botv নিউজ:

হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের হৃদয়ভূমি আমাদের এই প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ। এদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। বাংলাদেশের যে অঞ্চলসমূহ সংগীত, শিল্প-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়ে আছে তার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা অন্যতম। এই জেলাকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী বললে বোধ হয় বেশি বলা হবে না। তিতাস বিধৌত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংগীত, শিল্প সাহিত্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতির তীর্থ ক্ষেত্র রূপে ভারতীয় উপমহাদেশে সুপরিচিত একটি জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। গানের দেশ গুনীর দেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া যেন জ্ঞানী-গুনীর খনি স্বরূপ। অসংখ্য জ্ঞানী-গুনীর বিভিন্ন অবদানের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপমহাদেশব্যাপী ও বিশ্বব্যাপী আজ পরিচিত।

মেঘনা-তিতাসের পলি মাটির আবাহনে বাঁধা এ ভূখন্ড লোক সংস্কৃতির দিক থেকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ। সামাজিক ও ভূ-প্রকৃতির বিন্যাস, নদ-নদী ও জলবায়ুর প্রভাব, জনবসতির ধরন, লোকসমাজের আচার বিশ্বাস, সংস্কৃতি-ঐতিহ্য এবং নিরন্তর, পরিবর্তনশীল মানসিক পরিমন্ডলের মধ্যদিয়ে গড়ে উঠেছে এখানকার বিচিত্র বহুমাত্রিক এবং অভ্যন্তরীণ গতিশীলতায় সমৃদ্ধ লোক সংস্কৃতি। বস্তুধর্মী ও সাহিত্যধর্মী উভয় শ্রেণীর লোক সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ঐশ্বর্যশালী। তিতাস নদী আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। তিতাস অববাহিকায় কিংবা পলি কাদায় জন্মগ্রহণ করেছে বিশ্ববিখ্যাত অনেক কৃতী সন্তান। সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ থেকে শুরু করে শচীন দেব বর্মন ও সুবল দাস পর্যন্ত সুরের যে ইন্দ্রজাল সৃষ্টি হয়েছে তা এখন সৈয়দ আব্দুল হাদীর মাধ্যমে স্থায়ীভাবে সুদৃঢ় ভিত্তিমূলের উপর প্রতিষ্ঠিত।

অপরদিকে এই জেলায় জন্মগ্রহণ করেছে বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ফখরে বাঙাল আল্লামা তাজুল ইসলাম ও ভাষাসৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযম। মোগল আমলে নির্মিত সরাইলের আরফাইলের মসজিদ ও হাতিরপুল, কালভৈরব মন্দির, খড়মপুরের কেল্লাশাহ মাজার, নবী নগরের সতীদাহ মন্দির, বাঁশীহাতে শিবমূর্তি, সাধক মনমোহনের আনন্দ আশ্রম, হাছান শাহ মাজার, কসবার কৈলাঘর দূর্গ, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তাফা কামালের কবর এ জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্যকে স্মরণ করে দেয়। এ জেলার ছানামুখী মিষ্টি, বিলম্বী ফল। বিলম্ব যা সারাদেশে (দু্রাপ্য), মৃৎশিল্প, তাঁত শিল্প, যাত্রা, তিতাসে নৌকাবাইচ, পুতুল নাচ, সরাইলের মোরগের লড়াই সারা দেশজুড়ে খ্যাতি লাভ করেছে।

###

সাহিত্য-সংস্কৃতি তীর্থভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: 

শিল্প-সংস্কৃতি, শিক্ষা-সাহিত্যে দেশের অন্যমত অগ্রণী জনপদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া। সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ, ব্যারিস্টার এ রসুল, নবাব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা, কথা সাহিত্যিক অদ্বৈত মল্ল বর্মণ, কবি আবদুল কাদির, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তসহ বহু জ্ঞানী গুনীর জন্মধন্য জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
শহরের বাণিজ্য কেন্দ্র আনন্দবাজার ও টানবাজার। আনন্দবাজার, টানবাজার, জগৎবাজার, মহাদেব পট্টি, কালাইশ্রী পাড়া, মধ্যপাড়া, কাজীপাড়া ও কান্দিপাড়া শহরের পুরাতন এলাকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর শিল্প-সাহিত্য ও শিক্ষা-সংস্কৃতির ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। এ শহরকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয় অর্থনীতিতেও ব্যাপক অবদান রাখছে। তিতাস গ্যাস ফিল্ড, সালদা গ্যাস ফিল্ড, মেঘনা গ্যাস ফিল্ড দেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ যোগায়। আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের ২য় বৃহত্তম বিদ্যুৎউৎপাদন কেন্দ্র। আশুগঞ্জ সার কারখানা দেশের ইউরিয়া সারের অন্যতম বৃহত্তম শিল্প কারখানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্প সংস্কৃতির ধারক ও বাহক এবং দলমত নির্বিশেষে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল মিলন মেলা হিসেবে এ দেশের মানচিত্রে বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত।
জেলার আশুগঞ্জে সার কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে। জেলার কয়েক শতাব্দী ধরে তাঁত বস্ত্রের জন্য বিখ্যাত। উনবিংশ শতাব্দীতে সরাইলে তানজেব নামক বিখ্যাত মসলিন বস্ত্র তৈরি হতো।
বৃটিশ আমল থেকে রাধিকার বেতের টুপি তৈরি হচ্ছে। জেলার চম্পকনগরে নৌকা তৈরি হয়। প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিখ্যাত। জেলার তিনটি গ্যাস ফিল্ড রয়েছে। এ তিনটি গ্যাস ফিল্ড হচ্ছে- তিতাস, মেঘনা ও সালদা নদী গ্যাস ফিল্ড। বলতে গেলে দেশের অন্যতম চালিকা শক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস। জেলার ১৯৮৫ সালেই গড়ে উঠেছে বিসিক শিল্পনগরী।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে উল্লেখযোগ্য খেলার স্থানসমূহ হলো –নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়াম, কাউতলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নিয়াজ মোহাম্মদ স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন, কলেজপাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, অন্নদা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় বডিং মাঠ, হালদারপাড়া ইত্যাদি।

তিতাস নদীর শান্ত প্রকৃতি দেখার মত একটি স্থান। এছাড়া তিতাস গ্যাস ফিল্ড পরিদর্শন করার মত একটি স্থান। আশুগঞ্জ ও ভৈরব বাজারের মধ্যবর্তী মেঘনা নদীর উপর ভৈরব রেলওয়ে সেতু তৈরি হয়েছে তা যে কারও মনে দোলা দেবে। এর পাশ ঘেষেই বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এরফলে পূর্বের ফেরিঘাটের তুলনায় প্রায় ২ ঘন্টা সময় সাশ্রয় হয়েছে এবং পূর্বাঞ্চলের সাথে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিরাট বিপ্লব ও উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।
এছাড়াও, আরাফাইল মসজিদ (সরাইল), উলচাপাড়া মসজিদ (সদর), ভাদুঘর শাহী মসজিদ (সদর), কালভৈরব মন্দির (সদর), সৈয়দ কাজি মাহমুদ শাহ মাজার কাজিপাড়া (সদর), বাসুদেব মূর্তি (সরাইল), ঐতিহাসিক হাতিরপুল (সরাইল), খরমপুর মাজার (আখাউড়া), কৈলাঘর দূর্গ (কসবা), কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ (কসবা), বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের কবর (আখাউড়া), সৌধ হিরন্ময়, শহীদ মিনার, তোফায়েল আজম মনুমেন্ট, শহীদ স্মৃতিসৌধ, মঈনপুর মসজিদ (কসবা), বাঁশী হাতে শিবমূর্তি (নবীনগর), আনন্দময়ী কালীমূর্তি (সরাইল) ইত্যাদি এবং আর্কাইভ মিউজিয়াম অন্যতম।

সাংস্কৃতিক রাজধানী ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সকল প্রতিষ্ঠান

 

ইউনিয়ন

তেজখালী

পাহাড়িয়াকান্দি

দরিয়াদৌলত

সোনারামপুর

দড়িকান্দি

ছয়ফুল্লাকান্দি

বাঞ্ছারামপুর

 আইয়ুবপুর

ফরদাবাদ

১০

রূপসদী

১১

ছলিমাবাদ

১২

উজানচর

১৩

মানিকপুর

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ

উপজেলার আয়তন    =২১৭.৩৮ বর্গকিঃমিঃ।

ইউনিয়ন সংখ্যা             =১৩

মৌজা সংখ্যা                 = ৭৪

গ্রাম সংখ্যা                     =১২১

খানা সংখ্যা                     =৫৯৬৯৯

সরকারি অফিস           =৩০

জনসংখ্যাঃ (২০১১সনের আদমশুমারি অনুযায়ী)

মোট জনসংখ্যা-২৯৮৪৩০

পুরুষ-১৩৯১১৮

মহিলা-১৫৯৩১২

মুসলিম-২৮৩৬৩৫

হিন্দু-১৪৭৮৯

খ্রিষ্টান-৫

বৌদ্ধ-১

 

কৃষি ও খাদ্যঃ

ভূমি-৪৬২৮৫ একর।

আবাদিজমি-৩২৪০০ একর।

অনাবাদি-১৩৮৮৫একর।

নদী-৭৪৩৩ একর।

এক ফসলি-১০৩২২ একর।

দুই ফসলি-১৪৭৪৫ একর।

তিন ফসলি-৪৪২৩ একর।

খাদ্যউৎপাদন (২০১২-২০১৩)-৪৮৮৫৫ মেঃটন।

খাদ্য চাহিদা———৫৩০৪৭ মেঃটন

ঘাটতি————-৪১৯২ মেঃটন

খাদ্য গুদাম——–১

 

সেচঃ-

গভীর নলকূপ———-নাই

অ-গভীর নলকূপ———১৫৮৩

শক্তিচালিতনলকূপ——–২২১

সেচকৃতজমি———–২৩৮৫৩ একর

স্বাস্থ্য ও পরিবারপরিকল্পনাঃ-

পরিবার কল্যানকেন্দ্র——-১০

সরকারিহাসপাতাল——১

উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র্———২

বে-সরকারি হাসপাতাল—-৪

ক্লিনিক—১

সরকারি ডাক্তার পদ সংখ্যা–২২

কর্মরত সরকরি ডাক্তার—১৪

ডাক্তার অনুপাত জনসংখ্যা- ১:১৩৫৬৫

শিক্ষা:

সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়——–৯৩

বে-সরকারি রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয়——২৬

কে.জি. স্কুল——-৫২

ব্রাক স্কুল———৫

ইবতেদায়ী/দাখীল মাদ্রাসা—–৫

আলীম মাদ্রাসা————৩

ফাজিল সাদ্রাসা—-নাই

কামিল মাদ্রাসা—নাই

কওমী মাদ্রাসা——–১০

এতিম খানা—-৮

বে-সরকারউিচ্চবিদ্যালয়-২০

বে-সরকারি জুনিয়র উচ্চবিঃ—১

সরকারি টেকনিক্যালস্কুল এন্ড কলেজ—১

বে- সরকারি কলেজ———৫

মসজিদ—————–৫২৮ (প্রায়)

মন্দির——————৮ (প্রায়)

যোগাযোগঃ

কাঁচা রোড———২১৭ কিমিঃ

আধা পাকা রোড—–৫ কিমিঃ

পাকারোড——- ১৩৭ কিমিঃ

নৌ-পথ———১৮২ কিঃমিঃ

ব্রীজ————২০

কালবার্ট————–১৯৭

পোস্ট অফিস—–১৮

টেলিগ্রাফ অফিস- ১

টেলিফে্ন এক্সচেঞ্জ–১

ব্যাংকঃ

সোনালী ব্যাংক–২

জনতা ব্যাংক–৩

কৃষি ব্যাংক–৩

অগ্রনী ব্যাংক–২

ইসলামী ব্যাংক-১

গ্রামীন ব্যাংক-১

ব্রাক ব্যাংক-১

ডাচ-বাংলা ব্যাংক-১

মৎস্য সম্পদঃ

জল মহালু ২৪, আয়তন-৯৩৪ একর

মৎস খামার-৫০,আয়তন-৩৩ একর

পুকুর—১৩১০, আয়তন-২০৮ একর

হ্যাচারী—-নাই

পোনা উৎপাদন কেন্দ্র (নার্সারী)—৬

বার্ষিক পোনা উৎপাদন——-৮৩৫০০০০ টি

বার্ষিক মাছ উৎপাদন——-৬৪৭০ মে:টন

প্রানিসম্পদঃ

কৃত্রিম প্রজনন উপ- কেন্দ্র——-১, পয়েন্ট-৪ টি

মুরগি খামার (লেয়ার)-৪

মুরগিখামার(ব্রয়লার)—-৬৭

হাসের খামার  (লেয়ার)-২ টি

দুগ্ধ খামার—–৪৭

ছাগলের খামার–১০

 

 

 

 

বিবিধঃ

বিদ্যুতায়িত গ্রাম—১২১

সিনেমাহল-১

ডাক বাংলো-১

প্রাকৃতিক গ্যাস কূপ-১

হাট/বাজার(বড়ছোটসকল)-২৮

প্রেস ক্লাব-১

মুক্তি যোদ্ধা সংসদ—-১

মোট মুক্তিযোদ্ধা—–৬৮২

মহিলা সমবায় সমিতি—–৫৮

মৎস সমবায় সমিতি—–২৭

তাঁতি সমবায় সমিতি—-৬৯

ক্ষুদ্র ঋন/বহুমুখি সমবায়সমিতি—–৭৯

আদর্শ সমবায় সমিতি-৪

সঞ্চয়দান সমবায় সমিতি-৫

কৃষক সমবায় সমিতি-১৭৩

বিত্তহীন  সমবায় সমিতি-৪১

ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি-১৫

রেজিঃক্লাব——–১

 

এক নজরে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা

নবীনগর উপজেলার সকল প্রতিষ্ঠান

 

বড়াইল

বীরগাঁও

কৃষ্ণনগর

নাটঘর

বিদ্যাকুট

পূর্ব নবীনগর

পশ্চিম নবীনগর

বিটঘর

শিবপুর

১০

শ্রীরামপুর

১১

জিনোদপুর

১২

লাউর ফতেপুর

১৩

ইব্রাহিমপুর

১৪

সাতমোড়া

১৫

শ্যামগ্রাম

১৬

রাসুল্লাবাদ

১৭

বড়িকান্দি

১৮

ছলিমগঞ্জ

১৯

রতনপুর

২০

কাইতলা দক্ষিন

২১

কাইতলা উত্তর

নবীনগর উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ

সাধারণ তথ্য:

জেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

উপজেলা

নবীনগর

সীমানা

এ উপজেলার উত্তরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উত্তরে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও রায়পুরা উপজেলা, দক্ষিনে মুরাদনগর উপজেলা, পূর্বে  কসবা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা, পশ্চিমে বাঞ্চারামপুর ও রায়পুরা উপজেলা।

 

জেলা সদর হতে দূরত্ব

২১ কি:মি:

আয়তন

৩৫৩.৬৬ বর্গ কিলোমিটার

জনসংখ্যা

 ৪,২০,০৩৮ জন (প্রায়) (২০০১ সনের আদমশুমারী)

পুরুষ

  ২,০৮,৩৪৭ জন (প্রায়)

মহিলা

 ২,১২,০৩৬জন (প্রায়)

লোক সংখ্যার ঘনত্ব

১৪৫০ (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে)

মোট ভোটার সংখ্যা

২,৭০,২২৭ জন

পুরুষভোটার সংখ্যা

১,২৬,২৭৮জন

মহিলা ভোটার সংখ্যা

১,৪৩,৯৪৯ জন

বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার

১.৩০%

মোট পরিবার(খানা)

৭৫৯৯৩ টি

নির্বাচনী এলাকা

২৪৭ ও ২৪৮ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ ও ৬ (নবীনগর ও বাঞ্চারামপুর)

গ্রাম

২১৭ টি

মৌজা

২৬১টি

ইউনিয়ন

২১টি

পৌরসভা

১টি

এতিমখানা  বে-সরকারী

০৯ টি (সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত-২টি)

মসজিদ

৫৪৭ টি

মন্দির

৩০ টি

নদ-নদী

৬টি

হাট-বাজার

৩৫ টি

ব্যাংক শাখা

২০ টি

পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস

২০টি

টেলিফোন এক্সচেঞ্জ

০১ টি

ক্ষুদ্র কুটির শিল্প

 ২৪০ টি

কৃষি:

মোট জমির পরিমাণ

২৭০০০হেক্টর

নীট ফসলী জমি

২৭০০০ হেক্টর

মোট ফসলী জমি

 ২৭০০০হেক্টর

এক ফসলী জমি

৭৬৭০  হেক্টর

দুই ফসলী জমি

১৫৪৭০ হেক্টর

তিন ফসলী জমি

৩৮৬০ হেক্টর

গভীর নলকূপ

৩৫টি

অ-গভীর নলকূপ

৭৬৬টি

শক্তি চালিত পাম্প

৮৪২ টি

ব্লক সংখ্যা

৬০ টি

বাৎসরিক খাদ্য চাহিদা

৭৮৪৪৪  মেঃ টন, উৎপাদন-৮০৫১৬ মেঃ টন

নলকূপের সংখ্যা

৬০২৭ টি সরকারী আর্সেনিকমুক্ত ও ৩২৩১১ বেসরকারি

শিক্ষা:

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৪৪ টি

বে-সরকারী রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়

৭২ টি

কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৬ টি

আনঃ রেজি বেসরকারী

০৩টি

সেটেলাইট

১১টি

জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়

০৪ টি

উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা

৩৯ টি

উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা)

০৫ টি

দাখিল মাদ্রাসা

০৯ টি

আলিম মাদ্রাসা

০১ টি

ফাজিল মাদ্রাসা

০৪ টি

কামিল মাদ্রাসা

০২ টি

কলেজ(সহপাঠ)

০৯ টি

কলেজ(বালিকা)

০১ টি

শিক্ষার হার

৬৮.৬২%
স্বাস্থ্য:

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

০১ টি

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

১৬ টি

বেডের সংখ্যা

৫০ টি

ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা

৩৭ টি

কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা

ইউএইচসি ১৭, ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৬, ইউএইচএফপিও ১টি মোট= ৩৪ টি

সিনিয়র নার্স সংখ্যা

১৫ জন। কর্মরত=১৩ জন

সহকারী নার্স সংখ্যা

০১ জন

ভূমি:

মৌজা

২৬১টি

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

১৫ টি

মোট খাস জমি

২০০৯.৩৪ একর

কৃষি

৮৮৯.২১ একর

অকৃষি

১১২০.১৩ একর

বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি

৩৯৭.১৮ একর (কৃষি)

বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(দাবী)

সাধারণ=৩৮,৬০,২৮০/-
সংস্থা = ১,৮৮,০৪,৭৪৭/-

বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(আদায়)

সাধারণ ৫৩,৭৮,৮৮২/-

সংস্থা ৭৬,০৯৯/-

হাট-বাজারের সংখ্যা

৩৪টি

 

পরিবার পরিকল্পনা:

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

১১ টি

উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র

০৮ টি

স্যাটেলাইট ক্লিনিক

৯৬ টি

কমিউনিটি ক্লিনিক

৪০ টি

সক্ষম দম্পতির সংখ্যা

৮৩,২০২  জন

মৎস্য:

পুকুরের সংখ্যা

৩০৭৯ টি

মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার সরকারী

০১ টি

বাৎসরিক মৎস্য চাহিদা

৬৩০০ মেঃ টন

বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন

৮০০০ মেঃ টন

প্রাণি সম্পদ:

উপজেলা পশু চিকিৎসা কেন্দ্র

০১ টি

পশু ডাক্তারের সংখ্যা

০২ জন

কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র

০১ টি

উন্নত মুরগীর খামারের সংখ্যা

১১ টি

লেয়ার ৮০০ মুরগীর উর্ধ্বে· ১০-৪৯ টি মুরগী আছে, এরূপ খামার

অসংখ্য

গবাদির পশুর খামার

২২ টি

ব্রয়লার মুরগীর খামার

৯৬ টি

 

এক নজরে নবীনগর উপজেলা

আখাউড়া উপজেলার সকল প্রতিষ্ঠান

ফেসবুকে আমরা..