সুমন আহম্মেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে শিরিনা খাতুন-(১৪) নামে এক মাদরাসা ছাত্রী।বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পঙ্কজ বড়–য়ার নেতৃত্বে গঠিত ভ্রাম্যমান আদালত সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের বেপারীপাড়া গ্রামে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেন।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের বেপারীপাড়ার দিলদার হোসেনের কন্যা ও স্থানীয় একটি আলিয়া মাদরাসার নবম শ্রেণীর ছাত্রী শিরিনা খাতুনের সাথে একই এলাকার আবদুল আওয়ালের ছেলে দ্বীন ইসলামের বিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার স¤পন্ন হওয়ার কথা ছিলো।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পঙ্কজ বড়–য়ার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেন। এ সময় বর দ্বীন ইসলামকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং মেয়ের পিতা দিলদার হোসেন এবং বরের পিতা আবদুল আওয়ালকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেনা মর্মে মুচলেকা আদায় করা হয়।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়া বলেন, বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ এর ১ ধারায় বর দ্বীন ইসলামকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং বর ও কনের পিতাকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
###

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাল্য বিয়ে বন্ধ ॥ বরকে কারাদন্ড ॥ বর-কনের পিতাকে জরিমানা

সুমন আহম্মেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ার বাসিন্দা, জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও পৌর এলাকার ভাদুঘর ডিএস কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট হাজী সামসুল হক ভূইয়া ওরফে কনু ভূইয়া ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না—-রাজিউন)।

গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টায় কাজীপাড়ার নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে ৪ ছেলে ৩ মেয়ে নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান।

বুধবার বাদ জোহর কাজীপাড়া জেলা ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ আছর পৌর এলাকার ভাদুঘর শাহী মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

জেলা ঈদগাহ মাঠের নামাজে জানাযায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সর্ংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।

এদিকে প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, সদর আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার, পৌর সভার মেয়র মিসেস নায়ার কবির, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান ওলিও, জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি প্রমুখ। শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
###

শোক সংবাদ হাজী সামছুল হক ভূইয়া

 

সুমন আহম্মেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ির সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে পৌর কাউন্সিলের আত্মীয়দের দু’দফা হামলায় একটি জেলে পরিবারের নারী ও শিশু সহ ৮জন আহত হয়েছে।
বুধবার পৌর এলাকার ভাদুঘরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা জেলে পরিবারের ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে।

হামলায় আহতরা হলেন, কার্তিক বর্মণ-(৬৫), কৃষ্ণ বর্মণ-(৪৫), সাবিত্রী বর্মণ-(৪০), সেতু বর্মণ-(৪০), নুপুর বর্মণ-(১২), জবা বর্মণ- (১০), ইতি বর্মণ-(৬) ও পূজা বর্মণ-(৫)। আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে সন্ধ্যা নাগাদ এ ঘটনায় থানায় মামলা হয় নি।

বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে হাজির হয়ে ভুক্তভোগীরা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার ভাদুঘর এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম নেহারের নিকটাত্মীয় নুরুল হুদার সাথে বাড়ির সীমানায় খুঁটি কোপা নিয়ে বুধবার সকাল সাতটার দিকে কার্তিক বর্মণের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে নূরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা কার্তিক বর্মণকে মারধর করে। এ সময় তার ছেলে কৃষ্ণ বর্মণ এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। পুনরায় বিকেলে নুরুল হুদার লোকজন কার্তিক ও তার পরিবারের লোকদেরকে মারধোর করে ও ঘর ভাংচুর করে লুটপাট করে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ রফিকুল ইসলাম নেহার বলেন, ‘ঘটনাটি তেমন কিছু নয়। দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে আমি আলোচনা করে মীমাংসা করে দিবো। হামলার শিকার পক্ষটি তাঁর কাছে আসেন নি বলে জানান।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন সন্ধ্যায় জানান, এ বিষয়ে কেউ কিছু জানায় নি। আমার জানা্ নেই। তবে এ ধরণের অভিযোগ এলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
###

বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলে পরিবারের উপর দু’দফা হামলায় আহত-৮

সুমন আহম্মেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাতের আঁধারে শহরের প্রাণকেন্দ্র কোর্ট রোডের গোলাপ রেস্ট হাউজ সংলগ্ন পুকুর ভরাট করে নির্মিত মার্কেটটি (অস্থায়ী সুপার মার্কেট) অবশেষে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামছুজ্জামানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিযান পরিচালিত হয়। প্রায় আড়াইঘন্টাব্যাপী চলা এই উচ্ছেদ অভিযানের কারণে কোর্ট রোড দিয়ে সব ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতর থেকে বাঁধা দেয়া সত্বেও গত এক মাস ধরে রাতের আঁধারে কোর্ট রোডের গোলাপ রেস্ট হাউজ সংলগ্ন পুকুরটি ধাপে ধাপে ট্রাকে করে বালি ফেলে ভরাট করে ফেলে শহরের একটি প্রভাবশালী পরিবারের সদস্যরা।

পরে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামছুজ্জামানের নেতৃত্বে পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অস্থায়ী সুপার মার্কেটটি উচ্ছেদ করেন। এ সময় সদর মডেল থানার পুলিশ ছাড়া র‌্যাব-১৪ এর একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে শতশত উৎসুক জনতা সেখানে ভীড় জমান।

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান শেষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শামছুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, পুকুর ভরাট করে স্থাপনা তৈরির মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে। অবৈধ এই স্থাপনা উচ্ছেদ করে জায়গাটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। পাশাপাশি পুকুরে ফেলা বালু অপসারণের ও ব্যবস্থা করা হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে পুকুরের মালিকরা পুকুর থাকাবস্থাতেই এর শ্রেণী পরিবর্তন করে কাগজপত্রে এটিকে ভিটি বানিয়ে ফেলে। বিএস রেকর্ডে পুকুরটির মালিক পৌর এলাকার উত্তর পৈরতলা গ্রামের মরহুম বজলুর রহমানের ছেলে আনিসুর রহমান আনিস, ফারুক আহমেদ ও গোলাপ মিয়াসহ তাদের চার ভাইয়ের নামে।
###

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালিয়ে অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুর ভরাট করে নির্মিত মার্কেট উচ্ছেদ

সুমন আহম্মেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ৬৫ ক্যান বিয়ারসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪-এর ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা।

সোমবার ভোররাতে উপজেলার রূপসদী গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন মমতাজ বেগম-(৩৫), বাতেন মিয়া-(৩৭), মোঃ কালন মিয়া-(৩৬), মোঃ জামাল-(২৮) ও রাসেল আহমেদ-(২৪)।

সোমবার দুপুরে গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে পাঠানো র‌্যাবের প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৪-এর ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এবং সিনিয়র এডি চন্দন দেবনাথের নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা সোমবার ভোর রাতে উপজেলার রূপসদী গ্রামের মমতাজ বেগমের ঘরে অভিযান চালিয়ে ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

পরে তাদের কাছ থেকে ৬৫ ক্যান বিয়ার ও মাদক বিক্রির নগদ ২৬ হাজার ৪৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৯০ টাকা। এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
###

৬৫ ক্যান বিয়ারসহ বাঞ্ছারামপুরের ৫ মাদক ব্যবসায়ী আটক

সুমন আহম্মেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুরে চিকিৎসকের “ভুল চিকিৎসায়” রত্মা বেগম-(২৭) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা সদরের “ তিতাস ইউনিটি হাসপাতাল” নামে একটি বে-সরকারি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং ঘটনার তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ শাহআলমের নির্দেশে গত শনিবার রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ওই হাসপাতালের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করে হাসপাতালে প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। নিহত রত্মা বেগম বাঞ্চারামপুর উপজেলার পাড়াতলি গ্রামের জামির মিয়ার স্ত্রী।

এদিকে এই ঘটনার তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডাঃ মোঃ সাঈদ দেলোয়ারকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে বিষয়টি তদন্ত করে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে গত শনিবার দুপুরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে রত্না বেগমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত থাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রানা নুরুস শামস্ জানান, প্রসূতির পেটে মৃত অবস্থায় একটি ছেলে শিশুর লাশ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, অ্যানেস্থেসিয়া দেয়ার পরপরই ওই প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, চিকিৎসক ও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারনেই রত্না বেগম মারা গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য গত শুক্রবার সকালে উপজেলার পাড়াতলি গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী রত্না বেগমের প্রসব বেদনা উঠলে স্বামী জাকির হোসেন তাকে স্থানীয় তিতাস ইউনিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেয়ার পর রত্নাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন হাসপাতালের মালিক মোঃ এমরানুল হক ওরফে আশেক এমরান। পরে রত্নার শারীরিক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আশিক এমরান জাকিরকে জানান রত্নার গর্ভে দুই সন্তান রয়েছে। ডাঃ জাহিদ এসে রত্মার সিজারিয়ান অপারেশন করবেন। বিকেল ৪টার দিকে আশিক এমরান ও হাসপাতালের নার্স নাছরিন আক্তার রত্মাকে অপারেশন কক্ষে নিয়ে যান।

বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ডাঃ জাহিদ অপারেশন কক্ষ থেকে বের হয়ে স্বজনদের জানান রত্মা স্স্থ্যু আছেন। পরে আশিক এমরান অপারেশন কক্ষ থেকে বের হয়ে জাকিরকে জানান, রত্মাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নিয়ে যেতে হবে। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসক জাহিদ ও নার্স নাসরিন রত্নাকে মৃত অবস্থায় অপারেশন কক্ষ থেকে বের করেন।
এ ব্যাপারে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন বলেন, সিভিল সার্জনের নির্দেশে শনিবার রাতে প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তিতাস ইউনিট হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে ক্লিনিকে তালা লাগানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ ঘটনার তদন্ত করতে ‘‘নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনি কনসালটেন্ট ডাঃ মোঃ সাঈদ দেলোয়ারকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কমিটিকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, শনিবার রাতে তিতাস ইউনিটি হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে হাসপাতালে তালা দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হাসপাতাল না খুলতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
###

ফলোআপঃ-বাঞ্ছারামপুরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু তদন্ত কমিটি গঠন ॥ তিতাস ইউনিটি হাসপাতালে তালা

স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় উলামা সমন্বয় পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার বাদ জুমা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুরাতন কাচারী মসজিদে অনুষ্ঠিত মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, জাতীয় পরিষদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া, বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য জহিরুল ইসলাম ভূইয়া, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ শাহআলম (আলম),

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক এম. সাইদুজ্জামান আরিফসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মিলাদ মাহফিল শেষে ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট শাহাদাতবরণকারী বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অভাবনীয় উন্নয়নের রূপকার র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপির রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করেন জেলা উলামা সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোঃ আবদুল্লাহ। পরে মুসল্লীদের মধ্যে তাবারক বিতরণ করা হয়। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
###

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উলামা সমন্বয় পরিষদের মিলাদ মাহফিল

সুমন আহম্মেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার দক্ষিণ পৈরতলার বাসিন্দা ও পৌর সভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ওমর ফারুক জীবনের পিতা, বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা ও দক্ষিণ পৈরতলা শেখ জালাল (রঃ) মাজার শরীফের খাদেম মোঃ শাহজাহান মিয়া ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না—রাজিউন)। গত শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় নিজবাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ৩ মেয়ে, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান।

রবিবার বাদ জোহর দক্ষিণ পৈরতলা ঈদগাহ মাঠে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। নামাজে জানাযায় সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবির, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ এমরানুর রেজা, পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ হেলাল উদ্দিন, হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি তাজ মোহাম্মদ ইয়াছিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকন, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রেজা, পৌর সভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগনসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
###

শোক সংবাদ শাহজাহান মিয়া

সুমন আহম্মেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় রক্তদানের সংগঠন “আত্মীয়” এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে শনিবার দুপুরে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ছিন্নমূল চার শতাধিক শিশুকে খাওয়ানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহ আলম এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগ নেতা নেছার আহমেদ খলিফা, আখাউড়া উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল মমিন বাবুল, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাবউদ্দিন বেগ শাপলু, সাধারন সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন নয়ন, সাংবাদিক মিনহাজুল আবেদীন খাদেম, কাজী মফিকুল ইসলাম, বিশ্বজিৎ পাল বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আত্মীয় এর সমন্বয়ক সমীর চক্রবর্তী জানান, রক্তদানের পাশাপাশি সংগঠনটি সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম করে যাচ্ছে।
###

‘আত্মীয়’ এর বছর পুর্তিতে আখাউড়ায় ছিন্নমূলদের ভুড়িভোজ

সুমন আহম্মেদঃ
দিন যত যাচ্ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তত বাড়ছে । ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেনারেল হাসপাতালে ২৭ জন ডেঙ্গু রোগী র্ভতি হয়েছে, চিকিৎসাধীন আছে র্সবমোট- ৫১ জন ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত দুই শতাধিকের উপরে। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়- ৩৪ জন রোগীকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে প্রেরণ করা হয়েছে তাছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে আরো ২০ জনের মত ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে ।

আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আরোও ২৭ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী র্ভতি হয়েছে । আজ ১০ই আগস্ট খোঁজ নিয়ে জানা যায়- এখনো হাসপাতালের মেডিসিন ওর্য়াডে ৩৭ জন, পেয়িং ওর্য়াডে ৬ জন, কেবিন ওর্য়াডে ৫ জন ও শিশু ওর্য়াডে ৩ জন র্ভতি আছে। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ডেঙ্গু র্কনার রোগীদের জায়গা হচ্ছে না। প্রতিদিন জেনারেল হাসপাতালে র্অধশতাধিক রোগীর ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হচ্ছে ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন, জেনারেল হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ডেঙ্গু র্কনার গঠন করা হয়েছে । হাসপাতালে র্ভতি সবাই শংকা মুক্ত তবে ঈদুল আজহার কারনে ঢাকার সবাই জেলামুখি হওয়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে। তিনি ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়েছে এবং আতঙ্কিত না হয়ে জেনারেল হাসপাতালে এসে ডেঙ্গু পরীক্ষা ও ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিতে বলেন ।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু আতংক বিরাজ করছে- ২ শতাধিকের উপর ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত

ফেসবুকে আমরা..