স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী বলেছেন, ভারতে টিকার উৎপাদন বেড়েছে। ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা থাকার পরই আমারা বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে পারবো। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফেরার পথে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিক্রম দোরাই স্বামী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য বেড়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি হলে দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্য আরো বাড়বে। বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ বলতে পারেন নি ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী আখাউড়া স্থলবন্দরে দু’দেশের শূণ্য রেখায় পৌছলে তাকে স্বাগত জানান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান।

এ সময় হাই কমিশনারের সাথে তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা দুরাই স্বামীসহ স্বজনেরা ছিলেন। উল্লেখ্য গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাই স্বামী ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা দুরাই স্বামী আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারতে যান।

ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা থাকার পরই আমারা বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে পারবো- বিক্রম দোরাই স্বামী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
টিকা নিয়ে আলোচনা করতে দিল্লী গেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। রোববার সকালে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারতে যান। সকাল পৌনে ৯টার দিকে তিনি ভারতে প্রবেশ করেন।

ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী আখাউড়া স্থল বন্দরে পৌছলে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

স্থল বন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবারে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, টিকা বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি দিল্লী যাচ্ছেন।

বাংলাদেশকে কবে নাগাদ করোনার টিকা দেয়া হবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে সময়ক্ষণ বলতে পারেননি তিনি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত টিকা সরবরাহ করা হয় সে বিষয়ে আলোচনা করতে দিল্লী যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

এ সময় দোরাইস্বামী আরো বলেন, দুই দেশের মধ্যে সড়ক ও রেলপথ সংযোগ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে দুই দেশই কাজ করছে। এতে উভয়েই লাভবান হবে।

দিল্লী গেলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সীমা আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকেরা।  শুক্রবার রাতে শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওই গৃহবধূর লাশ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।

গৃহবধূ সীমা আক্তার জেলার আখাউড়া উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের কন্যা ও বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নলগড়িয়া গ্রামের আবুল হাসানের স্ত্রী।

সীমা আক্তারের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৩ বছর আগে আবুল হাসানের সাথে বিয়ে হয় সীমার। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলে আসছিল। শুক্রবার দুপুরে স্বামী আবুল হাসানের সাথে সীমার ঝগড়া হলে আবুল হাসান সীমাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পর মেরে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এতে সীমা অভিমান করে সন্ধ্যায় ঘরে থাকা বিষপান করে।

স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আরিফুজ্জামান হিমেল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই আবুল হাসান ও পারিবারের লোকজন সীমার লাশ হাসপাতালে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আরিফুজ্জামান হিমেল বলেন, গৃহবধূকে মৃত অবস্থাতেই হাসপাতালে আনা হয়েছিলো। আমরা তাকে মৃত ঘোষণার পর তার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর্জা মোহাম্মদ হাসান বলেন, সীমা আক্তারকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা রীনা বেগম বাদি হয়ে শনিবার সকালে স্বামীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ সীমার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই স্বামীসহ অপর আসামীরা পলাতক রয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে স্বামীর পলায়ন

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৪(কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। একমাত্র আল্লাহই পারেন এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দিতে। শনিবার সকালে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমামদের সাথে মত বিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

মন্ত্রী ঢাকা থেকে ভার্চ্যুয়ালি মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন।

এ সময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, জীবন জীবিকার মধ্যে ব্যালেন্স আনা সরকারের কাজ। আমরা সেটা করতে গিয়েই লকডাউন বিষয়ে প্রয়োজন মাফিক ব্যবস্থা নেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতায় আমরা করোনার বড় ধরণের প্রভাব থেকে রক্ষা পেয়েছি। বড় বড় রাষ্ট্র যখন করোনার টিকার ব্যবস্থা করেছে ঠিক তখনই শেখ হাসিনা আমাদের জন্য টিকা কিনে এনেছেন।

তিনি বলেন, আমরা ইমামদের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে পানাহ্ চাইবো তিনি যেন আমাদেরকে পরিত্রাণ দেন।
মত বিনিময় সভায় ইমামদের পক্ষ থেকে মন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ইমামদের বেতন ভাতার দাবি প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে বলে জানান মন্ত্রী। বাকি দাবিগুলো মন্ত্রী পরবর্তীতে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস দেন।

মত বিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার, মহিউস সুন্নাহ মাদরাসার অধ্যক্ষ আসাদ আল হাবিব, খড়মপুর শাহ্পীর কল্লা শহীদ দাখিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি কেফায়েত উল্লাহ, ইমাম সমিতির সভাপতি কাজি মাঈনুদ্দিন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম ভূইয়া, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাইফুল ইসলাম, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মুরাদ হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন শফিক আলেয়া, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ শাহবুদ্দিন বেগ শাপলু।

আখাউড়ায় ইমামদের সাথে মতবিনিময় করছেন আইনমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
করোনা পরিস্থিতিতে সচেতনতামূলক মাইকিং ও মাস্ক বিতরণ করা আখাউড়া পৌর এলাকার রাধানগরের বাসিন্দা শিশু রুদ্রজিৎ পালের জন্মদিনে ব্যতিক্রম আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার রুদ্রপালের অষ্টম জন্মদিন উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসহায়তা ও নগদ টাকা দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবুর প্রথম সন্তান রুদ্রজিৎ পাল। স্থানীয় মেধা বিকাশ প্রি ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী রুদ্রপাল গত বছর করোনাকালীন সময়ে নিজেই দিনভর আখাউড়া পৌর এলাকার বিভিন্নস্থানে মাইকিংয়ের পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ব্যাপক প্রশসংসা পায় ও শুভেচ্ছা পুরষ্কারেও ভূষিত হয় রুদ্র।

রুদ্র পালের বাবা বিশ্বজিৎ পাল বলেন, বৈশ্বিক মহামারীর কারণে এ বছর রুদ্র’র জন্মদিন একেবারে ঘরোয়াভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ব্যাপকভাবে জন্মদিন না পালন না করে ওই টাকায় বুধবার রুদ্রের অষ্টম জন্মদিনে পাঁচজন দরিদ্রকে চাল, ডাল, পেঁয়াজ, আলু, পেঁপে উপহার দেয়া হয়। এ ছাড়া পাঁচজনকে নগদ টাকা দেয়া হয়।

আখাউড়ায় কর্মহীনদেরকে সহায়তা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ৮০ হালি (৮শত কেজি) আনারস পাঠিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।  রোববার সকাল সোয়া ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে এই আনারস পাঠানো হয়।

এর আগে একই স্থলবন্দর দিয়ে গত ৫ জুলাই ত্রিপুরার মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের জন্য ৩শত কেজি হাড়িভাঙ্গা আম পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আম পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ত্রিপুরার মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ত্রিপুরা রাজ্যের ইন্ডাস্ট্রিজ কমার্স ও ট্যুরিজম এর ডাইরেক্টর তড়িৎ কান্তি চাকমা কার্টুন ভর্তি আনারস নিয়ে সকালে স্থলবন্দরের নো-ম্যানসল্যান্ডে আসেন। পরে বাংলাদেশের পক্ষে আনারস গ্রহণ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সহকারী ভারতীয় হাইকমিশন চট্টগ্রামের দ্বিতীয় সচিব উদত ঝাঁ, আখাউড়া স্থলবন্দরের সহকারি পরিচালক (ট্রাফিক) মোস্তাফিজুর রহমান।

উপহার সামগ্রী সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পোঁছানো হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ৮০ হালি আনারাস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আজ রোববার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য কোপা আমেরিকা ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে মাঠে ঘাটে, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে বাকযুদ্ধ। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছেন।

দু’দলের সমর্থকদের উত্তেজনা প্রশমন করার লক্ষ্যে ফাইনাল খেলার দিন ভোর থেকেই জেলা জুড়ে হাজারো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শনিবার জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে বড় পর্দায় ফাইনাল খেলা দেখা নিষিদ্ধের পাশাপাশি সব ধরণের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোপা আমেরিকার ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে এর উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে ফুটবল প্রেমীদের মাঝে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিশ্বের অন্যতম ফুটবল টীম চীর প্রতিদ্বন্দ্বি ব্রাজিল ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে বাকযুদ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে এইসব বাকযুদ্ধ।

ইতিমধ্যে ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলায় চার জন আহত হয়। তাই এই দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রোববার ভোর ৬টা থেকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খোলা জায়গায় বড় পর্দায়, কোন ক্লাবে বা চায়ের দোকানে কোথাও খেলা দেখার আয়োজন করতে দেয়া হবেনা।
এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে। ফাইনাল খেলার দিন ভোর ৫টা থেকে মাঠে থাকবে পুলিশের বিশেষ টিম। এছাড়াও জেলার ১১৬টি বিটে ৪জনে দল করে ১ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে থাকবে। খেলা শেষ হওয়ার পর কোন অবস্থাতেই বিজয় মিছিল করা যাবে না। আমরা সেটি করতে দেবো না। এ ব্যাপারে আমরা জনপ্রতিনিধিদের সহায়তা চাইবো। কেউ যদি পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য ৬ জুলাই (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের দামচাইল গ্রামে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার জন আহত হয়। আহতদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আহতরা হলেন, সেলিম মিয়া-(৪৫), ছয়দাবুর রহমান-(২৫), জাকির মিয়া- (৩৫) ও নওয়াব মিয়া-(৬০)। আহতদের মধ্যে ৩জন আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ১জন ব্রাজিল সমর্থকের চাচা। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ॥ মাঠে থাকবে হাজারো পুলিশ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় ২জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা দু’জনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এদের মধ্যে একজন মহিলা ও একজন পুরুষ। শুক্রবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫১৩টি নমুনা পরীক্ষায় করে করোনা আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন ৮৪ জন।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন আশুগঞ্জ উপজেলার পুরুষ-(৪৫) ও আশুগঞ্জ উপজেলার মহিলা-(৫৫)। এই দু’জন নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭১ জন মারা যান।

নতুন সনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছেন ৮ জন, কসবায় ৩৮, সরাইলে ৪, আখাউড়ায় ৩, আশুগঞ্জে ৮, নাসিরনগরে ২, বিজয়নগরে ২, বাঞ্চারামপুরে ১৯ জন করে রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় মোট ৪ হাজার ৬৬৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ জন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে ২জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৮৪ জন


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন উপেক্ষা ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক না পরা, লকডাউনে দোকান খোলা রাখা, অযথা বাইরে ঘুরাফেরা, সামাজিক দূরত্ব না মানা, মোটর সাইকেল নিয়ে অযথা ঘুরাফেরাসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে গত বুধবার (৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে এই জরিমানা করেন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দাস বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন মানার জন্য জন-সাধারণকে বার বার বলা হচ্ছে। লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা শহর সহ ৯টি উপজেলায় ৩২জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। পাশাপাশি রয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি বলেন, লকডাউন চলাকালে গত ৭ দিনে (১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই) রাত পর্যন্ত জেলায় সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন-২০১৮ এর ধারাসমূহ লঙ্ঘনের অপরাধে ২ হাজার ১৭৩ জনকে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত বুধবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন। জেলায় করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন মোট ৬৯জন করোনায় মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কঠোর লকডাউনে ৭দিনে ২ হাজার ১৭৩ জনকে জরিমানা


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিডি ক্লিনের “মাস্ক পড়ি করোনা থেকে নিরাপদ থাকি, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মহামারী করোনাভাইরাস থেকে নিরাপদে থাকতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ১ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় পৌর শহরের সড়ক বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে এসব মাস্ক বিতরণ করা হয়।

মাস্ক বিতরণকালে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাইফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিডি ক্লিনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমন্বয়ক সোহান মাহমুদ,আখাউড়া উপজেলা সমন্বয়ক রমজানুল ইসলাম, কসবা উপজেলা সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন বাবুল প্রমুখ।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আক্তার বলেন, মহামারী করোনাভাইরাস থেকে নিরাপদে থাকতে বিডি ক্লিন উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। তিনি লকডাউন চলাকালে অযথা কাউকে ঘর থেকে না বের হওয়ার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহবান জানান।

আখাউড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরণ

ফেসবুকে আমরা..