবারো পাকিস্তানি ভাবাদর্শ প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র করছে। এরা কৌশলে ভাস্কর্যের বিরোধিতা করলেও, এদের অবস্থান বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে।

বক্তারা আরো বলেন, বাঙালির চেতনায় সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বাঙালির অন্তরে চির দীপ্যমান এক মহান ব্যক্তি। বক্তারা অবিলম্বে^ ৭২এর সংবিধান পুনঃ প্রতিষ্ঠা করে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান।

বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

সরাইল

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

আখাউড়া

সোমবার(১৮ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা মঞ্চে কেক কেটে এশিয়ান টেলিভিশনের অষ্টম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন জেলা আওয়ামিলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার। এ সময় এশিয়ান টেলিভিশনের পথচলায় সবসময় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাধারণ সম্পাদক।

জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্তের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মতিন শিপনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিজ উদ্দিন।

এসময় সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অম্রিত লাল সাহা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি, গীতিকার ও সুরকার কবি দেওয়ান মারুফ, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সজিব, জেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি পীযুষ কান্তি আর্চায্য, জেলা নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল-আমীন শাহীন, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, গণিজন সংবর্ধনা পরিষদের সভাপতি আব্দুল বাসেদ, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার, সময় টিভির ব্যুরো চিপ উজ্জ্বল চক্রবর্তী, দৈনিক যায়যায়দিন স্টাফ রিপোর্টার বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কালেরকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী,

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ্, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মেহেদী হাসান লেলিন, রেদোয়ান আনসারি রিমু ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার রনি চৌধুরী, সুহিলপুর কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান মুস্তাফিজুর রহমান শিরু, বিশিষ্ট শিল্পপতি বাবুল চৌধুরী, যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ, জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি আজিজুর রহমান সঞ্চয়, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, ডেইলি ট্রাইবুনালের জেলা প্রতিনিধি ইফতেখার রিফাত, লাখোকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলী বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি চয়ন বিশ্বাস ও রাইজিং বিডির জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন রুবেল, স্বাধিকারের সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ, দৈনিক আমার সময় উপজেলা প্রতিনিধি সুমন আহমেদ ও দৈনিক যায়যায় কালের স্টাফ রিপোর্টার মো. আজহার উদ্দিন প্রমূহ।

উক্ত কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এশিয়ান টিভির দর্শক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফয়েজসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিভিন্ন রাজতৈনিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, আইনজীবি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছ বিনিময় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

botve news:

১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এশিয়ান টিভির (জুবলি রোড মধ্যপাড়া) অফিসে এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজের সভাপতিত্বে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

এশিয়ান টিভি ৮ম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নতুন কমিটি করা হয়। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ছাত্রনেতা এড: জাহাঙ্গীর হোসেনকে সভাপতি ও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: ফাইজুর রহমান ফয়েজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, হেলাল উদ্দিন হৃদয়, বাছির দুলাল, ইমতিয়াজ পলাশ, নির্জয় হাসান সোহেল, নাগর হান্নান, আতিকুল ইসলাম, নাঈমুর রহমান, সাইমুন কায়সার, রুকন আমীন খান মিশু, আব্দুর রহিম শুভ, সুমন খান, আল আমীন খান, জাহিদ মন্জুর আমান, আফজাল হোসেন, কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল, রায়হান উল্লাহ রুহুল, সফিকুল হক শাকিল, নুরুল আমীন নুরু, সুমন আহমেদ, হেলাল আহমেদ, আব্দুলাহ আল মামুন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল জুম্মান, রোমান আহমেদ, রাজিব হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল আজিজ সোহেল, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, হারুন মোল্লা, সাজু আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল-মনির, আনিসুর রহমান রনি অশেষ রায়, জয়নাল আবেদীন, কাজী আল আমীন, আমিন খান, নজরুল ইসলাম, জাকারিয়া হায়দার, মনিরুল ইসলাম শ্রাবন, শেখ রাসেল, ইঞ্জি: আজহার উদ্দিন, আসাদুজ্জান আসাদ, তাজুল ইসলাম শিপন, তমাল আহদেম, ইয়াসীন চৌধুরী, ইমরান মিয়া, আশিকুর রহমান পিয়াস, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, সাইমুন উবায়েদ, ফাহিম মুনতাসির।

সভায় আগামী ১৮ জানুয়ারি সোমবার দেশের প্রথম HD স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির ৮ম বর্ষপূতি উপলক্ষে স্হানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পযর্ন্ত নাচ, গান, আবৃত্তি, কেকেকাটা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে সবর্শেষ প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরামের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। এতে সকল সদস্যসহ আগ্রহীদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিনিত অনুরোধ করেছেন এশিয়ান টিভির স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পারভেজ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এশিয়ান টিভি দর্শক ফোরাম: সভাপতি জাহাঙ্গীর ও সম্পাদক ফয়েজ।।

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

botv news:

চার বছরেও পূরণ হয়নি বিজয়নগর উপজেলার সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। ২০১৬ সাল থেকে  কুখ্যাত  রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নাম পরিবর্তন করে একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে খাদুরাইল সড়কটির নামকরন করার জন্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়।

বাধ্য হয়ে এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার চম্পকনগর বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবনের   সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বিজয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সার্জেন্ট (অবঃ) তারা মিয়া, সাবেক কমান্ডার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুর রহমান ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমেদ, চম্পকনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নোবেল চৌধুরী প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে “রাজাকার দেলোয়ার হোসেন”এর নাম বাদ দিয়ে খাদুরাইল সড়কটি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে উপজেলার অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে অগ্নি সংযোগ লুটপাট করা হয়েছিল।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানায় দালাল আইনে মামলা করা হয়।  ওই মামলায় রাজাকার দেলোয়ার হোসেন ৩ মাস ১০ দিন কারাবাস করেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আবার মাথাচারা দেয় কুখ্যাত রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের পেতাত্বরা।  উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের  খাদুরাইল গ্রামের সড়কটি “রাজাকার দেলোয়ার হোসেনের নামে নামকরণ করা হয়।

২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের বরাবর এই নাম পরিবর্তনের আবেদন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বাস্তবায়ন না করায় এই বিজয়ের মাসে মাঠে নেমেছে উপজেলার সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধারা।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রশাসক মোঃ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি এই উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

চার বছরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

boTv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের অর্ন্তভুক্ত দল সমূহের উদ্যোগে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের মুক্ত মঞ্চে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল বিকাল ৪টায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমার পারভেজের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বিজয় আবৃত্তি উদ্ধোধন করেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দীকি,জেলা শিল্পকলার সাধারণ সম্পাদক এস আর এম ওসমান গণী সজীব, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মীলন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মান বর্ধন পাল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলম,  জেলা উদিচি”র সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম সোপান,  সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এড: লোকমান হোসেন, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল, আবৃত্তিশিল্পী বাছির দুলাল।

অনুষ্ঠানে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, প্রবর্তক আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র, তিতাস আবৃত্তি সংগঠন, ভাষা ও সাহিত্য অনুশীলন কেন্দ্র।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন সোনালী সকালের ফাহিম মুনতাসির প্রবর্তকের নির্জয় হাসান সোহেল, আ ব র নি”র শারমিন সুলতানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবৃত্তি একাডেমি”র মনিরুজ্জাম ভূইয়া ‍শিপু।

পরে কবির কলমের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসের বিশেষ ক্রোড়পত্র ”মুক্ত ডানায় বিজয়ের কাব্য”এর  মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবসে বিজয় আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বে সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে আমাদের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো এবং পরোক্ষভাবে পাকিস্তানীদের সহযোগীতা ও সমর্থন করেছিলো তাদের সন্তানেরা, দালালদের সন্তানেরা আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে।
তিনি গতকাল রোববার বিকেলে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমাদের কোনো সহযোগিতা পাইনি। তারপর আল¬াহর রহমতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে পেরেছি। আগামীদিনেও তোমাদের সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাবো। তোমাদের সাহায্যের কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের আল্লাহর  সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তোমরা তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে হানাদার বাহিনীকে নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করেছিলে। সেই কথা আমরা এখনো ভুলিনি। সুতরাং আস্ফালন করবা না। আস্ফালন করলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে কোন আপোষ করা হবেনা।
এর আগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোকতাদির চৌধুরী এমপি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগীদের নেতা-কর্মীদের এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্থানীয় লোকনাথ উদ্যান (টেংকের পাড়) গিয়ে শেষ হয়।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আস্ফালন করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে

botv news:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে কে হবে দলীয় প্রার্থী তা নিয়ে (৫ডিসেম্বর শনিবার) ছিল  তৃনমুল নেতাকর্মীদের মত প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ভোট।

বাংলাদেশ আওয়মীলীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগের পূর্বঘোষিত তারিখ ছিল। এজন্য জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত দিনটি ছিল সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের পদভরে উত্তাল।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ) এই তিন ইউনিটের ৩০ জন নেতাকর্মী ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও মেয়র পদে জেলার বড় নেতা থেকে শুরু করে পাতিনেতাদের ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করায় উপরের তিনটি ইউনিট থেকে ১০০ জন নেতাকর্মীর ব্যালটের মাধ্যমে মতামত নেওয়া হয়।

তবে শুরুতে মুড়ির মোওয়ার মতো ২৫ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাদের মধ্যে ২০ জন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তৃনমুলের রায়ের মুখোমুখি হয় মাত্র ১৬ জন। আর আলোচনায় আসেন মাত্র ৫ জন।

সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয়, বর্তমান মেয়র নায়ার কবিরের অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছেন যৌথ ভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম খোকন ও পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম। তারপরের অবস্থান জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র মো: হেলাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক ভূইয়া।

এই ৫ জন থেকে ৩ জনের নাম যাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দপ্তরে সেখান থেকে ১ জনের হাতে দিবে নৌকার বৈঠা, যিনি হবেন আসন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি।

৫ জন থেকে ৩ জন করার কাজটি করবেন (জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌরসভা আওয়ামীলীগ) এই তিনটি ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে ৬ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি।

রোববার রাতে এই কমিটির বৈঠক বসবে বলে তিনি জানান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আরো বলেন- প্রার্থী বাছাই-এ তৃনমুলের মতামতের বাইরেও ব্যাক্তিগত জনপ্রিয়তা, সততা এবং যোগ্যতার বিষয় মুল্যায়ন করা হবে।

 

কে হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচনে নৌকার মাঝি ?

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিশের গতকাল শনিবারের পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দেননি হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ পুলিশী বাঁধার কারনে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে পারেন নি। এনিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী গত কয়েক মাস আগে মারা যান।
গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারী স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে খেলাফত মজলিশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি থাকার কথা ছিলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা ইসলাম নূরপূরী ও বিশেষ অতিথি থাকার কথা ছিলো হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল সফল করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে শহরের প্রচারপত্র ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
গতকাল শনিবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলেও আলোচনা সভায় উপস্থিত হননি মাওলানা ইসমাইল নূরপূরী ও মাওলানা মামুনুল হক।
খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল আজিজ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম জালালী। বক্তব্য রাখেন হেফাজত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী প্রমুখ।
এদিকে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসতে দেয়া হয়নি এই অভিযোগ তুলে সমাবেশ শেষে খেলাফত মজলিশ ও হেফাজত নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, মঠের গোড়া ও ঘোড়াপট্টি ব্রীজ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। এসময় তারা সরকার বিরোধী শে¬াগান দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে খেলাফত মজলিশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মঈনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে পুলিশ তাকে আটকে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মাওলানা মামুনুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসেন নি। তাকে কেউ আটকে দিয়েছেন কিনা এই তথ্য আমাদের জানা নেই।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশে আসেননি হেফাজত নেতা মামুনুল হক

ফেসবুকে আমরা..

পুরাতন খবর

MonTueWedThuFriSatSun
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30      
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930     
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
252627282930 
       
21222324252627
28293031   
       
      1
9101112131415
30      
   1234
567891011
12131415161718
       
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
24252627282930
       
  12345
       
2930     
       
    123
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
28293031   
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031    
       
     12
3456789
17181920212223
       
  12345
13141516171819
20212223242526
2728293031  
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930 
       
 123456
14151617181920
28293031   
       
      1
23242526272829
30      
   1234
       
   1234
262728    
       
1234567
293031    
       

বিনোদন ও খেলাধুলা

botv িনউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন আয়োজিত অমর একুশে বই মেলার তৃতীয় দিন ব্রাহ্মনবাড়িয়ার একমাত্র সৃজনশীল সংগঠন আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র একক ও বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ ভাষা মঞ্চে হাবিবুর রহমান পারভেজের গ্রন্থনা ও শারমিন সুলতানার নির্দেশনায় একটি বৃন্দ আবৃত্তি – “একুশের বর্ণমালা” পরিবেশন করা হয়।

হয়।আবৃত্তিশিল্পী ইসরাত, আলিফ, ওমর, মিতি, নেহাল, পৃথুলা। একক আবৃত্তি করেন সংগঠনের র্নিবাহী পরিচালক হাবিবুর রহমান পারভেজ। পরিচালনা করেন আবৃত্তিশিল্পী শারমিন সুলতানা।

###

অমর একুশে বই মেলায় আ ব র নি আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের আবৃত্তি পরিবেশনা

botvনিউজঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অভাবনীয় উন্নয়নের রূপকার, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং অংকুর- অন্বেষা বিদ্যাপীঠের প্রধান পৃষ্ঠপোষক র.আ.ম.উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তি থেকে শিক্ষার্থীদের দুরে রাখতে খেলাধূলার বিকল্প নেই। খেলাধূলা শিক্ষার্থীদেরকে বিপথে যাওয়া থেকে বিরত রাখে।

পৌর এলাকার পুনিয়াউটে অবস্থিত অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
মাউশির (অবসরপ্রাপ্ত) মহাপরিচালক ও অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকা দরকার। এতে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটবে।

এছাড়াও নিজ পড়ার টেবিলের মতো বাসাবাড়ির পরিবেশটাও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে অন্যদেরকে ও উৎসাহ দিতে হবে। তিনি বলেন বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
বাংলার মাটিতে সন্ত্রাসীদের কোন স্থান নেই, উল্লেখ করে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ রুখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ প্রফেসর মঞ্জুয়ারা বেগম।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের শিক্ষক আলেয়া জাহান তৃপ্তি ও শারমীন সুলতানা। পরে প্রধান অতিথি ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

অংকুর-অন্বেষা বিদ্যাপীঠের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত

রাজনীতি ও নির্বাচন

botvনিউজ:

আগামীকাল মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনের উপ-নির্বাচন। উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ঐক্যজোটের তিনজন প্রার্থী। এরা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা), জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা এ.কে.এম আশরাফুল হক (মিনার)। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ করেছেন।
আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (নৌকা) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীমের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে জাপা প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ (লাঙ্গল) এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন জাপার কো-চেয়ারম্যান ও সাবেকমন্ত্রী জি.এম. কাদেরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ। পুরো নির্বাচনী এলাকায় বর্তমানে বিরাজ করছে উৎসব আমেজ।
এক সময়ের জাতীয় পার্টির (এরশাদ) দূর্গ হিসেবে পরিচিত নাসিরনগর আসনটি বর্তমানে আওয়ামীলীগের শক্ত ঘাটি হিসেবে পরিচিত। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তিনবার এবং আওয়ামীলীগ প্রার্থী ৫বার বিজয়ী হন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপ-নির্বাচনে মূলত আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যেই এখানে মূল লড়াই হবে। দুই দলের জন্যই ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে বিএনপি সমর্থকদের ভোট। স্থানীয়দের ধারণা বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভোট নির্বাচনের জয় পরাজয়ের নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। যে কারণে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ওইসব ভোটারদের নজর রাখছেন। তাদেরকে ভোটের দিনে কেন্দ্রে আনার জন্য বিশেষ করে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদেরকে তৎপর থাকতে বিভিন্ন পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগে প্রকাশ্য বিরোধ না থাকলেও ভেতরে ভেতরে বিরোধ রয়েছে জানা গেছে। জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে দলের প্রার্থী বিএম ফরহাদ হোসেন সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। যদিও আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলার একাধিক টিম প্রার্থীর পক্ষে প্রচার- প্রচারণা চালিয়েছে।
এদিকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মী না থাকায় ভোটের মাঠে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের পিছিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশ্য জাতীয় পার্টির রেজওয়ান আহমেদ একাধিকবার প্রার্থী হওয়ায় ভোটাররা তার প্রতি সহানুভূতি দেখাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, যেহেতু দেশে বর্তমানে ভোটের পরিবেশ নেই, তাই আমাদের দল নির্বাচনে অংশ নেয় নি। আমাদের সমর্থকরা কেউ যদি উৎসাহী হয়ে ভোট দিতে যায় তাহলে তো আমাদের কিছু করার নেই।
এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদ নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ক্ষমতাসীন দল যদি কেন্দ্র দখল করে ভোট কারচুপি না করে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে যদি নির্বাচন হয় তাহলে তিনি বিজয়ী হবেন।
এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম বলেন, জনগন উন্নয়ন চায়। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় জনগন নৌকা মার্কাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করবেন বলে তিনি আশা করেন।
উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রামের জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, ‘সকল বিরোধীদলও যদি এক হয়ে যায় তবু আমাদের প্রার্থীকে হারাতে পারবে না। উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরই জয় হবে। তিনি বলেন, নাসিরনগর ছিল এক সময়ের অবহেলিত জনপদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দেয়া যে প্রতিশ্রুতি ছিল সেসব বাস্তবায়ন করে নাসিরনগরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন। প্রয়াত নেতা ছায়েদুল হক মন্ত্রী থাকাকালে এলাকায় বেশ উন্নয়ন করেছেন।
এ ব্যাপারে জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি বলেন, ‘যুগ যুগ ধরেই আমরা দেখে এসেছি কোনো দল নির্বাচনে না এলে তাদের সমর্থিত ভোটাররা সমমনা দলকে বেছে নেয়। সেই ক্ষেত্রে আমরা বিএনপি’র ভোট পাব বলে আশা করছি। বিএনপি’র অনেক নেতা-কর্মীই আমাদেরকে ফোন করে পাশে থাকার বিষয়ে আশ্বস্থ করেছেন। সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জিতবে বলে আমি আশাবাদী।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের ২৪৩ নং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১- সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৯ জন। এর পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১০ হাজার ৪শ ১০ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ৫শ ৯৯ জন। উপ-নির্বাচনে ৭৪টি ভোট কেন্দ্রের ৩৬৪টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ জন্য ৭৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৬৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭২৮জন পোলিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই কর্মকর্তাদেরকই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
এদিকে গত ৮ মার্চ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা নাসিরনগরের উপ-নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃংখলা সভা ও নাসিরনগরে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এসব অনুষ্ঠানে ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে আসনটি শূণ্য হয়। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মারা গেলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে। ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ সালে তিনি এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

লড়াই হবে নৌকা-লাঙ্গলের মধ্যে

                                       ৮ ফেব্রুয়ারি-২০১৮ইং    –  রায়  –   ৫ বছরের জেল

botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৬৩জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার সকাল থেকে  বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আশুগঞ্জ উপজেলার মোঃ মাসুম মিয়া, মোঃ রুস্তম মিয়া, আবুল ইসলাম-(৩৫), আল আমিন-(২৯), লিটন মোল্লা-(৩১), মোঃ সোহবার মিয়া-(৩০), রবি হোসেন-(৩২), মোঃ মিজান-(২৮), রুবেল মিয়া-(২২), আপেল-(২৬), মোঃ জয়নাল মিয়া-(২৮), হারুন মিয়া-(৩২), জয়নাল আবেদীন রাজু-(৩৬), সরাইলের ইসহাক মিয়া-(২৩), মোঃ ইমরান- (৩৬), তাবারক মিয়া-(৩৬), মোবারক মিয়া (২৬), জালাল মিয়া-(৫৫), নাজমুল হোসেন খান রাসেল-(৩৫), নাসিরনগর উপজেলার মীর রুবেল মিয়া-(২৫), রহমত খাঁ-(৩৭), মফিজ মিয়া-(৩৫), ইয়াছিন মিয়া-(২৪), মোঃ জাকারিয়া-(১৯), মনির হোসেন মাঞ্জু-(২৮), রহমত আলম-(২৪), নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিম মিয়া-(৩০), মোঃ রফিক-(২৮), অলিউল্লাহ-(২২), আল আমিন-(২০), মোঃ জালাল মিয়া-(৩৫), সাদ্দাম-(২৫), বেলায়েত হোসেন- (৪২), হাফিজ মিয়া-(৩৫), বাঞ্চারামপুর উপজেলার মোঃ ইব্রাহিম-(২৮), বিজয়নগর উপজেলার ময়দর আলী-(৪৫), মোঃ সোহেল মিয়া-(২২), মোঃ জামাল চৌধুরী-(৪২), কসবা উপজেলার মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), মোঃ সাইফুল ইসলাম-(৩৭), আবু হানিফ মিয়া-(৫০), মোঃ আবুল খায়ের-(৬৫), মোঃ আবুল কালাম-(২৫), মোঃ শাহজাহান মিয়া-(৬৫), আলমগীর হোসেন-(১৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার তারেকুল রহমান ইমন-(৩০), মোঃ হারুনুর রশিদ-(৪১), মোঃ ইউসুফ মিয়া-(৩৫), হান্নান মিয়া, গিয়াস উদ্দিন-(২৬), জসিম উদ্দিন- (২৩), শাফি মিয়া-(২৯), হাবিবুল্লাহ-(১৯), মঞ্জু মিয়া-(৩৫), সুজন মিয়া-(২৫),মোঃ জালাল আহমেদ-(৩৭), জামাল হাসান-(২৪), আলাল উদ্দিন-(৩০), আনিছুর রহমান, ফিরোজ সর্দার-(৩০), সাদেক মিয়া, আক্তার -(৩৮),দিদারুল ইসলাম-(৩৪),

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিআইওয়ান) মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ পিপিএম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। তারা সবাই গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আসামী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
###

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার ৬৩

 

botv নিউজঃ

দীর্ঘ ৫ বছর পর আগামীকাল ২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ব্রহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন।

সকাল ১০টায় স্থানীয় লোকনাথ উদ্যানে (টেংকের পাড়) অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি থাকবেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এবি তাজুল ইসলাম এমপি, ফয়জুর রহমান বাদল এমপি, অ্যাডভোকেট ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস.এম. জাকির হোসাইন।

বিশেষ বক্তার বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আল-আমিন, মোঃ মনির হোসেন প্রমুখ।

দীর্ঘ ৫ বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন

 

যখন-তখন, যেখানে-সেখানে, এখুনি সার্বসক্রাইব করুন,ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে সাথে রাখুন।

সময়-অসময়-সুসময়ের দাবী,ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি

বিজ্ঞপ্তি

উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে । এ উপলক্ষে শনিবার সকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক সাংবাদিক আবদুন নূর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন আহাম্মদ তফছির, জেলা জাসদ সভাপতি যুদ্ধকালীন কমান্ডার অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন সাঈদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ খান, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ, জেলা জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি হাজী আবদস সোবহান মাখন, অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সদস্য আবুল খায়ের, জেলা যুবমৈত্রীর সদস্য সচিব ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ,জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ফাহিম মুনতাসির প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক ও তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ নাসির ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,মওলানা ভাসানী ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস অপূর্ণাঙ্গ, ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য তা তাকে দিতেই হবে ।সকল প্রকার দেশীয় শোষণ নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ছিলেন আজীবন আপোষহীন । বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক অসম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রামে ভাসানী সবসময়ই পথের দিশারী । বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ’৭২ এর সংবিধানে সন্নেবেশিত চার মূলনীতি অনুযায়ী রাস্ট্র পরিচালিত হলে মৌলবাদী গোষ্ঠী এ ধরণের আস্ফালন দেখাতে সাহস পেতনা । কোন প্রকার আপসকামীতা নয় সংবিধান থেকে রাস্ট্র ধর্ম বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার জন্য ৭২ এর সংবিধান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

বক্তারা মওলানা ভাসানী থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাণ প্রকৃতি তথা জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং সা¤্রাজ্যবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামের আহবান জানান। সভা থেকে বন্ধ ঘোষিত পাটকলগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় পুণরায় চালু করার জন্য দাবি জানানো হয় এবং রাস্ট্রায়ত্ব চিনিকলগুলো ব্যক্তি মালিকানায় না ছাড়াও দাবি জানানো হয় ।

সরাইলের শাহবাজ পুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা দীলিপ নাগের দুটি ঘর রাতের আধাঁরে স্থানীয় স্বাধীনতা বিরোধীর ছেলে প্রভাবশালী ব্যক্তি কর্তৃক গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারে প্রতি দাবি জানানো হয় ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১ তম জন্মদিন পালিত

প্রেস রিলিজ
ডিবি পুলিশ কর্তৃক ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের
নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন,
পিপিএম-সেবা (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে
৩১/০৫/২০২০ ইং তারিখ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা শাখার, অফিসার ইনচার্জ
জনাব আমিনুর রশিদ এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)’র একটি টিম গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন কসবা পৌরসভাস্থ
টিআলী বাড়ীর মোড়ের দক্ষিণ পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর হইতে রাত্র ২২.৩৫
ঘটিকার সময় ১০০ (একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আসামী ১। মোঃ হাসেন মিয়া
(৩৮) পিতা-মৃত হেকিম, ২। মোঃ শাহাব উদ্দিন (২৩) পিতা-মিলন মিয়া, উভয়
সাং-শাহপুর (পূর্বপাড়া) ওয়ার্ড নং-০২, কসবা, পৌরসভা, থানা-কসবা,
জেলা-ব্রাহ্মষণবাড়িয়াদ্বয়কে কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে কসবা থানায় প্রচলিত ধারায় মামলা রুজু করা হইয়াছে।

১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

প্রেস‌ বিজ্ঞ‌প্তিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের কুট্টাপাড়া এলাকা থেকে ৪৩ কেজি গাঁজা‘সহ মাদক ব্যবসায়ী সজল মিয়া(৩৮)’কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।

১। “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাব যুব সমাজ তথা বাংলাদেশ’কে মাদকের ভয়াল থাবা, সন্ত্রাস, জঙ্গী, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া, অপহরণ, খুন, ধর্ষণ, অসাধু ডিলার’সহ বিভিন্ন ধরণের অবৈধ কর্মকান্ড থেকে রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশব্যাপী আপোষহীন অবস্থানে থেকে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র নিয়মিত মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানা এলাকা হতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি/খুচরা বিক্রয় করে থাকে। উক্ত তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উক্ত মাদক ব্যবসায়ী চক্রের উপর র‌্যাবের নিরবিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারী চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়। জানা যায় অদ্য ১৮/০৫/২০২০ ইং তারিখ রাতে মাদকদ্রব্য গাঁজার একটি বড় চালান ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাবে। এরই প্রেক্ষিতে ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পরিচালক চন্দন দেবনাথ এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল ১৮/০৫/২০২০ ইং তারিখ অনুমান ২১.৪৫ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানাধীন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুট্টাপাড়া এলাকায় লাল পাম্পের সামনে রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ১। মোঃ সজল মিয়া (৩৮), পিতা-মৃত আব্দুল গফুর, সাং-লাখাই, থানা-কালোক, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি-সাং-আশুগঞ্জ পূর্ব বাজার শরীফ মিয়ার বাসা, থানা- আশুগঞ্জ, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া‘কে আটক করা হয়। আটককৃত আসামীর দখল হইতে (ক) ৪৩ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা, (খ) মাদক বিক্রির নগদ ৭,৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ১২,৯৭,৬০০/- টাকা। ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।

রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
সিনিয়র সহকারী পরিচালক
কোম্পানী অধিনায়ক
র‌্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্প।
মোবাঃ ০১৭৭৭৭১১৪৩৩।

৪৩ কেজি গাঁজা‘সহ মাদক ব্যবসায়ী সজল মিয়া(৩৮)’কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প।

  • সংবাদ বিজ্ঞপ্ত‌ি ঃ

নবীনগর থানাধীন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান ও সাবেক মেম্বার আবু মিয়া এবং কাউছার মোল্লা ও সাবেক মেম্বার মোছলেম উদ্দিনগং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ১২/০৪/২০২০খ্রিঃ সকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামায় লিপ্ত হয়। সংবাদ পেয়ে নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামায় লিপ্ত লোকজনদের নিবৃত্ত ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে। উভয় পক্ষের উচ্ছৃঙ্খল লোকজন দাঙ্গা-হাঙ্গামা হতে বিরত না হয়ে তিনটি গ্রামে ব্যাপক এলাকাজুুড়ে প্রতিপক্ষের উপর আক্রমন অব্যাহত রাখে এবং বাড়ি ঘরে আক্রমনসহ অগ্নিসংযোগ করে।

পুলিশ সরকারি জানমাল ও জনগনের জানমাল রক্ষার্থে শর্টগান ও গ্যাসগান নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। দাঙ্গা-হাঙ্গামা চলাকালে কাউছার মোল্লা গ্রুপের লোকজন জিল্লুর রহমান চেয়ারম্যান গ্রুপের জনৈক মোবারক হোসেন (৪৫) পিতা-মধু মিয়া, সাং-উত্তর লক্ষীপুর, থানা-নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর বাম পায়ের গোড়ালি হতে নীচের অংশটুকু কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে এবং উভয় পক্ষের ৪০ জন সাধারণ ও গুরুতর জখম প্রাপ্ত হয়। উক্ত ঘটনায় নবীনগর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয় এবং মামলার মূল আসামী

১। আবু কাউছার মোল্লা (৪৯), পিতা-মৃত ফিরোজ মিয়া, সাং-থানাকান্দি

২। জিল্লুর চেয়ারম্যান (৫১) পিতা-মৃত গোলাম মস্তু বেপারী, সাং-থানাকান্দি, উভয় থানা-নবীনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়াদ্বয়সহ ৪৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

অদ্য ১৫/০৪/২০২০খ্রিঃ তারিখ দুপুর ১৩.০০ ঘটিকায় জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, পুলিশ সুপার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জনাব মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন,
পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) (পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার), ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জনাব মোঃ মকবুল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার, নবীনগর সার্কেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পুলিশ পরিদর্শক(নিরস্ত্র) জনাব মোঃ ইমতিয়াজ আহম্মেদ পিপিএম, ডিআইও-১, জেলা বিশেষ শাখা, অফিসার ইনচার্জ নবীনগর থানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান মারামারির ঘটনায় ভিকটিম মৃত মোবারক হোসেন (৪৫) এর স্ত্রী সাজিয়া বেগম ও ছেলে রবিউল হোসেনের সাথে কথা বলেন এবং তিনি বলেন ইতিমধ্যে ঘটনার সহিত জড়িত ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সহিত
জড়িত অন্যান্য অপরাধীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে। প্রত্যেক অপরাধীকে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা
হবে মর্মে আশ্বাস প্রদান করেন।

নবীনগর মারামারি ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা পুলিশ সুপার