botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৫০ শষ্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ফাইজুর রহমানের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন করেছে সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের ঘাটুরা গ্রামবাসী।

টাকার বিনিময়ে মিথ্যা ডাক্তারি সনদ দেয়ার অভিযোগ এনে রবিবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে ডাঃ ফাইজুর রহমানের বিরুদ্ধে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ঘাটুরা গ্রামবাসী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজান আনসারী, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অজিত দাস এবং শহর যুবলীগের আহবায়ক আমজাদ হোসেন রনি প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৩১ জুলাই ঘাটুরা গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ হাজারীকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করেন একই এলাকার প্রতিপক্ষ আক্তার হাজারী, সাজিদ হাজারীসহ তাদের অনুসারীরা। প্রতিপক্ষের লোকজন জাবেদ হাজারীর শরীর থেকে গলা প্রায় আলাদা করে ফেলে। আশংকাজনক অবস্থায় জাবেদ হাজারীকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে তার ক্ষতস্থানে ১৮০টি সেলাই দেয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাইজুর রহমান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জাবেদ হাজারী সামান্য আহত হয়েছেন মেডিকেল সার্টিফিকেট দিয়েছেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চিকিৎসক ফাইজুর রহমান ৫০ হাজার টাকা পেয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে এই মিথ্যা সার্টিফিকেট দিয়েছেন। বক্তারা অবিলম্বে সদর হাসপাতাল থেকে ফাইজুর রহমানকে অপসারণ করার দাবি জানান। নতুবা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি দেন। মানববন্ধন শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান রাস্তা প্রদক্ষিণ করে।

এ ব্যাপারে সার্টিফিকেট প্রদানকারী চিকিৎসক ফাইজুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি রোগীর যে লক্ষন দেখেছি, সে রিপোর্টই দিয়েছি। আমার রির্পোটে কেউ অসন্তুষ্ট হলে আদালতের মাধ্যমে পুনরায় তদন্তের ব্যবস্থা করতে পারেন।
###

চিকিৎসকের অপসারণ দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন

botvনিউজ:

ব্রাহ্মনবাড়িয়ার অভাবনীয় উন্নয়নের রুপকার,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন,আওয়ামীলীগ মানেই উন্নয়ন,আওয়ামীলীগ উন্নয়নে বিশ্বাস করে বলেই বাংলাদেশে আজ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠছে।
তিনি গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা মাছিহাতা ইউনিয়নের চান্দপুর তমিজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুটি একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির আয়োজনে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আজমত মুবিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে মোকতাদির চৌধুরী এমপি আরো বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ যাতে সরষন্ত্র করতে না পারে সেজন্য কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।মানুষের সেবা করাই বর্তমান সরকারের মূল্য লক্ষ্য উল্লেখ্য করে তিনি বলেন আওয়ামীলীগ জনগনের কল্যানে কাজ করে,আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে একটি লোকও না খেয়ে মারা যাবে না।
তিনি বর্তমান সরকার উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের সব সূচকে এগিয়ে গেছে। বর্তমান সরকার গত ৯ বছরে আমুল পরিবর্তন করেছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ঘটেছে বিপ্লব। বিভিন্ন স্কুল,কলেজে বহুতল বিশিষ্ট নতুন নতুন ভবন নির্মান, বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া,উপবৃত্তি প্রদান,শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার মনোযোগ সৃস্টি করছে।তিনি বলেন পল্লী উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, আর্তসামাজিক উন্নয়ন করে দেশকে একটি স্বনির্ভরশীল দেশ হিসেবে বিদেশের দরবারে পরিচিতি করছে বর্তমান সরকার।
এসময় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো উন্নয়নের প্রতিক নৌকায় ভোট দেওয়ার প্রার্থনা করেন মোকতাদির চৌধুরী এমপি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস,সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড.তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত, মাছিহাতা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিনুল হক পাভেল,সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুস সামাদ আকন্দ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ও প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ৩ কোটি ৬৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে চান্দপুর তমিজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুটি একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ।
                                                                                                                                              ###

বাংলাদেশে শিক্ষা ক্ষেত্রে ঘটেছে বিপ্লব বললেন : মোকতাদির চৌধুরী এমপি 

botvনিউজ:

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে এবং সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে  বৃহস্পতিবার বিকালে নিয়াজ মুহাম্মদ স্টেডিয়ামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনুর্ধ্ব ১৭) এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব ১৭) ফাইনাল খেলায় সুহিলপুর ইউনিয়ন ২-০গোলে সুলতানপুর ইউনিয়নকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহসিন মিয়া, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডঃ তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেল রানা, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি আবুল কাশেম, সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক এবিএম তৈমুর, সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জীবন ভট্টাচার্য, উপজেলা কৃষি অফিসার তোফায়েল হোসেন,

সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহার, সুহিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ হাজারী আঙ্গুর, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল হোসেন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আবদুর রহমান, ব্রাহ্মনবাড়িয়া ফুটবল এসোসিয়েশন সভাপতি অ্যাডঃ ইউসুফ কবির ফারুক, টুর্নামেন্ট কমিটির সমন্বয়ক মনিরুল আলম। খেলার ধারা বিবরনীতে ছিলেন মিজানুর রহমান মিজান। খেলা পরিচালনা (রেফারী) করেন আবু মুসা খসরু, মোঃ আতিকুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এক সময় বাংলার জনপ্রিয় খেলা ফুটবলকে আবারো নতুন করে জাগ্রত করতে হবে। তিনি বলেন, খেলাধুলা যুব সমাজকে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখে। জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসায় বাংলাদেশের খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করছেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করেছে।

তিনি বলেন ফুটবল খেলোয়াড় তৈরী করতে ক্রীড়া সংগঠকদের এগিয়ে আসতে হবে। আমি আশা করছি আগামীতেও ব্রাহ্মনবাড়িয়া সদর উপজেলা এভাবে এগিয়ে যাবে।
খেলা চলাকালীন সময়ে পুরো মাঠের চারপাশে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত ক্রীড়া প্রেমী দর্শকের ঢল দেখা যায়। উল্লেখ্য এ টুর্নামেন্টে ১১টি ইউনিয়নের ১১টি দল অংশ গ্রহন করেন।
###

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

botvনিউজ:

ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে গত বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ট্রাক গ্রুপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১৯ টি পদে মহসিন-আওয়াল পরিষদ এবং মোঃ আসাদুল হক মেরাজের নেতৃত্বাধীন দুটি প্যানেলের ৩৭ জন এবং সভাপতি পদে মোঃ শাহীনুর রহমান শাহীন নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

সকাল ৮ থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত (১ঘন্টা বিরতি ছাড়া) পূর্ব মেড্ডা ট্রাক টার্মিনালে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাত ৯ টায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনে মহসিন-আওয়াল পরিষদ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১২ টি পদে এবং মোঃ আসাদুল্লাহ হক মেরাজের নেতৃত্বাধীন প্যানেল থেকে ৩ জন সহ-সভাপতিসহ ৭টি পদে প্রার্থীরা বিজয়ী হন।

বিজয়ীরা হলেন, সভাপতি পদে সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাজী শেখ মোঃ মহসিন-(২০৯ ভোট), সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল আওয়াল- (১৫৩ ভোট), সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মোঃ আবুল কালাম আজাদ-(১৯৮ ভোট), সহ-সভাপতি পদে শাহাদাৎ হোসেন্ উকিল-(১৬৩ ভোট), শ্রী বাবুল কর-(১৬০ ভোট), মোঃ আনোয়ার হোসেন-(১৩৮ ভোট) ও খোকন মোল্লা-(১৩০ ভোট),

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আবু মিয়া-(১৭১ ভোট), সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে শাহ আলম মিয়া-(১৬০ ভোট), সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রফিকুল ইসলাম-(১৯৫ ভোট), দপ্তর সম্পাদক পদে আরমান-(১৫৬ ভোট), অর্থ সম্পাদক পদে লোকমান হোসেন-(১৮৩ ভোট), প্রচার সম্পাদক পদে মানিক-মিয়া (২২২ ভোট)। কার্যকরী সদস্যরা হলেন হাকিম মিয়া-(১৯৩ ভোট), আইয়ূব আলী-(১৭০ ভোট), আনিছ মিয়া-(১৬৮ ভোট), জয়নাল মিয়া-(১৪৮ ভোট), জাহাঙ্গীর আলম-(১৩১ ভোট), মোঃ এম.এ এলাহী-(১৩০ ভোট) এবং আবুল হোসেন-(১৩০ ভোট)। নির্বাচন শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হাজী মোঃ হেলাল উদ্দিন এই তথ্য জানিয়েছেন।
###

জেলা ট্রাক গ্রুপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত শেখ মহসিন সভাপতি ॥ আবদুল আওয়াল সাধারণ সম্পাদক

botvনিউজ:

কারাগারের ভেতর আদালত স্থাপনের প্রতিবাদ এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রতিকী অনশন করেছে জেলা বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারী কলেজ প্রাঙ্গনের শহীদ মিনারে ও আদালত চত্বরে পৃথক পৃথকভাবে তারা অনশন শুরু করে।

জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডঃ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনশন কর্মসূচী চলাকালে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এম.এ.করিম, অ্যাডভোকেট গোলাম সারওয়ার খোকন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মনজু, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক ইয়াছিন

মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম গোলাপ, সদর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ আলী আজম, বিএনপির নেতা মোঃ মনির হোসেন অ্যাডভোকেট মোঃ আলী আজম চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ হাফিজুল্লাহ, কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ শাকিল ও জেলা মহিলা দলের সাধারন সম্পাদিকা খোশপিয়ারা প্রমুখ। অনশন কর্মসূচীতে বক্তারা, বেগম জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
###

বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিকী অনশন

botvনিউজ:

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড -২০১৮ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বুধবার সংবাদ সম্মেলন করেছে দেশের তরুনদের সর্ববৃহৎ প্ল্যাটফরম ইয়াং বাংলা।
বুধবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম।

প্রেসক্লাবের সভাপতি খ.আ.ম রশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কো-অডিনেটর মোঃ আবদুল্লাহ আল জুবায়ের।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সেন্টার ফর রিসার্স এন্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) একটি অলাভজনক গবেষনা প্রতিষ্ঠান। যা বাংলাদেশের জাতীয় গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে জনসাধারনের আলোচনার ক্ষেত্র তৈরীর লক্ষ্যে কাজ করে। বাংলাদেশের তরুন প্রজন্মের হাত ধরে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সিআরআই ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে দেশের তরুনদের সর্ববৃহৎ প্ল্যাট ফরম ইয়াং বাংলা প্রতিষ্ঠা করে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইয়াং বাংলা তাদের প্রতিপাদ্য “ তোমার জয়ে বাংলার জয়” কে সামনে রেখে যুক্ত করেছে সারা দেশের উৎসাহী ও উদ্যমী তরুনদের, দেশের সর্ববৃহৎ ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মে। তথ্য প্রযুক্তি খাতে তরুনদের উৎসাহ যোগাতে এবং কর্মক্ষেত্র তৈরী করার লক্ষে সুনির্দিষ্ট যুব উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে ইয়াং বাংলার সদস্যরা। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ দেশের তরুন সমাজের কাছে “তোমার জয়বাংলা কি? ”এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে জয়বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড পরিবেশন করছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেসব তরুন-তরুনী কাজ করছে সেসব তরুন-তরুনী ও তাদের সংগঠনকে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, এ বছর তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৪টি উপজেলায় কাজ করছে। উপজেলাগুলো হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সরাইল, নবীনগর এবং বাঞ্ছারামপুর। ওইসব উপজেলার তরুন উদ্যোগতাদের কাছ থেকে জেন্ডার, দক্ষতা উন্নয়ন, অর্ন্তভুক্তিমূলক শিক্ষা, প্রতিবন্ধী মানুষের ক্ষমতায়ন, সাংস্কৃতি আন্দোলন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, জন সচেতনতামূলক উদ্যোগ, স্পোটর্স এবং ফিটনেস, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা ও অন্যান্য সামাজিক উন্নয়ন এই ১০টি বিষয়ে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আজ ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, ১৪ সেপ্টেম্বর নবীনগর উপজেলা, ১৫ সেপ্টেম্বর বাঞ্চারামপুর উপজেলা এবং ১৮ সেপ্টেম্বর সরাইল উপজেলায় যারা জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাডওয়ার্ড প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে চান সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন।
###

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “তথ্যই শক্তি: জানবো, জানাবো, দুর্নীতি রুখবো” শ্লোগানকে সামনে রেখে বুধবার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত ভাষা চত্বরে দিনব্যাপী তথ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান দিনব্যাপী তথ্য মেলার উদ্বোধন করেন।  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই দুর্নীতি দূর করা সম্ভব।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌরসভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্ব¡বধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আবু সাঈদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহীনুজ্জামান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বণিক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সভাপতি জেসমিন খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত জেলা তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাস, প্রধান শিক্ষিকা নাঈমা জান্নাত, সনাক সদস্য কবি জয়দুল হোসেন, মোহাম্মদ আরজু , টিআইবির প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাজমা খানম নাজু।

দিনব্যাপি তথ্যমেলায় কুইজ প্রতিযোগিতা, দুর্নীতি বিরোধী কার্টুন প্রদর্শনী, তথ্যমেলার স্টলে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য ভান্ডার উপস্থাপন, প্রশ্নোত্তর পর্ব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় বিভিন্ন সরকারি ও বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানের ২৫টি ষ্টল খোলা হয়।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দিনব্যাপী তথ্যমেলা অনুষ্ঠিত

botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির বিশেষ সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্র পরিবর্তন নিয়ে চেম্বারের সদস্য ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে শহরের পৌর কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা ও বিশেষ বর্ধিত সভায় এ হট্টগোল তৈরি হয়।

গঠনতন্ত্র পরিবর্তন নিয়ে সাধারন ভোটার ও চেম্বারের সদস্যের তুমুল প্রতিবাদে কোনো ধরণের সিদ্ধান্ত ছাড়াই চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির বিশেষ সাধারণ সভা সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
এর আগে গতকাল বেলা ১১টায় শহরের লোকনাথ উদ্যান সংলগ্ন পৌর কমিউনিটি সেন্টারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারন সভা ও বেলা ১২টার দিকে বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সভায় ২০১৭ সালের চেম্বারের বার্ষিক প্রতিবেদন, অডিট প্রতিবেদন এবং ২০১৮ সালের বাজেট উপস্থাপন ও অঢিটর নিয়োগ ও পারিশ্রমিক নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। সাধারণ সভা শেষে বেলা ১২টার দিকে চেম্বারের বিশেষ সাধারন সভা শুরু হয়।

সভায় চেম্বারের সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, সহকারি পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) আবু সাঈদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ সাধারন সভায় বক্তব্য রাখেন চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি সুভাস চন্দ্র পাল, সহ-সভাপতি মোঃ শাহ আলম। সভায় চেম্বার অব কমার্সের বর্তমান কমিটির সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব করেন। এসময় সভায় উপস্থিত চেম্বারের সাধারণ সদস্য ও ভোটাররা হৈ হুল্লোড় শুরু করেন। পাশাপাশি চেম্বারের গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের প্রস্তাবে প্রতিবাদ জানিয়ে আপত্তি তোলেন তাঁরা।

গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের প্রস্তাবের প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক তানজিল আহমেদ।

তাঁরা বলেন, জুলাই মাসে এই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করতে হলে তখনই করতেন, এখন কেন করতে চাইছেন। চেম্বারের অধিকাংশ ভোটার ও সদস্যরা গঠনতন্ত্র পরিবর্তন চান না। সবাই যা চান সেটাই করেন। আপনাদের কয়েকজনের মনগড়া মতো করতে চাইছেন কেন। তাঁরা আরও বলেন, দেশে এমন কোনো জরুরী অবস্থার সৃষ্টি হয়নি যে চেম্বারের নির্বাচন ছয় মাস পেছাতে হবে। কিন্তু আপনারা নির্বাচন পিছিয়েছেন। চেম্বারের চেয়ারের মধ্যে কি এমন মধু আছে যে একই চেয়ারে আবার আসতে চাইছেন। ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেন।

চেম্বার সূত্রে জানা গেছে, আজিজুল হক ২০১২-২০১৪ মেয়াদী চেম্বারের কার্যকরী কমিটিতে পরিচালক, ২০১৪-২০১৬ এবং ২০১৬-১৬ ও ২০১৭-২০১৮ মেয়াদী চেম্বারের কার্যকরী কমিতে সভাপতি আছেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। পরে বানিজ্য মন্ত্রনালয় গত ২৯ জুলাই এক চিঠিতে চেম্বারের বর্তমান কমিটির মেয়াদ ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত করেন।

চেম্বারের একাধিক নেতা জানান, জুলাই মাসেই চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান কমিটির লোকজন ছলছাতুরি করে বানিজ্য মন্ত্রনালয় থেকে বর্তমান কমিটির মেয়াদ ছয় মাস বৃদ্ধি করে। ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বর্তমান কমিটিকে নির্বাচন দিতে হবে।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক তানজিল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যেক চেম্বার অব কমার্সের একটি নিজস্ব গঠনতন্ত্র রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বারেরও নিজস্ব গঠনতন্ত্র রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বারের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন যে কোনোপদে পরপর তিনবার নির্বাচন করতে পারবে। একসাথে পরপর তিনবার পদে থাকলে পরেরবার তাকে অন্তত একবার বিরতি দিতে হবে। তিনি বলেন, এই কমিটির মেয়াদ আরো আগেই শেষ হয়ে গেছে। গত জুলাই মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আজিজুল হক গত সাড়ে চার বছর ধরে চেম্বারের সভাপতি পদে এবং ২০১৪ সালের আগের মেয়াদের কমিটিতে তিনি পরিচালক পদে ছিলেন। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাকে এবার বিরতি দিতে হবে। কিন্তু তিনি (আজিজুল হক) পুনরায় সভাপতি হওয়ার জন্য চেম্বারের গঠনতন্ত্রে থাকা পরপর তিনবার পদে থাকলে নির্বাচন করা যাবে আইনটি গঠনতন্ত্র থেকে বাদ দিতে চাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি আজিজুল হকের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
###

বাহ্মণবাড়িয়ার চেম্বারের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন নিয়ে সদস্য ও ভোটারদের আপত্তি

botvনিউজ:

বিশ্ববিশ্রুত সুরসম্রাট, উপমহাদেশের রাগ সঙ্গীতে কিংবদন্তী কলাকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিনম্র অহংকার ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার।
দিবসটি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের উদ্যোগে দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা গতকাল বুধবার শুরু হয়েছে।

বুধবার সকাল ১০টায় সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের সরোদ মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উচ্চাঙ্গ সংগীতের উদ্বোধন করেন সঙ্গীতাঙ্গন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান।

সঙ্গীতাঙ্গন পরিচালনা পর্ষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকারের সভাপতিত্বে ও সঙ্গীতাঙ্গন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মনজুরুল আলমের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সঙ্গীতাঙ্গন পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক কবি আবদুল মান্নান সরকার। বক্তব্য রাখেন সদস্য কবি জয়দুল হোসেন।

অনুষ্ঠানমালার দ্বিতীয় দিন আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় সমাপনী পর্বে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। উল্লেখ্য ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ইন্তেকাল করেন সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ।
###

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন

botvনিউজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বে-সরকারি শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের (স্বাশিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান আলম সাজুকে ফেসবুকে হত্যার হুমকি দাতাদের গ্রেপ্তার এবং বে-সরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের অবিলম্বে পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতা কার্যকরের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন পালিত হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে স্বাশিপ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্বাশিপের আহবায়ক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্বাশিপের কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ আকরাম হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্বাশিপের যুগ্ম আহবায়ক কবির হোসেন ও কাউছার আলম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে পুঁজি করে একটি বিশেষ মহলের অপতৎপরতা ও গুজব সৃষ্টির মাধ্যমে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নিজের ফেসবুক পেইজে একটি স্টেটাস দেয়ায় শিক্ষক নেতা শাহজাহান আলম সাজুকে ফেইক আইডি থেকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ধানম-ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। অবিলম্বে হুমকিদাতাদের খুঁজে বের করে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। এছাড়া বে-সরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের অবিলম্বে পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতা কার্যকর করারও দাবি জানান বক্তারা।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বাশিপের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

ফেসবুকে আমরা..