ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কর্মকর্তা জনাব সানা উল্লাহ কে  সংবর্ধনা প্রদান করেন জুনিয়র অফিসার এসোসিয়েশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বেলা ১১টায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এর জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে
জেলা আঞ্চলিক কর্মকর্তার সুদক্ষ পরিচালনায়
২০২৩-২৪ অর্থ বছরে জেলার ৯ টি শাখায় ২ কোটি ৯ লক্ষ টাকা লাভবান হওয়ায় জুনিয়র অফিসার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়৷
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর অমৃত লাল সাহা৷
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো: জসিম উদ্দিন, জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্তি দত্ত, জেলা খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার, ডেইলি স্টারের জেলা প্রতিনিধি মাসুক হৃদয়।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ইফেখার রিফাত, নিশাদুল ইসলাম নিশাদ, নাসিফ জাবেদ নীলয় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা মাঠ সহকারী।
এসময় প্রধান অতিথি অমৃত লাল সাহা বলেন, আজকে আমাদের অর্থনীতির জীর্ণ দশা, অর্থনীতির যে নিম্নমুখী অবস্থা এর মধ্যে নিঃসন্দেহে এটি একটি প্রশংসার কাজ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করবে।
সেই সাথে সালা উল্লাহ কে কেন্দ্রীয় ভাবে শ্রেষ্ঠ জেলা অফিসার হিসেবে মনোনীত করার জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক জুনিয়র অফিসার এসোসিয়েশনের সভাপতি হাবিবুর রহমান পারভেজ সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো: তৈয়বুর রহমান ভূঁইয়া পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল জুনিয়র অফিসার গনকে কবি জয়দুল হোসেন এর লেখা কাব্যগ্রন্থ ‘মায়ের বুকের দুধের নহর’ উপহার দেওয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কর্মকর্তা সানা উল্লাহ কে কেন্দ্রীয় ভাবে শ্রেষ্ঠ জেলা অফিসার মনোনীত করার দাবী

বিওটিভি নিউজ :

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ সানা উল্লাহ কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন শাখা ব্যবস্থাপকগন।

সোমবার বেলা ১১ টায় ব্যাংক এর স্থায়ী কাযর্যালয়ে গত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে জেলার সব কয়টি শাখা লাভবান হওয়ায় তাকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এই বছর পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নীট লাভের পরিমান ২ কোটি ৯ লাখ টাকা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ৯ টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ও দায়িত্ব প্রাপ্ত জুনিয়র অফিসার গন।
তারা বলেন ডিও মহোদয়ের আঅক্লান্ত পরিশ্রম ও সঠিক দিক নির্দেশনায় এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

তাকে কেন্দ্রীয় ভাবে শ্রেষ্ঠ জেলা অফিসার হিসেবে মনোনীত করার জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।

জেলার সবকটি শাখা লাভবান হাওয়ায় ডিও সানা উল্লাহকে সম্মাননা প্রদান

 

বিও নিউজ: পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার সানা উল্লাহকে রবণ করেন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

৫ ই মার্চ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে ফুল দিয়ে বরণ করেন জেলায় কর্মরত জুনিয়র অফিসার দ্বিতীয় কর্মকর্তা (সাধারণ) হাবিবুর রহমান পারভেজ, জুনিয়র অফিসার নাহিদ হাসন, কম্পিউটার অপারেটর দ্বিতীয় কর্মকর্তা (টেকনিক্যাল) মো: নজরুল ইসলাম, জুনিয়র অফিসার মাহমুদা আক্তার, মাঠ সহকারী শিউলি আক্তার জবা, অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান আবেদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক( অতিরিক্ত) তৈবুর রহমান ভূইয়া রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

তিনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ছিলেন।

পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানা উল্লাহকে বরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সিরাজুল ইসলাম নামে এক র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীর জায়গা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা গ্রামের বিলকিছ বেগম নামে ওই ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই মো. শিমুল।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পৌর এলাকার দাতিয়ারা মৌজায় বি.এস ১৯ দাগে ১০ শতক জায়গার মধ্যে ৫ শতকে বিলকিছ বেগম ক্রয়সূত্রে স্বত্ববান ও ভোগদখলকারী এবং বাকি ৫ শতকে সিরাজুল ইসলামের অবস্থান। তবে সিরাজুল ইসলাম র‌্যাব-৯ জোনে কর্মরত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে বিলকিছ বেগমের জায়গা অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করে আসছে। সম্প্রতি বিলকিছ বেগম তার জায়গায় একাধিকবার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম বাধা দেয় এবং পরে তা ভেঙ্গে ফেলে। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। এমন কি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও সিরাজুল ক্ষমতাবলে জায়গা জবর দখল ও প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে আনা হয়। এ অবস্থায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত তারা নিজেরাই সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছে।

র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার দুপুরে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর হামলা ও ভাংচুরের শিকার হয়।

স্থানীয়রা জানান, ইউপি নির্বাচন পরবর্তী বিরোধ নিয়ে স্থানীয় নোয়াব আলী গোষ্ঠীর সাথে কাউসার মেম্বার গোষ্ঠী, হাজী গোষ্ঠী, মাইঝ গাঁও গোষ্ঠীসহ অন্তত ৭টি গোষ্ঠীর বিরোধ চলে আসছিল। গত ৬ মাস আগে কাউসার মেম্বারের মেয়ে নোয়াব আলী গোষ্ঠীর আব্দুল আহাদের ছেলে মহসীনের সাথে পালিয়ে যায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে আবারো বিরোধ দেখা দেয়। এরই জের ধরে বুধবার উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় কাউসার মেম্বার গোষ্ঠীর পক্ষে হাজী গোষ্ঠী, মাইঝ গাঁও গোষ্ঠীসহ অন্তত ৭টি গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরশাদুল ইসলাম বলেন, মেয়ে সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে তারা সংঘর্ষে বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন ও আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখতে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদক পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে শান্ত ও নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলার ভূমিকাও এই পদক প্রাপ্তির পিছনে ভূমিকা রাখে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ -২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পদক প্রদান করেন।

ওই অনুষ্ঠানে মোট ৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক দেয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহেরও উদ্বোধন করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের এই কৃতিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যরা আনন্দিত ও তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মনে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণও এই কৃতিত্বের গর্বিত অংশীদার ।
###

বিপিএম পদক পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
কালজয়ী উপন্যাসিক “তিতাস একটি নদীর নাম” উপন্যাসের রচয়িতা অমর কথাশিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মনের জন্মভিটায় ২য় বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে অদ্বৈত গ্রন্থমেলা-২০২৪। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত। এবারের মেলায় অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। তিনি লেখালেখির পাশাপাশি অদ্বৈত গবেষক হিসেবে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মৃত্যূবরণ করেন।

“শান্তনু কায়সার চাদঁপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাজনমেঘ গ্রামের মুন্সীবাড়িতে ১৯৫০ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সিরাজুল হক ও মা মাকসুদা খাতুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে অধ্যাপনাকে জীবনের ব্রত হিসেবে নেন। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরের পর তিনি কুমিল্লা নগরীতে থাকতেন এবং লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৪৫টি। তিনি ২০১৪ সালে প্রবন্ধে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন”। 

অদ্বৈত মল্লবর্মন স্মৃতি গ্রন্থাগার ও গবেষনা কেন্দ্রের আয়োজনে ২০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করবেন বরন্যে কথাশিল্পী ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন।

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গ্রন্থমেলার আহবায়ক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আ. কুদদুস সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন।

পুরষ্কার কমিটির আহবায়ক কবি জয়দুল হোসেন জানান, এবারের মেলায় (অদ্বৈত পুরষ্কার-২০২৪) পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার (মরণোত্তর)। পুরষ্কার হিসেবে থাকছে উত্তরীয়, সনদ ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।

এছাড়া তিনদিন ব্যাপি এই  বই মেলায় ভারত ও বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন। ২০টি স্টলে বই বিক্রির পাশাপাশি মঞ্চে আলোচনা, কবিতা পাঠ, দলীয় আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশন ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে এই মেলা  সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নিবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা সহ প্রেসক্লাবের প্রবীন নবীন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার অদ্বৈত পুরস্কার পাচ্ছেন অদ্বৈত গবেষক অধ্যাপক শান্তুনু কায়সার

স্টাফ রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌর শহরের খৈয়াসার এলাকায় অবস্থিত ৭তলা বিশিষ্ট সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার ভবন থেকে পালাতে গিয়ে ছয়তলার পাইপে আটকে থাকা মোঃ জহিরুল ইসলাম- (১০) নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা।
স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার আলমগীর হোসাইন জহিরুলকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত জহিরুল ইসলাম সরাইল উপজেলার আবদুল করিমের ছেলে। শিশু জহিরুল ইসলাম সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার নাজেরা শাখার ছাত্র।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার ফাইটার আলমগীর হোসাইন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ওই বহুতল বিশিষ্ট মাদরাসা ভবনে গিয়ে ছয়তলার পাইপে আটকে থাকে জহিরুল ইসলামকে উদ্ধার করি। দীর্ঘ ১ ঘন্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সালমা-সাঈদ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ বায়েজিদ আহমেদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য গত ১ জানুয়ারি এই মাদরাসা থেকে পালাতে গিয়ে সবুজ নামে নাজেরা শাথার এক ছাত্র ছয়তলার পাইপে আটকে গিয়েছিলো। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা সবুজকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করেছিলো।

বহুতল ভবনের পাইপে আটকে থাকা মাদরাসা ছাত্রকে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার

 

বিও টিভি নিউজ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনন্দঘন ও উৎসব মুখর পরিবেশে গত বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্নভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে একটানা ভোট গ্রহন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ১৫টি পদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতিসহ ৭টি এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি এবং অপর একটি পদে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান মামুন ৩২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের মোঃ সারোয়ার-ই- আলম পেয়েছেন ২৬৬ ভোট।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সাধারণ সম্পাদক পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থী সামসুজ্জামান চৌধুরী কানন পেয়েছেন ২০৫ ভোট।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউনুছ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১-পদে বশির আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২- পদে জাকারিয়া, সম্পাদক তথ্য ও প্রযুক্তি পদে এ.কে.এম শামসুল আলম, সম্পাদক কল্যাণ ও সংস্কৃতি পদে সাদ্দাম হোসেন মিশুক ও সদস্য পদে রাকিবুল ইসলাম সজিব জয়লাভ করেছেন।
অপরদিকে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ সভাপতি পদে কাজী এখলাছুর রহমান, সম্পাদক পাঠাগার ব্যবস্থাপনা পদে মোশারফ হোসেন সামি, অডিটর পদে সাদ্দাম হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে উম্মে সালমা আক্তার, সদস্য পদে অঞ্জয় চন্দ্র শর্মা ও কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মোঃ আরিফুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২৪-এর নির্বাচনি অফিসার অ্যাডভোকেট মোঃ ইসমাইল মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল শীট থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে আইনজীবী সমিতির ৬১৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৮৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
###

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত সভাপতি মামুন/সম্পাদক বাবুল

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনশত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী বার্ষিক মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার শহরের পূর্ব মেড্ডা এলাকায় বৈদিক পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসব উদ্বোধন করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুরোহিত ও ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর দুপুরে জীব জগতের কল্যান কামনায় সপ্তশতী চন্ডী মহাযজ্ঞ শুরু হয়। এতে দেশ- বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তরা যজ্ঞের আহুতি হিসেবে ফল, ফুল, দুর্বা, বেলপাতা সহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী যজ্ঞ স্থলে প্রদান করেন।
এদিকে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ উৎসবকে কেন্দ্র করে কালভৈরব মন্দিরের আশপাশ এলাকা ও তিতাস নদীর তীরে বসেছে লোকজ মেলা। মেলায় নাগর দোলা সহ খেলনা সামগ্রী ছাড়াও মাটির তৈরী হরেক রকমের সামগ্রীর পন্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত চলে এই উৎসব।
যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত শ্রী মধুসূধন চক্রবর্তী বলেন, কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গনে এবার ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। পাঁচদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন। এবারে বিশেষ আকর্ষনে চন্ডী মায়ের অপর রূপ বগলামুখী মায়েরও পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যজ্ঞের অতিথি পুরোহিত ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত অনুপম ভট্টাচার্য্য বলেন, আপনারা দেখবেন ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে অনেক ঘটনা ঘটছে। যা আমরা চিন্তা করতে পারিনা। ২০২৩ জাতি ও জীবের জন্য ভয়ঙ্কর সন্ধিক্ষণ । শনি মহারাজ এবার কুম্ভের ঘরে। আমরা যজ্ঞ করি কারণ এই যজ্ঞের ধ্বনি মহাকাশে গিয়ে প্রতিধ্বনির সৃষ্টি করে। মহাকালকে তুষ্ট করার জন্যই এই যজ্ঞ করা হয়।

এ ব্যাপারে কালভৈরব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ ভট্টাচার্য্য জানান, জীব ও জগতের শান্তি কামনায় প্রতি বছর যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছে। যজ্ঞকে কেন্দ্র করে এবারো দেশ বিদেশের ভক্তরা মন্দিরে সমবেত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালভৈরব মন্দিরে ৫দিনব্যাপী মহাযজ্ঞ মহোৎসব শুরু

ফেসবুকে আমরা..