ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ

প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) শেষ পর্যন্ত কিলিয়ান এমবাপের কাছে হেরেই যাচ্ছে। এই ফরাসি তরুণ একের পর এক নতুন চুক্তির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিচ্ছেন। সেজন্য ক্লাবটিকে বাধ্য হয়েই তার জন্য বিভিন্ন ক্লাবের দেওয়া প্রস্তাব গ্রহণ করতে হচ্ছে। ফলে এগিয়ে রয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। ফরাসি গণমাধ্যমে এমন সংবাদই প্রকাশ পেয়েছে।

অনেক বছর আগ থেকেই রিয়াল মাদ্রিদ এমবাপেকে নজরে রেখেছে। বিশেষ করে  সবচেয়ে বেশি ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর থেকেই তাকে পেতে মরিয়া হয়ে আছে দলটি। কিন্তু এ কারণে তার ক্লাব পিএসজি শুরু থেকেই বাঁধ সাধছে। বর্তমান সময়ের  অন্যতম সেরা তরুণকে হাতছাড়া করতে রাজী নয় ক্লাবটি। আর চলতি মৌসুম শেষেই তাদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এমবাপের। পিএসজি চাইলেও আগামী মৌসুমে তাকে আটকে রাখতে পারবে না৷

তাই সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চাইছেন এমবাপে। এখন যদি তাকে ছেড়ে না দেওয়া হয় তাহলে আগামী মৌসুমে পিএসজিকে তাকে ছাড়তেই হবে৷ সেজন্য বিনা পয়সায় ছেড়ে দেওয়ার থেকে এমবাপ্পেকে এ মৌসুমে বিক্রি করে দেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই রিয়ালের দেওয়া এই প্রস্তাবকে বিবেচনা করতে হচ্ছে ফরাসি ক্লাবকে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টস জানিয়েছে, ট্রান্সফার উইন্ডো শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই পিএসজি তাকে বিক্রি দেওয়ার চিন্তা করছে৷

রিয়াল মাদ্রিদ এমবাপের অপেক্ষায় চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত খরচ করে কোন খেলোয়াড় কিনেনি৷ ক্লাবটি একজন বড় তারকা কেনার আশায় রয়েছে। সেই সাথে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর শূন্যতা পূরণও করতে চাইছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু তিন বছর পার হয়ে গেলেও রোনালদোর শূন্যতা পূরণ এখনও করতে পারেনি ক্লাবটি। এবং সে শূন্যতা পূরণ করতে একমাত্র এমবাপেই পারেন বলে তাদের বিশ্বাস৷ রিয়াল শেষ পর্যন্ত যদি তাকে না পায় তাহলে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের আর্লিং হালান্ডের পেছনে লাগতে পারে। আরেকদিকে আরএমসির সংবাদ অনুযায়ী, এমবাপে যদি পিএসজি ছাড়েন, তাহলে দলটি এমবাপ্পের শূন্যতা পূরণ করার জন্য জুভেন্টাস থেকে রোনালদোকে কেনার চিন্তা করছে। যদি এমটি হয় তাহলে মেসি-রোনালদোর স্বপ্নের জুটিও দেখতে পারে ফুটবল বিশ্ব।

সূত্রঃ মুহূর্ত টিভি 

এমবাপ্পে কি রিয়ালের অংশ হবে?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ

চলতি বছরের ২ অক্টোবর কাতারের আইনসভা শুরা কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রোববার দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির অফিস থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছোট্ট দেশ হচ্ছে কাতার৷ সে দেশটির আইনসভার আসন সংখ্যা হচ্ছে ৪৫। দেশের আইন অনুযায়ী, ৩০ টি আসনে নির্বাচন হবে আর বাকি ১৫ জন সদস্যকে আমির শেখ তামিম নিয়োগ দিবেন৷ আইনসভা শুরা কাউন্সিলের সদস্যদের মূল দায়িত্ব হবে তিনটি৷ আইন প্রণয়ন করা, দেশের জাতীয় নীতি নির্ধারণ করা, বাজেট প্রণয়ন এবং সেটি পাস করা।

চলতি বছরের ২৯ জুলাই দেশটির কাতারে জাতীয় নির্বাচন সংক্রান্ত আইনে স্বাক্ষর করেন৷  আমিরের এই সাক্ষরের ফলে দেশটিতে প্রথমবারের মতো কাতারের জনগণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আইন প্রণেতা বেছে নেওয়ার সুযোগটি পেতে যাচ্ছেন৷

কাতারকে নির্বাচনী আইনে ৩০ টি নির্বাচনী জেলা ভাগ করা হয়েছে। সেই সাথে প্রতিটি জেলা থেকে বিজয়ী প্রার্থীরা আইনসভার সদস্য হিসেবে প্রবেশাধিকারের সুযোগ পাবেন।

শেখ তামিম ২০২০ সালের নভেম্বরে নির্বাচন ও ভোটের আয়োজনের জন্য একটি কমিটি গঠনের আদেশ দিয়েছিলেন। সেই কমিটি গত কয়েক মাসে নির্বাচনী আইন ও এই বিষয়ক সাংবিধানিক নীতিগুলো প্রণয়ন করেছে।

নতুন এই আইনে বলা হয়েছে, ১৮ বা তার তদূর্ধ্ব বয়সী নাগরিকরা এবং যাদের দাদা কাতারে জন্মগ্রহণ করেছেন- তারা, তাদের বংশধরসহ পরিবারের বাকি সদস্যরা যে জেলার বাসিন্দা তারা সেই জেলায় ভোট দিতে পারবেন। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রার্থীদেরকে অবশ্যই কাতারি বংশোদ্ভূত এবং ৩০ বছর বয়সী হতে হবে।

২০০৩ সালের করা নতুন সংবিধানের আওতায় কাতারে পৌরসভা নির্বাচন হয়ে আসছে৷ আইনসভা শুরা কাউন্সিলেও এমন আংশিক নির্বাচন হতো। অবশ্য সেই সংবিধানে দেশটিতে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধ ছিল। অবাকের বিষয় হচ্ছে নতুন নির্বাচনী আইনেও সেই নিষেধাজ্ঞাটি বহাল রাখা হয়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলগুলোর মধ্যে ছোট একটি দেশ কাতার। দেশটির জনসংখ্যা আনুমানিক ২৭ লাখ বা তার বেশি। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ হচ্ছে কাতারি। আর বাকি ৯০ শতাংশই মানুষই বিভিন্ন দেশ থেকে কাজের খোঁজে সেখানে গিয়ে বসবাস করা অভিবাসী কর্মী।

 

সূত্রঃ মুহূর্ত টিভি 

কাতারের জাতীয় নির্বাচন ২ অক্টোবর 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ

তিন সন্তানের নীতিটি চূড়ান্ত অনুমোদনের দ্বারা এটিকে আইনে পরিণত করেছে চীন । শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা সিনহুয়া নিউজে চীনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় পার্লামেন্ট ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (এনপিসি) এক বৈঠকে দেশটির শীর্ষ আইন প্রণেতাদের সম্মতিতে এ আইন পাস হয়৷

পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন গত শতকের সত্তরের দশকে থেকেই এক সন্তান আইন নিয়মটি চালু করেছিল। আইনের প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল জন্মহার নিয়ন্ত্রণের দ্বারা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ। এই আইনের আওতায় যদি কোনো দম্পতি একজনের বেশি সন্তান নিতেন, তাহলে সেই দম্পতিকে আর্থিক জরিমানাসহ পড়তে হতো নানা হয়রানি৷

দীর্ঘদিন এই আইনটি চালু রাখার কারণে একসময় দেশটিতে জন্মহারের ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। বয়সের অনুপাতে জনবিন্যাসের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার উপক্রম শুরু হয় এবং সেই সাথে কর্মক্ষম যুবশক্তির পরিমাণ ও ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।

এরপর ২০১৬ সালে চীন সেই আইনটি সংশোধন করে দুই সন্তান নীতি চালু করে; কিন্তু সেই আইন পরিবর্তন করা হলেও নিম্নমুখী জন্মহারের সেই রেখচিত্রটি কাঙ্খিতমাত্রায় আর ঊর্ধ্বমুখী করা যায়নি।

এর ফলে, আইনে পুনরায় পরিবর্তন আনতে চলতি বছরের মে মাস থেকে তিন সন্তান নীতি চালুর আলোচনা শুরু হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সেটি আইনে পরিণত হয়েছে। এনপিসির আইন প্রণেতারা শুক্রবার নতুন এই আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বৈঠকে সন্তান জন্মদান কালীন মাতৃত্ব ও পিতৃত্ব ছুটি বাড়ানোর জন্য, চাকরিতে নারীদের অগ্রাধিকার ও শিশুর যত্ন এবং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যত অবকাঠামোগত (চাইল্ডকেয়ার) কাজ রয়েছে সেগুলো উন্নয়নের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছেন৷

 

সূত্রঃ মুহূর্ত টিভি 

তিন সন্তান নীতির আইন চীনে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত অ্যাপলকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক জরিমানা করে রায় দিয়েছেন। সেই জরিমানার টাকা অপটাস ওয়্যারলেস টেকনোলজিস এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া হবে। সম্প্রতি টেক্সাসের একটি আদালত এ রায় ঘোষণা দেন।

জানা গেছে, অপটাস ওয়্যারলেস টেকনোলজিসের পেটেন্ট মালিকানা থাকা অবস্থায় কিছু প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে অ্যাপলকে এ জরিমানাগুলো করা হয়েছে।
অ্যাপল তাদের আইফোন, আইপ্যাড ও স্মার্টওয়াচের মতো ডিভাইসে প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করে আসছে৷  এর আগেও গত বছর এই মামলায় অ্যাপল প্রতিষ্ঠান ৫০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছিল। সেই জরিমানার হিসেব করে পুনঃনির্ধারণে  এপ্রিল মাসে নতুন করে আবার  বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সেই রায়েই এইবার ৩০০ মিলিয়ন ডলারের জরিমানা নির্ধারণ করা হয়৷

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা স্পুটনিকের করা একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, অপটাস ওয়্যারলেস টেকনোলজিসের একটা সময় এলজি, স্যামসাং ও প্যানাসনিকের মালিকানায় পেটেন্ট থাকা পাঁচটি প্রযুক্তি  ছিল। এদিকে অ্যাপল এই রায়ের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে৷

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, অপটাস ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলা দায়ের করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ এক ই-মেইল বার্তায় বলা হয়, তারা (অপটাস) কোনো প্রযুক্তি উদ্ভাবনীকর প্রতিষ্ঠান নয়। তাদের একমাত্র কাজই হচ্ছে অর্থের জোর দিয়ে পেটেন্ট কিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা। আমরা তাদের অর্থ আদায়ের এই অবৈধ উপায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবো।

অ্যাপল কে ৩০০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্কঃ
প্রযুক্তির জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান অ্যাপল তাদের সফটওয়্যারের করা নতুন এক আপডেটে শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য ছবি যাচাইয়ের টুলসটি চালু করতে যাচ্ছে। এই টুলসটি পরিচালিত হবে বিভিন্ন দেশের স্থানীয় আইনের ওপর ভিত্তি করে। অ্যাপল শুক্রবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে। 

অ্যাপল কর্তৃপক্ষ কোনো একটি ছবিতে শিশু নিপীড়নের আলামত শনাক্তের পর সেটিকে প্রথমে যাচাই করে দেখবে। তারপর যদি দরকার হয় তাহলে আইন-শৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সাথেও যোগাযোগ করে তাতক্ষণিক  জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

হোয়াটসঅ্যাপ প্রধান উইল ক্যাথকার্ট অ্যাপলের ছবি যাচাই করার পরিকল্পনা নিয়ে ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছেন৷ তিনি আরও জানিয়েছেন, এটি ‘অ্যাপলের তৈরি ও পরিচালিত নজরদারির একটি প্রক্রিয়া যেটি খুব সহজেই তারা অথবা সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া এমন ব্যক্তিগত যে কোনো কনটেন্ট স্ক্যানে  ব্যবহার করতে পারবে’৷

অ্যাপলের এক মুখপাত্র বলেছেন, ব্যবহারকারীরা চাইলেই তাদের আইক্লাউড ফটোসটি নিষ্ক্রিয় করে রাখতে পারবে। এবং প্রক্রিয়াটিকে শুধু ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়েটেড চিলড্রেন’ (এনসিএমইসি) ও অন্যান্য সংস্থার দেওয়া ‘পরিচিত’ ছবিগুলোর ডেটাবেজে দ্বারক কাজ করার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।

সূত্রঃ মুহূর্ত টিভি

অ্যাপল যাচাই করবে ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি ডেস্ক
দিন দিন জনপ্রিয়তা কমেই চলছে এক সময়ের সবচেয়ে ব্যবহৃত ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্সের। গত ৩ বছরে প্রায় চার কোটি ষাট লাখ ব্যবহারকারী হারিয়েছে এই  মজিলা ফায়ারফক্স প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু তুমুল এ জনপ্রিয় ব্রাউজারটি এক সময় টক্কর দিয়েছে অ্যাপলের সাফারি ও গুগলের ক্রোম ব্রাউজারের মত নামি-দামি প্রতিষ্ঠানের সাথে৷
বিগত কয়েক বছর আগেও ফায়ারফক্সের অবস্থান ছিল অনেকটাই ভিন্ন। ২০১৮ সালে ব্রাউজারটির মাসিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় চব্বিশ কোটি চল্লিশ লাখ। কিন্তু ব্রাউজারটি পরবর্তী বছরগুলোতে প্রায় পাঁচ কোটি ব্যবহারকারী হারিয়েছে৷ এমন তথ্যই উঠে এসেছে মজিলার নিজস্ব পাবলিক ডেটার এক রিপোর্টে।
ব্যবহারকারীরা যে প্রতিনিয়ত গুগল ক্রোম, মাইক্রোসফট এজের মতো ক্রোমিয়াম-ভিত্তিক ব্রাউজারের দিকে বেশি ঝুঁকছেন, বিষয়টি সেদিকেই সবচেয়ে বেশি ইঙ্গিত করছে। অবশ্য অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে প্রি-ইন্সটলড হিসাবেই চলে আসে গুগল ক্রোম।  আবার অন্যদিকে, উইন্ডোজের মধ্যে ডিফল্ট ওয়েব ব্রাউজার হিসাবেই থাকে মাইক্রোসফট এজ।
তা ছাড়াও ক্রোমে যাতে দ্রুত ওয়েবসাইট লোড করা যায় সেটির জন্য অপটিমাইজড অবস্থায়  চলে আসে গুগল ক্রোম। অথচ সাম্প্রতিক কয়েক বছরগুলোতে প্রতিযোগিতায় বজায় রাখতে ফায়ারফক্সে নানা ধরণের সুবিধা নিয়ে এসেছে মজিলা। এতে ব্যবহারকারীদের গোপনতা সুরক্ষিত রাখতে নিজেদের মত করে ডিফল্ট ট্র্যাকিং সুরক্ষা সেটিংসেও অনেক পরিবর্তন এনেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
আবার অনেকেই বলছেন, ফায়ারফক্সে পর্যাপ্ত কার্যকারিতার আপডেটের অভাবের ফলেই ব্যবহারকারীরা আস্তে আস্তে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে এই ব্রাউজারটির মাসিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র উন্নিশ কোটি আশি লাখ।
সূত্রঃ মুহূর্ত টিভি

ফায়ারবক্সের জনপ্রিয়তা কমছে

ফেসবুকে আমরা..