খবর বিজ্ঞপ্তি:

বিশ্বজিৎ পাল বাবু , সেরা জেলা প্রতিনিধি-২০১৭ইং জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ, নিবার্চিত হওয়ায়  পাঠক সংগঠন শুভসংঘ ও আ ব র নি-সামাজিক সাংস্কৃতিক  সংগঠন দুটি পৃথক ভাবে অভিনন্দন জানিয়েছে।

১০ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে কালের কণ্ঠের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি উপলক্ষে ঢাকার বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের গুলনকশায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে সেরা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে ঘোষনা করা হয়।

জাতীয় দৈনিক “কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু দ্বিতীয় বারের মতো  কালের কণ্ঠের সেরা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে গত ২০১৪ সালেও বিশ্বজিৎ পাল বাবু সেরা জেলা প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

প্রতিষ্টাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের  চেয়ারম্যান ও কালের কণ্ঠের কর্ণধার আহমেদ আকবর সোবাহান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবুর হাতে “সেরা জেলা প্রতিনিধির” ক্রেস্ট তুলে দেন। এ সময় কালের কণ্ঠের সম্পাদক  ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শুভ সংঘ ও আ ব র নি সংগঠনের অভিনন্দন

জীবনবৃত্তান্ত:

হাবিবুর রহমান পারভেজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মধ্যপাড়ায় ১৯৮৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর বোধবার রাতে নানার বাড়ী জন্মগ্রহন করেন।তিনি বাবা মা র প্রথম সন্তান। বাবা মো. হোসেন আলী পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং তাবলীগ জামাতের আমীর আর মাতা মোছা. ঝরনা বেগম একজন সরকারি কর্মচারী। তার একমাত্র ছোট ভাই সায়েদুর রহমান হ:ক: প্রবাসী। দাদার বাড়ি ব্রাহ্মবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার উত্তর আরিফাইল।

শিক্ষাজীবন:

হাবিবুর রহমান পারভেজ ১৯৯৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয় শহরের পৌর আর্দশ কিন্ডার গার্টেন স্কুল থেকে ৫ম শ্রেনী পাশ করেন।তারপর মায়ের চাকুরীর সুবাদে জেলার নবীনগর উপজেলার বীরগাও উ”চ বিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালে বিঞ্জানে প্রথম বিভাগ এস এস সি পাশ করে ব্রাহ্মণব্রাড়িয়া সরকারি কলেজে ব্যবসায়ী বিভাগে ভর্তি হয়। রাজিনীতিতে জড়িয়ে পরার কারণে সে প্রথম বছর পাশ করতে পারেনি, তবে ২০০৩ সালে এস এইচ সি পাশ করে। এরপর রাজনীতি সংস্কৃতি আর সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে ২০০৭ সালে বি কম পাশ করে আর এগুতে পারেনি, তবে ছাত্রত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য ২০০৯ সালে প্রইম বিশ্ববিদ্যালয়ে এল এল বি তে ভর্তি হয়। কিš‘ কর্মজীবন রাজনীতি সংস্কৃতি আর সাংবাদিকতা এই চতুর্থমুখী ব্যবস্ততার জন্য পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। পরে মাননীয় এমপি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী মহোদয়ের সহায়তায় ২০১৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইণ কলেজ থেকে এল এল বি পাশ করেন।

কর্মজীবন:

শিক্ষাজীবন থেকেই কর্মজীবন শুরু হয়। সেটা হল ২০০৪ সাল থেকে গণ উন্নয়ন সং¯’া নামক এ জি ও র একটা শেওয়াবি প্রকল্পের  অফিস সহকারি পদের মাধ্যমে আখাউড়া পৌরসভায়। ৪ বছরের প্রকল্প শেষে ২০০৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভায় একই প্রকল্পের সুপারভাইজার হিসেবে যোগদান করেন। কাজ করেন ২০১০ পর্যন্ত। তারপর ২০১১ সালের শেষের দিকে জননেত্রী শেখ হাসিনার একটি বড়ি একটি খামারে সদর উপজেলায় মাঠ সহকারি হিসেবে যোগ দেয়। ২০১৪ সালে ফিল্ড সুপারভাইজারে পদন্নতী লাভ করে। ২০১৬ সারের ৩০ জুন পর্যন্ত এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষে পল্লী সঞ্ছয় বাংকে ¯’ানান্তর হবে সিদ্ধান্ত হলেও পরে আবার ২০২০ ইং সাল পযর্ন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয় ।

 

রাজনৈতিক জীবন:

ধর্মভীরু পরিবারের হলেও ছোট বেলা থেকেই  তার মধ্যে নেত্রিত্বের গুনাবলী ছিল। কলেজের ভর্তি পরপরই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জরিয়ে পরে। কলেজের পাশাপাশি এলাকায়ও তার জনপ্রিয়তা ছিল। তাই প্রথমেই ২০০১ সালে মধ্যপাড়া শান্তিবাগ ছাত্রলীগের সম্মেলনের মাধ্যমে বিনাপ্রতিদ্ব›িদ্বতায় সাধারণ সম্পদক  হয়। ২০০৪ সালেও একই কায়দায় ৩নংওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নিবার্চিত হয়। এরপর ২০০৬ সালে ব্রাহ্মবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহ-সভাপতি ও পরে ২০১১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়কের দায়িত্ব গ্রহন করেন এবং ২০১৩ সালে একটি সুন্দর সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে বিদায় নেই।

সাংস্কৃতিক জীবন:

মায়ের চাকুরীর কল্যাণে গ্রামের স্কুলে লেখাপড়ার কারণে হাবিবুর রহমান পারভেজ এমনিতেই সংস্কৃতিমনা ছিলেন। গ্রামের স্কুলে যদি কখনও কবিতা আবৃত্তি, ছবি আকা প্রতিযোগিতা হতো তাতে অংশগ্রহণ করতেন। তবে ২০০০ সালে তিতাস সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের সদস্য দিয়ে সাংগঠনিক চর্চা শুরু করেন। ২০০৪ সালে তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারি পরিচালক, ২০০২ সালে যুগান্তর স্বজন সমাবেশের বাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, ২০০৫ সালে বন্ধুসভার সহ-সভাপতি, ২০০৮ সালে জে জে ডি ফ্রেন্স ফোরামের যুগ্ম-আবায়ক, ২০০৯ সালে ঘাতক-দালাল র্নিমূল কমিটির প্রচার সম্পাদক, ২০১০ সালে শুভসংঘ পাঠক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হয়ে কাজ করেন। আর ২০১২ সালে নিজে নির্বাহী পরিচালক হয়ে আ ব র নি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে সাংস্কৃতিক জগতে সফলতার সহিত এগিয়ে যায়। ২০১৩ সালের শেষের দিকে বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আহবায়কের দায়িত্ব গ্রহন করেন এবং ২০১৪ সালে জেলা নাগরিক  ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এছাড়া তিনি জেলা শিল্পকলা একাডেমী, পাবলিক লাইব্রেরী, রেড ক্রিসেন্ট, এপেক্স ক্লাব ও সম্মিলিত সাংস্কৃতি জোটের সাথে যুক্ত আছে।

সাংবাদিকতা:

সংগঠনের প্রেস-বিঞ্জতি  লেখতে লেখতে সাংবাদিকতা প্রতি তার আগ্রহ সৃস্টি হয়। ২০০৩ সালে এস এইচ সি পাশ করে ¯’নীয় দৈনিক তিতাসকন্ঠ পত্রিকার মাধ্যমে কাজ শুরু করেন। তারপর জাতীয় দৈনিক ভীমরুল এবং ২০০৮ সালে শেষ দিকে নতুন করে বের হওয়া জাতীয় দৈনিক বাংলদেশ সময় পত্রিকায ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুযোগ পায়। কিš‘ পত্রিকাটা বেশি ভাল করেনি সেই সাথে তার ও সাংবাদিকতায় ভাটা পরে। পরে অবশ্যই ২০০৩ সালে ছাত্ররাজনীতি শেষে এশিয়ান টিভির জেল প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করে এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন।

চলছে….চলবে….

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভির প্রকাশক -সম্পাদকের কথা

সিভিল সার্জন কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয় ফোন-০৮৫১-৬১২৫৫
ফ্যাক্স-০৮৫১-৫৮৫০৩
জেলা সদর হাসপাতাল , ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ০৮৫১-৫৯২৮২।
brahmanbaria@hospi.dghs.gov.bd .
বক্ষব্যাধি ক্লিনিক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ফোন-০৮৫১-৫৮৬৯২
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার কার্যালয় , সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ফোন- ০৮৫১-৫৮৬১৩
brahmanbaria@uhfpo.dghs.gov.bd .
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার কার্যালয় , সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ফোন- ০৮৫২৭-৫৬০০২

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার কার্যালয়, নাছিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ফোন- ০৮৫১-৫৮৬১৩

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার কার্যালয় , আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ফোন- ০৮৫২২-৫৬০৬৬

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার কার্যালয় , কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ফোন- ০৮৫২৪-৭৩০১১

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার কার্যালয় , নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।ফোন- ০৮৫৫২৫-৭৫৩৩৩

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার কার্যালয় , বাঞ্ছারামপুর , ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ফোন- ০৮৫২৩-৫৬০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও ক্লিনিকের নাম্বার সমূহ:

নিউজরুম:

আপনার প্রয়োজনে আমাদের সহযোগিতা নিন, আপনাদের যে কোনো ধরনের প্রয়োজন মিঠানোই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। মানব জীবনের মৌলিক চাহিদা (খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান) থাকে শুরু করে চাহিদা পূর্ণ করে বিলাসিতা আর নির্ভরতার পৌছে যাবে আপনার ঘরের দরজায়।

বিশ্বাস হচ্ছে না তো….?

একবার ফোন দিয়েই দেখুন না…!

এই নাম্বারগুলোতে…..

০১৭১৭-৪৫৪৬৪৬,

০১৭৫৫-৩৬১১৮০,

০১৭১২-৭৮৫৬৯০।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাপোর্ট পয়েন্ট (হোম সার্ভিস)

ক্রমিক নং

                                কর্মকর্তাদের নাম ও পদবী

মোবাইল নম্বর

০১.

জেলা প্রশাসক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০১

০২.

উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০২

০৩.

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০৩

০৪.

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০৪

০৫.

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আই সি টি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০৫

০৬.

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০৬

০৭.

নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০৭

০৮.

রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০৮

০৯.

ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২০৯

১০.

জেনারেল সার্টিফিকেট অফিসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২১০

১১.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাধারণ শাখা

০১৭০৫-৪১১২১১

১২.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জে এম শাখা

০১৭০৫-৪১১২১২

১৩.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা

০১৭০৫-৪১১২১৩

১৪.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, রেকর্ড রম্নম শাখা

০১৭০৫-৪১১২১৪

১৫.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সংস্থাপন শাখা

০১৭০৫-৪১১২১৫

১৬.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আই সি টি শাখা

০১৭০৫-৪১১২১৬

১৭.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আর এম শাখা

০১৭০৫-৪১১২১৭

১৮.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা

০১৭০৫-৪১১২১৮

১৯.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ট্রেজারী শাখা

০১৭০৫-৪১১২১৯

২০.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, গোপনীয় শাখা

০১৭০৫-৪১১২২০

২১.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, লাইব্রেরী শাখা

০১৭০৫-৪১১২২১

২২.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ফরমস এন্ড স্টেশনারী শাখা

০১৭০৫-৪১১২২২

২৩.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, প্রবাসী কল্যাণ শাখা

০১৭০৫-৪১১২২৩

২৪.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, তথ্য ও অভিযোগ শাখা

০১৭০৫-৪১১২২৪

২৫.

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ই-সেন্টার

০১৭০৫-৪১১২২৫

২৬.

জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা

০১৭০৫-৪১১২২৬

২৭.

সি,এ টু ডি সি (অফিস), ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২২৭

২৮.

সি,এ টু ডি সি (বাংলো), ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২২৮

২৯.

জেলা নাজির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

০১৭০৫-৪১১২২৯

৩০.

জেলা প্রশাসকের গানম্যান

০১৭০৫-৪১১২৩০

৩১.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর

০১৭০৫-৪১১২৩১

৩২.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নাসিরনগর

০১৭০৫-৪১১২৩২

৩৩.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সরাইল

০১৭০৫-৪১১২৩৩

৩৪.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আশুগঞ্জ

০১৭০৫-৪১১২৩৪

৩৫.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বিজয়নগর

০১৭০৫-৪১১২৩৫

৩৬.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নবীনগর

০১৭০৫-৪১১২৩৬

৩৭.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আখাউড়া

০১৭০৫-৪১১২৩৭

৩৮.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কসবা

০১৭০৫-৪১১২৩৮

৩৯.

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বাঞ্ছারামপুর

০১৭০৫-৪১১২৩৯

৪০.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর

০১৭০৫-৪১১২৪১

৪১.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), নাসিরনগর

০১৭০৫-৪১১২৪২

৪২.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), সরাইল

০১৭০৫-৪১১২৪৩

৪৩.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), আশুগঞ্জ

০১৭০৫-৪১১২৪৪

৪৪.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), বিজয়নগর

০১৭০৫-৪১১২৪৫

৪৫.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), নবীনগর

০১৭০৫-৪১১২৪৬

৪৬.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), আখাউড়া

০১৭০৫-৪১১২৪৭

৪৭.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), কসবা

০১৭০৫-৪১১২৪৮

৪৮.

সহকারী কমিশনার (ভূমি), বাঞ্ছারামপুর

০১৭০৫-৪১১২৪৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের মোবাইল নাম্বার:

 

তিতাস পাড়ের ব্যাক্তিত্ব :

জেলার সাহিত্য ইতিহাস খুঁজতে গেলে খুব বেশি দূর অতীতে যাওয়া যায় না। জেলার সাহিত্য চর্চার বিকাশ ঘটে আধুনিককালে এসে। সাধক কবি মীর্জা হোসেন আলী থেকে অদ্যাবধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্য বৈশিষ্ট্য বিশেষ গৌরবজনক। মানুষ ও মনুষ্যত্বের বিষয়ে আপসহীন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্য পরিবেশ মীর্জা হোসেন আলী থেকে কবি আল মাহমুদ এবং সাধক কবি মনোমোহন থেকে অদ্বৈতমল্লবর্মণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্যের উজ্জ্বল অধ্যয়। মীর্জা হোসেন আলী, বানচন্দ্র তর্কালঙ্কর, মুন্সি ছমির উদ্দিন, দেওয়ান রামদুলাল নন্দী, কৈলাসচন্দ্র সিংহ, সাধক মনোমোহন ছান্দসিক প্রবোধচন্দ্র সেন, কবি সুফী জুলফিকার হায়দার, কবি আব্দুল কাদির, কবি জমিলা বেগম, জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, গবেষক আ কা মো. যাকারিয়া, ইতিহাস গবেষক ড. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, কবি সানাউল হক, কবি ছড়াকার সাজজাদ হোসাইন খান, কবি আহমদ রফিক, সাহিত্যিক মিন্নাত আলী, কবি মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ, কবি ফজল শাহাবুদ্দীন, কবি আল মাহমুদ, মোবারক হোসেন খান, সাংবাদিক ও গবেষক মুহম্মদ মুসা, কবি মনজুরে মওলা, কথা সাহিত্যিক হাসনাত আবদুল হাই, তিতাস চৌধুরী, কবি শিহাব সরকার, শিশু সাহিত্যিক আলী ইমাম প্রমুখ কবি, সাহিত্যিক ও গবেষকগণ জেলা সাহিত্য চর্চা ও বিকাশে ব্যাপক অবদান রেখেছেন এবং বর্তমানেও রাখছেন।

কালোত্তর ব্যক্তিত্ব :

তৎকালীন পূর্ববঙ্গের অগ্রসর অঞ্চলগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্যতম। আধুনিক শিক্ষার প্রভাবে জেলা জন্ম দিয়েছে অনেক শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক, সমাজ সংস্কারক তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঈসা খাঁ মসনদ এ আলা, নবাব সিরাজুল ইসলাম, রামকানাই দত্ত, মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য, নওয়াব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা, বিপ্লবী অখিল চন্দ্র দত্ত, ব্যারিস্টার আব্দুল রসুল, মাওলানা মোহাম্মদ হুসাইন (রহ.), মাওলানা রুকন উদ্দিন, বিশ্ববিখ্যাত রাজনীতিবিদ ও ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যাপক গোলাম আযম, বিপ্লবী উল্লাসকর দত্ত, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, কৃষক নেতা আব্দুল মালেক, মৌলবী জিল্লুর রহমান, আব্দুল কুদ্দুছ মাখন, ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক হরলাল রায়।

ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব :

জেলা ইসলাম প্রচার ও প্রসারে যুগে যুগে অসংখ্য ধর্ম প্রচারকের আগমন ঘটে এই অঞ্চলে। তারা এ অঞ্চলে ধর্ম প্রচারে ব্যাপক অবদান রাখেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য– হযরত সৈয়দ আহমদ গেদুদারাজ কল্লা শহীদ, হযরত কাজী মাহমুদ শাহ, হযরত শাহ সুফী আব্দুল খালেক, ফখরে বাঙ্গাল আল্লামা তাজুল ইসলাম, হযরত মৌলানা আসগর আহমদ আল কাদরী, হযরত মাওলানা হাছান শাহ, মাওলানা সৈয়দ মুসলেহ উদ্দিন, সৈয়দ আব্দুল রাবী শাহ প্রমুখ। অন্যান্য ধর্মের মধ্যে শ্রী শ্রী মা আনন্দময়ী, সাধক আনন্দ নন্দী, সাধক মনোমোহন প্রমুখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার কৃতি সন্তান

ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান :

জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো হলো- আর ফাইলের মসজিদ (সরাইল), উলচাপাড়া মসজিদ (সদর), কাল ভৈরব মূর্তি ও মন্দির (সদর), বাসুদেব মূর্তি (সরাইল), ঐতিহাসিক হাতিরপুল (সরাইল), কৈলাঘর দুর্গ (কসবা), ভাদুঘর মসজিদ (সদর) বাঁশীহাতে শিবমূর্তি (নবীনগর), আনন্দময়ী কালী মূর্তি (সরাইল), আর্কাইভ মিউজিয়াম (সদর) ইত্যাদি।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে তিতাস নদীতে নৌকা বাইচ, নবীনগরের ষাঁড় দৌড়, গরুর লড়াই, সরাইলের মোরগ লড়াই, বারনী বা বান্নি মেলা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দর্শনীয় স্থান সমূহ

সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা :

বাংলাদেশের আঞ্চলিক বা মফস্বল সংবাদপত্রের ইতিহাসের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এ ক্ষেত্রে একটা বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। উনিশ শতকের শেষার্ধে ত্রিপুরা জেলা তথা বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সংবাদপত্র ও সাময়িকীর উদ্ভব ও বিকাশ ঘটে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে স্থানীয় সংবাদপত্র মাসিক ঊষা (১৮৯৩) এবং মাসিক হীরা (১৮৯৪) প্রকাশিত হয়। সে সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে প্রকাশিত ঊষা, হীরা, জয়ন্তী ও সেবক পত্রিকা বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। গ্রাম থেকে পত্রিকা প্রকাশ বিশেষ করে চুন্টা প্রকাশ ও ‘পল্লী প্রদীপ’ জেলার সংবাদপত্র ও সাময়িকীর ইতিহাস এক উজ্জ্বল সূচনা করেছে। জেলায় সংবাদপত্র প্রকাশের ১১৮ বছরের এক সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। জেলা সংবাদপত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– মাসিক ঊষা (১৮৯৩), মাসিক হীরা (১৮৯৪), মাসিক সন্তান (১৯১৩), মাসিক পল্লী প্রদীপ (১৯২০), মাসিক চুন্টাপ্রকাশ (১৯২৬), মাসিক জয়ন্তী (১৩৪৬ বাংলা), মাসিক মা (১৯৬৯), মাসিক ভোলা (১৯৬৮), ত্রৈমাসিক আল বুশরা, প্রবাহ, সাহিত্য লোক, মান্দাল, ধূমকেতু, সাপ্তাহিক ত্রিপুরা বিকাশ, সেবক, তিতাস মা, প্রতিচ্ছবি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সাকিয়াত তিতাসের খবর, দৈনিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া, প্রজাবন্ধু, আজকের হালচাল, তিতাস কণ্ঠ, রাহবার, সমতট বার্তা, দিনদর্পন ইত্যাদি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা

নামকরণ :

বাংলাদেশে সেন বংশের রাজত্বকালে কোনো অভিজাত ব্রাহ্মণ পরিবার এ অঞ্চলে ছিল না। এতে পূজা অনুষ্ঠানে বেশ অসুবিধার সৃষ্টি হত। রাজা লক্ষণ সেন কারো মতে আদিশূর কান্যকুঞ্জ থেকে বেশ কয়েকটি ব্রাহ্মণ পরিবার আনয়ন করেন। সেই ব্রাহ্মণ পরিবারের বংশধরদের এক পরিবার বসতি স্থাপন করেছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মৌলভী পাড়া নামক স্থানে। এই প্রসিদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়ি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামের উৎপত্তি। অপর এক মতে, ত্রয়োদশ শতাব্দীর পূর্ব থেকে বৃহত্তর ত্রিপুরায় হিন্দুদের আধিক্য ছিল। আর সেই সময় এক অত্যাচারী ব্রাহ্মণ্যবাদের আবির্ভাব ঘটে। এই অত্যাচারী ব্রাহ্মণের হাত থেকে নিরীহ জনগণকে রক্ষার জন্য গাজী মাহমুদ শাহ (রাঃ) নামে এক ইসলামী বুজুর্গ ব্যক্তির আগমন ঘটে। তিনি অত্যাচারী ব্রাহ্মণদের এই এলাকা ছেড়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ‘ব্রাহ্মণ বের হয়ে যাও’ আদেশ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামের উৎপত্তি বলে অনেকে মনে করে থাকেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামকরণের ইতিহাস

ফেসবুকে আমরা..