২০২৩ সালের মধ্যে আখাউড়া-লাকসাম ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সেলিম রেজা বলেছেন, করোনার পরিস্থিতিতে ভারতে লকডাউনের কারণে রেললাইনের স্লিপার আনতে সময় লাগছে। তবে দ্রুতই আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। আর ২০২৩ সালের মধ্যে আখাউড়া-লাকসাম ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

আজ ঢাকা থেকে মহানগর ট্রেনে রওয়ানা দিয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় রেলসচিব আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে পৌঁছেন।
আখাউড়া-আগরতলা ও আখাউড়া-লাকসাম রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নিতেই রেলসচিব আখাউড়ায় আসেন। পরে তিনি একই ট্রেনে লাকসামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এর আগে সাংবাদিকের সাথে তিনি কথা বলেন। বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

তিনি বলেন, ভারত থেকে রেললাইনের স্লিপার আনতে হয়। ভারতে এখন লকডাউন শুরু হয়েছে। ভারতের সাথে কাজের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এজন্য স্লিপার আনতে সময় লাগছে। করোনার পরিস্থিতির কারণেও সময় লাগছে। সবগুলো প্রকল্পই দ্রুততার সাথে শেষ করতে সবাই চেষ্টা করছে ।

রেলসচিব বলেন, করোনার পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বের মতো আমরাও অনেকটা পিছিয়ে পড়েছি। আশা করছি ২০২৩ সালের মধ্যেই আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ ও আখাউড়া লাকসাম ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণসহ রেলের সকল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আমরা শেষ করতে পারবো।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে রেল সচিব বলেন, দ্রুত আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের কার্যক্রম চালু করব। ইতিমধ্যেই আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে কয়েকটি ট্রেনের যাত্রা বিরতি দেওয়া শুরু করেছি। পুরো উদ্দ্যোমে কাজ চলছে। দ্রুত কাজ শেষ করে স্টেশনের কার্যক্রম চালু করা হবে।

এসময় তিনি আরও বলেন, রেল সম্পূর্ণ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। আমাদের সরকারি যে বিধি-বিধান আছে সেই অনুযায়ী চলতে হয়। আমাদের স্বাস্থ্যের দিকটি আগে ভাবতে হবে। আপনারা জানেন করোনার কারণে সারা বিশ্বে কি অবস্থা হয়েছে। ট্রেনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে একটি আসন ফাঁকা রেখে আরেকটা আসনে বসে যাত্রীদের যাতায়ত করতে হয়। কেউ যদি নিয়ম না মানে তাহলে রেলের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে মাঠ কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া আছে। করোনার এই সময়ে অন্য যে কোনো মাধ্যমের চেয়ে রেলবিভাগ অনেক ভালোভাবে নিয়ম-কানুন মেনে চলছে।
তিনি বলেন, আমি চলন্ত ট্রেনের বিভিন্ন বগিতে গিয়ে যাত্রীদের সাথে কথা বলেছি। তাঁদের কোনো অভিযোগ নেই। তাঁরা আরামদায়কভাবে ট্রেনে ভ্রমণ করছে। প্রধানমন্ত্রী রেলকে একটি আরামদায়ক ও নিরাপদ মাধ্যম হিসাবে গড়ে তুলতে চায়। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করছি।

এসময় রেলসচিবের সাথে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) জাহাঙ্গীর আলম, রেলওয়ের ঢাকার বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক সাদেকুর রহমান, ডিটিও মোঃ খায়রুল কবির, ডিসিও মোঃ সৈকত জামিল, আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী সুভক্ত গিল, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম, রেলওয়ে স্টেশন সুপার মো. কামরুল হাসান প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা..