২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৭ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৪৭৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৭ জন গ্রেফতার


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে গত ২১ দিনে ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন ৬২৭ যাত্রী। তাদের মধ্যে ৬১২ জন বাংলাদেশী নাগরিক ও ১৫ জন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসে কর্মরত ভারতের নাগরিক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিআইওয়ান) ইমতিয়াজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) নিয়ে এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আরটিপিসিআর ল্যাবের করোনা টেস্টের সনদ নিয়ে দেশে ফেরার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ সরকার।
সেই নির্দেশনা মোতাবেক গত ২১ দিনে ৬২৭জন বাংলাদেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে সর্বশেষ গতকাল রোববার ২৭জন দেশে ফিরেছেন। ৬২৭ জনের মধ্যে ৬১২ জন বাংলাদেশী নাগরিক ও ১৫ জন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসে কর্মরত ভারতের নাগরিক।

মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ আরো বলেন, গত ২৬ এপ্রিল থেকে গতকাল রোববার (১৬ মে) পর্যন্ত এসব যাত্রীরা বাংলাদেশে আসেন। অপরদিকে এই সময়ে বাংলাদেশে আটকা পড়া ১৮৫ জন ভারতীয় পাসপোর্টধারী নাগরিকও তাদের নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

আখাউড়া স্থল বন্দর পুলিশের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক আবদুল হামিদের বরাত দিয়ে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইমতিয়াজ আহমেদ আরো বলেন, গত শনিবার ১২ জন যাত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে তিন জনকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ও ৯ জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ফিরে আসা প্রত্যেক যাত্রীকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ২৭৩ জন যাত্রীকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন সেন্টারে রাখা হয়েছে।

এদিকে ভারত থেকে আসা একজন যাত্রীর করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হওয়ায় তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

২১ দিনে ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন ৬২৭ যাত্রী

গত  ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৫ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৪৬২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৫ জন গ্রেফতার

২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত ইসলাম কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও তান্ডবলীলা চালায়। সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরীতে পরিনত করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ আভিযানিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৬, ২৭ ও ২৮ শে মার্চ-২০২১খ্রিঃ হেফাজত
ইসলাম কর্তৃক বিক্ষোভ কর্মসূচি ও হরতাল চলাকালে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের তান্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট ০৬ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উক্ত সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থির চিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য হেফাজতের তান্ডবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯ টি, আশুগঞ্জ থানায় ০৪ টি ও সরাইল থানায় ০২ টিসহ সর্বমোট ৫৫টি মামলা রুজু হয়েছে। এসকল মামলায় ৪১৪ জন এজাহারনামীয় আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ হাজার লোকের নামে মামলা হয়েছে। এসকল মামলায় সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সর্বমোট ৪৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রেস রিলিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তান্ডবে অগ্নিসংযোগ ও তান্ডবে জড়িত আরও ০৬ জন গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত “হাসিমুখ” নামক একটি সামাজিক এই সংগঠনের উদ্যোগে একশত শিশুকে ঈদ উপলক্ষে নতুন জামা-কাপড় প্রদান করা হয়েছে। নতুন জামা পেয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করে শিশুরা।
আজ শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর-এ-আলমের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক বিশ্বজিৎ পাল বাবুর সঞ্চলনায় জামা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক তাকজিল খলিফা কাজল।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মমিন বাবুল, তুলাই শিমুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসান, পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ সিরাজুল ইসলাম এমরান।

এ সময় সংগঠনের সভাপতি জাবেদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আকাশ বাসফোর, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর চৌধুরী, হাসান মাহমুদ পারভেজ ও নারী বিষয়ক সম্পাদক সাদেকা খাতুন চাঁদরিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংগঠনের সদস্যরা শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোশাকের মাপ নিয়ে নতুন জামা কিনে দেন।
সংগঠনের সভাপতি জাবেদুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক আকাশ বাসফোর বলেন, বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নত আখাউড়া উপজেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে ২০১৪ সালে ‘হাসিমুখ’ সংগঠনটি গঠন করা হয়। ছাত্রছাত্রীদের হাতখরচের টাকা বাঁচিয়ে মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে তারা বিভিন্ন সেবা মূলক কাজ করছেন।

আখাউড়ায় একশত শিশুকে ঈদের জামা প্রদান


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাইক্রেবাসের চাপায় সজীব দেবনাথ-(২৩) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত ও অপর দুইজন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের আখাউড়া উপজেলার তন্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সজীব দেবনাথ উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের শংকর দেবনাথের ছেলে। সজীব দেবনাথ তন্তর বাজারের কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সাড়ে ১০টার দিকে সজীব তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাজারের কয়েকজন বাড়ি যাওয়ার সময় তন্তর বাজারের রাস্তা পারাপার হওয়ার দ্রুতগতির একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ সময় অপর দুই ব্যক্তি আহত হন।
এ ব্যাপারে বিশ্বরোড খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার এএসআই হাছন আলী বলেন, আমরা নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছি। আহতদেরকে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘাতক মাইক্রোবাসটি পালিয়ে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি।

আখাউড়ায় মাইক্রোবাসের চাপায় ব্যবসায়ী নিহত

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় “ স্বপ্নতরী” নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে চারশত রিকসা চালকের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। গতকাল (শুক্রবার)  সকালে পৌর শহরের শহরের সড়ক বাজার, উপজেলার আজমপুর, গাজীরবাজার, কর্ণেল বাজার, ধরখার, তন্তর এলাকায় এসব ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। ঈদ উপহারের মধ্যে ছিলো সেমাই, চিনি, নারিকেল, চিনি, বাদাম, কিচমিচ।

ঈদ উপহার বিতরণকালে পৌর মেয়র মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল, উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হান্নান ভূঁইয়া স্বপন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. আব্দুল মমিন বাবুল, স্বপ্নতরীর সভাপতি মাকসুদুল আলম, সাধারন সম্পাদক মো. শরীফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম, এসবি লিটন, মো. মোস্তাকিম, বিএম ফরহাদ, মো. মিনহাজুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্বপ্নতরীর সাধারন সম্পাদক মোঃ শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘করোনাকালীন সময়ে মানুষ খুবই অসহায় অবস্থায় আছে। আমরা আমাদের সাধ্যমতো কিছু করার চেষ্টা করেছি।

আখাউড়ায় চারশত রিকসা চালকের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অনলাইন টিভি:

“আমাদের বন্ধুত্ব রইবে নির্ভর” সেই প্রতিপাদ্য নিয়ে আবরনি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে হাসপাতালের রোগীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ মে) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের রোগীদের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেন আবরনি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান পারভেজ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কান্দি দত্ত, ডেইলি স্টারের জেলা প্রতিনিধি মাসুক হৃদয়, এটিএন নিউজের চিত্র সাংবাদিক সুমন রায়, বাংলা নিউজের জেলা প্রতিনিধি মেহেদী নুর পরশ, ডেইলী ট্রাইব্যুনালে জেলা প্রতিনিধি ইফতেহার রিফাত, সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা তানভীর আক্তার, কৃত্তি বিলাস এর সিও কাজী নাজমুল ইসলাম উজ্জ্বল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আজহার উদ্দিন প্রমূখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের রোগীসহ গরীব ও অসহায় মানুষ করোনাভাইরাসের এই কঠিন সময়ে ইফতারসামগ্রী পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। হাবিবুর রহমান পারভেজ বলেন, সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে ছিল আবরনি। আগামী সময়ে আবরনির এমন প্রচেষ্ঠা অব্যহত থাকবে।

 আবরনি সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. কাজল, হেলাল আহমেদ, হারুন মোল্লা, সাইফুল আজিজ সোহেল, মো: সুহেল মিয়া, ফরহাদ হোসেন জুয়েল, বিল্লাল হোসেন, সোহরাফ মিয়া, শিশা শিপন, জয়নাল আবেদীন বিপ্লব, ইয়াসিন রোমান প্রমূখ।

এসময় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি ২০০ শতাধিক রোগী ও স্বজনদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

হাসপাতালের রোগীদের ইফতার করালো আবরনি

স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখনই সুযোগ পেয়েছেন তখনই মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে চেষ্টা করেছেন। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ও ২০০৮ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছেন। যে কারণে বাংলাদেশ এখন মর্যাদার আসনে।
তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া ১ হাজার মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। মন্ত্রী ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁনের সভাপতিত্বে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমপি আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে এই রোজায় যেন আপনারা কষ্ট না পান সে জন্য প্রধানমন্ত্রী আপনাদের জন্য উপহার পাঠিয়েছেন। আপনারা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন তিনি যেন আমাদেরকে এই মহামারী থেকে রক্ষা করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মোঃ তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক মোঃ জয়নাল আবেদীন, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ১ হাজার কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সুবিধাভোগীরা খাদ্য সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আখাউড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ


স্টাফ রিপোর্টার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে। এরই মধ্যেই করোনার ঝুঁকি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থল বন্দরের ইমিগ্রেশন হয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশী যাত্রী প্রবেশ করেছে। এ অবস্থায় বিষয়টি মনিটরিং করার জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান।

পরিদর্শন কালে তিনি আখাউড়া ইমিগ্রেশন অফিস ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালেতিনি ইমিগ্রেশন অফিসের সামনে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বসানো মেডিকেল টিমের সদস্য ও ভারত থেকে আসা রোগীর স্বজন সহ যাত্রীদের সাথে কথা বলেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন আখাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূরে এ আলম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, ইমিগ্রেশন অফিসার আবদুল হামিদ। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবারে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান বলেন, সম্প্রতি সময়ে আখাউড়া স্থল বন্দর হয়ে ভারত থেকে যাত্রী প্রবেশের হার বেড়েছে। এ অবস্থায় ভারত ফেরত যাত্রীদেরকে বর্তমানে জেলার বিজয়নগর উপজেলায় ৫০শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোয়ারেন্টাইন করা হচ্ছে। ভারত থেকে ফেরা নাগরিকদের সংখ্যা যদি বাড়তে থাকে তাহলে পাশের জেলায় কোয়ারেন্টাইনে রাখার চিন্তা ভাবনা চলছে বলে জানান তিনি। তবে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিক ব্যতিত সব ধরনের বাংলাদেশী নাগরিক ভারতে প্রবেশ বন্ধ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার ৬০ জন আজ বৃহস্পতিবার শতাধিক যাত্রী আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন হয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। তারা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে যাত্রী প্রবেশ বেড়েছে

ফেসবুকে আমরা..